সমুদ্রের করাল গ্রাসে প্রতি বছর ১৫ থেকে ২০ মিটার প্রশস্ততা হারাচ্ছে কুয়াকাটা

মো:আল-আমিন (পটুয়াখালী): সমুদ্রের করাল গ্রাসে প্রতি বছর ১৫ থেকে ২০ মিটার প্রশস্ততা হারাচ্ছে সূর্যোদয়- সূর্যাস্তের বেলাভূমি কুয়াকাটা সৈকত। ক্রমশই ছোট হয়ে আসছে সৈকতের মানচিত্র। ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি পর্যটকসহ স্থানীয়দের।

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর শহরের হুইসেন পাড়া এলাকার ষাটোর্ধ্ব ইউসুফ হাওলাদার। তিনি পেশায় জেলে। তার ভাষ্যমতে, প্রায় ২০ বছর আগেও কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের প্রস্থ ছিল ৫ কিলোমিটার। মূল বেড়িবাঁধের পর সৈকতের বিশাল এলাকাজুড়ে ছিল ফয়েজ মিয়ার নারিকেল বাগান, তেঁতুল বাগান, ঝাউবন ও জাতীয় উদ্যানসহ বহু স্থাপনা। কিন্তু সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ের তাণ্ডবে এসব বাগান বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে সৈকতের প্রস্থ এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ কিলোমিটারে। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে সৈকতের জিরো পয়েন্টের মসজিদ ও মন্দিরসহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট দোকানপাট।
শুধু ইউসুফ হাওলাদার নয়, এমন কথা জানিয়েছেন কুয়াকাটার বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান ।

ভাঙন রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড দীর্ঘ ৪ বছরে ৮ কোটি টাকার বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেললেও তাতে সৈকতের কোন উন্নতি হয়নি। বর্তমানে যত্রতত্র ফাটাছেড়া জিও ব্যাগ ও গাছের গুড়ি পড়ে থাকায় আগের তুলনায় সৈকতের সৌন্দর্য হারিয়েছে বলে পর্যটকদের দাবি।
ঢাকা সাভার থেকে আসা পর্যটক মহিদুল বলেন, ‘কুয়াকাটার পরিবেশটা বেশ ভালোই । ৭ বছর আগে আরও একবার কুয়াকাটায় এসেছিলাম। কিন্তু এখন বিভিন্ন স্থানে ফাটাছেড়া জিও ব্যাগ এবং বড় বড় গাছ পড়ে আছে। এগুলো দেখতে ভালো লাগে না।’

চুয়াডাঙা থেকে আসা পর্যটক মো: নাইম জানান, সমুদ্রের ঢেউ সবারই মন কাড়ে। তবে এখানের বালু ভর্তি ফাটাছেড়া জিও ব্যাগ সৈকতের সৌন্দর্য নষ্ট করতেছে ।




বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের অদূরে উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসগারে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর বেশ উত্তাল হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে আকাশ ঘন মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) থেকে থেমে থেমে মাঝারী থেকে ভারী বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, লঘুচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্য বিরাজ করছে। তাই উপকূলীয় এলাকায় দিয়ে যে কোনো সময় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। পটুয়াখালীর পায়রা, চট্রগ্রাম, কক্সবাজার ও মোংলা সমুদ্র বন্দর সমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সকল মাছ ধরা ট্রলার সমূহকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

এদিকে বুধবার থেকেই মৎস্য বন্দর খ্যাত মহিপুর ও আলীপুরের অধিকাংশ মাছধরা ট্রলার আশ্রয় নিয়েছে বলে জানিয়েছে মৎস্য ব্যবসায়ীরা।

কুয়াকাটা-আলীপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি আনসার উদ্দিন মোল্লা জানান, উত্তাল ঢেউয়ের কারণে সাগরে টিকতে না পেরে অধিকাংশ মাছ ধরা ট্রলার ঘাটে আশ্রয় নিয়েছে। তবে কিছু ট্রলার সাগরে থাকলেও সেগুলো আজকের মধ্যে তীরে ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী জানান, লঘুচাপটি মৌসুমী নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। সেই সঙ্গে আগামি ৫ দিন উপকূলীয় এ বৃষ্টির ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।




আজকের আবহাওয়া বৃষ্টি হতে পারে

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের আট বিভাগীয় শহরের (চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও রংপুর) আজকের আবহাওয়ার সংবাদ, ঝড় ও বৃষ্টির পূর্বাভাস কেমন থাকবে, আজ বৃষ্টি হবে কি না এবং আগামীকালের আবহাওয়ার পূর্বাভাসের সর্বশেষ আপডেট।

আজ ৩০ ভাদ্র, বৃহস্পতিবার। আজকের (১৪ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়ার পরিস্থিতি তুলে ধরা হলো-

গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (চুয়াডাঙ্গা) ৩৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস
গতকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (বান্দরবান, টেকনাফ, কুতুবদিয়া, নিকলি) ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস
আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (কুতুবদিয়া) ২৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস
আজকে ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস
গত ২৪ ঘন্টায় (সকাল ৬টা পর্যন্ত) সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি (সিলেট) ৪৮ মিলিমিটার
খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।
দেশের উত্তরাঞ্চলের দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং অন্যত্র তা সামান্য কমতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।



আবহাওয়া কোথাও হতে পারে ভারী বৃষ্টি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: মৌসুমি বায়ু মোটামুটি সক্রিয় থাকায় সারাদেশেই বৃষ্টি বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা বেশি থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সব বিভাগেই কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে। এসময় সবচেয়ে বেশি ৬৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে নেত্রকোনায়। ঢাকায় ৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকায় কিছুটা বৃষ্টি হয়েছে। তবে উপকূলীয় এলাকায় গত রাত থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন অন্ধ্র-উড়িষ্যা উপকূলের অদুরে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে মৌসুমি বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্রিশগড়, উড়িষ্যা, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে তিনি জানান, ময়মনসিংহ, খুলনা বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের অনেক জায়গায় জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এসময়ে সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

ঢাকা, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও সিলেট জেলাসহ রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে বলেও জানান তরিফুল নেওয়াজ।

বুধবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল সৈয়দপুরে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।




ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ গ্রীষ্ম পার করলো বিশ্ব

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেক্স: তীব্র গরমে পুড়ছে ঢাকাসহ গোটা বাংলাদেশ। একই অবস্থা এশিয়ার অন্য দেশগুলোতেও। দুদিন আগেই নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ গ্রীষ্মকাল পার করার কথা জানিয়েছে হংকং। এবার জানা গেলো, শুধু চীনের এ শহরটি নয় কিংবা এশিয়াও নয়- এ বছর ইতিহাসের উষ্ণতম গ্রীষ্মকাল পার করেছে পুরো বিশ্ব। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এবারের গ্রীষ্মের উত্তাপ অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে, তা-ও বেশ বড় ব্যবধানে।

১৯৪০ সাল থেকে বৈশ্বিক তাপমাত্রার হিসাব রাখছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোপারনিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস। সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৩ সালের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত সময়কাল ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণতম।

কোপারনিকাসের তথ্যমতে, এবারের গ্রীষ্মে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ৭৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৬২ দশমিক ১০ ডিগ্রি ফারেনহাইট)। এটি ১৯৯০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যকার গড়ের তুলনায় ০.৬৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২০১৯ সালের রেকর্ডগড়া তাপমাত্রার চেয়ে ০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি।

বিজ্ঞানীরা এই পরিস্থিতিকে অনেক আগে থেকেই ‘অনিবার্য’ বলে ধরে নিয়েছিলেন। তবে এ সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক তথ্য মিললো এবারই প্রথম।

এবারের গ্রীষ্মে উত্তর গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের একাংশ, ইউরোপ, জাপানসহ বিভিন্ন দেশে প্রাণ ওষ্ঠাগত করে তুলেছিল ভয়ংকর গরম। এসব অঞ্চলে রেকর্ডভাঙা দাবদাহের পাশাপাশি অভূতপূর্ব হারে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়তে দেখা গেছে।

পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণতম জুন মাস ছিল এ বছর, একই রেকর্ড গড়ে জুলাইও। উভয় মাসই আগের উষ্ণতম মাসের রেকর্ড ভেঙেছে বিশাল ব্যবধানে। সেই ধারা অব্যাহত রেখে ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণতম আগস্ট মাসও দেখা দিয়েছে এ বছর।

কোপারনিকাসের তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের জুলাই বাদে বাকি সব মাসের চেয়ে উষ্ণতম ছিল আগস্ট। এই মাসে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ৮২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ২০১৬ সালের রেকর্ড গড়া তাপমাত্রার চেয়ে ০.৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি।

জুলাই এবং আগস্ট উভয় মাসের তাপমাত্রাই ছিল প্রাক-শিল্প যুগের তুলনায় ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি উষ্ণ। বিজ্ঞানীরা এই মাত্রার উষ্ণতার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছিলেন। তাদের মতে, উষ্ণতার এই সীমা অতিক্রম করলে পৃথিবীতে জলবায়ু পরিবর্তনের ধ্বংসাত্মক প্রভাব দেখা দিতে পারে।

দক্ষিণ গোলার্ধে এ বছর শীতকাল ছিল আগের তুলনায় উষ্ণ। এসময়ে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আমেরিকার কিছু দেশ এবং অ্যান্টার্কটিকায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি গড় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

শুধু ভূপৃষ্ঠে নয়, বিশ্বের সামুদ্রিক গড় তাপমাত্রাও বেড়েছে ব্যাপকভাবে। ফলে শক্তিশালী হয়েছে আটলান্টিকের হারিকেন এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের টাইফুনগুলো।

কোপার্নিকাস জানিয়েছে, জুলাইয়ের শেষ থেকে আগস্টের শেষ পর্যন্ত প্রতিদিনই সামুদ্রিক তাপমাত্রা ২০১৬ সালে গড়া আগের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

এ অবস্থায় ২০২৩ সাল পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণতম হবে কি না তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে এটি যে রেকর্ডের কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছে, তা নিশ্চিত।

বছরের চার মাস বাকি থাকতেই পৃথিবীর ইতিহাসে দ্বিতীয় উষ্ণতম বছরের স্বীকৃতি পেয়েছে ২০২৩ সাল। ২০১৬ সালের রেকর্ড থেকে মাত্র ০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচে রয়েছে এটি।

বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, এল নিনোর প্রভাবে আগামী বছর হতে পারে এর চেয়েও উষ্ণ।




বরিশালসহ উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা বেশি থাকতে পারে

বরিশাল অফিস:  দেশে এখন বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কম। উপকূলীয় অঞ্চলেই কিছুটা বৃষ্টি হচ্ছে। বুধবারও উপকূলীয় চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা বেশি থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ রয়েছে। একই সঙ্গে মৌসুমি বায়ুও এখন বাংলাদেশে মোটামুটি সক্রিয়। তবে দেশের উত্তরাঞ্চল বৃষ্টিহীন। একই সঙ্গে বিভিন্ন অঞ্চলে বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ।

আপাতত কয়েকদিন আবহাওয়া পরিস্থিতি এমনই থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

মঙ্গলবার সকাল থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা বেশি ছিল। এসময়ে সবচেয়ে বেশি ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে কুতুবদিয়ায়। রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগ ছিল বৃষ্টিহীন।

ঢাকায় বৃষ্টি না হওয়ায় ভ্যাপসা গরম রয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি রয়েছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, অন্ধ্র-উড়িষ্যা উপকূল ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ বিরাজ করছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে তিনি জানান, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

এসময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী ও কুষ্টিয়া জেলাসহ রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে বলেও জানান তিনি।




সাগরে লঘুচাপ, বাড়তে পারে বৃষ্টি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ:  বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। আগামী দুদিনের মধ্যে দেশে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশের কয়েকটি স্থানে যে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা মঙ্গলবারই (৫ সেপ্টেম্বর) দূর হতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের উপকূলীয় তিন বিভাগ ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে বৃষ্টি ছিল খুবই কম। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি ৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায়।

বৃষ্টি কমে যাওয়ায় সারাদেশেই অস্বস্তিকর গরম বাড়ছে। সোমবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল, সিলেটে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন অন্ধ্র প্রদেশ ও উড়িষ্যা উপকূলের নিকটবর্তী পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, পূর্ব মধ্যপ্রদেশ, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে তিনি জানান, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ফেনী জেলাসহ সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা প্রশমিত হতে পারে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আগামী তিনদিন যেমন থাকতে পারে আবহাওয়া
পরবর্তী তিন দিনের (৬ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরেছে আবহাওয়া দপ্তর। এর মধ্যে বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ দিন সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ও রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ দিন সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।




ভাঙনকবলিত কলাপাড়ার গৈয়াতলা এলাকার বেড়িবাঁধ

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী:  পটুয়াখালীর কলাপাড়া নীলগঞ্জ ইউনিয়নের গৈয়াতলা বেড়িবাঁধে আবারও ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে কৃষকসহ ৬ গ্রামের ১০ হাজার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। তাই জরুরিভিত্তিতে দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের। নীলগঞ্জ ইউনিয়নকে রক্ষার জন্য প্রায় ৫০ বছর আগে সোনাতলা ও আন্ধারমানিক নদীর তীরে নির্মাণ করা হয় ৪০ কিলোমিটারের বেড়িবাঁধ। এরপর বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে এ বাঁধের বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙন দেখা দেয়। যদিও বর্ষা মৌসুম এলে মেরামত করে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সর্বশেষ গত বছরের অক্টোবরে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে বাঁধের গৈয়াতলা পয়েন্টের ১২০ মিটার অংশে ভাঙন দেখা দেয়। পরবর্তী সময়ে এ বছরের মে মাসে ঘূর্ণিঝড় মোখা থেকে রক্ষার জন্য ওই অংশে ২০ লাখ টাকার জিও ব্যাগ ফেলে পাউবো। কিন্তু এই সংস্কারের মাত্র আড়াই মাসের মাথায় আবারো ভাঙন শুরু হয় ওই পয়েন্টেই। সোনাতলা নদীতে বিলীন হয়ে যায় জিও ব্যাগসহ রিভার সাইটের ৭০ মিটার বাঁধ। ফাটল দেখা দিয়েছে বাঁধের বড় অংশজুড়ে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে গৈয়াতলা, উমেদপুর, হাকিমপুর, মোহাম্মদপুর, মোস্তফাপুর ও পূর্ব সোনাতলা গ্রামের ১০ হাজার মানুষ।




যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‌‌ইডালিয়া, মৃত্যু ৩

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেক্স: যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ইডালিয়া। এতে তিনজনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। আঘাত হানার সময় ঘূর্ণিঝড়টির ক্যাটাগরি ছিল ৩। যদিও এখন এটি দুর্বল হয়ে গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঝড়ে রূপান্তরিত হয়েছে। তাছাড়া ইডালিয়া গতি পথ পাল্টিয়ে জর্জিয়া ও সাউথ ক্যারোলিনার দিকে এগোচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড় ইডালিয়ারর কারণে সেখানে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়েছে পড়েছে হাজার হাজার গ্রাহক।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় হারিকেন সেন্টার (এনএইচসি) জানায়, ঘূর্ণিঝড়টি শক্তিশালী ৪ নম্বর ক্যাটাগরিতে পরিণত হয়েছে। উপকূলে আঘাত হানার সময় বাতাসের গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১৩০ মাইল। তবে আঘাত হানার আগে ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে যায়।

এনএইচসি বুধবার জানায়, প্রায় ৩২ লাখ মানুষ বাস করা টাম্পা বে এলাকায় ঝড়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে। পানির উচ্চতা আট থেকে ১২ ফুট হতে পারে। ফ্লোরিডার অন্য এলাকা ও জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলেও বন্যা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করে এনএইচসি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে কথা বলার পর ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস কেন্দ্রীয় ত্রাণ সহায়তা সমন্বয়ের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।

এদিকে ফ্লোরিডার দিকে ছুটে যাওয়ার পথে ইডালিয়ার প্রভাবে কিউবার সবচেয়ে পশ্চিমাংশে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। ওই এলাকায় তামাক উৎপাদিত হয়ে থাকে। মাত্র একবছর আগে আঘাত হানা ইয়ান ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতি এখনো পুষিয়ে উঠতে পারেনি এলাকাটি। ঘূর্ণিঝড়টিতে অন্তত ১৫০ জন প্রাণ হারিয়েছিল।




আরও দু’দিন বৃষ্টি হবে

চন্দ্রদীপ নিউজ: আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, আগামী আরও দুই দিন বৃষ্টিপাত থাকবে। এরপর থেকে সারা দেশে বৃষ্টিপাত কমে আসবে।

তবে আজ শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ মো.ওমর ফারুক জানান, আজ এবং আগামীকাল আরও দু’দিন বৃষ্টিপাত চলবে। তবে এরপর থেকে সারা দেশেই বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে আসবে।
এছাড়া আজ শুক্রবার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় সীতাকুন্ডে সর্বোচ্চ ১২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
এছাড়া ঢাকা, টাঙ্গাইল, বগুড়া, বদলগাছী, তেঁতুলিয়া, চট্টগ্রাম, সন্দ্বীপ, চাঁদপুর, নেত্রকোনা, টেকনাফ, সাতক্ষীরা, যশোর, কুমারখালী, খেপুপাড়া ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক বৃষ্টিপাত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায় ৩৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আজ কুতুবদিয়ায় সর্বনি¤œ ২৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমী বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
আজ ঢাকায় দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘন্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।
সকালে ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আদ্রতা ছিল ৯২ শতাংশ।
ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ২৩ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ৩৭ মিনিটে