ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো দেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৭টা ৫ মিনিটে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর আগে গত শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) ঢাকা-সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল নেপালের লেবুচি থেকে ৯৩ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিকর ১। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের কর্মকর্তা ফারজানা সুলতানা গণমাধ্যমকে বলেন, মঙ্গলবার সকাল ৭টা ৫ মিনিটে দেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।




আবারও বাড়বে শীত, তাপমাত্রা কমবে ৩ ডিগ্রি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সারা দেশে শীত আরও বাড়বে। এবার এক ধাক্কায় দেশের তাপমাত্রা প্রায় ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানার দেওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি/গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। সেই সাথে সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে।

আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি/গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে।

আগামী বুধবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নদী পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

এ ছাড়া আগামী পাঁচদিনের মধ্যে রাতের তাপমাত্রা আরও কমে যেতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।




শৈত্যপ্রবাহ কেটেছে, রাত-দিনের তাপমাত্রা বাড়বে ২ ডিগ্রি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: : দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহ কেটেছে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা দুই ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

রোববার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে।
রোববার সন্ধ্যা থেকে সোমবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। বর্ধিত পাঁচদিনের আবহাওয়ায় রাত ও দিনের তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে।

শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে শ্রীমঙ্গলে ২৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।




৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: পদ্মায় ঘন কুয়াশার কারণে পৌনে ৯ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার পর থেকে পারাপারের অপেক্ষায় থাকা যানবাহনগুলো পারাপার শুরু হয়েছে। অপরদিকে সোয়া ৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আরিচা-কাজিরহাট নৌপথেও ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ে বাণিজ্য শাখার ডিজিএম নাসির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সকাল পৌনে ৮টার দিকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এবং আরিচা-কাজিরহাট এই দুটি নৌপথে ফেরি চলাচল শুরু হয়।

আরও পড়ুন

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাটে ফেরি চলাচল বন্ধ
বিজ্ঞাপন

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম (বাণিজ্য) নাসির হোসেন বলেন, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে নদী এলাকায় কুয়াশা পড়তে শুরু করে। ঘন কুয়াশায় ফেরির মার্কিং বাতির আলো অস্পষ্ট হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় নৌপথে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে রাত ১১টার দিকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এবং রাত সাড়ে ১১টার দিকে আরিচা-কাজিরহাট—এই দুটি নৌপথে ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

দীর্ঘ সময় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় উভয় ফেরিঘাট এলাকায় নদী পারাপারের অপেক্ষমাণ যানবাহনগুলোকে সিরিয়াল অনুযায়ী পারাপার শুরু করা হয়েছে বলে জানান তিনি।




পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাটে ফেরি চলাচল বন্ধ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: পদ্মায় ঘন কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এবং আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে বিআইডব্লিটিসি আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম (বাণিজ্য) নাসির হোসেন খুদে বার্তার মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকেই পদ্মা নদীতে কুয়াশার পরিমাণ বাড়তে থাকে। পরে রাত ১১টার দিকে ফেরির মার্কিং বাতির আলো অস্পষ্ট হয়ে যাওয়ায় মাঝ নদীতে মতিউর রহমান নামের ফেরিটি আটকা পড়ে। যার কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে সাময়িক ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। অপরদিকে যমুনা নদীতে কুয়াশার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় মাঝ নদীতে খান জাহান আলী ও কিষানি নামের দুটি ফেরি নোঙর করে। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে নৌপথে দুর্ঘটনা এড়াতে সাময়িকভাবে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।




রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: রাজধানী ঢাকা-সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আজ (শুক্রবার) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়।

ঢাকা-সিলেটের পাশপাশি কুমিল্লাতেও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে বলে অনেকে স্ট্যাটাস দিয়ে জানিয়েছেন ফেসবুকে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে ভারতের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যের নাগাল্যান্ডের ফেখ শহর থেকে ১২৮ কিলোমিটার দূরে মিয়ানমারে ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫।




উপকূলজুড়ে শীতের তীব্রতায় কাহিল পটুয়াখালীর মানুষ

পটুয়াখালীর উপকূলবর্তী এলাকাগুলোতে কনকনে শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মানুষজন। সন্ধ্যার পর থেকেই হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশায় শীতের তীব্রতা বেড়ে যাচ্ছে। এতে কষ্টে দিন কাটাচ্ছে কুয়াকাটায় আগত পর্যটকসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।

বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) রাতে পটুয়াখালীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ও বাতাসের কারণে শীতের প্রকোপ আরও বেড়েছে। বিশেষ করে হতদরিদ্র, ছিন্নমূল এবং স্বল্প আয়ের শ্রমজীবী মানুষেরা চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছে।

কুয়াকাটায় ভ্রমণে আসা বেশিরভাগ পর্যটক সন্ধ্যার পরপরই হোটেলে আশ্রয় নিয়েছেন। কেউ কেউ আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা রাত গভীর হওয়ার আগেই দোকান বন্ধ করে বাসায় ফিরে যাচ্ছেন।

ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা পর্যটক শফিকুল ইসলাম জানান, ঢাকায় শীতের প্রকোপ তেমন নেই। কিন্তু কুয়াকাটার শীত ও বাতাসের কারণে বাইরে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বাচ্চাদের নিয়ে বাইরে থাকা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আক্তার জাহান জানান, “গত এক মাস ধরে উপকূলীয় এলাকায় তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। তবে শীতের তীব্রতা এখন বেড়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। জানুয়ারি মাসে ২-৩টি শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




শৈত্যপ্রবাহ ছাড়াই শীতে কাঁপছে দেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: কনকনে শীতের মধ্যে শিশুসন্তানদের গরম কাপড় পরিয়ে রিকশায় চড়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন এক মা। গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে তোলা। ছবি : শেখ হাসান

দেশে কাগজে-কলমে শৈত্যপ্রবাহ ছিল না গতকাল বৃহস্পতিবার। তা সত্ত্বেও রাজধানীসহ দেশের অনেক অঞ্চলেই অনুভূত হয়েছে হাড়-কাঁপানো শীত। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, কাগজে-কলমে শৈত্যপ্রবাহ না থাকলেও শৈত্যপ্রবাহের মতোই বা তার চেয়ে বেশি শীত অনুভূত হয়েছে। মূলত ঘন কুয়াশার কারণে সূর্যের আলো না আসায় এবং উত্তরের ঠাণ্ডা বাতাসের প্রভাবে দিন-রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য অনেক কমে যাওয়ায় শীতের এমন দাপট চলছে।

আজ শুক্রবারও এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদরা। আজ দুপুরের পর কিছুক্ষণের জন্য সূর্যের দেখা মিলতে পারে। তাতে সাময়িক স্বস্তি মিললেও সামগ্রিকভাবে শীতের অনুভূতি খুব একটা কমবে না। তবে আগামীকাল শনিবার থেকে তাপমাত্রা বেড়ে শীতের অনুভূতি কিছুটা কমতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক গতকাল রাতে বলেন, “শৈত্যপ্রবাহ না থাকলেও শৈত্যপ্রবাহের মতোই শীত অনুভূত হচ্ছে। এটাকে বলা হয় ‘কোল্ড ডে কন্ডিশন’। অর্থাৎ তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে না নামলেও তীব্র শীতের অনুভূতি হচ্ছে। মধ্যরাত থেকে পরদিন দুপুর পর্যন্ত কুয়াশা, উত্তরের বাতাস, জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকা এবং ঊর্ধ্বাকাশের জেট স্ট্রিমের দক্ষিণমুখী বিস্তার ও নিম্নমুখী বিচরণ এই ঠাণ্ডার অনুভূতি হঠাৎ বাড়িয়ে দিয়েছে।




আগামীকাল থেকে ফের শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) থেকে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমতে থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রোববার (২৯ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
এত বলা হয়েছে, সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

আগামী ৩১ ডিসেম্বর সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সব পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। এছাড়া আগামী পাঁচদিনে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা আরও হ্রাস পেতে পারে।




রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আজ রোববার। তবে তিন থেকে চার দিন ধরেই তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার এ প্রবণতা দেখা যাচ্ছিল। আর তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি কিছুটা কমেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আগামীকাল সোমবার পর্যন্ত তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার এ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে পরশু মঙ্গলবার থেকে তাপমাত্রা কমে শীত আবার বাড়তে পারে।

আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, দেশে শীত কিছুটা কমে যাওয়ার কারণ দিনের তাপমাত্রা বা সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া।

আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে, ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে।

আজ রাজধানী ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান আজ প্রথম আলোকে বলেন, এখন দিনের তাপমাত্রা অপেক্ষাকৃত বেশি। আর সে কারণেই শীতের অনুভূতি কম হচ্ছে। এখনকার প্রাকৃতিক অবস্থায় দিনের তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকা দরকার। কিন্তু বাস্তবে তা থাকছে বেশি করে।