এক যুগ পর রুনা লায়লা

 চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  উপমহাদেশের জীবন্ত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। তিনি তার কণ্ঠের মায়াময় জাদুতে মোহিত করে রাখছেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম গান পিপাসুদের। তিনি বাংলাদেশের সংগীত ভুবনের শ্রেষ্ঠতম শিল্পীদের একজন বলে বিবেচিত।

রুনা লায়লা সিনেমা ও অ্যালবামের পাশাপাশি বাংলাদেশ বেতারে নিয়মিত সংগীত পরিবেশন করতেন। বিভিন্ন কারণে ধীরে ধীরে বেতারে সংগীত পরিবেশন কমিয়ে দেন তিনি।

এবার রুনা লায়লা দীর্ঘ এক যুগ পর আবারও বাংলাদেশ বেতারে সংগীত পরিবেশন করেছেন। ২৯ ফেব্রুয়ারি তার গাওয়া এ গানটি রেকর্ডিং করা হয়। এর আগে সব শেষ ২০১১ সালের দিকে বাংলাদেশ বেতারে একটি গান গেয়েছিলেন এ শিল্পী।

রুনা লায়লার কণ্ঠের এ গানটিতে সুর করেছেন সাদেক আলী। বাংলাদেশ বেতারের ট্রান্সক্রিপশন সার্ভিসের তত্ত্বাবধানে তৈরি এ গানের কথা লিখেছেন সুমন সরদার। রুনা লায়লা সংগীত পরিবেশন ছাড়াও বেতারের ট্রান্সক্রিপশন সার্ভিসের জন্য একটি সাক্ষাৎকার দেন।

তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলাদেশ বেতারে সাবেক কর্মকর্তা আবু নওশের। এ শিল্পীর জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে এ সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়। রুনা লায়লার গাওয়া নতুন এ গান ও সাক্ষাৎকারটি শিগগির প্রচার করা হবে।

বাংলাদেশ বেতারে রুনা লায়লার সংগীত পরিবেশন নিয়ে বেতারের একটি সূত্র জাগো নিউজকে জানিয়েছে, দেশের সংগীতের উজ্জ্বল নক্ষত্র রুনা লায়লা আজ (২৯ ফেব্রুয়ারি) বেতারে গান গাইতে এসেছিলেন।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, রুনা লায়লার উপস্থিতে বেতারে সব শ্রেণির কর্তকর্তরা বেশ আনন্দিত। তিনি দীর্ঘদিন পর বেতারে এসেছেন। বেতার কর্তৃপক্ষ আশা করছে এখন থেকে তিনি আবারও নিয়মিত এখানে গান পরিবেশন করতে আসবেন।

রুনা লায়লা তার কণ্ঠের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। সংগীত জীবনে প্রায় ১০ হাজার গান গেয়েছেন বরেণ্য এ শিল্পী। বাংলাদেশের সিনেমা ছাড়াও তিনি হিন্দি ও উর্দু ভাষায় ভারতীয় ও পাকিস্তানি সিনেমায় গান গেয়েছেন।

এ ছাড়াও রুনা লায়লা পাঞ্জাবি, সিন্ধি, পশতুন, গুজরাটি সিনেমায় গান গেয়েছেন। তার গাওয়া অসংখ্য গান প্রতিনিয়ত এ দেশের মানুষের মুখে মুখে ফেরে।

‘বন্ধু তিন দিন তোর বাড়িতে গেলাম’, ‘বাড়ির মানুষ কয়’, ‘ইস্টিশনের রেলগাড়িটা’, ‘আমি নদীর মতো কত পথ ঘুরে’, ‘ওই দুলছে দেখো দোলনচাঁপা দুলছে’, ‘গানেরই খাতায় স্বরলিপি’, ‘ও আমার জীবন সাথী’, ‘তুমিই বড় ভাগ্যবতী’, ‘শিল্পী আমি তোমাদেরই গান শোনাব’, ‘যখন থামবে কোলাহল’, ‘যখন আমি থাকব না’, ‘বৃষ্টিভেজা রাতে’, ‘পান খাইয়া ঠোঁট’সহ অসংখ্য শ্রোতানন্দিত গান তিনি উপহার দিয়েছেন।

আশির দশকের শুরুর দিকে রুনা লায়লা ভারতের শ্রীনগরের একটি হাসপাতাল নির্মাণের জন্য তহবিল গঠনের বিনা পারিশ্রমিকে গান গেয়েছিলেন। সেই হাসপাতালে আজও লেখা আছে, ‘ডোনেটেড বাই রুনা লায়লা’। রুনা লায়লা বাংলাদেশের গর্ব এবং অহংকার।




বিপিএলে নতুন ইতিহাস, ৬৪ দেশে দেখানো হবে ফাইনাল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  দেখতে দেখতে শেষ হয়ে এলো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দশম আসরটি। আজ শুক্রবারই নির্ধারিত হয়ে যাবে এবারের আসরের চ্যাম্পিয়ন। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে বিপিএলের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে লিটন দাসের কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স আর তামিম ইকবালের ফরচুন বরিশাল। ম্যাচটি শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায়।

বিপিএল ফাইনাল নিয়ে উন্মাদনা চরমে। টিকিটের জন্য হাহাকার লেগে গেছে। সেই উন্মাদনার রেশ ছড়িয়ে দিতে জমজমাট ফাইনালটি দেশের বাইরেও উপভোগের সুযোগ করে দিচ্ছে বিসিবি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিশ্বের ৬৪টি দেশ থেকে ফাইনাল উপভোগ করা যাবে, যা বিপিএল সম্প্রচারের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড।

বাংলাদেশে টি স্পোর্টস ও গাজী টিভি সরাসরি সম্প্রচার করছে বিপিএল। এ ছাড়া অনলাইনে সরাসরি দেখা যাচ্ছে র‌্যাবিটহোল ও টি স্পোর্টস অ্যাপে। অন্যদিকে, ভারতে দেখা যাচ্ছে ফ্যানকোডে। আর পাকিস্তানে সরাসরি সম্প্রচার টেন স্পোর্টসে। এ ছাড়া অনলাইনে ট্যাপম্যাড টিভি ও হাম স্পোর্টসে বিপিএল সম্প্রচার করা হচ্ছে পাকিস্তানে।

মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় বসেও উপভোগের সুযোগ থাকছে বিপিএল। আরব আমিরাত, বাহরাইন, আলজেরিয়া, ইরান, ইরাক ও সৌদি আরবসহ ২৭টি দেশে স্টারজপ্লে, ওরেডো, ডিইউ এণ্ড মবিলি, ক্রিকবাজ ও ক্রিকলাইফে দেখা যাবে। এ ছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ব্রুনাই, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ ১১টি দেশে উপভোগ করা যাবে স্টারহাব, অ্যাস্ট্রো ও পিসিসিডব্লিউ ও ক্রিকবাজে।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো, হন্ডুরাস, ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জসহ ২৩টি দেশে দেখা যাবে উইলো টিভিতে। আর বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তে টি স্পোর্টস ও র‌্যাবিটহোলের ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে।




আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বেইলি রোডের আগুন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কজি কটেজ ভবনের আগুনে পুড়ে মারা গেছেন অন্তত ৪৩ জন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২০ জনের অধিক। ভয়াবহ এ আগুনের খবর গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি ৬ তলা ভবনের আগুনে অন্তত ৪৩ জনের প্রাণহানি হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। রয়টার্স আরও বলেছে, একটি জনপ্রিয় বিরিয়ানির দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় যা পরে ভবনের অন্যান্য ফ্লোরে ছড়িয়ে পড়ে।

প্রায় একই ধরনের খবর দিয়েছে বিবিসি। ব্রিটিশ গণমাধ্যমটি লিখেছে, কাচ্চি ভাই নামের একটি রেস্টুরেন্ট থেকে ফায়ার সার্ভিসকে আগুনের খবর দেওয়া হয়। ওই ভবনে আরও রেস্টুরেন্ট ছিল।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালকের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বিবিসি আরও লিখেছে, ভবনটি ছিল বিপজ্জনক। প্রতিটি ফ্লোরেই গ্যাসের সিলিন্ডার ছিল। এমনকি সিঁড়িতেও ছিল।

আগুনের এ খবর দিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্ট লিখেছে, গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে বহু নতুন ভবন গড়ে উঠেছে। এগুলোর অধিকাংশেই যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। ত্রুটিযুক্ত গ্যাসের লাইন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র এবং নিম্নমানের বৈদ্যুতিক সংযোগ থেকে ঘটছে এসব অগ্নিকাণ্ড এবং বিস্ফোরণের ঘটনা।

আগুনের সূত্রপাত এবং হতাহতের একই ধরনের খবর দিয়েছে স্কাই নিউজ, নিউইয়র্ক টাইমস, দ্য গার্ডিয়ান, সিবিএস নিউজ, ডেকান হেরাল্ড, এনডিটিভি এবং টাইমস অব ইন্ডিয়া। সবগুলো গণমাধ্যমই হতাহতের বর্ণনা দিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন এবং ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালকের বরাতে।

অন্যদিকে জার্মান গণমাধ্যম ডয়চে ভেলে লিখেছে, নিরাপত্তার অভাবে কারখানা এবং বাসভবনে আগুনের ঘটনা বাংলাদেশে নিয়মিত এবং কুখ্যাত হয়ে উঠেছে।




নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ আজ সন্ধ্যায়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  মন্ত্রিসভার আকার বাড়ছে। নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ  আজ  শুক্রবার (১ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। বঙ্গভবনের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে মন্ত্রিসভায় নতুন কতজন সদস্য যুক্ত হচ্ছেন তা জানা যায়নি।

৮ থেকে ১০ জন নতুন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী নিয়োগ পেতে পারেন বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানা গেছে। দশটির মতো গাড়ি প্রস্তুত করা হয়েছে। যেগুলো করে মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা শপথ নিতে বঙ্গভবনে আসবেন। রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাদের শপথ পড়াবেন।

নতুন মন্ত্রিসভার দাপ্তরিক কাজ করে থাকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখা শুক্রবারও খোলা থাকবে বলে জানা গেছে। শপথের পর দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত ১১ জানুয়ারি ৩৭ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। অন্যান্য বারের তুলনায় এ মন্ত্রিসভার আকারে অনেক ছোট। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে কোনো মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এ দুই মন্ত্রণালয় নতুন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী পাচ্ছেন এটা অনেকটা নিশ্চিত।

নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ ছাড়াও কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে রদবদল আসছে বলেও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ে একজন প্রতিমন্ত্রী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একজন করে প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে একজন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ হতে পারে। এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একজন পূর্ণ মন্ত্রী নিয়োগ হতে পারে। এছাড়া যেসব মন্ত্রণালয়ে শুধু মন্ত্রী আছে সেসব মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। যেসব মন্ত্রণালয়ে দুটি বিভাগ রয়েছে, সেখানে একেক বিভাগের জন্য একজন করে প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হতে পারে।

গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। বিএনপিবিহীন এ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পায় আওয়ামী লীগ। ২৯৯ আসনের মধ্যে ২২৩টিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। জাতীয় পার্টির আসন ১১টি। বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ও বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি একটি করে আসনে জয় পেয়েছে। এর বাইরে সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ৬২ জন।

পরে ১০ জানুয়ারি শপথ নেন নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। এরপর ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন।

গত ১১ জানুয়ারি গঠিত হয় নতুন মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রীসহ নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য ৩৭ জন। নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী এবং ১১ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। কোনো উপমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হয়নি। যদিও আগের মন্ত্রিসভায় তিনজন উপমন্ত্রী ছিলেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি গঠিত মন্ত্রিসভা ছিল ৪৭ সদস্যের। ওই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া ২৪ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী ও ৩ জন উপমন্ত্রী ছিলেন।




ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসক ও ওষুধ সঙ্কট, দুর্ভোগে রোগীরা

বরিশাল অফিস :: ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্স সঙ্কটে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। পাশাপাশি প্রিন্টার নষ্ট থাকায় এক্স-রে মেশিন বন্ধ রয়েছে। জ্বালানি সমস্যায় অ্যাম্বুলেন্স সেবাও বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে।

গুরুত্বপূর্ণ এ সেবাগুলো বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রোগীদের। হাসপাটালটিতে রয়েছে ওষুধ সঙ্কটও।

এদিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নতুন হাসপাতালটি উদ্বোধন হলেও সেবা কার্যক্রম এখনো চালু হয়নি। তবে হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ বলছেন শিগগিরই এসব সমস্যা সমধান করা হবে।

জানা যায়, ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ মোট চিকিৎসকের পদ রয়েছে ৩৬টি। এরমধ্যে আছেন ১৭ জন। তাদের মধ্যে অন্য হাসপাতালের পাঁচজন চিকিৎসক এখানে সংযুক্ত হয়ে কাজ করছেন। সিনিয়র স্টাফ নার্সের মধ্যে প্রয়োজনীয় পুরুষ নাস কম থাকায় জরুরি সেবায় বিঘ্ন ঘটে। রয়েছে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারিরও সঙ্কট।

১০০ শয্যার ঝালকাঠির সদর হাসপাতালে প্রতিদিন ৮০০ থেকে এক হাজার মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। এরমধ্যে প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ২৫ জন রোগী এই হাসপাতালে ভর্তি হন। প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল অফিসার ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় যথাযথ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হন সাধারণ মানষ। এই হাসপাতালটিতে দীর্ঘদিন ধরে শিশু বিশেষজ্ঞ না থাকায় অহরহ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগীরা। এছাড়া চক্ষু বিশেষজ্ঞের পদটিও দীর্ঘদিন ধরে শূণ্য থাকায় এখানে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষ হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এসব রোগীদের পার্শবর্তী বরিশালে গিয়ে চিকিৎসা নিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। হাসপাতালটিতে রয়েছে ওষুধ সঙ্কটও।
সব ধরণের ওষুধ নেই দীর্ঘদিন ধরে।

জেলা সদরের এই হাসপাতালের প্যাথলজিতে আধুনিক কোনো যন্ত্রপাতি নেই। এর ফলে এখানে সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সম্ভব হয় না। অধিকাংশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা বাহিরের ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে করাতে হয় রোগীদের। এতে করে সরকারি ধার্যকৃত টাকার চেয়ে কয়েকগুন বেশি টাকা গুনতে হয় তাদের। গত ছয় মাস ধরে হাসপাতালটির এক্সরে মেশিন বিকল হয়ে পড়ে আছে।

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত সেটিকে সচল করার কোনো পদক্ষেপ নেননি তারা। ঝালকাঠি সদর হাসপালে কে এমসি কর্নার নেই। এনআইসিউ না থাকায় নবজাতক শিশুদের নিয়ে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে স্বজনদের। বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও তত্ত্বাবধায়কের চাপিয়ে দেয়া নিয়মের কারণে অ্যাম্বুলেন্সের জ্বালনি ক্রয় বন্ধ রয়েছে। এর ফলে গত ছয় মাস ধরে রোগীরা নিজ ব্যবস্থায় অ্যাম্বুলেন্সের খরচ বহন করছেন।

এদিকে ২৫০ শয্যার জন্য ৯ তলা বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ হলেও জনবল কাঠামো অনুমোদন না হওয়ায় এখনি চালু হচ্ছে না ২৫০ শয্যার কার্যক্রম। দ্রুত সমস্যার সমাধান করে রোগীদের এক্স-রেসহ সকল সেবা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা চাঁদকাঠি এলাকার শিউলী আক্তার বলেন, আমার ছেলের ঘাড়ে সমস্যা। এখানে এসেছিলাম চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে। কিন্তু বিশেষজ্ঞ কোনো চিকিৎসক পেলাম না। এখানের চিকিৎসকরা বরিশালে গিয়ে এই সমস্যার যারা চিকিৎসা দিচ্ছেন, তাদের কাছে যেতে বলেছেন।

নলছিটি উপজেলার মগড় গ্রামের আলতাফ হোসেন বলেন, আমার ছেলের হাঁটুতে ব্যাথা, তাই সদর হাসপাতালে এলে চিকিৎসক এক্স-রে করাতে বলেন। হাসপাতালের এক্সে-রে মেশিনটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল, তাই বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে বেশি টাকা দিয়ে করাতে হয়েছে। এই হাসপাতালে সব ধরণের প্যাথলজিও নেই। শুধু ডা. আবুয়াল হাসান ও ডা. ইমাম হোসেন জুয়েল ছাড়া ভালো কোনো চিকিসক নেই। এই দু’জনের কক্ষে ভিড় লেগে আছে। যত রোগী, তারাই সামলাচ্ছেন।

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুয়াল হাসান বলেন, চিকিসক ও নার্স সঙ্কট অনেক আগে থেকেই। ২৫০ শয্যার নতুন ভবনটি উদ্বোধন হওয়াতে রোগীর চাপ বেড়েছে। কিন্তু নতুন হাসপাতালের কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি। আমরা এক্স-রে মেশিনের প্রিন্টার সারানোর জন্য কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। শিগগিরই এসব সমস্যা সামাধান হয়ে যাবে।




ভোলার দুই নদীতে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা

বরিশাল অফিস : ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া দুই নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

এ নিষেধাজ্ঞা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে ৩০ এপ্রিল মধ্যরাতে।

অর্থাৎ নদী থেকে ইলিশ আহরণে ২ মাসের নিষেধাজ্ঞায় পড়তে হচ্ছে ভোলার জেলেদের। তাই এই দুই মাস বেকার হয়ে পড়বেন উপকূলের দুই লাখের বেশি জেলে।

যে কারণে অভাব, অনটন আর অনিশ্চয়তায় পড়তে যাচ্ছেন তারা। কীভাবে বেকার সময় পার করবেন সেই চিন্তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন জেলেরা।

তাই নিষেধাজ্ঞার সময়কালে জেলেদের মাঝে পুনর্বাসনের চাল বিতরণের দাবি তাদের। উপকূলের জেলেরা জানান, গত মৌসুমে পুরো সময়জুড়ে ইলিশ সংকট থাকায় এ বছরের শুরুটা ভালো যায়নি ভোলার জেলেদের।

নদীতে ইলিশ শূন্যতায় বার বার আর্থিকভাবে ধাক্কা খেতে হয়েছে তাদের। এমন সংকটের মধ্যে আবার চলে আসছে ইলিশ ধরায় দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা।

দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতির দিনে কীভাবে পরিবার-পরিজন নিয়ে দিন কাটাবেন এমন দুশ্চিন্তার ছাপ তাদের চোখ-মুখে।

 

আড়তে নিলাম হচ্ছে ইলিশ :–

জেলে সাহাবুদ্দিন ও ছিদ্দিক বলেন, ধারদেনা করে কাটিয়েছি পুরো মৌসুম। এরমধ্যে আবার চলে এসেছে অভিযান। এখন আমরা সংকটে পড়েছি।

জানা গেছে, মাছ ধরেই চলে জেলেদের জীবন-জীবিকা। নদীতে মাছের সংকট বা মাছ ধরা বন্ধ থাকলে তাদের জীবনে নেমে আসে চরম সংকট। নিষেধাজ্ঞাকালীন পুনর্বাসনের জন্য চাল বরাদ্দ হলে সে চাল পৌঁছায় না অনেক জেলের ভাগ্যে।

তুলাতলীর ঘাটের জেলে রহিম ও লোকমান বলেন, আমাদের দাবি, নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলে পুনর্বাসনের চাল যেন দ্রুত দেওয়া হয়।

ঘাটের আড়তদার মো. মনজুরুল আলম বলেন, দুই মাস ইলিশ শিকার বন্ধ, অনেকে জেলে ঘাটে ফিরেছেন। অনেকে আবার ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আমরাও আড়ত বন্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। জেলেদেরকেও আমরা মাছ ধরা থেকে বিরত রাখতে বলেছি।

তবে ইলিশের অভয়াশ্রম রক্ষায় জেলেদের সচেতনতার পাশাপাশি সব ধরনের অভিযানের কথা জানান জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ।

তিনি বলেন, জেলেরা যেহেতু বেকার থাকবেন। তাই দুই মাসে জেলে পুনর্বাসনের জন্য নিবন্ধিত প্রত্যেক জেলে পরিবারকে ৪০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে।




বেইলি রোডে আগুন: ২০ জনের মরদেহ হস্তান্তর

বরিশাল অফিস :: রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ২০ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শুক্রবার (১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশের নিউমার্কেট জোনের সহকারী কমিশনার রেফাতুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পরিবারের সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হচ্ছে।

হস্তান্তর করা লাশের মধ্যে ১১ জন হলেন- নাজিয়া (৩৫), আরহান মোস্তফা (৮), সম্পন্ন পোদ্দার (১২), মিমু (২০), জান্নাতিন (২৩), সৈয়দা ফাতেমা তুজ জোহরা (১৭), রিয়া (২৩), স্বপ্না আক্তার (৩৭), পম্পি সাহা (৪৬), মেহেরা কবির দোলা (২৫), মাইশা কবির মাহী (২০)।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জেলা প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা হ্যান্ডমাইক নিয়ে স্বজনদের আহ্বান করছিলেন লাশ শনাক্তের জন্য। নাম-পরিচয় লেখা হচ্ছে জরুরি বিভাগের সামনের একটি বারান্দায়। সেই টেবিল ঘিরে আছেন মৃতদের স্বজনরা।

 

লাশ হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। এখন পর্যন্ত ১৬ জনের তথ্য রয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসনের কাছে। রাতেই ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পুলিশ। এরপর মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে আগুনে পুড়ে ৪৪ জন নিহত হয়েছেন। দগ্ধ আরও বেশ কয়েকজন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন জানান, বার্ন ইন্সটিটিউটে এখন পর্যন্ত ১০ জন মারা গেছেন। অপর দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৩ জন মারা গেছে।

তিনি আরও জানান, আগুনের ঘটনায় আহত বেশির ভাগের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। তাদের অবস্থা গুরুতর। তাদের বাঁচানোর চেষ্টা চলছে।




মুলাদীতে মানসিক ভারসাম্যহীন নারী জন্ম দিয়েছে ছেলে সন্তান

বরিশাল অফিস :: বরিশালের মুলাদীতে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ছেলে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। স্বামীহারা ওই নারীর সদ্যজাত সন্তানের দায় নিচ্ছে না কেউ। গত বুধবার রাতে মানসিক ভারসাম্যহীন নারী উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের খাসেরহাট আশ্রয়ন প্রকল্পের একটি ঘরে সন্তান জন্ম দেন। বর্তমানে শিশুটিকে প্রতিবেশিদের হেফাজতে রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। তবে ওই নারী স্থানীয় ৪ যুবকের ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন।

আশ্রয়ন কেন্দ্রের ওই নারীর এক প্রতিবেশি জানান, প্রায় ৫ বছর আগে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর স্বামী মারা যান। পরে তিনি স্বজনদের কাছে আশ্রয় না পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করতেন। স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সহযোগিতায় আশ্রয়ন প্রকল্পের জমিসহ একটি ঘর পেয়ে সেখানেই থাকতেন। তাকে সাহায্য সহযোগিতার নামে বিভিন্ন লোকজন তার কাছে আসতেন।

ওই প্রতিবেশি আরও জানান, বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছিলো। বুধবার রাতে ওই নারীর প্রসব বেদনা উঠলে কান্নাকাটি শুরু করেন। আশপাশের নারীদের সহযোগিতায় তার ঘরের মধ্যেই স্বাভাবিক ভাবে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। শিশুটিকে আশ্রয়ন প্রকল্পের একজনের কাছে রাখা হয়েছে।
মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে সাহায্য সহযোগিতা দেওয়ার জন্য কাজিরচর গ্রামের বেল্লাল হাওলাদার, সাইদুল, কালাম ওরফে কালু এবং সোহেল খান ঘরে আসতো। বিভিন্ন সময়ে তারা সাহায্য-সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করতেন। এর ফলেই এই সন্তানের জন্ম হয়েছে।

এ ব্যাপারে মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া জানান, ভুক্তভোগী নারীর স্বজনদের কাছ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




বিপিএল ফাইনালসহ আজ যেসব খেলা দেখবেন 




বরিশালে চাঁদার দাবিতে প্রবাসীর নির্মাণাধীন ভবনে হামলা

বরিশাল অফিস :: চাঁদার দাবিতে ওমান প্রবাসীর নির্মাণাধীন ভবনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে তিনজনকে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ওইদিন বিকেলে জেলার গৌরনদী উপজেলার সরিকল বন্দরে।

 

ওই এলাকার বাসিন্দা প্রবাসী চুন্নু বালী অভিযোগ করে বলেন, আমি দীর্ঘদিন ওমানের প্রবাস জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরে সরিকল বন্দরে একটি ভবন নির্মানের কাজ শুরু করি। ভবন নির্মানের শুরুতেই স্থানীয় নাসির মোল্লা, ইউপি সদস্য রনি মোল্লা ও ইউপি সদস্য হারুন আকন দুইবার আমার কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা চাঁদা নিয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে নাসির মোল্লা, রনি মোল্লা ও হারুন আকন তাদের দলবল নিয়ে সরিকল বন্দরে এসে ফের আমার কাছে মোটা অংকের টাকা চাঁদা দাবি করে। তাদের দাবিকৃত চাঁদার টাকা না দিলে ভবন নির্মানের কাজ বন্ধ রাখতে বলেন।

এসময় তাদেরকে চাঁদা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করায় আমার নির্মাণাধীন ভবনে হামলা চালিয়ে মালামাল ভাঙচুর করে। আমি (চুন্নু) ভাঙচুর ঠেকাতে এগিয়ে আসলে নাসির, রনি ও হারুন আমাকে প্রকাশ্যে মারধর করে আহত করে। আমাকে রক্ষায় ব্যবসায়ী হেদায়েত মৃধা ও রাতুল মৃধা এগিয়ে আসলে তাদেরকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। এসময় বন্দরের ব্যবসায়ীরা এসে আমাদের উদ্ধার করেন এবং হামলাকারী নাসির মোল্লা ও তার সহযোগিদের ধাওয়া করে গণপিটুনি দেয়।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে হারুন আকন বলেন, একইদিন সকালে চুন্নু বালী তার লোকজন নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। বিকেলে পূর্ণরায় তারা হামলা চালিয়ে নাসির মোল্লাকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেছে।

এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ মাজহারুল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। উভয় অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।