বরিশালের শতাধিক শিক্ষার্থী পেল শিক্ষা বৃত্তি

বরিশাল অফিস :: জেলার মুলাদী উপজেলার তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থী পেল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সততার ঐক্য মানবিক সংস্থার শিক্ষা বৃত্তি। উপজেলার চরকালেখান গ্রামের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মরহুম মাষ্টার আব্দুর রহমান মাতুব্বরকে স্মরণ করার জন্য তার নামে শিক্ষা বৃত্তি চালু করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সংস্থার প্রধান উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ মিজানুর রহমান অপু জানান, ২০২২ সাল থেকে সংস্থার পক্ষ থেকে মুলাদীর অসহায় মানুষকে সাধ্যমতো
সহযোগিতা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় শতাধিক ব্যক্তিকে সংস্থার অর্থায়নে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। চলতি বছর থেকে অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মেধাবী শতাধিক শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা বৃত্তি চালু করা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় সৈয়দেরগাঁও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চরকালেখান আইডিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মৃধারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।

সংস্থার উপদেষ্টা নুরুল হক মাতুব্বর বলেন, সংস্থার প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ মিজানুর রহমান অপুর বাবা আব্দুর রহমান মাষ্টার ছিলেন পুরো উপজেলার মধ্যে একমাত্র শিক্ষানুরাগী। তাই তাকে স্মরণ করার জন্য সংস্থার পক্ষ থেকে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

সংস্থার সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার জুয়েল খান বলেন, সংস্থার প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে প্রত্যেক সদস্য সবসময় তাদের মেধা ও শ্রমের মাধ্যমে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন। ভবিষ্যতেও প্রতিটি সততার কাজে তাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। সংস্থার প্রধান লক্ষ্য উপজেলার প্রতিটি অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সাধ্যমতো সহযোগিতা করা।




মিলছে না ফাইনালের টিকিট, মিরপুরে ক্ষুব্ধ সমর্থকরা 




রাঙ্গাবালীতে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল, অতিষ্ঠ গ্রাহকরা

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরাঞ্চলে অনিয়ম, দুর্নীতি, দুর্ব্যবহার আর ভুতুড়ে বিল প্রদানে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকরা। বিদ্যুতের নতুন সংযোগ দেয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে এজিএমের বিরুদ্ধে। টাকা না দিলে মিলে না বিদ্যুৎ সংযোগ। ফলে বিদ্যু’ ভোগান্তি ও কর্মচারী কর্মকর্তাদের দুর্ব্যবহারে ফুঁসে উঠছে চরাঞ্চলের দরিদ্র সাধারণ মানুষ।

চার দিকে সাগর ও নদীবেষ্টিত দ্বীপ রাঙ্গাবালী। সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে দেশের সর্বদক্ষিণের দ্বীপ এই রাঙ্গাবালী উপজেলায়। রাঙ্গাবালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে দীর্ঘ দিন ধরেই। ভৌতিক বিল, বিদ্যুৎ সংযোগের নামে অর্থ আদায়, নতুন মিটারের আবেদনের টাকা নিয়ে একের পর এক তারিখ পরিবর্তন ও হয়রানি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ইত্যাদি নানা অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে।
উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের গ্রাহকদের সামান্য বকেয়া বিলের জন্য বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করা, নতুন মিটারের আবেদন করলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘুষ দিয়ে মিটার পেতে হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রকল্পকে পুঁজি করে একটি দালালচক্র বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণে আগ্রহীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ওই চক্রের সাথে পল্লী বিদ্যুতের এজিএমএর যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ দিকে প্রতি মাসে বিলের কাগজ না দিয়ে তিন-চার মাস পর একটি কাগজ পাঠিয়ে দিয়ে লাইন কেটে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। এরপর চলে দেন-দরবার। টাকা না দিলে লাইন কেটে দিয়ে নানা কৌশলে অর্থ আদায় করা হয়। ফলে চরাঞ্চলের হাজার হাজার গ্রাহক নানা ভাবে পল্লী বিদ্যুৎ ব্যবহারে হয়রানির শিকার হচ্ছে।

কুলসুম নামে বাহেরচরের এক ভুক্তভোগী বলেন, বিদুৎ বিলের কাগজ না এনে তারা আমার কাছে টাকা চায়। আমি টাকা দিইনি। তিন মাসে পর হঠাৎ একদিন এসে ৯০০ টাকা বিল চায়। আমি বলি, বিকেলে গিয়ে অফিসে টাকা জমা দিয়ে আসব। আমার কথা না শুনে তারা সাথে সাথে লাইন কেটে দেয়। আমরা খেটে খাওয়া মানুষ। এত টাকা এক সাথে পাবো কোথায়?

বিদ্যুতের লোকেরা এসে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা হাতে হাতে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে সে টাকা অফিসে জমা না দিয়ে আবার কয়েক মাস পরে নতুন করে বিল ধরিয়ে দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ করেন এনি নামে আরেক গ্রাহক।
তিনি বলেন, মিটারের কাগজ দেয়নি তারা কয়েক মাস ধরে। হঠাৎ এক দিন এসে টাকা চায়। তাকে টাকা দিয়ে দিয়ের কয়েক দিন পর আরেক জন এসে লাইন কাটার হুমকি দেয়। বলে যায় অফিসে গিয়ে দেখা করতে। আমি অফিসে গিয়ে দেখি ইতঃপূর্বে হাতে হাতে দেয়া টাকা অফিসে জমা পড়েনি। এভাবে অযথাই আমাদের হয়রানি করছে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকেরা।

আরেক গ্রাহক কল্পনা বিবি বলেন, তিন মাসের মিটার বিলের কাগজ দেয়নি আমাকে। আমি বেড়াতে গিয়েছিলাম। ফিরে এসে দেখি আমার লাইন কাটা। সেই লাইন আবার লাগাতে আমার ৭০০ টাকা অতিরিক্ত খরচ দিতে হয়।
কল্পনা আরো বলেন, আমি এজিএম স্যারের কাছে যাই। তিনি আমার অভিযোগ না শুনেই বলে দেন, সব দোষ নাকি আপনাদের। লাইন কাটার সময় আমি ছিলাম না কেন, এটাই নাকি আমার অপরাধ।
কল্পনা বলেন, মাসে মাসে তারা অন্যায় করবে, আর আমরা তার মাশুল দেবো। বিদ্যুৎ তো নয়, এটা তাদের টাকা নেয়ার ফাঁদ।

এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের এজিএম তৌফিক ওমরের সাথে কথা হলে তিনি সরাসরি টাকা নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। ভৌতিক বিল, মিটারের লাইন কেটে দেয়া এবং মিটার সংযোগে গড়িমসি করার বিষয়ে তিনি অস্বীকার করেন।
তিনি বলেন, গ্রাহকদের কাছ থেকে কারা টাকা নিচ্ছে, তিনি সে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।




সেনেগালে নৌকাডুবে ২০ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সেনেগালে একটি নৌকাডুবির ঘটনায় ২০ জনের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি ইউরোপগামী নৌকা ডুবে যাওয়ার পর স্থানীয় সময় বুধবার দেশটির উত্তরাঞ্চলে সাগর থেকে ২০টির বেশি মরদেহ উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। এক আঞ্চলিক গভর্নর বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

নৌকাডুবির ঘটনায় বেশ কয়েকজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। সেইন্ট লুইসের আঞ্চলিক গভর্নর আলিউন বাদারা সাম্ব বলেন, ২০টির বেশি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া আরও ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে বেশ কিছু মরদেহ সাগরে ভেসে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয় উদ্ধারকারী এবং নৌবাহিনীর সদস্যরা জীবিতদের উদ্ধারে তল্লাশি চালাচ্ছেন।

ডুবে যাওয়া ওই নৌকায় কতজন আরোহী ছিল সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাননি বাদারা সাম্ব। তবে জীবিত উদ্ধার হওয়া লোকজন জানিয়েছেন, এই সংখ্যা কয়েকশ হতে পারে। আলফা বালদে নামে জীবিত উদ্ধার হওয়া এক ব্যক্তি জানান, ওই নৌকাটিতে প্রায় ২০০ আরোহী ছিল।

আফ্রিকার অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কাছে স্প্যানিশ ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার জন্য সেনেগালের উপকূলগুলো জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ফলে এই রুটে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের চাপ বাড়ছে।

ইইউ সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্সের মতে, আটলান্টিক দ্বীপপুঞ্জে আগত অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় সেনেগাল এবং মরক্কোর নাগরিক। স্প্যানিশ সরকার জানিয়েছে, ২০২৩ সালে ক্যানারিতে পৌঁছানো অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০ হাজার, যা তিনগুণ বেড়েছে।




গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য এখনও অনেক পথ পাড়ি দেওয়া বাকি: হামাস

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :  ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির জন্য তোড়জোড় চলছে। আগামী সপ্তাহের শুরুতেই এই যুদ্ধবিরতি হতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে।




অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমবায়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে




পটুয়াখালী পৌর মেয়রের স্টল বাণিজ্য, বঞ্চিত অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে মার্কেটের স্টল বরাদ্দ নিয়ে বাণিজ্য করার অভিযোগ উঠেছে। নামে-বেনামে স্টল পেয়েছেন মেয়র মহিউদ্দিনের চাচাতো ভাই, আপন ভাতিজা, জেলা যুবলীগ সভাপতি, মেয়রের উপদেষ্টাসহ শতাধিক নিজস্ব লোকজন। এতে বঞ্চিত হয়েছেন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা ব্যবসায়ী।

তাদের একজন পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন।
তিনি বলেন, ‘ভয়াবহ ওই অগ্নিকাণ্ডে পটুয়াখালী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শাহজালাল খানের কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, ওই স্থানে আমার ওষুধের দোকান ছিল। তবুও মেয়র মহিউদ্দিন আমাকে স্টল না দিয়ে শাহজালালকে দিয়েছেন, তাই আমি শাহজালালের স্টলে তালা মেরেছি।’

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক ব্যবসায়ীর এমন অভিযোগ থাকলেও সংগত কারণে মুখ বন্ধ রেখেছেন তারা।

দৌড়ঝাঁপ করে যারা স্টল পেয়েছেন, তাদের গুনতে হয়েছে স্টল নির্মাণ ব্যয়ের আড়াই থেকে তিন গুণ টাকা। অতিরিক্ত অর্থে স্টল নিতে গিয়ে ঋণসহ পদে পদে হয়রানির শিকার হয়েছে কর্মহীন ব্যবসায়ীরা। আগামী ৯ মার্চ পটুয়াখালী পৌরসভার নির্বাচন প্রেক্ষাপটে অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।

স্টল বরাদ্দের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও নির্মাণে আর্থিক দুর্নীতি ছাড়াও উচ্চ আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠেছে মেয়রের বিরুদ্ধে। যদিও এসব বিষয়ে মুখ খুলছে না পৌর কর্তৃপক্ষ।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত আলতাফ আড়তদার, রফিক গাজী, নজরুল ভুইঁয়া, নাসির খন্দকারসহ একাধিক ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে মেয়র মহিউদ্দিন ও তার বন্ধু হাফিজুর রহমান লোকজন নিয়ে শহরের পৌর নিউ মাকের্ট বাজারে কিচেন মার্কেট করার ঘোষণা দিয়ে সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরিয়ে নিতে মৌখিক নির্দেশ দেন। ব্যবসায়ীরা প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নিতে আপত্তি দিলে ৬ অক্টোবর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাজারের শতাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আংশিক ও সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। পরে মেয়র ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দ্রুত ভবন নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। ওই সময় আগুনে পুড়ে সর্বস্বান্ত হওয়া ব্যবসায়ীদের মেয়রের কথার বাইরে যাওয়ার সুযোগ ছিল না বলে দাবি তাদের।

পরে টানা তিন বছর ধরে স্টল নির্মাণ সম্পন্ন করে স্বজনপ্রীতি শুরু করে স্টল বরাদ্দে। বাজার দর অনুযায়ী ফিটিংস ব্যতীত স্টল নির্মাণে প্রতি স্কয়ার ফুটে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা ব্যয় হলেও বরাদ্দ দিতে নেয়া হচ্ছে তিন গুণ অর্থ।

এ ছাড়া অগ্নিকাণ্ড ঘটার পরপর বিশাল আকারের এই বাজার থেকে অন্তত ২ লাখ ইটসহ আনুষঙ্গিক অনেক নির্মাণ সামগ্রী উদ্ধার হলেও তা ক্ষতিগ্রস্তদের না দিয়ে ট্রাক ভরে নিয়ে যায় মেয়রের লোকজন।

স্টল নির্মাণ সমাপ্ত হওয়ার আগেই ২০২২ সালের ১৩ এপ্রিল মেয়র খাতে ১৫% সংরক্ষিতসহ ১০৪টি স্টল লটারি পদ্ধতিতে বরাদ্দের ঘোষণা দিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। পর্যায়ক্রমে ছোট-বড় অন্তত আড়াই শ স্টল নির্মাণ হলেও মাত্র ৪০টি লটারি পদ্ধতিতে বরাদ্দ দেন। বাকি স্টল মেয়র তার পছন্দের ব্যক্তিদের নামে বরাদ্দ দেন। এতে বাদ পড়ে যান প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা।

অভিযোগকারীরা বলেন, মেয়র মহিউদ্দিনের বড় ভাই আবুল কালাম আজাদের ছেলে আবিদের নামে এমএস আবিদ মোবাইল জোন, মেয়রের চাচাতো ভাই জেলা বিএনপি নেতা মনির হোসেনের মেয়ে লিমার নামে তুলনা স্টোর, জেলা যুবলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলামের স্ত্রী তাসলিমা পারভীনের নামে মেসার্স জুইন এন্টারপ্রাইজ, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহজালাল খান, মেয়রের দুই উপদেষ্টা ফরহাদ জামান বাদল ও কাজী নাসরু তালুকদার, আসলাম ব্যপারী, মজিদ শিকদার, পৌরসভার লাউকাঠি খেয়াঘাটের টোল আদায়কারী রফিকুল ইসলাম রাহাত, মুরগী ব্যবসায়ী খোকন, ডিম ব্যবসায়ী সুভাষ পাল, মনিরুজ্জামান আকন এবং মেয়রের বাসা সংলগ্ন মসজিদের ঈমাম মাওলানা আবদুল কাদেরসহ মেয়রের স্নেহধন্যরা স্টল পেয়েছেন।

অথচ অগ্নিকাণ্ডে এদের কারও কোনো প্রতিষ্ঠান বা দোকান ক্ষতিগ্রস্ত তো দূরের কথা সেখানে কখনোই তাদের কোনো প্রতিষ্ঠান বা দোকান ছিল না।

এ ছাড়া স্টলের তালিকায় মেয়রের পিএস মিজানুর রহমান এনামুল ও বাসার কাজের লোক মোস্তাফিজুর রহমান বেল্লাল এবং ঘনিষ্ঠজন আব্দুস সালাম আরিফের নাম শোনা যাচ্ছে।

এদিকে পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে স্টল বরাদ্দের তালিকা চাওয়া হলে তারা মেয়রের উপদেষ্টা ফরহাদ জামান বাদলের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। পৌর নির্বাচনে ভোটের রাজনীতি মাথায় রেখে সচ্ছল ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের স্টল দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন ক্ষতিগ্রস্তরা। এর মধ্যে ডিম ব্যবসায়ী সুভাষ পাল স্টল নিতে মেয়রকে আনুষ্ঠানিকভাকে সোনার নৌকা উপঢৌকন দিয়েছেন। এ ছাড়া পটুয়াখালী পৌর পরিষদের ১২ জন কাউন্সিলরকে স্টল দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কাউন্সিলর এস এম ফারুক হোসাইন ও কাজল বরন দাসের স্টল চড়াদামে বিক্রি হয়েছে। বাকি কাউন্সিলর ও বিশেষ পদ্ধতিতে পাওয়া স্টলগুলো বিক্রির পাঁয়তারা চালাচ্ছেন তারা।

মামলার বরাত দিয়ে রফিক গাজী বলেন- স্টল বরাদ্দ নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট করলে মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদকে আদালত নোটিশ করেন। পরে আদালতে হাজির হয়ে ব্যবসায়ীদের স্টল দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আদালতে মুচলেকা দেন। ওই মুচলেকায় মেয়র বলেন, দোকান বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার এবং জমাকৃত অগ্রীম জামানত নতুন সালামির সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। অথচ মেয়রের কাছে স্টল চাইতে গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে হাইকোর্টে গেছো- এখন হাইকোর্ট ঘর দেবেন, আমার কাছে কোনো ঘর নাই বলে ফিরিয়ে দেন।

রফিক গাজী আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডের পর মেয়রের ডাকে ব্যবসায়ীরা পৌরসভায় গেলে উপস্থিত লোকজনের উপস্থিতিতে স্বাক্ষর নেন মেয়র। পরবর্তীতে ওই স্বাক্ষর জাল-জালিয়াতি করে আদালতে উপস্থাপন করেন।

এসব বিষয়ে মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, পটুয়াখালী পৌরসভা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নিউ মার্কেটের কিচেন মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এখনও কাজ শেষ হয়নি। ভাইয়ের ছেলে আবিদের নামে কোনো স্টল বরাদ্দ নেই। তা ছাড়া আবিদ মানসিক প্রতিবন্ধী, তার কথা কতটুকু কাউন্টেবল? পাল্টা প্রশ্ন করেন তিনি। তবে কাউন্সিলর ও যুবলীগ সভাপতির স্ত্রীর ব্যাপারে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।




নিষিদ্ধ রোনালদো, সঙ্গে বড় জরিমানা 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : দর্শকদের প্রতি বাজে অঙ্গভঙ্গির দায়ে সৌদি প্রো লিগে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সেইসঙ্গে যুক্ত হয়েছে আর্ঠিক জরিমানা। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই রোনালদোর সামনে। যে কারণে আজ (বৃহস্পতিবার) রাতে আল নাসরের ম্যাচে খেলতে পারবেন না ৩৯ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ তারকা।   




টিভিতে আজ যেসব খেলা দেখবেন 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :  চলছে আফগানিস্তান এবং আয়ারল্যান্ডের একমাত্র টেস্ট। রাতে মাঠে নামবে সৌদি লিগের বড় দল আল-নাসর। পিসিএলে আছে একটি ম্যাচ।




খাদ্যের বিনিময়ে রাশিয়াকে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র দিয়েছে উত্তর কোরিয়া