সপ্তাহ জুড়েই থাকবে বৃষ্টি

 




উপকূলে ঝড়ের শঙ্কা – সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সংকেত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: উপকূলের ঝড়ের শঙ্কায় সকল সমুদ্রবন্দরে তোলা হয়েছে ৩ নম্বর সংকেত। এছাড়া আটটি অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড় বয়ে যাওয়ার শঙ্কায় সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরেও তোলা হয়েছে ১ নম্বর সংকেত।

বুধবার (০২ অক্টোবর) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে।
এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এই অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর (পুনঃ) তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

এছাড়া পটুয়াখালী, বরিশাল, যশোর, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিমদক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকাঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টিবজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর (পুনঃ) ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।




কাল থেকে টানা ৪ দিন বৃষ্টির আভাস

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সারাদেশে টানা চার দিন বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামীকাল থেকে সারাদেশে টানা বৃষ্টি শুরু হবে, যা ৪ তারিখ পর্যন্ত চলবে।

আগামী ২ ও ৩ অক্টোবর ঢাকাসহ চট্টগ্রাম বিভাগ এমনকি সারাদেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সর্বোচ্চ ৭০ থেকে ৮০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ময়মনসিংহ ও সিলেটে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি।

আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, মৌসুমি বায়ু প্রবাহের কারণে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল দিবাগত রাত থেকে দেশের সিলেট বিভাগে, কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম অঞ্চলগুলোতে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে। সেই বৃষ্টি আস্তে আস্তে পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঢাকা বিভাগে কোথাও-কোথাও ভারী, আবার কোথাও অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড হয়েছে সিলেটে, ১১৩ মিলিমিটার। এসময় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় মোংলায়, ৩৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মঙ্গলবারের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে—ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ দিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

তবে পরদিন বুধবার সারা দেশেই বৃষ্টিসহ ১ থেকে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

এ মাসের শুরুতে দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, এ মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টি হতে পারে। আজ আবহাওয়া অফিস সূত্র জানাচ্ছে, বৃষ্টি হতে পারে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। গত আগস্ট মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে ৪৬ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছিল।




যেমন থাকবে আগামী দুই দিনের আবহাওয়া

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তার আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে উড়িষ্যা ও তার পাশের পূর্বমধ্য প্রদেশে অবস্থান করছে। যার প্রভাবে দেশের বিভিন্নস্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

 আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, লঘুচাপের প্রভাবে রোববার সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্রগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সাথে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়  ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেদিন সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়া মঙ্গলবার রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিন সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি কমতে পারে।

এছাড়া বর্ধিত পাঁচদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।




সপ্তাহজুড়েই বৃষ্টির আভাস, বাড়তে পারে গরমও

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আগামী সপ্তাহজুড়ে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশেই বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রা বেশি থাকতে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। অর্থাৎ বৃষ্টি হলেও গরমের অনুভূতি থাকবে দেশজুড়ে।

শুক্রবার আবহাওয়া অফিসের দেওয়া এক পূর্বাভাস থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ মধ্য প্রদেশ, ওডিশা, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

ফলে  শনিবার রংপুর বিভাগের অনেক জায়গায়সহ দেশের বাকি সকল বিভাগের কয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

এই সময়ে সারা দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

আগামী রোববারের পূর্বাভাসেও অধিদপ্তর সারা দেশের কোথাও কোথাও বৃষ্টির আভাস দিয়েছে। পাশাপাশি হতে পারে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ। এই সময়েও দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই সময়ের শেষ দিকে সারা দেশেই বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে।




সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত – পায়রা বন্দরে ০৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এর প্রভাবে পটুয়াখালীতে গত ৩ দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারন মানুষ। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্নয়ের খেটে খাওয়া শ্রমজীবীরা।

এদিকে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর কিছুটা উত্তাল রয়েছে। নদ-নদীর পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাতাসের চাপও কিছুটা বেড়েছে। উপকূলীয় এলাকা দিয়ে ঝড়ো হওয়ায় বয়ে যাওয়ার শংকা করছে আবহাওয়া অফিস। তাই পটুয়াখালী পায়রা সহ দেশের সমুদ্র বন্দরকে ০৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

সকল মাছধরা ট্রলার সমূহকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।




দেশজুড়ে অব্যাহত থাকবে বৃষ্টি

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানার দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাস থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়,  রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়। ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারদেশে দিনের তাপমাত্রা (১-৩) ডিগ্রি বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল এবং চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী পাঁচ দিনের শেষের দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি




সারাদেশে অতিভারি বৃষ্টির আভাস

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের সব বিভাগেই অর্থাৎ সারাদেশে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের শঙ্কার কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

২৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে বলে
আবহাওয়া অফিসের ভারি বর্ষণের সতর্কবাণীজনিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কোথাও কোথাও ২৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে।

ভারি বর্ষণজনিত কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।

আরেক বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের প্রভাবে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি থাকবে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, এরই মধ্যে নোয়াখালীসহ চট্টগ্রাম অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে। দেশে উপকূল অঞ্চলে অতিভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি।




সাগরে লঘুচাপের প্রভাবে বৃষ্টি – বন্দরে ৩ নম্বর সংকেত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এদিকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর কিছুটা উত্তাল রয়েছে। গত দুই দিন ধরে উপকূলীয় এলাকায় থেমে থেমে মাঝারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। নদ-নদীর পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাতাসের চাপ কিছুটা বেড়েছে।

আবহাওয়ার সতর্ক বার্তায় বলা হয়, লঘুচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি অব্যাহত রয়েছে। উপকূলীয় এলাকা, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সমুদ্র বন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতেও বলা হয়েছে ওই বার্তায়। যদিও অধিকাংশ মাছধরা ট্রলার এখনো তীরে ফেরেনি বলে জানিয়েছে মৎস্য ব্যবসায়ীরা।

পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আক্তার জাহান বলেন, লঘুচাপের কারণে আগামী ২৪ ঘণ্টা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। সেই সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।




ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেটসহ ১৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

বরিশাল অফিস :: দেশের ১৬টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই সে সকল এলাকার নদীবন্দরগুলোতে তোলা হয়েছে সতর্ক সংকেত।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, রংপুর, রাজশাহী, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, ঢাকা, ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘন্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর (পুনঃ) ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অন্য এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কোথাও কোথাও ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ভারী (৪৪-৮৮ মিমি / ২৪ ঘণ্টা) থেকে অতি ভারী (≥ ৮৯ মিমি / ২৪ ঘণ্টা) বর্ষণ হতে পারে।

ভারী বর্ষণজনিত কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধ্বসের সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে।

এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এই অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর (পুনঃ) তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।