ভারতের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ও বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে করা প্রতারণা মামলায় হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। মামলাটি খারিজের আবেদন জানালেও আদালত তা নাকচ করে দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চালু থাকবে এবং তাতে মিঠুন চক্রবর্তীকে সহযোগিতা করতে হবে। যদিও আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা যাবে না বলে অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা দিয়েছেন বিচারপতি।
ঘটনার সূত্রপাত মিঠুন চক্রবর্তীর প্রাক্তন ব্যক্তিগত সচিব সুমন রায়চৌধুরী ও তার স্ত্রী’র একটি অভিযোগ থেকে। তারা জানান, তাদের বাড়ি সাজানোর কাজে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছিল মিঠুন এবং তার এক ঠিকাদারের দ্বারা। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই অর্থের একটি অংশ খরচ শেষে বাকি টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অভিনেতা নিজেই। কিন্তু সেই টাকা আর ফেরত দেওয়া হয়নি।
সুমন রায়চৌধুরীর দাবি, তারা মিঠুন চক্রবর্তীর কাছে প্রায় ৩৫ লাখ রুপি পাওনা। টাকা ফেরতের জন্য যখন তার স্ত্রী যোগাযোগ করেন, তখন নাকি তিনি তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন। বিষয়টি থেকে উত্তরণের জন্য তারা কলকাতার চিৎপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে মিঠুন মামলা বাতিলের আবেদন করেন কলকাতা হাইকোর্টে। কিন্তু আদালত প্রাথমিক শুনানিতে সেই আবেদন নাকচ করে দেয় এবং স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, মামলার তদন্ত চলবে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায়। ফলে প্রবীণ এই অভিনেতাকে আপাতত আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
এই মামলার সিদ্ধান্ত এখন পুরোপুরি তদন্তের ওপর নির্ভর করছে। যদিও আপাতত গ্রেপ্তার থেকে সুরক্ষা মিললেও, মিঠুনের রাজনৈতিক ও বিনোদন জগতে চলমান সক্রিয়তাকে এই মামলা প্রভাবিত করতে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।





