বেপরোয়া গতিতে বাস চালানো বন্ধ করতে বলায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) এক অধ্যাপককে গালাগাল এবং মারধরের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিক পরিবহনের এক বাসচালক ও হেলপারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা ঢাকার পাগলা ইউনিভার্সিটি স্কয়ার থেকে ইউনিক পরিবহনের আরেকটি বাস আটক করে ক্যাম্পাসে নিয়ে যান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে কুয়াকাটা থেকে ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো-ব ১৪-৮৭৭৫) বাসটি যাত্রা শুরু থেকেই অতিরিক্ত গতিতে ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে চালাচ্ছিলেন চালক জসিম। যাত্রীরা আপত্তি জানালেও তিনি তা উপেক্ষা করেন। গোপালগঞ্জের বড়ইতলা এলাকায় যাত্রীদের সঙ্গে বিতণ্ডা হলে পবিপ্রবির অধ্যাপক আসাদুজ্জামান আপত্তি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চালক তাঁকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং মারধরের চেষ্টা চালান।
এসময় কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রতিবাদ করলে হেলপার শাকিল তাঁদেরও ‘মেরে ফেলার’ হুমকি দেন। যাত্রীদের হস্তক্ষেপে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি শান্ত হয়। পরে অধ্যাপক আসাদুজ্জামান ভাঙ্গায় নেমে যান। তবে ঢাকার সায়দাবাদ এলাকায় নামার সময় শিক্ষার্থীদের ফের হেলপারের হুমকির মুখে পড়তে হয়।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ক্যাম্পাসে ক্ষোভ দেখা দেয়। পরে শিক্ষার্থীরা দাবি জানান, চালক-হেলপার ও মালিকপক্ষকে উপস্থিত হয়ে ক্ষমা চাইতে হবে এবং দায়ীদের শাস্তির নিশ্চয়তা দিতে হবে, নাহলে তাঁরা আটককৃত বাস ছাড়বেন না।
অধ্যাপক আসাদুজ্জামান বলেন, “শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে আমি ধীরে গাড়ি চালাতে বলেছিলাম। কিন্তু চালক তাতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার দিকে তেড়ে আসে এবং অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে।”
এ বিষয়ে ইউনিক পরিবহনের জেনারেল ম্যানেজার এম এ মিন্টু জানান, “চালক জসিমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গেও আলোচনায় বসা হবে। এমন ঘটনা আমাদের প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়।”
এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫





