বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে যাত্রীবাহী স্পিডবোট ও মুখোমুখি সংঘর্ষে নিখোঁজ থাকা তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে বরিশাল সদর নৌ পুলিশ।
নিহতরা হলেন: ১,মো. রাছেল আসিন (২৪), পটুয়াখালীর লোনেওয়াপাড়া (৮ নং ওয়ার্ড), কলাপাড়া এলাকার আজগর আলী হাং-এর ছেলে।
২,মো. আলামিন (২০), ভোলার উত্তর চর এলাকার বাসিন্দা মো. সিদ্দিকের ছেলে।
৩,মো. ইমরান হোসেন ইমন (২৯), ভোলা সদর বনিয়া এলাকার মো. মাহাবুদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।
রবিবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে চরমোনাই বেলতলা খেয়াঘাট এলাকা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। বরিশাল সদর নৌ পুলিশের ওসি সনাতন চন্দ্র সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বরিশাল সদর নৌ পুলিশের এসআই ওমর ফারুক জানান, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় নদীর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে নিখোঁজ তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশগুলো চরমোনাই বেলতলা খেয়াঘাট এলাকার বিভিন্ন স্থানে পাওয়া গেছে।
শনিবার রাতে বরিশাল ডিসি ঘাট থেকে ১০ জন যাত্রী নিয়ে একটি স্পিডবোট ভোলার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। চরমোনাই ঘাট এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রলারের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের ফলে স্পিডবোটটি দ্রুত ডুবে যায়।
দুর্ঘটনার পর কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও একজন গুরুতর আহত অবস্থায় শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ছাড়া তিনজন নিখোঁজ ছিলেন, যাদের লাশ রবিবার সকালে উদ্ধার করা হয়।
বরিশাল সদর নৌ পুলিশের ওসি সনাতন চন্দ্র সরকার জানান, সংঘর্ষের পর থেকেই উদ্ধার অভিযান অব্যাহত ছিল। নদীতে ডুবে যাওয়া স্পিডবোট ও নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধানে স্থানীয় বাসিন্দারা সহায়তা করেন। এ ঘটনায় নৌ পুলিশ একটি মামলা দায়ের হয়েছে । দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।





