রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি এ পর্যন্ত ১১ হাজার ৪৪৮টি মামলার প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন।
বুধবার (২৮ মে) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে বিলম্ব নিয়ে বিভিন্ন দল অভিযোগ করলেও তা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২০২৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি নিয়মিত সভার মাধ্যমে মামলাগুলো পর্যালোচনা করছে।
কমিটি এখন পর্যন্ত ১৬টি সভায় বিভিন্ন জেলা কমিটি ও সলিসিটর কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তালিকা ও দলিলপত্র বিশ্লেষণ করে ১১ হাজার ৪৪৮টি মামলার প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে। এ কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে।
প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে রাজনৈতিক দলগুলোকেও হয়রানিমূলক মামলার তালিকা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চলতি বছরের ১০ থেকে ১৪ জানুয়ারির মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার মামলা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২৭ এপ্রিল ১,২০০টি মামলার তালিকা জমা দিয়েছে।
তবে এসব তালিকার প্রায় অর্ধেক মামলার সঙ্গে প্রয়োজনীয় দলিল যেমন এজাহার ও চার্জশিট না থাকায় বাকিগুলোর নিষ্পত্তি বিলম্বিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এছাড়া হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ গত ২০ মে ৪৪টি মামলার একটি তালিকা জমা দিয়েছে, যেগুলোর কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দ্রুতনিষ্পত্তির স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোকে পাঠানো মামলাগুলোর পূর্ণাঙ্গ কাগজপত্র, বিশেষ করে এজাহার ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে চার্জশিট, অবিলম্বে কমিটির কাছে জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।





