গণমাধ্যমকর্মীরা দেশের উন্নয়ন, সমাজের অন্ধকার দিক উন্মোচন ও মানুষের পাশে থেকে কাজ করেন, কিন্তু তাদের খোঁজ নেয় না কেউ। রাজনৈতিক নেতাদের উচিত গণমাধ্যমকর্মীদের খোঁজ নেওয়া এবং তাদের মূল্যায়ন করা। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা না থাকলে দেশে গণতন্ত্র স্থায়ী হতে পারে না। একটি গণতান্ত্রিক দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এই বক্তব্যগুলো বলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মো. রহমতুল্লাহ। তিনি ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন। বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির (বিআরইউ) কার্যালয়ে সোমবার এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আবু নাসের বলেন, “বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য সম্পর্কে সকলেই অবগত আছেন। দলের নাম ভাঙিয়ে কোনো অপরাধমূলক কাজ হলে ছাড় দেয়া হবে না। দেশের সব বিএনপি নেতার কার্যক্রমের দিকে নজর রাখা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান উন্নত দেশে বসবাস করে বিভিন্ন দেশের নিয়ম-কানুন নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে আসছেন। যদি দল মনে করে, আমাকে নির্বাচনে মনোনীত করবে, তবে আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।”
এছাড়া, বিআরইউ সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক খালিদ সাইফুল্লাহ তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, “আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বাংলাদেশ ছিল ‘পুলিশ রাষ্ট্র’। দলীয় ক্যাডার স্টাইলে পুলিশ মাঠে সক্রিয় ছিল। বিএনপি নেতাকর্মীদেরসহ নিরীহ মুসল্লিরা জামায়েত-শিবির তকমা দিয়ে গ্রেফতার হয়েছিল। আমি ও আমার পরিবার এই সময়ে মানসিক ও অর্থনৈতিকভাবে নির্যাতিত হয়েছিলাম।”
অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বিআরইউ সভাপতি আনিসুর রহমান খান স্বপন। উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকরা, যেমন: রাসেল হোসেন (দখিনের সময়), মো. নূরুজ্জামান (কাগজ), শাহিন হাফিজ (ইত্তেফাক), মাসুদ রানা (নিউ নেশন), সৈয়দ মেহেদী হাসান (ঢাকা পোস্ট), শাওন খান (জাগো নিউজ), রবিউল ইসলাম রবি (বাংলা কাগজ), নাজমুল ফকির (বাংলা টিভি), সিএইচ মাহাবুব রহমান (আমাদের বরিশাল) এবং অনেক স্থানীয় ও জাতীয় সংবাদকর্মী।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিআরইউ সাবেক সভাপতি ও ডেইলি স্টারের সাংবাদিক সুশান্ত ঘোষ।
মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম





