যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার মানুষ যেন আর অভুক্ত না থাকে—এই লক্ষ্যেই তারা কাজ করছেন। শুক্রবার (১ আগস্ট) সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, “আমরা গাজার মানুষকে সহায়তা করতে চাই। তারা যেন স্বাভাবিকভাবে বসবাস করতে পারে, খেতে পারে—এটাই আমাদের উদ্দেশ্য। এটা অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।”
তিনি জানান, গাজাবাসীর মানবিক সংকটের জন্য দায়ী ইসরায়েলের অবরোধ। সেইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, গাজায় সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ত্রাণসামগ্রী চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। যদিও মার্কিন এক সরকারি সংস্থা জানিয়েছে, এ ধরনের অভিযোগের কোনো প্রমাণ তারা পায়নি।
এদিন ট্রাম্প আরও জানান, গাজার মানবিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যালোচনার জন্য তার মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ রাফা এলাকায় একটি বিতর্কিত ত্রাণকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়েছেন। যদিও উইটকোফ এখনো কোনো প্রতিবেদন দেননি বলে ট্রাম্প জানিয়েছেন।
এদিকে, গাজায় পূর্ণ যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়েও সাংবাদিকরা ট্রাম্পের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আপনারা খুব শিগগিরই ফলাফল দেখতে পাবেন।”
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন সময়ে এলো যখন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা আংশিক যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে পূর্ণ যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনা করছেন।
সংক্ষিপ্ত সার
- গাজার মানুষকে খাওয়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ ট্রাম্পের
- ইসরায়েলি অবরোধের কারণে গাজায় মানবিক সংকট স্বীকার
- হামাসের বিরুদ্ধে ত্রাণ চুরির অভিযোগ, তবে প্রমাণ নেই
- প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত গাজায় পরিদর্শনে
- পূর্ণ যুদ্ধবিরতি নিয়ে ট্রাম্পের আশাবাদী মন্তব্য





