আজকের আবহাওয়া




তাপপ্রবাহে দাহন, পটুয়াখালীতে স্বস্তির বার্তা হয়ে এলো বৃষ্টি

টানা কয়েকদিনের প্রচণ্ড খরতাপে দগ্ধ হয়ে ওঠা পটুয়াখালীর উপকূলজুড়ে হঠাৎ নামা এক পশলা বৃষ্টি যেন স্বস্তির বার্তা হয়ে হাজির হয়েছে। বৈশাখের চড়চড়ে রোদে হাঁসফাঁস জনজীবনে মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরের পর থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টি এনে দিয়েছে প্রশান্তির পরশ।

দুপুর গড়িয়ে যাওয়ার পরই পটুয়াখালীর আকাশে জমতে শুরু করে ঘন কালো মেঘ। হঠাৎ করেই শুরু হয় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, কিছুক্ষণের মধ্যেই তা রূপ নেয় মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাতে। জেলার বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের খবর মিলেছে। যদিও কোথাও কোথাও পানি জমে থাকলেও স্বাভাবিক যান চলাচলে এর প্রভাব পড়ে না। বরং রাস্তাঘাটে খানিকটা ঠান্ডা পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি দুর্বল লঘুচাপের প্রভাবে এই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এক থেকে দুই দিন এমন বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে চলমান তাপমাত্রা কিছুটা কমবে বলেও ধারণা দেওয়া হয়েছে। এ সময় উপকূলের মানুষ কিছুটা হলেও রক্ষা পাবে অতিরিক্ত গরমের যন্ত্রণা থেকে।

বৃষ্টির পরেই উপকূলের চিত্র পাল্টে যায়। রাস্তায় দেখা যায় ভিজতে থাকা তরুণ-তরুণীদের দল, আবার অনেকেই পরিবার নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন সমুদ্র সৈকতের পথে। দোকানপাট, চায়ের টং, খোলা বাজারেও লোকসমাগম বেড়ে যায় কয়েকগুণ। শহরের অলিগলিতেও জেগে ওঠে প্রাণ।

কুয়াকাটার স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন রাজু বলেন, “কয়েকদিন ধরে যে রকম গরম পড়ছিলো, আজকের বৃষ্টি যেন আল্লাহর রহমত। শরীর-মন দুইটাই শান্তি পেল।”
একই কথা জানান বাজার এলাকার ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুম। তিনি বলেন, “বিকেলে বৃষ্টি হলে মানুষ চা খেতে আসে, কেনাকাটা করে। আমাদের ব্যবসাও ভালো হয়।”

পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই ধরনের হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত আরো কিছুদিন চলতে পারে। এতে করে উপকূলীয় এলাকার মানুষের তাপজনিত কষ্ট কিছুটা কমে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বৈশাখের দাবদাহের মধ্যে এমন স্বস্তির বৃষ্টি যেন প্রকৃতির এক অভূতপূর্ব উপহার। তপ্ত জনজীবনে এই শীতল পরশ এনে দিয়েছে স্বস্তি আর হাসি। পটুয়াখালীর মানুষ এখন এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকার প্রার্থনাই করছে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



যেসব জেলায় টানা পাঁচ দিন ঝরবে বৃষ্টি

আগামী পাঁচ দিন দেশের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে চলবে টানা বৃষ্টিপাত। এর ফলে হ্রাস পেতে পারে তাপমাত্রা—এমন পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সংস্থাটির আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, ১৩ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। এই সময়ে দেশের কিছু এলাকায় দমকা হাওয়া এবং বিদ্যুৎ চমকানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।

🌧️ প্রতিদিনের সম্ভাব্য বৃষ্টি পূর্বাভাস:

📅 ১৩ এপ্রিল (রোববার):
রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি।

📅 ১৪ এপ্রিল (সোমবার):
রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও সিলেট বিভাগে ঝড়ো হাওয়াসহ হতে পারে বৃষ্টিপাত।

📅 ১৫ এপ্রিল (মঙ্গলবার):
রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

📅 ১৬ এপ্রিল (বুধবার):
রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু কিছু এলাকায় এবং খুলনা ও বরিশালের কিছু স্থানে ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

📅 ১৭ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার):
বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়বে বলে জানানো হয়েছে। তাপমাত্রাও ধীরে ধীরে হ্রাস পাবে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দেশের অন্য অংশে আবহাওয়া থাকবে আংশিক মেঘলা ও শুষ্ক। তবে পুরো সপ্তাহজুড়েই বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা থাকবে অধিকাংশ অঞ্চলে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রথম দিকে সামান্য বাড়লেও পরবর্তীতে তা কিছুটা কমে আসতে পারে।

এই ধারাবাহিক বৃষ্টিপাতে জনজীবনে কিছুটা ভোগান্তি তৈরি হলেও কৃষি খাতে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।


মো: তুহিন হোসেন,

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ সাত বিভাগে বৃষ্টির আভাস

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : আগামী শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থেকে ঢাকাসহ দেশের সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বুধবার (২ এপ্রিল) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তাছাড়া, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এছাড়া, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ, দিনাজপুর, নীলফমারী, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মৌলভীবাজার এবং রাঙ্গামাটি জেলাগুলোতে মৃদু তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা অব্যাহত থাকতে পারে।

চার অঞ্চলে তাপপ্রবাহ, পঞ্চগড়ে এখনও শীতের কুয়াশা
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দুএক জায়গায় দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যান্য অংশে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দুএক জায়গায় আবারও দমকা হাওয়া এবং বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে এবং সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

রোববার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দুএক জায়গায় দমকা হাওয়া এবং বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, আগামী পাঁচদিনের শেষে বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি বৃদ্ধি পেতে পারে।




ঈদের খুশিতে গরমের দাপট, সোমবারও অব্যাহত থাকবে তাপপ্রবাহ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : রাজশাহী, পাবনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, ঢাকা, ফরিদপুর, পটুয়াখালী ও রাঙ্গামাটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। যা আগামী ২৪ ঘণ্টায়ও অব্যাহত থাকতে পারে। একইসঙ্গে সোমবার (৩১ মার্চ) সারা দেশে দিন-রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। ফলে গরমের অনুভূতিও অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

রোববার (৩০ মার্চ) আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

ঈদের আগে ও পরে কেমন থাকবে আবহাওয়া?
ঈদে যেমন থাকতে পারে সারাদেশের আবহাওয়া
ঢাকাসহ চার বিভাগে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ
ঈদের দিন ও পরবর্তী সময়ে যেমন থাকবে আবহাওয়া

সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা সম্পর্কে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। একইসঙ্গে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এ ছাড়া সোমবার ও মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো/বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে প্রথম দিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। আর দ্বিতীয় দিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

অন্যদিকে, বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা পর্যালোচনায় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেও পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।




নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত, ঝড়ের আভাস




 ময়মনসিংহ ও সিলেটে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আশঙ্কা

আবহাওয়া অফিস দেশের ২টি অঞ্চলের জন্য ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্কতা জারি করেছে। আজ, ১৫ মার্চ ২০২৫, শনিবার দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া এক সতর্কবার্তায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেইসাথে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে, আবহাওয়ার অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এ পরিস্থিতিতে সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সিলেট বিভাগে ঝড়বৃষ্টির প্রবণতা আগামীকাল রোববার (১৬ মার্চ) অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই সময় দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




৬.১ মাত্রার ভূমিকম্প নেপালে, কাঁপল বাংলাদেশও

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : হিমালয় অঞ্চলের দেশ নেপালে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ১।

শুক্রবার পৃথক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআই এবং সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

রাত ৩টার কিছু পরে দেশের উত্তরাঞ্চলেও কম্পন অনুভূত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। পঞ্চগড় থেকে ঢাকা পোস্টের জেলা প্রতিনিধি এসকে দোয়েল জানিয়েছেন সেখানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

পঞ্চগড় জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ ঢাকা পোস্টকে বলেন, নেপালে ভোররাত ২টা ৫৫ মিনিটে আঘাত হানা ভূমিকম্পে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোর মধ্যে পঞ্চগড়ও কেঁপেছে। তবে এখানে রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩। এটি ছিল মাঝারি। এর উৎপত্তিস্থল হতে দূরত্ব ছিল ৩৪৬ কিলোমিটার।

আব্দুল মজিদ, বাদশা, রাজুসহ স্থানীয় কয়েকজন জানান, রাতে ভূমিকম্প হয়েছে টের পেয়েছি। বিশেষ করে পঞ্চগড় নেপালের নিকটবর্তী অঞ্চল হওয়ায় আঘাত হানা ভূমিকম্পে কেঁপেছে এ অঞ্চলটিও।

তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নেপালে ভূমিকম্প সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া নেপাল বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। যার কারণে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটি সবসময় ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে থাকে।

নেপালে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কিছু ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি এবং ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। ২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিল রাজধানী কাঠমান্ডু এবং পোখারা শহরের মধ্যবর্তী স্থানে রিখটার স্কেলে ৭.৮ মাত্রার শক্তিশালী এক ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে দেশটিতে অন্তত ৮ হাজার ৯৬৪ জন নিহত এবং প্রায় ২২ হাজার মানুষ আহত হন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টা ৮ মিনিটে পাঁচ সেকেন্ড স্থায়ী এই কম্পন জেলার বিভিন্ন স্থানে অনুভূত হয়। তবে এ জেলায় ভূকম্পন মাপার যন্ত্র না থাকায় এর মাত্রা জানা যায়নি।

ঠাকুারগাঁও শহরের কয়েকজন বাসিন্দা জানায়, রাত ৩টা ৮ মিনিটে মাটি কেঁপে ওঠে। অনেকে আতঙ্কে ঘরের ভেতর থেকে বাইরে চলে আসেন। কম্পনটি ৪ থেকে ৫ সেকেন্ড স্থায়ী ছিল বলে জানান তিনি।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. খায়রুল ইসলাম জানান, জেলার কোথাও থেকে ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে রিখটার স্কেলে এর মাত্রা কত ছিল তা জানা সম্ভব হয়নি।




সিলেটে ভূমিকম্প অনুভূত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : মধ্যরাতে সিলেটে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিক কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টা ৫৫ মিনিটে সিলেট অঞ্চলে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয় বলে জানা যায়।

গভীর রাতে এ ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় অনেকেই টের পাননি। আবার সিলেট জেলার ও সিটি কর্পোরেশন এলাকার অনেক নাগরিকরা ভূমিকম্প টের পাওয়ার বিষয়টি জানিয়ে ফেসবুকে জানান দেন। এই ঘটনায় অনেকের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলেও জানা যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ব্রেকিং নিউজ: ভূমিকম্প l

বাংলাদেশে রাত ২টা বেজে ৫৫ মিনিটের সময় যে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়েছে তার উৎপত্তি স্থল ছিল ভারতের আসাম রাজ্যের রাজধানী গোয়াহাটির খুবই কাছে খারুপাতিয়া নামক শহর থেকে ১৭ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে। আমেরিকার ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে ভূমিকম্পটির মান ছিল ৫ দশমিক ৩। ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।

যেহেতু এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগ থেকে খুবই কাছে ও শিলংয়ের ডাউকি ফল্টের খুবই কাছে তাই আগামী ২৪ ঘণ্টায় একাধিক আফটার শক ভূমিকম্পের আশঙ্কা করা যাচ্ছে। বিশেষ করে আজ রাতে একাধিক ছোট-ছোট ভূমিকম্পের আশঙ্কা করা যাচ্ছে।




ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ফাল্গুনের প্রথমার্ধেই বৃষ্টির দেখা মিলেছে রাজধানীতে। তাতে শুষ্ক প্রকৃতিতে কিছুটা হলেও প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। তবে বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হওয়ায় জনমনে কিছুটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি, ৯ ফাল্গুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়। সেই সঙ্গে মেঘের গর্জন চলে। তবে এদিন সরকারি ছুটি হওয়ায় রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল কিছুটা কম। আবার প্রস্তুতি না থাকায় অনেককে বৃষ্টিতে ভিজে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

এর আগে, সকাল থেকে মেঘে ঢাকা ছিল রাজধানীর আকাশ। কিছু সময়ের জন্য রোদ উঠলেও তীব্রতা ছিল কম। তবে দুপুরেও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সকালে দেশের চার বিভাগে বৃষ্টির আভাস দিয়েছিল আবহাওয়া অফিস। সংস্থাটি জানায়, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে শেষরাত থেকে ভোর পর্যন্ত সারাদেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।