৬ বিভাগে তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা




দেশের বিভিন্ন অংশে তাপপ্রবাহ, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অংশে বয়ে যাচ্ছে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ।

শুক্রবার নিয়মিত বুলেটিনে সকাল ৯টা থেকে পরের ২৪ ঘণ্টার বার্তায় বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর এ তথ্য জানিয়েছে।

অধিদফতর জানিয়েছে, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, মৌলভীবাজার, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, ফেনী ও বান্দরবানসহ বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

এছাড়া, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এতে আরও বলা হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে আবহাওয়া অফিস জানায়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।




৯ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : দেশের ৯ অঞ্চলে ঝোড়ো বৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব অঞ্চলে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।




পটুয়াখালীতে ঝড়ে মৃত্যু বেড়ে তিন, নিখোঁজ এক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে কালবৈশাখী ঝড়ে রাতুল (১৪) নামের এক কিশোর ও সুফিয়া বেগম (৮৫) নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। পরে ইব্রাহিম ফরাজী (৪৫) নামের এক জেলের লাশ উদ্ধার করা হয় তেতুলিয়া নদী থেকে। অপর জেলে ইসমাইল রারী (৪০) এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। এ দুই জেলের বাড়ি বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে।

নিহত রাতুলের বাড়ি উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রায় তাঁতের কাঠি গ্রামে। তার বাবার নাম জহির সিকদার। তাকে রাস্তায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে বজ্রপাতে তিনি মারা গেছেন। আর সুফিয়া বেগমের বাড়ি উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়েনর চরআলগী গ্রামে। তাঁর স্বামীর নাম মৃত আহম্মেদ প্যাদা। ঘরের উপর গাছ চাপা পরে তিনি নিহত হন।

আরো পড়ুন : বাউফলে কালবৈশাখী ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, ২ জনের মৃত্যু

এদিকে, নিহত ইব্রাহিম ফরাজী ও নিখোঁজ ইসমাইল রারীর গ্রামের বাড়ি চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে। তারা দু্ইজন একই নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়।

এ ছাড়াও ঝড়ে উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রোববার সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে ১১ টা ৫ মিনিট পর্যন্ত ৩৫ মিনিট স্থায়ী এ ঝড়ে কাঁচা বাড়ি-ঘর, গাছ গাছালি উপরে গেছে। বাউফলের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় শতাধিক আধাপাকা বাড়ি বিধস্ত ও কয়েক হাজার গাছগাছালি উপড়ে পরার খবর পাওয়া গেছে। এসময় ব্যপক শীলা বৃষ্টি ও বিরামহীন  ভাবে বজ্রপাত হয়েছে।

আরো পড়ুন : ঘূর্ণিঝড়ে দুমকিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

বাউফল পৌর শহরের থানার সামনে সালেহিয়া ফাজিল মাদ্রাসার একটি ভবনের টিনের চালা উপরে রাস্তায় পরে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। পশু হাসপাতাল রোডে গাছ ভেঙে সড়কের উপর পরায় সেখানেও চলাচল বন্ধ রয়েছে।
গোসিংগা গ্রামের আফসেরের গ্রেজ এলাকায় ঘরের উপর গাছ ভেঙ্গে পরে মা সাবিহা (৩০) তার মেয়ে ইভা (১২) ও দুই বছর বয়সী শিশু মারাত্মক আহত হয়েছে। ঝড়ে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের তার ছিড়ে গেছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি খাম্বা ভেঙ্গে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। শীলা বৃষ্টিতে তরমুজসহ রবি ফসল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশংকা করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বশির গাজী বলেন, ‘ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণের জন্য কৃষি বিভাগ ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’




ঘূর্ণিঝড়ে দুমকিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দুমকিতে আকস্মিক ঘূর্ণীঝড়ে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত ও গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের তান্ডবে পল্লীবিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের খুটি ভেঙ্গে উপড়ে ও তারছিড়ে লন্ডভন্ড হয়েছে।

রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রচন্ড বেগের আকস্মিক ঝড়ে বাঁশবুনিয়ার নুর ইসলাম মৃধা, নলদোয়ানীর আঃ কাদের হাং ও চরবয়েড়ায় মফিজ উদ্দিন, শ্রীরামপুরের সেলিম হাওলাদারের, দুমকি আনোয়ার হোসেন হওলাদার চেয়ারম্যানের বসত ঘরসহ বিভিন্ন এলাকায় শতাধিক ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ছাউনী উড়ে ও গাছচাপা পড়াসহ ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। ঝড়ের তান্ডবে জলিশা কদমতলা কলেজের ছাউনী উড়িয়ে নিয়ে গেছে, এল.এ এম কলেজের টিনশেড অংশ বিধস্ত হয়েছে।

আরো পড়ুন : রাঙ্গাবালীতে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণ

এছাড়া গাছপালা কলা বাগান, রবি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের তান্ডবে বিভিন্ন স্থানে পল্লীবিদ্যুৎ এর খুটি ভেঙে ও উপড়ে তার ছিড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে।

রাজাখালী, মুরাদিয়া, আংগারিয়া ও পাঙ্গাশিয়ায় অন্তত অর্ধশতাধিক স্পটে তার ছিড়েছে, ৪০টি পয়েন্টে মেইন লাইনের ওপরে গাছ পরে থাকার খবর পাওয়া গেছে। ঝড়ের পড়ে বিদ্যুৎ কর্মীরা সব জনবল নিয়ে মাঠে নেমে কাজ শুরু করলেও কখন নাগাদ বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হবে তা বলা যাচ্ছে না।

মুরাদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান সিকদার বলেন, ঝড়ে তার ইউনিয়নে বিভিন্ন ওয়ার্ডে কিছু ঘরবাড়ির ক্ষয় ক্ষতির খবর পেয়েছি। সরেজমিন দেখে ক্ষয় ক্ষতি নিরুপণ তালিকা করা হবে।

দুমকি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহিন মাহমুদ বলেন, ঝড়ের পর পরই বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।




বাউফলে কালবৈশাখী ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, ২ জনের মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে কালবৈশাখী ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এসময় বজ্রপাতে রাতুল (১৩) নামে এক শিশু ও গাছের নিচে চাপা পড়ে সাফিয়া রহমান (৯০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার বেলা ১১ টায় উপজেলার তাতেরকাঠি গ্রামে ওই শিশুর ও দাশপাড়া ইউনিয়নের চরালকী গ্রামে ওই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। এছাড়া অন্তত ২০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে অনেককে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল ও ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বর্তমানে পুরো উপজেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছে। উপড়ে পড়ে রয়েছে প্রায় শতাধিক গাছপালা।

এসময় সদর উপজেলার আউলিয়াপুরে একটি গরুরও মৃত্যু হয়।

ঝড় চলাকালীন সময়ে বাউফল উপজেলা ছাড়াও জেলার বিভিন্ন স্থানে সহস্রাধিক গাছপালা উপড়ে পড়েছে বলে জানা গেছে এবং অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক নুর কুতুবুল আলম জানান, ঠিক কি পরিমানে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেটি এখনো বলা যাচ্ছে না। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করতে ইউএনওদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।




ঈদের দিন রোদ না বৃষ্টি, জানাল অধিদপ্তর




ঝড়ে লন্ডভন্ড দুমকী

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: সকাল ১০ টার দিকে প্রায় ১০ মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে পটুয়াখালীসহ বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকা। এসময় অনেক গাছ বসতভিটা এবং সড়কে ভেঙে পড়লে অনেক স্থানে সড়ক যোগাযোগ বিঘ্ন হয়। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।




মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়, জনজীবনে নাভিশ্বাস

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : চুয়াডাঙ্গায় শনিবার দেশের ও এই মৌসুমের সর্বোচ্চ ৪০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। টানা কয়েক দিনের গরমে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ছে।

সঙ্গে রোজাদার খেটে খাওয়া মানুষদের ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। মার্কেটে ঈদের কেনাকাটা জমে উঠলেও ভ্যাপসা গরমের কারণে দিনের বেলা লোকজন বাইরে তেমন বের হচ্ছেন না।
চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান তাপমাত্রা রেকর্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে গত ১ এপ্রিল থেকে জেলার ওপর দিয়ে মৃদ ও মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তাপপ্রবাহের কারণে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হতেও পরামর্শ দিচ্ছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আউলিয়ার রহমান পরামর্শ দিয়ে বলেন, তাপপ্রবাহের কারণে হিটস্টোকের ঝুঁকি থাকে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হতেও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

রোজাদারদের সন্ধ্যার পর থেকে বেশি বেশি পানি ও ফলমূল খেতে বলা হচ্ছে। শিশু-কিশোর ও যারা রোজায় থাকছেন না তাদের ঘন ঘন পানি ও শরবত পান করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
অপরদিকে চলমান তাপপ্রবাহের কারণে কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।




তাপপ্রবাহ অব্যাহত আজো ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা বাড়বে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : তাপপ্রবাহ অব্যাহত আছে। আজো দেশব্যাপী ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা বাড়তে পারে এবং দেশব্যাপী তাপ প্রবাহের আওতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তা ছাড়া বসন্তের এই শেষ সময়ে সূর্য কিরণ খাড়াভাবে পড়ায় এবং তাপের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় প্রকৃতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এর মধ্যে ঝড়, তুফান, বজ্রসহ ঝড়, শিলাবৃষ্টি অন্যতম। একটু ঘন ঘন বৃষ্টি হচ্ছে বলে বাতাসে বাড়ছে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ।

আবহাওয়া অফিস বলছে, রাজশাহী, নাটোর, নওঁগা, পাবনা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, বাগেরহাট, কুষ্টিয়া চুয়াডাঙ্গা জেলাগুলোর ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। একই সাথে এই ১১ জেলার বাইরে তাপপ্রবাহ বিস্তার লাভ হতে পারে।

আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ময়মনসিংহ, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা ও ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্র বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সিলসিয়াস বেড়ে যেতে পারে। সারা দেশে ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে বাতাসে থাকবে অত্যধিক জলীয় বাষ্প। ফলে খোলা আকাশে রোদের মধ্যে কাজ করলে অথবা চলাফেরা করলে অত্যধিক ঘাম দেখা দিতে পারে। বাতাসে জলীয় বাষ্প বেড়ে গেলে বাতাস ভেজা বা আর্দ্র থাকে। এই আর্দ্র বাতাসে মানুষের দেহ ঘাম শুকাতে পারে না। ঘাম শরীরে লেগে থাকলে, সহজে না শুকালে প্রচণ্ড অস্বস্তির সৃষ্টি করে। ঘাম থেকে অস্বস্তির কারণ হলো ঘামের মধ্যে লবণের আধিক্য বেশি থাকে এবং শরীর থেকে যে পানিটা বের হয় তা অনেকটা ভারী হয়ে থাকে সেই পানিতে নানা ধরনের রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত থাকে।

আবহায়াবিদরা এ সময়ে প্রকৃতির বৈরিতা সম্বন্ধে বলেন, এ সময়টায় বিরামহীনভাবে সূর্যকিরণ দিয়ে থাকে। আকাশে মেঘমালার অনুপস্থিতির কারণ সর্বোচ্চ সূর্যতাপ মাটিতে এবং মাটির কাছাকাছি পরিবেশে আপতিত হয়। ফলে প্রকৃতি গরম হয়ে যায়। বৈরী পরিবেশের এটাই কারণ। ফলে কাল বৈশাখী, বজ্রবৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি এবং মাঝে মাঝে প্রচণ্ড গতিতে টর্নেডো হয়ে থাকে।