স্বস্তির বৃষ্টির সঙ্গী ভয়ংকর বজ্র, ১ দিনেই প্রাণ গেল ১০ জনের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :  স্বস্তির বৃষ্টিতে বজ্রপাতে আজ একদিনেই চট্টগ্রাম বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের।

বৃহস্পতিবার (২ মে) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কুমিল্লা, রাঙামাটি, কক্সবাজার ও কুমিল্লায় বৃষ্টির সময়ে হওয়া বজ্রপাতে মোট ১০ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে কুমিল্লায় ৪ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন, কক্সবাজারে ২ জন, খাগড়াছড়িতে একজন প্রাণ হারিয়েছেন।




অবশেষে ঢাকায় স্বস্তির বৃষ্টি




একদিকে রেকর্ড ভাঙা গরম, অন্যদিকে গাছ কাটছে বন বিভাগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: চলমান অসহনীয় গরমে যখন ‘গাছ লাগাও, পরিবেশ বাঁচাও’ আওয়াজ উঠেছে, ঠিক সে সময়েই পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে সামাজিক বনায়নের এক হাজার ৩৭৫টি গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। সামাজিক বনায়ন বিধিমালার নিয়ম রক্ষা করতে গিয়ে তীব্র গরমের মধ্যেই ৬ কিলোমিটার সড়কজুড়ে ছায়া দেওয়া ২৪ বছরের পুরানো এসব গাছ কেটে নেওয়া হচ্ছে। এতে ছায়া বঞ্চিত হচ্ছে মানুষ, ঠিকানা হারাচ্ছে পাখ-পাখালি। কিন্তু গাছ কাটার এমন সিদ্ধান্ত কিংবা নিয়ম জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের জন্য শুভকর নয়; বলছেন পরিবেশবিদরা।

সামাজিক বনায়নের এসব গাছ কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন বিভাগ। বন বিভাগের রাঙ্গাবালী রেঞ্জ কার্যালয় সূত্র বলছে, ১৯৯৯-২০০০ অর্থবছরে রাঙ্গাবালী বন গবেষণা ইনস্টিটিউট সংলগ্ন সড়ক থেকে উপজেলা পরিষদ হয়ে গন্ডাদুলা এম এইচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়কের দু’পাশে এ গাছগুলো রোপণ করা হয়েছিল। বন বিভাগের সবুজ বেষ্টনী প্রকল্পের আওতায় ২৪ বছর আগে সড়কটির দু’পাশে মেহগনি, রেইনট্রি, আকাশমনি, অর্জুন, খইয়া, বাবলা, চাম্বুল, শিশু, কড়াই, ঝাউ, পেয়ারা ও কাঁঠাল প্রজাতির এ গাছ রোপণ করা হয়।

বন বিভাগ বলছে, সামাজিক বনায়ন বিধিমালার অনুযায়ী ২০ বছর পূর্ণ হলেই সামাজিক বনায়নের গাছ নিয়মানুযায়ী বিক্রি করার বিধান রয়েছে। সেই নিয়ম রক্ষা করতে গিয়ে ফলজ-বনজ প্রজাতির এক হাজার ৩৭৫টি গাছ নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করে বিক্রি করার জন্য গত ১৩ ডিসেম্বর দরপত্র আহ্বান করে বন বিভাগ। ৫ লক্ষ ৮৩ হাজার ২০০ টাকায় সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মো. বশির মিয়া গাছ কাটার কার্যাদেশ পান।

আরো পড়ুন : সৎ, শিক্ষিত ও তরুণ নেতৃত্ব নির্বাচিত করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মধ্য দিয়ে স্মার্ট, উন্নত ও মানবিক দুমকি বিনির্মানে সহযোগীতা চাইলেন মেহেদী হাসান মিজান

কিন্তু গরমে যখন হাঁসফাঁস জনজীবন, ঠিক তখনই গাছ কাটা শুরু হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, কাঠফাটা রোদে একটু প্রশান্তি মেলে গাছ তলাতে। কিন্তু মাথার ওপর ছায়া দেওয়া, পাখিদের আশ্রয় দেওয়া সেই গাছে ঢাকা সড়কটি এখন প্রায় গাছ শূন্য। একের পর এক কাটা পড়ছে ছায়া বৃক্ষগুলো। তাপদাহ চলা পুরো এপ্রিল মাসজুড়েই গাছ কাটা চলে। এখন প্রায় শেষ পর্যায়ও।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন জানান, বন বিভাগ যে গাছগুলোতে লাল নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করেছে তা-তো কাটা হচ্ছেই, আর যেগুলো নম্বর চিহ্ন দেয়নি তাও কাটা হচ্ছে। ছোট-ছোট গাছও রক্ষা পাচ্ছে না।

উপজেলার সদর ইউনিয়নের গন্ডাদুলা গ্রামের খালিদ হোসেন বলেন, ‘দু’পাশের এ গাছগুলো সড়কটিকে ছায়া দিয়ে রাখতো। ছায়া দেওয়া এসব গাছের কোনটিই রাখা হচ্ছে না। ছোট-বড় সব গাছ কেটে সাবাড় করা হচ্ছে। বন বিভাগের গাছ তো নিছেই, আমাদের অনেকের লাগানো মালিকানা গাছও কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এই সড়কে গাছ থাকলে ছায়ায় চলাফেরা করতে পারতাম। গাছ না থাকার কারণে রোদের তীব্রতা আরও বেড়ে গেছে। গরমে সড়কে চলাচল করতে পারছি না।’

ওই ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের বশার হোসেন বলেন, ‘এই রাস্তায় যখন গাছ ছিল, ঠান্ডা বাতাস লাগতো। গাছ কেটে ফেলছে, এখন রোদে চলা যায় না। পথচারীরা গাছের ছায়া পাচ্ছে না। গাছগুলোতে আশ্রয় নেওয়া পাখিগুলো আশ্রয় হারাচ্ছে। এই সড়কে শোনা যাবে না পাখির কিচিরমিচির শব্দ।’

বন বিভাগের রাঙ্গাবালী রেঞ্জ কর্মকর্তা অমিতাভ বসু বলেন, ‘দারিদ্র বিমোচন করতে সামাজিক বনায়ন বিধিমালা অনুযায়ী উপকারভোগীদের সম্পৃক্ত করে সমিতির মাধ্যমে সৃষ্ট সামাজিক বনায়নের গাছ রোপণের ২০ বছর পর কেটে নিয়মানুযায়ী বিক্রি করার বিধান রয়েছে। বিক্রি করা এই অর্থ বন অধিদপ্তর ১০ শতাংশ, ভূমি মালিক সংস্থা ২০ শতাংশ, উপকারভোগী ৫৫ শতাংশ, পুনরায় বাগান করার জন্য ১০ শতাংশ এবং ইউনিয়ন পরিষদ পাবে ৫ শতাংশ।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে সড়ক থেকে গাছ কাটা হচ্ছে সেই সড়কে পুনরায় ১০ হাজার গাছ রোপণ করা হবে।’

তবে সামাজিক বনায়ন বিধিমালা রক্ষার নামে গাছ কাটার এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করছেন পরিবেশবিদরা।

পরিবেশবিদরা বলছেন, সামাজিক বনায়ন বিধিমালার এই নিয়ম এখন পরিবর্তন প্রয়োজন। এমন নিয়ম করতে হবে যে গাছ কেটে উপকারভোগীদের আর টাকা দেওয়া হবে না। গাছের পরিচর্যা কিংবা দেখাশোনা করার দায়িত্ব থাকা উপকারভোগীদের অন্য ধরণের সুবিধা দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু কোনভাবেই গাছ কাটা যাবে না। গাছ কাটা পরিবেশ ও জীববৈচিত্রের জন্য মারাত্মক হুমকির বলে মনে করছেন তারা।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে বালুচাপা দেয়া হাত-পা বাঁধা অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার

এ প্রসঙ্গে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বনায়ন ও পরিবেশ বিজ্ঞান অনুষদের বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. মো. শাহরিয়ার জামানের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, ‘আমাদের দেশে বনায়নের পরিমাণ অত্যন্ত কম। এটা ১২ দশমিক ৮ কিংবা হিসেব করলে এর চেয়ে আরও কম। যেটার কুফল কিন্তু এখন আমরা ভোগ করছি। আমাদের দেশের ওপর দিয়ে হিটওয়েভ বয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রিও ছাড়িয়েছে। যেটা ১০-১৫ বছর আগেও ছিল না।’

ড. মো. শাহরিয়ার জামান বলেন, ‘উপকূলীয় রাঙ্গাবালী এমনিতেই খরা, জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততার মতো দুর্যোগের সম্মুখীন। সুতরাং সামাজিক বনায়নের যে গাছগুলো বন বিভাগ কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এটা পরিবেশগত হানিকর সিদ্ধান্ত ছাড়া আর কিছুই না। বন বিভাগই যদি এমন সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে আমরা কার প্রতি আস্থা রাখবো?। আমি মনে করি বন বিভাগ এমন সিদ্ধান্ত থেকে দ্রুত সরে আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সামাজিক বনায়নের সুফল ভোগ করে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত মানুষজন। এর সুফল ভোগ করে সেখানকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। সুতরাং এ গাছগুলো কেটে ফেলা বা সরিয়ে ফেলা মানে ওখানকার তাপমাত্রা এমনেতেই বেড়ে যাবে। ওই জায়গার জীববৈচিত্র্য হুমকিতে পড়বে। এছাড়া ১৫-২০ বছরের পুরনো গাছ যদি কেটে ফেলা হয়, সে অবস্থায় আবার ফিরে আসতে ১৫-২০ বছর অপেক্ষা করতে হবে।’




অবশেষে নামলো বৃষ্টি, মানুষের স্বস্তির নিশ্বাস

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দীর্ঘ দাবদাহে পুড়তে থাকা চট্টগ্রাম নগরবাসী অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টির দেখা পেয়েছেন। বুধবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে নগরীর বিভিন্ন জায়গায়।




হঠাৎ উত্তাল বঙ্গোপসাগর, নিখোঁজ জেলে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় উত্তাল ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলার থেকে পড়ে মো. হাসান (৪৫) নামের এক জেলে নিখোঁজ হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বঙ্গোপসাগরের রামনাবাদ চ্যানেলের দক্ষিণে বয়া এলাকা থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুর্ঘটনার শিকার ট্রলারমালিক মো. বেল্লাল হোসেন কাজী।

নিখোঁজ জেলে হাসান ভোলা জেলার চরফ্যাশনের চর আফজাল এলাকার হাফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি পটুয়াখালীর মৎস্য বন্দর আলীপুরের এফবি তিমুল ফারজানা ট্রলারে মিস্ত্রির (ইঞ্জিন চালক) কাজ করেন।

জানা যায়, ৫ দিন আগে আলীপুর থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশে বঙ্গোপসাগরে যান ১৪ জেলে। এরপরে বঙ্গোপসাগরের বিভিন্নস্থানে মাছ শিকার করে তারা। মঙ্গলবার কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর সাগরে পৌঁছালে হঠাৎ সমুদ্র উত্তাল হলে ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারের কিনারে বসে থাকা জেলে হাসান সমুদ্রে পড়ে তলিয়ে যান।

এফবি তিমুল ফারজানার মালিক মো. বেল্লাল হোসেন কাজী বলেন, ‘ঘটনার পরপরই আমরা চার-পাঁচটা অতিরিক্ত ট্রলার জেলে হাসানকে খুঁজতে পাঠানো হয়। সারারাত খোঁজাখুঁজি করা হয়। আজ সকালে আরও একটি ট্রলার পাঠিয়েছি কিন্তু এখনও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। ওই জেলের স্বজনরা এসেছেন, তারা থানায় সাধারণ ডায়রি করেছেন।’

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন তালুকদার জানান, জেলে নিখোঁজের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। আমরা কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশের সহায়তায় নিখোঁজ ব্যক্তিকে খোঁজার চেষ্টা করছি।




কমে আসবে তাপমাত্রা, মিলবে স্বস্তির বৃষ্টি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : চলমান দাবদাহে অতিষ্ঠ জনজীবনে স্বস্তি আনতে পারে বৃষ্টি।  এমন প্রেক্ষাপটে সকলের অপেক্ষা বৃষ্টির। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাষ অনুযায়ী আর বেশিদিন বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।

আজ আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান খান অধিদপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার থেকে অনেক জায়গার তাপমাত্রা কমে আসার সম্ভাবনা আছে৷  ময়মনসিংহ বিভাগ, সিলেট বিভাগ, ঢাকা বিভাগ এবং কুমিল্লা অঞ্চলে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি শুরু হবে বৃহস্পতিবার৷  তবে দেশের উত্তর-পশ্চিম ও পশ্চিমের জেলাগুলোর তাপমাত্রা শুক্রবার পর্যন্ত আগের মতই থাকবে।




পটুয়াখালীতে বজ্রপাতে ৩ গরুর মৃত্যু

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গভীর রাতে বজ্রপাতে এক কৃষকের তিনটি গরু মারা গেছে। মঙ্গলবার (৩০ মে) রাত ২টার দিকে উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তীব্র গরমের কারণে গরুগুলো রাতে মাঠেই বেঁধে রাখা হয়েছিল। এ সময় বজ্রপাতে দরিদ্র কৃষক মো. আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদারের (রাজা মিয়া) তিনটি গরু এক সঙ্গে মারা যায়।

চম্পাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, যার গরু মারা গেছে তিনি গরিব কৃষক। মারা যাওয়া গরুগুলোর বর্তমান বাজার মূল্য আনুমানিক আড়াই লাখ টাকার বেশি। ক্ষতিগ্রস্ত ওই কৃষককে সহায়তা দেওয়া হবে।




গরমের পর বৃষ্টিতেও নাকাল হবে বাংলাদেশসহ পুরো দক্ষিণ এশিয়া

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে বয়ে যাচ্ছে তীব্র তাপপ্রবাহ। সাধারণ মানুষ বলছেন এমন গরম খুব কমই অনুভব করেছেন তারা। এখন চলছে গ্রীষ্মকাল। গ্রীষ্ম শেষে আসবে বৃষ্টির মৌসুম বর্ষা।



চুয়াডাঙ্গায় ৪৩.৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: চুয়াডাঙ্গায় সোমবার (৩০ এপ্রিল) ৪৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা ১৯৮৯ সালের পর দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এরআগে রোববার (২৯ এপ্রিল) ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় এ জেলায়।




স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য : এক সপ্তাহে হিট স্ট্রোকে ১০ জনের মৃত্যু

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : গত সাত দিন সারাদেশে হিট স্ট্রোকে ১০ জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম।

মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) সকালে কন্ট্রোল রুমের কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর মধ্যে সোমবারই তিনজন মারা গেছেন বলে জানিযেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সোমবার হিট স্ট্রোকে মারা যাওয়া তিনজনই পুরুষ। তাদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে মাদারীপুর জেলায়। আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়।

এছাড়া হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচজন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

গত ২২ এপ্রিল থেকে কন্ট্রোল রুম মনিটরিং করে সারাদেশ থেকে এই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য বলছে, হিট স্ট্রোকে ১০ জনের মৃত্যু ও পাঁচ জনের হাসপাতালে ভর্তির তথ্য পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত সারাদেশে হিটস্ট্রোকে মারা যাওয়া ১০ জনের মধ্যে ৮ জন পুরুষ ও ২ জন নারী। মারা যাওয়া ১০ জনের মধ্যে দুজন মাদারীপুরের। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা, খুলনা, হবিগঞ্জ, রাজবাড়ী, ঝিনাইদহ, লালমনিরহাট, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় একজন করে মারা গেছেন।