মোবাইল দিয়ে অনলাইন গেইম “ফ্রি ফায়ার” খেলতে না দেয়ার কারণে ২০২১ সালে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার একটি ঘটনা ঘটে, যেখানে এক স্কুল ছাত্রকে হত্যা করে তার বন্ধু। পিরোজপুরের একটি আদালত হত্যাকারী কিশোর আবির হোসেন হাওলাদার (১৭) কে ১৩ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে।
আবির হোসেন হাওলাদার, যিনি উপজেলার নদমূলা গ্রামের কালাম হাওলাদারের ছেলে, ২০২1 সালে এক স্কুল ছাত্র শান্ত হাওলাদারের (১৪) সাথে মোবাইল ফোন নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। শান্ত তার স্মার্ট ফোন দিয়ে অনলাইন গেইম খেলত, কিন্তু আবিরের নিজের কোনো ফোন ছিল না। একদিন আবির শান্তর কাছে তার মোবাইল ফোনটি চেয়েছিল, কিন্তু শান্ত তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এই কারণে তাদের মধ্যে তীব্র ঝগড়া হয়, যা পরবর্তীতে হত্যাকাণ্ডে রূপ নেয়।
ঘটনার পর, ২০২১ সালের ২ ডিসেম্বর, আবির শান্তকে মোবাইল ফোন দেখানোর কথা বলে বাড়ির কাছে একটি বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে সে শান্তর মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে নালায় ফেলে পানিতে চেপে ধরে শান্তর মৃত্যু নিশ্চিত করে। এরপর সে শান্তর মরদেহ নালার মধ্যে লুকানোর চেষ্টা করে।
পরিবারের সদস্যরা অনেক রাত পর্যন্ত শান্তকে খুঁজে না পেয়ে পরের দিন তার মরদেহ নালার মধ্যে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং চার মাস পরে আবিরকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তদন্ত ও সব প্রমাণ যাচাই-বাছাইয়ের পর আদালত আবিরকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়।
মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম





