প্রত্যাশিত, শান্তিপূর্ণ ও জনগণের কল্যাণভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে নতুন ও সুস্পষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর পূর্বাচলে আয়োজিত গণসংবর্ধনার মঞ্চে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে বিশ্বখ্যাত মানবাধিকার নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের ঐতিহাসিক ভাষণের প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন,
“বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে আমি বলতে চাই— আই হ্যাভ অ্যা প্লান, ফর দ্য পিপল অব দিস কান্ট্রি।”
তিনি বলেন, এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা। তার ভাষায়, বাংলাদেশ এমন একটি দেশ হবে যেখানে মানুষের কথা বলার অধিকার থাকবে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।
তারেক রহমান আরও বলেন,
“আসুন, আমরা সবাই আল্লাহর দরবারে দোয়া করি—দেশের যে সকল জাতীয় নেতৃবৃন্দ আছেন, তারা যেন একসঙ্গে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে জনগণের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারেন।”
বক্তব্যে তিনি দেশের আইনশৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হতে হবে।
“যেকোনো উসকানির মুখেও আমাদের দেশকে রক্ষা করতে হবে। আমরা দেশের শান্তি চাই, দেশের শান্তি চাই, দেশের শান্তি চাই,”—তিনবার উচ্চারণ করে তিনি শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তারেক রহমানের এই বক্তব্যে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে। অনেকেই মনে করছেন, এটি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মপরিকল্পনা ও রাষ্ট্রচিন্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত, যা সামনে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান ও দিকনির্দেশনায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
গণসংবর্ধনার পুরো পরিবেশ ছিল আবেগঘন ও উৎসবমুখর। লাখো নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে তারেক রহমানের বক্তব্য নতুন প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫





