দেশের চার বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। সেই কারণে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের চার বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।



আজ ১ লা ফাগুন

পঞ্জিকার হিসাবে শীতের শেষ দিন ছিল মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি)। অবশেষে শীতের রিক্ততাকে আনুষ্ঠানিক বিদায়। রাত পোহালেই পহেলা ফাল্গুন। ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন।

যৌবনদীপ্ত বসন্ত মানেই পূর্ণতা। বসন্ত মানে নতুন প্রাণের কলরব। আনন্দের এ রঙে নাচে কোটি বাঙালির মন। কমলা, বাসন্তী, হলুদসহ বাহারি রঙের পোশাকের সাজে প্রকৃতির সঙ্গে সেজে ওঠে উৎসবপ্রেমীরাও। সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে উৎসব।

এ তো গেলো বসন্ত বরণের কথা! রাত পোহালে তো ভালোবাসার দিনও। মন থেকে মনে ভালোবাসার রঙ ছড়িয়ে পড়ার দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি, ভ্যালেন্টাইন ডে।

যদিও ভালোবাসা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে আরও এক সপ্তাহ আগেই। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে একে একে সাতটি দিবস পেরিয়ে আসে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এ দিনের উদযাপনেই যেন এক সপ্তাহের উতলা মন, হাহাকার, স্বপ্ন, প্রেম, উষ্ণতা পূর্ণতা পায় ভালোবাসা!

শুধু উচ্ছ্বল তরুণ-তরুণীই নয়, সব বয়সের মানুষের ভালোবাসার বহুমাত্রিক প্রকাশের আনুষ্ঠানিক দিনও আজ। এ ভালোবাসা যেমন মা-বাবার প্রতি সন্তানের, তেমনি মানুষে-মানুষে ভালোবাসাবাসির দিনও এটি।

বাঙালির চিরায়ত বসন্ত বরণ, সঙ্গে ভালোবাসার দিবস—জোড়া উৎসবে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, চারুকলার বকুলতলা, রবীন্দ্র সরোবর, রমনা পার্ক, হাতিরঝিলে যতদূর চোখ যায় দেখা মেলে তরুণ-তরুণীদের।

শুধু রাজধানী নয়, দেশে বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিনোদনকেন্দ্র, সাংস্কৃতিক অঙ্গন, শপিংমল, রেস্তোরাঁ ও পাঁচ তারকা হোটেলে ছড়িয়ে পড়ে আনন্দের আমেজ। ভালোবাসাময় বসন্তের রঙে বাঁধ ভাঙে সব বয়সী মানুষের উচ্ছ্বাস।

বইমেলায় বসন্ত-ভালোবাসার দোলা

ভাষার মাসের প্রথম দিনে শুরু হয়েছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা। এবার শুরু থেকেই জমজমাট মেলা। তা আরও জমবে বসন্ত বরণ ও ভালোবাসা দিবসে। টিএসসি, বাংলা একাডেমি চত্বর, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান হয়ে উঠতে পারে বাসন্তী রঙে সাজা তরুণ-তরুণীদের উৎসবের তীর্থস্থান।

বাসন্তী রঙের শাড়ি আর খোঁপায় গাঁদা ফুল গুজে মেলায় আসবেন তরুণীরা। তরুণরা পরবেন বাসন্তী রঙের পাঞ্জাবি-ফতুয়া। আঙুলে আঙুল রেখে ঘুরবেন শহরে নানা জায়গায়। সবশেষে হয়তো আসবেন বইমেলায়। মনের মানুষকে লাল গোলাপের সঙ্গে উপহার দেবেন প্রিয় লেখকের বই। ফলে বসন্ত-ভালোবাসার দিনে বইমেলায় থাকবে ভিন্ন আমেজ।

বসন্ত ও অধিকার আদায়ে আন্দোলন

বাঙালি জীবনে বসন্ত যেন হাজির হয় অধিকার আদায়ের আওয়াজ নিয়েও। বসন্ত আর অধিকারের আন্দোলনও মিলেমিশে একাকার। বসন্তের আগমন বায়ান্নের সেই ফাল্গুন মনে করিয়ে দেয়। যেদিন পিচঢালা রাজপথে শাসকের গুলিতে ভাষা শহীদরা করেছিলেন প্রাণোৎসর্গ। বসন্তেই বাঙালি নেমেছিল মহান মুক্তিযুদ্ধে।

আবার বসন্ত মনে করিয়ে আশির দশকের স্বৈরাচার হটাও আন্দোলনে ঝরেপড়া শিক্ষার্থীদের রক্তের কথা। বসন্তেই ২০১৩ সালে নতুন প্রজন্ম জেগে উঠেছিল গণজাগরণে। একাত্তরের মানবতাবিরোধীদের বিচার এ বাংলায় হতেই হবে দাবি নিয়ে আবারও এক হয়েছিল ওরা। তাই কেবল প্রকৃতি আর মনে নয়, বাঙালির জাতীয় ইতিহাসেও বসন্ত আসে বারবার।

এদিকে, বসন্ত বরণ ও ভালোবাসা দিবস উদযাপনে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, সামাজিক সংগঠন নানা আয়োজন করে থাকে। এবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে নানা আয়োজন। অন্যদিকে দিবসটি উপলক্ষে প্রিয়জনকে বিভিন্ন ধরনের উপহার দেন অনেকেই। এখন অনলাইনের সুবিধা থাকায় অনেকেই অনলাইন উপহার পাঠান প্রিয়জনকে।




ফিলিপাইনে ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৬৮

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ফিলিপাইনে ভূমিধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮ জনে। প্রায় এক সপ্তাহ আগে দেশটির সোনার খনি সমৃদ্ধ একটি গ্রামে ভূমিধস আঘাত হানে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দাভাও দে ওরো প্রদেশে ওই বিপর্যয়ের পর এখনও পর্যন্ত ৫১ জন নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, সেখানে আর কারও বেঁচে থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই।

সেখানে সর্বশেষ তিন বছর বয়সী এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ভূমিধসের ৬০ ঘণ্টা পর ওই শিশুকে উদ্ধারের ঘটনাকে ‘অলৌকিক’ বলে দাবি করেন উদ্ধারকর্মীরা। দাভাও দে ওরো প্রদেশের দুর্যোগ সংস্থার কর্মকর্তা এডওয়ার্ড ম্যাকাপিলি বলেন, সে সময় ওই শিশুটিকে উদ্ধারের ঘটনা উদ্ধারকারীদের মনে আশা জুগিয়েছে।

তবে এখন আর কাউকে জীবিত উদ্ধারের আশা খুবই ক্ষীণ। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রয়ারি) মিন্দানাও দ্বীপের দাভাও দে ওরো প্রদেশের খনিসমৃদ্ধ গ্রাম মাসারোয় ভয়াবহ ভূমিধস ঘটে। এই ঘটনায় অন্তত ৩১ জন আহত হন। এখনও অনেকেরই কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

ভূমিধসের সময় খনি শ্রমিকদের পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত তিনটি বাস ও জিপ গাড়ি কাদায় আটকে যায়। বাসগুলোতে থাকা ২৮ শ্রমিকের মধ্যে ৮ জন বেরিয়ে আসতে পারেন। তাছাড়া এ দুর্ঘটনায় গ্রামটির অনেক বাড়িঘরও ধ্বংস হয়েছে।

প্রাদেশিক কর্মকর্তা ম্যাকাপিলি জানান, ২০০৭ এবং ২০০৮ সালে ভূমিধসের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাটিকে ‘নো বিল্ড জোন’ বা স্থাপনা তৈরি করা যাবে না বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার পর এলাকাবাসীকে এই স্থান ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা আবারও সেখানে ফিরে আসেন।

সাম্প্রতিক সময়ে ফিলিপাইনের এই অঞ্চলে ভূমিকম্প, ভূমিধস ও বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা বেড়ে গেছে। ভবিষ্যতে ভূমিধসের আশঙ্কায় মাসারা ও আশপাশের চারটি গ্রামের শত শত পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে জরুরি কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে স্কুল-কলেজ।




কলাপাড়ায় ২ হাজার পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ২ হাজার শীতার্ত পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ মহিববুর রহমান মহিব এমপি।

আজ (শুক্রবার)  সকাল ১০ টায় কলাপাড়া বঙ্গবন্ধু কলোনি ও পৌরসভা প্রাঙ্গনে  শীতার্তদের মাঝে এসব কম্বল বিতরণ করেন তিনি।

এ সময় কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালেব তালুকদার, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সৈয়দ নাসির,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শহিদুল ইসলাম বিশ্বাস, পৌর মেয়র  বিপুল চন্দ্র হাওলাদার, যুগ্নু সাধারণ সম্পাদক মঞ্জরুল আলম,প্যানেল মেয়র হুমায়ুন কবির, দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ আলীসহ আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতারাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




ফের জেকে বসছে শীত

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : কয়েকদিন তাপমাত্রা বৃদ্ধির পর বৃহস্পতিবার থেকে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে। এ দিন তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবারও (৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকাসহ উত্তাঞ্চলে শীতের অনুভূতি বেড়েছে।

রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

এটি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে উত্তরের সীমান্তঘেঁষা জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে গতকাল দেশের সর্বনিম্ন ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি তাপমাত্রা ছিল উত্তরের এ জেলাতেই। অর্থাৎ, একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে প্রায় ৪ ডিগ্রি।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। সেই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এই অবস্থায় আগামী ৫ দিনে তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বর্তমানে রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এটি অব্যাহত থাকতে পারে। পাশাপাশি আগামী দু’দিন কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা। এই অবস্থায় আগামী তিন দিনে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘনকুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। এর মধ্যে শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা পর্যন্ত সময়ে সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পর দিন শনিবার একই সময় পর্যন্ত দক্ষিণাঞ্চলে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং উত্তরাঞ্চলে তা বৃদ্ধি পেতে পারে। আর এ দিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এ ছাড়া শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।




শীত কমতে পারে, মঙ্গলবার বৃষ্টির আভাস

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  আগামী তিনদিন তাপমাত্রা ক্রমে বেড়ে শীত কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে আগামী মঙ্গলবার খুলনা অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

রোববার ( ৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল দিনাজপুরে। একদিন আগে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল তেঁতুলিয়ায়।

ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে কমে হয়েছে ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রোববার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী-অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে।

 সময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।

সোমবার সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। মঙ্গলবার সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে পরবর্তী পাঁচ দিনে রাতের তাপমাত্রা ফের কমতে পারে বলে জানিয়েছেন আবুল কালাম মল্লিক।

মঙ্গলবার সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় হালকা বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে বলেও পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।




৪ বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে, বাড়তে পারে শীত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  গত দুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে। শুক্রবারও দেশের চার বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে তাপমাত্রা কমে শীত বাড়ার আভাসও দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কিছুটা বেড়েছে। কমেছে শীতের অনুভূতি। এখন আবার শীত কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

বৃহস্পতিবারের মতো শুক্রবারও পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে হয়েছে ১৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ জানান, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে

এসময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানান এ আবহাওয়াবিদ।

শনিবার চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। শনিবার সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

রোববার বৃষ্টি হবে না জানিয়ে আবহাওয়া দপ্তর পূর্বাভাসে বলেছে, ওইদিন সারাদেশে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। পরবর্তী পাঁচ দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা রয়েছে।




দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : দেশের বিভিন্ন স্থানে আজ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বিশেষ করে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের দু’এক জায়গায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে সামান্য কমতে পারে দিনের তাপমাত্রা।

আজ মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও এটি দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগে সাময়িকভাবে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

এদিকে, আগামীকাল শুক্রবারও বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির আভাস রয়েছে। এর মধ্যে সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় হালকা অথবা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।




বৃষ্টির আভাস, বাড়তে পারে কুয়াশা




মঙ্গলবার থেকে ফের শুরু হচ্ছে বৃষ্টি, থাকতে পারে ৪ দিন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) থেকে ফের শুরু হচ্ছে মাঘের বৃষ্টি। পরবর্তী ৪/৫ দিন বৃষ্টি থাকতে পারে। একই সঙ্গে আগামী কয়েকদিন শীত ক্রমেই কমবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গত সপ্তাহেও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে শৈত্যপ্রবাহের আওতা কমেছে। রোববার ৪৭ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিলো। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) ৩৬ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।