ঐতিহাসিক জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তিতে অভ্যুত্থানপন্থি ছাত্র-জনতাকে অভিনন্দন ও রক্তিম শুভেচ্ছা জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই বার্তা দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের সেই রক্তাক্ত বিদ্রোহের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটেছিল। সহস্রাধিক শহীদ ও আহতের আত্মত্যাগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একটি নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা। এই দিনটিকে ‘অভ্যুত্থানের বিজয় দিবস’ হিসেবে অভিহিত করে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও আহতদের প্রতি অকুণ্ঠ কৃতজ্ঞতা জানায় সংগঠনটি।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, “জুলাই অভ্যুত্থান শুধু একজন স্বৈরশাসকের পতন নয়, বরং তা ছিল একটি ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅসন্তোষের বিস্ফোরণ। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে এখনো অনেক পথ বাকি।”
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন অভিযোগ করে, অভ্যুত্থানের এক বছর পরেও শহীদ হত্যার বিচার হয়নি, বরং রাষ্ট্রযন্ত্রে এখনো ফ্যাসিবাদী উপাদান রয়ে গেছে। এই বাস্তবতায় ‘জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশ’ গঠনের পথে তা প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করে সংগঠনটি।
তবে বিবৃতিতে স্বীকার করা হয়, কাঠামোগত পরিবর্তন এখনো সম্পূর্ণরূপে দৃশ্যমান না হলেও কিছু সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি।
সর্বশেষে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন অভ্যুত্থানপন্থি ছাত্র-জনতাকে অভিনন্দন জানিয়ে আহ্বান জানিয়েছে, ‘জুলাই পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ’ গঠনের লক্ষ্যে সকলে যেন ঐক্যবদ্ধভাবে অগ্রসর হয়।





