হার্ট অ্যাটাক

অল্প বয়সেই হার্ট অ্যাটাক! এই ৫টি অভ্যাস আপনাকে বাঁচাতে পারে

Views: 39

বর্তমানে অল্প বয়সেই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। আগের মতো শুধুমাত্র ৫০ বা ৬০ বছরের মানুষ নয়, এখন ৩০ বা ৪০ বছর বয়সীরাও হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসক ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জীবনযাত্রার ধরন ও খাদ্যাভ্যাসের কারণে এই ঝুঁকি বাড়ছে। তবে কিছু অভ্যাস গড়ে তুললে অকালে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

নিচে এমন ৫টি জরুরি অভ্যাস তুলে ধরা হলো, যা প্রতিদিনের জীবনে পালন করলে হৃদরোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হতে পারে:

১. নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, জগিং, সাইক্লিং বা হালকা ব্যায়াম করলে হৃদপিণ্ড সুস্থ থাকে। ব্যায়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমায়।

২. সুষম ও হৃদয়বান্ধব খাদ্যাভ্যাস
ফাস্টফুড, ট্রান্স ফ্যাট, বেশি লবণ ও চিনি এড়িয়ে চলা জরুরি। এর পরিবর্তে বেশি করে সবজি, ফল, বাদাম, ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ মাছ এবং পূর্ণ শস্য (whole grains) খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

৩. ধূমপান ও অ্যালকোহল বর্জন
ধূমপান হৃদপিণ্ডের রক্তনালীগুলো সরু করে তোলে, ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যায়। একইভাবে অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবনও রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল বৃদ্ধির জন্য দায়ী।

৪. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ
অতিরিক্ত মানসিক চাপ শরীরে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা হৃদপিণ্ডের উপর চাপ সৃষ্টি করে। নিয়মিত মেডিটেশন, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক স্বস্তি বজায় রাখা হৃদরোগ প্রতিরোধে কার্যকর।

৫. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
বয়স ৩০ পেরোলেই বছরে অন্তত একবার রক্তচাপ, রক্তে কোলেস্টেরল ও ব্লাড সুগার পরীক্ষা করা উচিত। প্রয়োজন হলে ইসিজি বা ইকোকার্ডিওগ্রাম করানোও জরুরি। এতে প্রাথমিক অবস্থাতেই হৃদরোগ শনাক্ত করে প্রতিকার সম্ভব।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, উপরের অভ্যাসগুলো রক্ষা করলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ৮০% পর্যন্ত কমানো সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন সচেতনতা ও নিয়মিত জীবনযাপন। হৃদপিণ্ড সুস্থ থাকলে সারাজীবন কর্মক্ষম ও উজ্জ্বল জীবন উপভোগ করা সম্ভব।

 

image_pdfimage_print

Posted on: May 25, 2025 | Author: Chandradip News