আরও দু’দিন পরে কমতে পারে তাপপ্রবাহ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ঢাকাসহ চার বিভাগের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ আরও দুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এ সময়ে বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্য বেশি থাকায় মানুষের মধ্যে অস্বস্তি বাড়ছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, গরমে মানুষের প্রচুর ঘাম ঝড়ছে। এতে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে, বাড়ছে অবসাদ। তাপমাত্রা যাই থাকুক না কেন গরম বেশি অনুভব হচ্ছে। তবে আগামী ৭ এপ্রিল রোববার থেকে তাপপ্রবাহ কিছুটা কমতে পারে। তখন দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, বৃহস্পতিবারও (৪ এপ্রিল) রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা বিস্তার লাভ করতে পারে। আগামী শনিবার (৬ এপ্রিল) পর্যন্ত এ অবস্থা অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ হাফিজুল রহমান সাংবাদিকদের বলেন, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর চলমান তাপপ্রবাহ আরও তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে। আগামী ৭ এপ্রিল থেকে তাপপ্রবাহ কিছুটা কমতে পারে। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে।

উল্লেখ্য, তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু এবং ৩৮-৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বলা হয়। বৃহস্পতিবার রাজশাহীর ঈশ্বরদী ও চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।




ঢাকাসহ ৪ বিভাগে তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা




চার বিভাগে হিট অ্যালার্ট জারি, হতে পারে ঘূর্ণিঝড়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : চৈত্রের শুরু থেকে বৃষ্টির প্রভাবে গরম তেমন অনুভূত হয়নি। তবে এবার যেন চৈত্র তার স্বমহিমায় ফিরেছে। কয়েকদিন ধরে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী কয়েকদিনে এই তাপপ্রবাহ আরও বিস্তার লাভ করতে পারে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকাসহ চার বিভাগে হিট অ্যালার্ট জারি করেছে সংস্থাটি। বুধবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপপরিচালকের পক্ষে আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তা অব্যাহত থাকতে পারে এবং বিস্তার লাভ করতে পারে। ফলে এসব অঞ্চলে জলীয়বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বাড়তে পারে। বুধবার বিকাল পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে পাবনার ঈশ্বরদীতে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা একই সময় পর্যন্ত রেকর্ড হয়েছে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চলতি মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে ছয়টির মতো তাপপ্রবাহের আশঙ্কা করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি হতে পারে অতি তীব্র। এতে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা আবহাওয়া অফিসের। এছাড়াও চলতি মাসেই কয়েকটি ঝড়ের শঙ্কাও রয়েছে। আবহাওয়ার পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময়ে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা বিস্তার লাভ করতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বৃদ্ধি পেতে পারে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার বিচ্ছিন্নভাবে কয়েকটি স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। তবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পরবর্তী পাঁচ দিনে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে এবং তাপমাত্রা কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।




তাপপ্রবাহ নিয়ে দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : দেশের দুই অঞ্চলের (রাজশাহী ও পাবনা) চলমান তাপপ্রবাহ কমার কোনো আভাস নেই। বরং নতুন করে ঢাকা, খুলনাসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় এটি বিস্তার লাভ করতে পারে। এমন আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

তারা জানিয়েছে, চলমান মৃদু এবং মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে এবং আরও বিস্তার লাভ করবে। একইসঙ্গে পরিবেশে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে ভ্যাপসা গরম পরিবেশে অস্বস্তি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেনের সই করা আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, নীলফামারী ও দিনাজপুর জেলাসহ রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এটি আরও বিস্তার লাভ করতে পারে। আবার পরিবেশে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিও বৃদ্ধি পাবে।

তবে এর মধ্যে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা, ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টিও হতে পারে।

এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

অপরদিকে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবারও (২ এপ্রিল) ময়মনসিংহ, সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা, ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। তবে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এদিনও চলমান তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

অপরদিকে বুধবারও (৩ এপ্রিল) সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টি ও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া পাঁচ দিনের বর্ধিত আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, দিন ও রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।

রোববার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মংলায় ও ঈশ্বরদীতে ৩৯.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নিকলিতে ১৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।




দুপুরের মধ্যে ৮০ কি.মি. বেগে ঝড়ের আভাস




ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস পটুয়াখালীর জনজীবন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে অস্বস্তিকর ভ্যাপসা গরম কমছেই না। তীব্র গরমে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন রোজাদারসহ নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষজন।
তপ্ত রোদে দুশ্চিন্তায় আছেন মৌসুমি সবজি চাষিরা। হাসপাতালে বেড়েছে জ্বর ও ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। এর মধ্যে, শিশু ও বয়স্ক রোগী বেশি। তবে আগামী দু-একদিনের মধ্যে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে গাঁজাসহ যুবক আটক

শুক্রবার (২৯ মার্চ) জেলার কলাপাড়ায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৪ দশমিক ১ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

পটুয়াখালী পৌর শহরের ষাটোর্ধ রিকশাচালক জালাল হাওলাদার বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, এখন পর্যন্ত সবগুলো রোজা আছি। তবে গত কয়েকদিন ধরে রোদের তাপ অনেক বেড়েছে। ভ্যাপসা গরমে রোজা রেখে রিকশা চালানো দায় হয়ে পড়েছে।

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষক কামাল হোসেন বলেন, খরতাপে মাঠঘাট ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। অনেক কৃষকের ক্ষেতের সবজি শুকিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে লোকসানের মুখে পড়তে হবে।

আরো পড়ুন : কোনো কালেই কপালে সুখ জুটলো নায় পটুয়াখালীর আদুরীর

পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী বলেন, গত কয়েকদিনে তাপমাত্রা অনেক বেড়েছে। তবে উপকূলে যে কোনো সময় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টি হলেই তাপমাত্রা কমে যাবে।




চৈত্রেও নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়া : কাল থেকে দেশব্যাপী দাবদাহ শুরুর সম্ভাবনা

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : মাঝ চৈত্র পেরুলেও প্রকৃতিতে তাপদগ্ধ নিদাঘের রুদ্ররূপ প্রকট হচ্ছে না। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে দেশের ষড়্ঋতুর চক্র এলোমেলো করে দিচ্ছে। কাঠফাটা তাতানো রোদ্দুরে মাঠ-ঘাট ফেটে চৌচির হওয়ার বদলে এখন মেঘলা আবহাওয়া, বৃষ্টিবাদল, সকালে কুয়াশা, দিনে গরম, রাতে ঠান্ডা। শীতার্ত আমেজ ঘিরে আছে এখনো। এবছর আবহাওয়ার খেয়ালি আচরণে চৈত্র যেন পেয়েছে নতুন রূপ। সারা দেশে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ৩২-এর মধ্যে ওঠানামা করছে।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্ব উষ্ণায়ন ও জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত কারণে বিরূপ আবহাওয়ার কবলে পড়েছে দেশ। গত কিছু দিন যাবত্ রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা কমছে। রাতের শেষ দিকে গায়ে জড়াতে হচ্ছে কাঁথা। আবার ভোর পেরিয়ে সকাল হতেই বেশ গরম অনুভূত হচ্ছে। দুপুরের দিকে তাপমাত্রা বেশ উষ্ণ থাকছে, আবার বিকাল থেকে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পাচ্ছে। রাজধানীর বাইরের পঞ্চগড়ে বর্তমানে ১৪ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। অর্থাত্ এখনো সেখানে শীতকালীন আবহাওয়া বিরাজ করছে। যদিও ঐ এলাকায়  এখন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকার কথা ৩২-৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এই পরিস্থিতির মধ্যে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, দেশের বিভিন্ন জায়গায় আরো দুই দিন ঝড়-বৃষ্টি চলার পর গরম বাড়বে। আজ শনিবার রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে। আর কাল রবিবার থেকে বাড়তে পারে দিন ও রাতের দুই সময়েই তাপমাত্রা। রবিবার থেকে তাপমাত্রা বেড়ে দেশের দুই-এক জায়গায় দাবদাহ হতে পারে। তবে এখনই তীব্র তাপের অসহনীয় অবস্থা হবে না।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা বলেন, চৈত্র মাসের শেষের দিকে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠে। প্রতি বছরই সবসময় এটাই দেখা যায়। এখন সেই অবস্থার বদল দেখা যাচ্ছে। তাপমাত্রা বেশ কম। তিনি বলেন, গত কয়েক দিন উত্তরাঞ্চলের আবহাওয়া ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে আছে। এপ্রিল মাসের ৫ থেকে ৭ তারিখের দিকে দাবদাহ বাড়বে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ শনিবার রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। এছাড়া আগামীকাল রবিবার ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।




সকালে বরিশাল ও পটুয়াখালীসহ ৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ঢাকাসহ দেশের ৮ জেলার ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আশঙ্কা প্রকাশ করছে আবহাওয়া অফিস। একই সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ঢাকা এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অফিসের অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তার কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

এই অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।




৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১১টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারেও বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

 




এবার শিলাবৃষ্টির আভাস, সঙ্গে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: দেশের চার অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়—টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, সিলেট এবং কুমিল্লা অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা (১-৩) ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আজ বুধবার রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা, ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা, ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এছাড়া ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।