সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.৪ ডিগ্রি, শীত আরও বাড়বে

গ্রামে-গঞ্জের মতো শীত নেমেছে নগরেও। সন্ধ্যার পর ঢাকায় শীত অনুভূত হচ্ছে। গায়ে জড়াতে হচ্ছে শীতের কাপড়। রাতে প্রয়োজন হচ্ছে লেপ-কাঁথার।

ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে কমে আজ হয়েছে ১৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তাপমাত্রাও ক্রমে কমছে।

মঙ্গল ও বুধবার রাতের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলেও পূর্বাভাসে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অধিদপ্তর ডিসেম্বর মাসের পূর্বাভাসে জানিয়েছে, ডিসেম্বরে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে। এ মাসের শেষার্ধে দেশের কোথাও কোথাও এক থেকে দুটি মৃদু বা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কোনো বিস্তৃত এলাকাজুড়ে নির্দিষ্ট সময় ধরে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি থাকলে মৃদু, ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি থাকলে মাঝারি ও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে বেশি হলে তাকে তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়।

সোমবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চলে ও নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারাদেশে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় আপরিবর্তিত থাকতে পারে।

মঙ্গলবার সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। বুধবার সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।

রোববার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল টেকনাফে, ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।




বায়ুদূষণের শীর্ষে আজও ঢাকা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে আজও উঠে এসেছে রাজধানী ঢাকা। সোমবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

তালিকার শীর্ষে অবস্থান করা ঢাকার বায়ুর মানের স্কোর হচ্ছে ৩১৬। এর অর্থ দাঁড়ায় এখানকার বায়ু দুর্যোগপূর্ণ বা বিপজ্জনক পর্যায়ে রয়েছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কুয়েত সিটি। কুয়েতের শহরটির স্কোর হচ্ছে ২২৭ অর্থাৎ সেখানকার বায়ুর মানও ‘ খুবই অস্বাস্থ্যকর’।

এর আগে রোববার (১০ ডিসেম্বর) সকালেও রাজধানী ঢাকা দূষণ তালিকায় ১ নম্বরে ছিল।

স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।




এবার শীতকাল কেমন হতে পারে, জানালেন আবহাওয়াবিদরা

অনলাইন ডেস্ক : এবার শীতকাল কেমন হবে, কবে থেকে শুরু হতে পারে এবং শীত কতটা তীব্র হবে? সবার মাঝেই জানার আগ্রহ।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শীতকাল হলেও দেশের উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা কমতে শুরু করে নভেম্বর মাসের শেষ দিক থেকে, এবারও এর খুব একটা তারতম্য হয়নি। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আবহাওয়ার স্বাভাবিক গতি-প্রকৃতি কিছুটা পাল্টে গেছে; যার কারণে শীতকালের সময় এবং ধরন ঠিক আগের মতো হচ্ছে না। খবর বিবিসির

আবহাওয়াবিদরা বলেন, সাধারণত স্বস্তিদায়ক তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে বোঝানো হয়। আর ডিসেম্বর মাস থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের সময়কালকে শীতকাল হিসেবে ধরা হয়।

মিগজাউমের’ প্রভাবে বৃষ্টিপাতের পর এই মাসের ১০ তারিখের পর থেকে তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে শুরু হবে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক। তবে উত্তরাঞ্চলে কোথাও কোথাও এবার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে আসতে পারে বলে জানান তিনি।

এটিকে শৈত্যপ্রবাহ হিসেবেও দেখা যায়, কারণ, শীতকালে ২ দশমিক ৬ থেকে শুরু করে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রা নেমে গেলে শৈত্যপ্রবাহ বলে ধরা হয়।

গত ৩০ বছরের তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে আবহাওয়াবিদরা দেখেছেন, ডিসেম্বর মাসে সাধারণত একটি থেকে দুটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা থাকে। শীতকালের শুরুটা মূলত ডিসেম্বর মাসের শেষার্ধের দিকে অর্থাৎ ১৬ তারিখের পর কোনো একটা সময় থেকে।

আবহাওয়াবিদদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বৃষ্টিপাতের পরপর তাপমাত্রা কমে শীত অনুভূত হলেও প্রকৃত অর্থে এটি শীতকাল নয়। সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পাশাপাশি যখন আকাশ মেঘমুক্ত হয়ে বায়ুমণ্ডল পুরোপুরি শুষ্ক হয়ে গেলে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

আবহাওয়াবিদ মান্নান বলেন, ‘এ মাসের শেষ সপ্তাহের দিকে একটা মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আসার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে সেটি পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলে বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

এ মাসের দ্বিতীয়ার্ধ, অর্থাৎ ১৬ তারিখের পর থেকে মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যে প্রকৃত অর্থে শীতকাল শুরুর সম্ভাবনা দেখছেন আবহাওয়াবিদ মান্নান। তিনি বলেন, যখন রাতের তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামবে, তখন শীত শুরু হবে।

বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রার রেকর্ড রাখা শুরু হবার পর থেকে এবার সবচেয়ে বেশি গরম পড়েছিল চলতি বছরের জুনে। আমেরিকা ও ইউরোপের মতো শীতপ্রধান জায়গায় তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করে সাধারণ মানুষ।

বিশ্বব্যাপী গড় তাপমাত্রার রেকর্ড হয়, যার প্রধান কারণ ‘এল নিনো’ নামে প্রাকৃতিক আবহাওয়া চক্র। এর সঙ্গে বিশ্বের বাড়তে থাকা তাপমাত্রার প্রভাবে এবারের শীতকালটা আগের তুলনায় কিছুটা উষ্ণ হওয়ার কথা জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন, এল নিনো সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। এই অবস্থা মে পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি সক্রিয় থাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে সাধারণ তাপমাত্রা বেশি দেখা যায়।

আবহাওয়াবিদ মল্লিক বলেন, প্রতি তিন থেকে সাত বছরের মধ্যে একবার এই ‘এল নিনো’ দেখা দেয়- যখন তাপমাত্রা ঊর্ধমুখী হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৩০ বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় হিসাব মতে, স্বাভাবিকভাবে ডিসেম্বর মাসে সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা ১৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে থাকে। এ বছর ডিসেম্বর মাসে সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা ১৪ দশমিক ৫ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করতে পারে। পাঁচ বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় চিত্রের দিকে তাকালে তাপমাত্রা বাড়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।

৩০ বছরের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসের গড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এবার সামান্য বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ তথ্য অবশ্য পুরো দেশজুড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ডের গড় হিসাব। অঞ্চলভেদে তাপমাত্রার তারতম্য হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে এবার তেমন শীত পড়বে না, সেটা ভাবলেও ভুল হবে।

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে আবহাওয়ার ব্যাপারে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যায় না। আবহাওয়াবিদ মান্নান বলছেন, ‘গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের এই সময়ে যেকোনো সময় পরিস্থিতি ভিন্ন আকার ধারণ করতে পারে।’

গত তিন মাসে পরপর কয়েকটি ঘূর্ণিঝড়ের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, আবহাওয়া বিরূপ আচরণ করলে শর্ট পিরিয়ডে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ আসার সম্ভাবনাকেও কিন্তু উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে এটুকু বলা যায়, সামগ্রিকভাবে এবার শীতের সময় কিছুটা ওয়ার্ম (উষ্ণ) থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে শীতের সময়কালেরও কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ডিসেম্বর মাসকে শীত শুরু হওয়ার স্বাভাবিক সময় হিসেবে ধরা হলেও আগের তুলনায় শুরুর সময়টা পেছানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তবে শীতের সময়কাল কম লক্ষ্য করছেন আবহাওয়াবিদ মল্লিক।

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে গত কয়েক বছর ধরে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহের পর তেমন শীত অনুভূত হয় না। এমনকি, গত কয়েক বছরে জানুয়ারি মাসেও আমাদের এক্সপেক্টশন অনুযায়ী শীতের অনুভূতি আসেনি বলছিলেন তিনি।

এছাড়া শৈত্যপ্রবাহের ব্যাপ্তিকালেও পরিবর্তন লক্ষ্য করছেন আবহাওয়াবিদরা। শীতল রাত কত সময় ধরে চলবে, সেদিকে ২০১৫ সালের পর থেকে পরিবর্তন হয়েছে। কত সময় ধরে শৈত্যপ্রবাহ চলবে সেই হিসাবে তীব্র ও মাঝারি ধরণের শৈত্যপ্রবাহ কমে গেছে।

সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ভিত্তিতে অন্তত তিন দিন স্থায়িত্বকাল অনুযায়ী শৈত্যপ্রবাহকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়- ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা মৃদু শৈত্যপ্রবাহ; ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি মাঝারি; ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি তীব্র আর ৪ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা থকেলে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ।

মৃদু শৈত্যপ্রবাহ এখন আগের তুলনায় বেশি সময় ধরে থাকছে এবং মাঝারি থেকে অতি তীব্র ধরণের তাপমাত্রার দিনসংখ্যা কমে আসছে। জানুয়ারি মাস নাগাদ সাধারণত একটি থেকে দুটি মাঝারি থেকে তীব্র ধরণের শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা থাকে- যেটা এবারও থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

 




চলতি মাসেই শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা কমার আভাস




খেলা শুরুর সময় জানা গেল




বৃষ্টি নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

  • চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’-এর প্রভাবে গত কয়েকদিন ধরে দেশব্যাপী চলা বৃষ্টি কমার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে তাপমাত্রা কমে শীত বাড়ার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।
    শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক  বলেন, বৃষ্টির প্রবণতা আজ কমে যাবে। এরইমধ্যে দেশের পশ্চিমাঞ্চলের আকাশ মেঘমুক্ত হওয়া শুরু করেছে। দুপুরের পর ঢাকায়ও বৃষ্টি কমে যাবে বলে জানান তিনি।



বৃষ্টি ও শীত নিয়ে যা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :  ঢাকাসহ সারাদেশেই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বৃষ্টিপাতের এ ধারা বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) দিনভর অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।



বৃষ্টি হবে আজ ও কাল, এরপর শীত

অন-লাইন ডেস্ক : সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে আজ ও বৃহস্পতিবার। অনেক জায়গায় হতে পারে ভারী বৃষ্টি। শুক্রবারের পর বৃষ্টি কমতে পারে। একইসঙ্গে কমতে পারে রাতের তাপমাত্রাও। এতে অনেক জায়গায় শীত অনুভূত হবে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

আগামীকাল বৃহস্পতিবারও বৃষ্টি থাকবে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথা মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। সামান্য বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা।

এদিকে আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও আশেপাশের এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় “মিগজাউম’ আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে নিলর ও মাসুলিপক্টমের কাছ দিয়ে মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করেছে। বর্তমানে অন্ধ্র প্রদেশ ও আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। এটি স্থলভাগের মধ্যে আরও অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে।




৮ বিভাগেই বৃষ্টি হতে পারে, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করে ক্রমে দুর্বল হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে মঙ্গলবার থেকে বাংলাদেশে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বুধবারও (৬ ডিসেম্বর) দেশের আট বিভাগেই কমবেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

উপকূলীয় অঞ্চলে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি হওয়ায় চট্টগ্রাম, পায়রা, মোংলা ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগ ছাড়া সব বিভাগেই সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। টাঙ্গাইল, যশোর, নিকলী ও রাজশাহীতে এক মিলিমিটার করে বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য স্থানে সামান্য বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার রাতে ঢাকায়ও সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবারের মতো বুধবারও সকাল থেকে ঢাকার আকাশ মেঘে ঢেকে আছে। মাঝে মাঝে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিও হচ্ছে।

বুধবার সকালে আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে নিলর ও মাসুলিপট্টমের নিকট দিয়ে মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করেছে এবং বর্তমানে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর দিকে স্থলভাগের অভ্যন্তরে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টি ঝড়িয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে।

বুধবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে তিনি জানান, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর বিভাগের দু/এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এসময়ে সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা এক থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

বৃষ্টির প্রবণতা বৃহস্পতিবারও অব্যাহত থাকতে পারে। শুক্রবার থেকে বৃষ্টি কমে আসতে পারে। একই সঙ্গে রাতের তাপমাত্রা ও অনেকটা কমে যাবে বলেও জানান আবুল কালাম মল্লিক।

বুধবার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল কক্সবাজারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার সৃষ্টি হচ্ছে। এজন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।




সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৩ স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।