ঘরের স্যাতঁসেঁতে ভাব দূর করবেন যেভাবে

এই বৃষ্টি, এই রোদ। কখনো কখনো টানা বৃষ্টি এমন অবস্থায় ঘরের ভিতর সব সময়ই একটা স্যাঁতসেঁতে গন্ধ। বুঝতেই পারছেন না কীভাবে দূর হবে। গন্ধ দূর করতে রুম স্প্রে ব্যবহার করেও লাভ হচ্ছে না। চিন্তা নেই। নিচের টোটকাগুলো অনুসরণ করলেই খুব সহজে ঘরোয়া উপায়ে দূর করতে পারবেন বর্ষার গন্ধ। ইন্টারনেট অবলম্বনে লিখেছেন মোহাম্মদ খান।

১) স্যাতঁসেঁতে গন্ধ দূর করতে ঘরের একটি উঁচু জায়গায় বাটিতে কিছুটা ভিনিগার ঢেলে রেখে দিন। দেখবেন ভিনিগার ঘরের গন্ধ শুষে নেবে। ঘরে একটা ফ্রেশভাব আসবে।

২) বাজারে সুগন্ধি মোমবাতি কিনতে পাওয়া যায়। সেই মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখুন। দেখবেন ঘর থেকে গন্ধ দূর হবে।

৩) বৃষ্টির সময়ে জানলা বন্ধ রাখলেও থেমে গেলে জানলা খুলে দিন। ঘরে মুক্ত হাওয়া আসতে দিন। এতে বাইরের ঠান্ডা হাওয়া এসে ভ্যাপসা ভাবটা অনেকটা কেটে যাবে।

৪) জানলা-দরজার পর্দা থেকেও গন্ধ ছড়াতে পারে। বর্ষায় সপ্তাহে এক বার করে পর্দা কেচে নিন। প্রয়োজনে পর্দায় রুম স্প্রে ব্যবহার করুন। দেখবেন ঘরে সুন্দর গন্ধ খেলা করবে।




বায়ুদূষণের শীর্ষে লাহোর, ঢাকা পঞ্চম

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। অন্যদিকে, রাজধানী ঢাকার বায়ুর মানের অবনতি হয়েছে। সোমবার (২ অক্টোবর) সকাল ৯টা ৪৪ মিনিটের দিকে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

দূষণ তালিকার শীর্ষে থাকা লাহোরের স্কোর ১৮৩ অর্থাৎ সেখানকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর। এরপর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা এই শহরের স্কোর ১৬২ অর্থাৎ সেখানকার বাতাসও অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ইতালির মিলানো শহর।

 

স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।




বিপৎসীমার ওপরে দক্ষিণের ৮ নদীর পানি

রোববার (১ অক্টোবর) দিনগত রাত ৯টায় বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. তাজুল ইসলাম।

তিনি জানিয়েছেন, বর্ষা মৌসুমে বরিশাল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ মোট ১৯টি নদীর পানিপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ করা হয়। রোববারের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮টি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বিভাগের নিম্নাঞ্চলের অনেক এলাকা তলিয়ে গেলেও ভাটায় পানি দ্রুত নেমে যাবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বরগুনার বেতাগী উপজেলার বিশখালী নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, ভোলার দৌলতখান উপজেলার সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমা দশমিক ৩১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক ৫২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, বরিশালের হিজলা উপজেলার ধর্মগঞ্জ নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক ২৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়া বরগুনার বিশখালী নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক ৬ সেন্টিমিটার, পাথরঘাটা উপজেলার বিশখালী নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক ১৩ সেন্টিমিটার, উমেদপুর কচা নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক ৯ সেন্টিমিটার এবং পিরোজপুরের বলেশ্বর নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অন্যদিকে বরিশালের কীর্তনখোলা, বাকেরগঞ্জের বুড়িশ্বর, ঝালকাঠির বিশখালী, কাইটপাড়া লোহালিয়া, ভোলা খেয়া ঘাট তেঁতুলিয়া, গৌরনদী টরকি, বাবুগঞ্জ, মির্জাগঞ্জ বুড়িশ্বর, আমতলী বুড়িশ্বর ও স্বরূপকাঠি নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে।

বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম  বলেন, পূর্ণিমা ও উজানের পানির চাপে ৮টি নদীর পানি বেড়েছে। তবে দক্ষিণাঞ্চলে এখন পর্যন্ত বন্যার কোনো প্রভাব নেই। নদ-নদীর পানি যে পরিমাণ বেড়েছে তা মৌসুমের স্বাভাবিক পরিস্থিতি।




অক্টোবরে দেখা দিতে পারে বন্যা, ক্রমেই কমবে তাপমাত্রা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: চলতি মাসের (অক্টোবর) প্রথমার্ধে ভারী বৃষ্টির কারণে দেশের রংপুর, সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে স্বল্প মেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। এ মাসের মধ্যভাগে বর্ষা বিদায় নিতে পারে। একই সঙ্গে অক্টোবরে একটি লঘুচাপ নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দিতে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি এ পূর্বাভাস দিয়েছে। রোববার (১ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঢাকার ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রে ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কমিটির নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অধিদপ্তরের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।

দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানানো হয়, সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এ মাসে বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ৩টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এরমধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

এ মাসের মধ্যভাগে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু (বর্ষা) বাংলাদেশ থেকে পর্যায়ক্রমে বিদায় নিতে পারে জানিয়ে এতে বলা হয়, অক্টোবরে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ২ থেকে ৪ দিন মাঝারি ধরনের বজ্রঝড় এবং সারাদেশে ৩ থেকে ৫ দিন হালকা বজ্রঝড় হতে পারে।

‘দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেতে পারে। তবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক অপেক্ষা কিছুটা বেশি থাকতে পারে।’

অক্টোবর মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে; তবে ভারী বৃষ্টিপাতজনিত কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্ব পার্বত্য অববাহিকার কতিপয় স্থানে স্বল্প মেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানানো হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে সারাদেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হয়েছে। সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সদ্য শেষ হওয়া মাসে দেশের অনেক স্থানে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হয়। গত মাসে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছিল

গত মাসে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১ দশমিক ৭ ডিগ্রি ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ০ দশমিক ৯ ডিগ্রি বেশি ছিল। একই সঙ্গে গড় তাপমাত্রা ১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল (পলাশ) বলেন, অক্টোবর মাসের ৩ তারিখে (মঙ্গলবার) বাংলাদেশের ৬৪টি জেলাতেই মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী থেকে খুবই ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর ওপরে।

অক্টোবর মাসের ৪/৫ তারিখে তিস্তা নদীর উপকূলবর্তী জেলাগুলো বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।




সমুদ্র বন্দর থেকে সংকেত নামল

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকার সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই।



সোমবার থেকে বৃষ্টি আরও বাড়তে পারে

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ:  আগামীকাল সোমবার থেকে দেশে বৃষ্টি আরও বাড়তে পারে। সুস্পষ্ট লঘুচাপ বঙ্গোপসাগর থেকে উঠে এখন ভারতের স্থলভাবে অবস্থান করছে। এ কারণে সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর থেকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলা হয়েছে।

রোববার (১ অক্টোবর) সকালে পূর্বাভাস প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রোববার সর্বশেষ সামুদ্রিক আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।

শনিবার সকাল ৬টা থেকে রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সব বিভাগেই কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি ৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে সাতক্ষীরায়। ঢাকায় সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। রোববার সকাল থেকে ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা, সঙ্গে বইছে দমকা হাওয়া।

মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের মাঝারি অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

রোববার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় (৫১ থেকে ৭৫ শতাংশ অঞ্চল) এবং ঢাকা, রাজশাহী এবং ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

তবে সোমবার (২ অক্টোবর) খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় (৭৬ থেকে শতভাগ অঞ্চল), রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় (২৬ থেকে ৫০ শতাংশ অঞ্চল) অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সোমবার সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলেও পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

এরপরের ৫/৬ দিন বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানান আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান।




ছুটির ২য় দিনে কুয়াকাটায় বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে পর্যটকদের ঢল

 

মো:আল-আমিন,পটুয়াখালী: সরকারী ছুটির দ্বিতীয় দিনে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। লেম্বুর বন, শুটকি পল্লী, ঝাউবন, গঙ্গামতির চর ও বৌদ্ধ বিহার সহ সর্বত্র এখন পর্যটকদের আনাগোনা। আগত পর্যটকরা বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে সকাল থেকেই সমুদ্রের নোনা জলে উন্মদনায় মেতেছেন। কেউবা ঘুরছেন ঘোড়া কিংবা ওয়াটার বাইকে। অনেকে আবার সৈকতের বেঞ্চিতে বসে উপভোগ করছেন সমুদ্রের তীরের আছড়ে পড়া বড় বড় ঢেউ। বর্তমানে সৈকতে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। আগতদের ভীড়ে বুকিং রয়েছে কুয়াকাটার শতাধিক হোটেল মোটেল। বিক্রি বড়েছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। আগত পর্যটকের নিরাপত্তায় বিভিন্ন পর্যটন স্পটে মোতায়েন রয়েছে অতিরিক্ত ট্যুরিষ্ট পুলিশ।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক দম্পতি ফারিয়া আক্তার বলেন,আজকে কুয়াকাটায় এসে রুম পেতে অনেক কষ্ট হয়েছে, তাও আবার ডবল এক রুমের মধ্যে আমরা সবাই মিলে ৭ জন ।এখানে এতো পর্যটক আসে এটা আমাদের ধারনাই ছিলনা।

বেঞ্চি ব্যাবসায়ী শহীদ জানান, এবার বর্ষা মৌসুমে আজকের মতো পর্যটক আর হয়নি। তিন দিনের ছুটি আর মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কারনে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও পর্যটকের ঢল নেমেছে।

কুমিল্লা থেকে আসা পর্যটক মোঃ খায়রুল ইসলাম বলেন, এ মেলাকে কেন্দ্র করে অনেক পর্যটক বেড়েছে। আমি এর আগেও বহুবার কুয়াকাটায় এসেছি। তবে আমি এত পর্যটক এর আগে কুয়াকাটায় দেখিনি।

হোটেল মোটেল অউনার এসোসিয়েশন সাধারণত সম্পাদক মোঃ মোতালেব শরীফ জানান, একদিকে তিন দিনের ছুটি আরেক দিকে মেলা একে কেন্দ্র করে বিগত দিনের চেয়ে অনেক পর্যটক বেড়েছে। কুয়াকাটায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার শুভদৃষ্টি কামনা করেন।

কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশ জোনের ওসি হাসনাইন পারভেজ বলেন, কুয়াটায় আগত পর্যটক এর নিরাপত্তায় আমরা মাঠে আছি।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, কুয়াটায় ব্যাপক পর্যটকের আগমন ঘটেছে। এখানকার পর্যটন ব্যবসায়ীরা যদি বিশেষ বিশেষ মুহুর্তে এভাবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তাহলে আরো পর্যটক আসবে। মহিপুর থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যটকদের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।




আন্তর্জাতিক আদালতের প্রেসিডেন্ট রাশিয়ার ‘ওয়ান্টেড’ তালিকায়

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রেসিডেন্ট পিওতর হফমানস্কির নাম ওয়ান্টেড তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে রাশিয়া। সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক নোটিশে বলা হয়েছে, পোল্যান্ডের নাগরিক হফমানস্কি পিওতর জোজেফ রাশিয়ার ফৌজদারি আইনের আওতায় ওয়ান্টেড হিসেবে বিবেচিত হবেন। তবে পিওতরের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানায়নি মন্ত্রণালয়।

একই অভিযোগে রাশিয়ার শিশু অধিকারবিষয়ক প্রেসিডেন্সিয়াল কমিশনার মারিয়া লোভোভা-বেলোভার বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল আইসিসি। এমন উদ্যোগের জবাবে এর আগে আইসিসির কৌঁসুলি করিম খান ও কয়েক বিচারকের বিরুদ্ধে পাল্টা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল রাশিয়া। এবার আইসিসির প্রেসিডেন্টের নাম ওয়ান্টেড তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে।

 

এ মাসে ইউক্রেনে মাঠপর্যায়ে কার্যালয় খুলেছে আইসিসি। মূলত পশ্চিমা-সমর্থিত দেশ ইউক্রেনে রাশিয়ার সর্বাত্মক হামলার জন্য রুশ বাহিনীকে জবাবদিহির আওতায় আনার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ কার্যালয় খোলা হয়েছে।

সূত্র: দ্য মস্কো টাইমস




আবহাওয়া ২ দিনের মধ্যে সাগরে ফের লঘুচাপ

একই সঙ্গে আগামী দুই দিনের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। আগামী পাঁচ দিনে লঘুচাপের প্রভাবে বৃষ্টি বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

গত কিছুদিন আগে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ এবং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তায় সারাদেশেই তুমুল বৃষ্টি হয়েছিল। এখন দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলেই ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হচ্ছে। দিনের বেশিরভাগ অংশেই থাকছে ঝলমলে রোদ।

মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল সীতাকুণ্ডে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে।

মঙ্গলবার সকাল ৯ টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে তিনি জানান, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য কোনো সতর্কবাণী নেই এবং কোনো সংকেতও দেখাতে হবে না বলেও আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

যেমন থাকতে পারে আগামী দুদিনের আবহাওয়া:

আবহাওয়া অধিদপ্তর বুধবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানিয়েছে, রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। বৃহস্পতিবার সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এর পরের পাঁচ দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।




তিস্তায় বাড়ছে পানি, খুলে দেওয়া হয়েছে ৪৪ গেট

এদিন বিকেলে ব্যারাজ পয়েন্টে ৫২.০৭ সেন্টিমিটার পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে। যা বিপৎসীমার দশমিক ৮ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে।

এরআগে রোববার সকাল ৯টা থেকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদিন ইসলাম বলেন, সকাল থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে ৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিস্তার পানিবৃদ্ধির ফলে জেলার পাটগ্রামের দহগ্রাম, হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, দোয়ানি, সানিয়াজান ইউনিয়নের নিজ শেখ সুন্দর, সিঙ্গামারি ইউনিয়নের ধুবনী, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, শৈইলমারী, নোহালী, চর বৈরাতি, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, পলাশী ও সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, কালমাটি রাজপুর, গোকুণ্ডা ইউনিয়নের তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করছে।

 

হাতীবান্ধা উপজেলার সিন্দুর্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে চর এলাকার রাস্তাঘাট ডুবে গেছে। চরের লোকজনের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।