ভোলা জেলার লালমোহনের চর ছকিনা এলাকায় জমির প্রকৃত মালিকদের ভয়ভীতি ও জুলুমের মুখে ফেলেছে এক সময়ের বর্গাচাষি মো. রুহুল আমিন। অভিযোগ উঠেছে, জমির মালিকের মৃত্যুর পর ভুয়া বায়না চুক্তি দাঁড় করিয়ে জোরপূর্বক জমি দখল করে রেখেছেন তিনি। আদালতে প্রমাণিত হওয়া সেই ভুয়া দলিলের পরও জেল খেটে এসে আবারও জমি দখলে রেখে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন অভিযুক্ত রুহুল আমিন।
ভুক্তভোগী মো. রাশেদ খান জানান, তার পিতা মো. ফরিদ উদ্দিন খান ১৯৯৫ সালে ২৮০১ নং দলিল মূলে চর ছকিনা মৌজার ১.৬০ একর জমি ক্রয় করে ভোগদখল করে আসছিলেন। পাশের বাড়ির রুহুল আমিন বর্গাচাষি হিসেবে জমি ব্যবহার করলেও ২০১৯ সালে ফরিদ উদ্দিন হজ করতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করলে, রুহুল আমিন দাবী করেন তিনি বায়না চুক্তির মাধ্যমে জমি কিনেছেন। কিন্তু চুক্তির কোনো কাগজ লালমোহন সাবরেজিস্ট্রি অফিসে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে আদালতে মামলা হলে খুলনা ফরেনসিক ল্যাবরেটরির প্রতিবেদনে প্রমাণিত হয় চুক্তিতে থাকা আঙুলের ছাপ ভূয়া। এর জেরে রুহুল আমিন জেলও খাটেন। তবে কারামুক্তির পর আরও ভয়ংকর হুমকি ও দখলের মনোভাব নিয়ে মাঠে নেমেছেন তিনি। এখন জমিতে মালিকপক্ষ গেলে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে, এমনকি নিজে বা পরিবারের কাউকে খুন করে মালিকদের ফাঁসানোর হুমকিও দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন রাশেদ খান।
তিনি বলেন, “আমরা এখন ভীত সন্ত্রস্ত অবস্থায় আছি। জমিতে গেলে খুনের হুমকি, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখাচ্ছেন রুহুল আমিন। আদালতে মামলা চলমান থাকলেও তার জুলুম থেমে নেই। আমরা চাই, দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে আমরা যেন আমাদের পৈত্রিক জমিতে নিরাপদে ভোগদখল করতে পারি।”
অভিযুক্ত রুহুল আমিনের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




