চন্দ্রদ্বীপ নিউজ:২০২৬ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অংশগ্রহন নিশ্চিত , তবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ তারা বয়কট করবে।
আজ রাতে পাকিস্তান সরকারের অফিশিয়াল ‘এক্স’ হ্যান্ডল ও ফেসবুকে একই সঙ্গে দেওয়া পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
পাকিস্তান সরকারের দেওয়া পোস্টে বলা হয়েছে, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র পাকিস্তান সরকার পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে ২০২৬ আইসিসি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের অনুমোদন দিচ্ছে।
তবে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেট দল মাঠে নামবে না।’ কেন এই সিদ্ধান্ত, তার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ অবশ্য বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।
আইসিসির যেকোনো টুর্নামেন্টে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই টানটান উত্তেজনা আর প্রচুর দর্শকের সমাগম । এই সুযোগ কাজে লাগাতে ২০১২ সাল থেকে আইসিসি প্রতিটি ইভেন্টেই দুই দলকে এক গ্রুপে রেখে আসছে। টুর্নামেন্টের সূচিও এমনভাবে সাজানো হয়, যাতে দুই দলের একাধিকবার মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ থাকে।
তবে এবার পাকিস্তানের এমন সিদ্ধান্তে ২০১০ সালের পর প্রথম কোনো আইসিসি টুর্নামেন্ট ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ছাড়াই শেষ হবে।
এবারের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহন নিয়ে অবশ্য একটা সময়ে বড় শঙ্কা দেখা দিয়েছিল।ঘটনার সুত্রপাত ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশে বাংলাদেশ দলের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএলের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাদ দেওয়া কে কেন্দ্র করে ।
বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসারকে বাদ দেওয়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে জানিয়ে দেয়, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না তারা। আইসিসিকে ভেন্যু বদলের অনুরোধ করে বিসিবি।
কিন্তু ২১ জানুয়ারি এক ভার্চুয়াল বোর্ড সভার পর আইসিসি জানায়, বাংলাদেশকে পূর্বসূচি অনুযায়ী ভারতেই খেলতে হবে। বিসিবি নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকার পর গত ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ দলকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেয় আইসিসি।
পাকিস্তানই একমাত্র দেশ যারা বাংলাদেশের ম্যাচগুলো অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার দাবির পক্ষে জোরালো সমর্থন দিয়েছিল শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে বাদ দিয়েই টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু হতে যাচেছ। বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।





