আগে ক্যান্সারকে প্রবীণদের রোগ হিসেবে ভাবা হলেও আধুনিক জীবনযাত্রা, খাদ্যাভ্যাস ও আচরণগত পরিবর্তনের কারণে এখন তরুণদের মধ্যেও ক্যান্সারের ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে। চেন্নাইয়ের হেমাটো-অনকোলজি বিশেষজ্ঞ ডা. গোপীনাথ জানাচ্ছেন, অবিরাম ক্লান্তি, শরীর বা জয়েন্টে ব্যথা, ক্ষুধামন্দা, ওজন কমে যাওয়া, বমি ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো উপসর্গ অনেকেই গুরুত্ব না দিলেও এগুলোতে খেয়াল রাখা জরুরি। অনেকেই নিজে নিজে ওষুধ সেবন করে সাময়িক স্বস্তি নেওয়ার চেষ্টা করেন, যা দীর্ঘমেয়াদে সমস্যাকে আরও জটিল করে তোলে।
গত এক দশকে ক্যান্সারের হার বহুগুণ বেড়েছে। সচেতনতার অভাবে রোগ ধরা পড়ে প্রায়ই শেষ পর্যায়ে, তখন কেমোথেরাপির প্রয়োজন হয়। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করলেই চিকিৎসা অনেক সহজ হয়। ডা. গোপীনাথ কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ উল্লেখ করেছেন যা কখনোই উপেক্ষা করা উচিত নয়, যেমন—
- বারবার রক্তপাত বা ক্ষত হওয়া
- হঠাৎ জন্ডিস বা শরীরে কোনো অস্বাভাবিক গঠন পাওয়া
- দীর্ঘস্থায়ী আলসার
- ক্ষুধা ও শক্তির অভাব
প্রতিরোধে করনীয়:
- প্রতিদিন সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ
- নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম
- বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো
- প্রতিরোধমূলক টিকা গ্রহণ, যেমন এইচপিভি ভ্যাকসিন
ক্যান্সারের প্রকোপ কমাতে এবং সময়মতো সঠিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা নিশ্চিত করতে এই দুটি স্তরে কাজ করা প্রয়োজন।





