শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) দীর্ঘদিন অকেজো থাকা যন্ত্রপাতি সচল করে নতুনভাবে রোগী সেবায় ব্যবহার শুরু করেছে। মাত্র চার দিনের মধ্যে হাসপাতালের ৯৫টি অচল মেশিন সচল করতে সক্ষম হয়েছেন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীরের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ কারিগরি টিম।
ন্যাশনাল ইলেকট্রো ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (নিমিউ অ্যান্ড টিসি) থেকে আসা ৭ সদস্যের টিম হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে অকেজো যন্ত্রপাতি মেরামত করেছেন।
সচল হওয়া যন্ত্রপাতির মধ্যে রয়েছে:
-
৬টি অ্যানেস্থেসিয়া মেশিন
-
২৫টি সাকশন মেশিন
-
১০টি আইসিইউ ভেন্টিলেটর
-
৫টি অটোক্লেভ
-
১টি সি-আর্ম মেশিন
-
২টি মনিটর
-
৮টি ওটি টেবিল
-
৫টি ব্লাড ব্যাংক রেফ্রিজারেটর
-
১০টি হাই ফ্লো নাসাল ক্যানুলা
-
৫টি আইসিইউ বেড
-
৬টি ওটি লাইট
-
৫টি ডেন্টাল ইউনিট
-
২টি ডায়াথার্মি মেশিন
-
৪টি ইসিজি মেশিন
-
১টি এক্সরে মেশিন
কারিগরি টিম জানিয়েছে, হাসপাতালের আরও ২০টির বেশি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র সচল করার প্রক্রিয়া চলছে। এর মধ্যে রয়েছে এনজিওগ্রাম, সিটি স্ক্যান, এক্সরে, চোখের লেসিক ও ওসিটি, ইউরোলজি লিথোরিপটর, এন্ডোসকপি মেশিনসহ অন্যান্য আধুনিক সরঞ্জাম। তবে অনেক যন্ত্রাংশ দেশে না থাকায় তা বিদেশ থেকে সংগ্রহ করতে হবে।
হাসপাতালের টেকনোলজিস্ট মিথুন রায় বলেন, “শতাধিক যন্ত্র সচল হওয়ায় রোগীরা দ্রুত সেবা পাচ্ছেন। চিকিৎসকরাও কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনা করতে পারছেন।”
পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, “অকেজো যন্ত্রপাতি সচল হওয়ায় রোগী সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। বাকি মেশিনের জন্য যন্ত্রাংশ আমদানি চলছে। আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে একটি এমআরআই মেশিন, ক্যাথল্যাব ও সি-আর্ম মেশিন পাওয়া যাবে। আমাদের সীমিত সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও আন্তরিকভাবে সেবা দেওয়ার চেষ্টা চলমান। জনবল ও সরঞ্জাম ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।”
এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫





