৪ দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন শুরু আজ 




বিপন্ন উপকূলের বন্যপ্রাণী

বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস আজ
পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

আজ বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস। জাতিসংঘভুক্ত দেশগুলো প্রতি বছর ৩ মার্চ এ দিবসটি পালন করে থাকে। বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে। বাংলাদেশে কয়েক দশক ধরে আশঙ্কাজনকভাবে কমছে বন্যপ্রাণী। বনভূমি উজাড় হওয়ার ফলে এসব প্রাণী লোকালয়ে প্রবেশ করায় পিটুনিতে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। এ ছাড়া নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হওয়ায় বিপন্ন হচ্ছে উপকূলের বন্যপ্রাণীও।

২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের ৬৮তম সাধারণ অধিবেশনে এই দিনটিকে বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০১৪ সালে প্রথম এ দিবসটি পালন করা হয়। বিশ্বের বন্যপ্রাণী এবং উদ্ভিদকুলের প্রতি গণসচেতনতা বাড়ানো দিবসের মূল লক্ষ্য।

একটা সময় অহরহ বন্যপ্রাণীর দেখা মিললেও এখন আর মেলে না। শোনা যায় না বসন্তে কোকিলের কুহু ধ্বনি। পচা আর মরা কোনো প্রাণী খেতে শকুন কিংবা কাক আসে না। এমনকি এসব বন্যপ্রাণী এখন বিলুপ্তির পথে।

ইতোমধ্যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে প্রায় তিনশ প্রজাতির বন্যপ্রাণী। বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে আরও শখানেক। প্রকৃতির প্রতি মানুষের নৃশংসতা, পরিবেশদূষণ ও পরিবর্তিত জলবায়ুর কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন প্রাণী বিশেষজ্ঞরা।

তাদের মতে, সময়ের সঙ্গে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা আরও জোরালো হচ্ছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আরও ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ প্রাণী বিলুপ্ত হতে পারে।

ওয়াইল্ড লাইফ ট্রাস্ট বাংলাদেশ (ডব্লিউটিবি) ও দ্য ওয়ার্ল্ড কনজারভেশন ইউনিয়ন (আইইউসিএন) বাংলাদেশ শাখার এক জরিপে দেখা গেছে, ইতোমধ্যে দেশের প্রায় দেড়শ প্রজাতির বন্যপ্রাণী, মেরুদণ্ডী প্রাণীর ১৩টি, ৪৭ প্রজাতির দেশি পাখি, ৮ প্রজাতির উভচর ও ৬৩ প্রজাতির সরীসৃপ, স্তন্যপায়ী প্রাণীর ১০টি মিলিয়ে প্রায় তিনশ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এ ছাড়া বিপন্ন ৪৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী। একইভাবে বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে ১০৬ প্রজাতির নলবাহী উদ্ভিদ। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে বন্যপ্রাণীর ব্যাপক বিনাশ চলছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী শিকার, বাসস্থান দখল করে হোটেল, মোটেল এবং রিসোর্ট নির্মাণ, খাদ্যাভাবসহ নানা কারণেই বন্যপ্রাণীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমছে।

পরিবেশবাদী সংগঠনের কর্মীরা বলছেন, খাদ্য আর বাসস্থানের সংকট প্রকট হওয়ায় বন্যপ্রাণীর এমন সংকট দেখা দিয়েছে। তারা আরও জানিয়েছেন, নিষ্ঠুরভাবে বন উজাড়, নদীর নাব্য হ্রাস, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং পাখি শিকারিদের ফাঁদে উপকূল থেকে বন্যপ্রাণীর আশঙ্কাজনকভাবে বিলুপ্তি ঘটছে।

অ্যানিমেল লাভারস অব পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা শাখার সদস্য মিরাজ মিজু বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বনাঞ্চল ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া নানা স্থাপনা নির্মাণ, বন কর্মকর্তাদের উদাসীনতায় বন উজাড় হওয়াও বন্যপ্রাণী কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর রেঞ্জের কর্মকর্তা আবুল কালাম বলেন, উপকূল থেকে প্রতি বছরই কমছে বন্যপ্রাণী। তবে আমরা সচেতন হলে বিলুপ্তর পরিমাণ কমে আসবে।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (উপকূলীয় বন বিভাগ) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আধুনিক নগরায়ণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আশঙ্কাজনকভাবে বন্যপ্রাণীর উপস্থিতি কমছে, আমরা বন উজাড় থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করছি সব সময়।




বম্বে মরিচ চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন গাজী হেমায়েত উদ্দিনের

প্রথমে তিনি শুরু করেন বম্বে মরিচের চাষ। এতেই সাফল্য এসে ধরা দেয় তাকে। চলতি বছর তিনি শুধু বম্বে মরিচ চাষ করেই উপার্জন করেছেন প্রায় তিন লাখ টাকা। মাত্র ৩৫ শতাংশ জমিতে বম্বে মরিচ চাষ করে সারা বছর তিনি মরিচ বিক্রি করেন। এ ছাড়াও তিনি এ বছর মৌসুমি সবজি চাষ করে আয় করেন ১০ লাখ টাকারও বেশি।

বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা গ্রামে হেমায়েত উদ্দিনের বাড়ি। বাড়ির পাশেই পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমিতে তিনি গড়ে তুলেছেন কৃষি খামার। সম্প্রতি সরেজমিন ওই খামারে গিয়ে দেখা গেছে, তিনি মাত্র ৩৫ শতাংশ জমিতে বম্বে মরিচের চাষ করেছেন। পুরো মরিচ ক্ষেতজুড়ে তিনি পলিথিনের ছাউনি দিয়ে ঢেকে রেখেছেন যাতে অতিবর্ষণ বা অধিক তাপমাত্রায় মরিচ গাছের কোনো ক্ষতি না হয়। তিনি সার্বক্ষণিক তার খেতের পরিচর্যায় ব্যস্ত থাকেন।

পাখিমারা এলাকায় এটি ‘পাখিমারা খাল’ এবং কুমিরমারা এলাকায় ‘কুমিরমারা খাল’ নামে পরিচিত। এই খালের পানি লবণাক্ততার কারণে নীলগঞ্জে এক সময় একটি মাত্র ফসল হতো। ২০০৫ সালে স্থানীয় কৃষকরা সারা বছর ফসল চাষের জন্য খালের বিশুদ্ধ পানি সংরক্ষণের জন্য পরামর্শ করতে একত্রিত হন। তারা খালের উপর চারটি অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করেন। পরে এই বাঁধের কারণেই তারা মিষ্টি পানি সংরক্ষণ করতে সক্ষম হন। এভাবে ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার কৃষক আমন ধান চাষের পাশাপাশি সবজি চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পেতে শুরু করেন।

কলাপাড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আর এম সাইফুল্লাহ বলেন, আমরা কৃষকদেরকে প্রয়োজনীয় কারিগড়ি সহায়তা দিয়ে থাকি। এখানে প্রতি বছর ১০-১৫ টন সবজি উৎপাদন হয়, যার অর্থনৈতিক মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১৫ কোটি টাকা।




পাকিস্তানে আজ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন, ৯ মার্চ প্রেসিডেন্ট

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : পাকিস্তানের পার্লামেন্টে আজ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন। শনিবার পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) সভাপতি শাহবাজ শরিফ এবং পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) মহাসচিব ওমর আইয়ুব প্রধানমন্ত্রীর পদের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

শনিবার দুপুর ২টায় মনোনয়নপত্র গ্রহণের সময় শেষ হয়েছে। যাচাই-বাছাইয়ের সময় শেষ হয়েছে বিকাল ৩টায়। রোববার প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনের পর ৯ মার্চ নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করবেন দুই কক্ষের নবনির্বাচত সংসদ-সদস্যরা। জিইও টিভি, ডন।

পিএমএল-এন এবং তাদের মিত্ররা জাতীয় পরিষদের সচিবের কাছে আটটি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিপরীতে এসআইসি তার নামে চারটি মনোনয়নপত্র দাখিল করে। যাচাই-বাছাই শেষে উভয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়েছে।

পিএমএল-এন নেতা ইসহাক দার, হানিফ আব্বাসি এবং পিপিপি নেতা খুরশিদ শাহ শাহবাজের পক্ষে নথি জমা দিয়েছেন।

ওমর আইয়ুবের মনোনয়নপত্র নিম্নকক্ষের সচিবের কাছে জমা দিয়েছে পিটিআই সমর্থক সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিল (এসআইসি)।

মুতাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তান (এমকিউএম-পি), ইন্তেহকাম-ই-পাকিস্তান পার্টি এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) সবাই পিএমএল-এন-এর প্রার্থীকে সমর্থনে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য বিজয়ীকে কমপক্ষে ১৬৯ ভোট পেতে হবে।

এরই মধ্যে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন (ইসিপি) আনুষ্ঠানিকভাবে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করেছে। প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা আগামী ৯ মার্চ। স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পাকিস্তানের পার্লামেন্ট হাউজ এবং ৪টি প্রাদেশিক অ্যাসেম্বলিতে এই ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগ্রহী প্রার্থীদের নির্বাচনের আগে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করে ২ মার্চের মধ্যে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। যেগুলো ৪ মার্চ পর্যন্ত একটি সূক্ষ্ণভাবে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবে।

ইসলামাবাদের সংসদ ভবন এবং ৪টি প্রাদেশিক পরিষদ এই গণতান্ত্রিক অনুশীলনের মূল ক্ষেত্র হিসাবে কাজ করবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মিত্ররা প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসাবে পশতুন-খোয়া মিলি আওয়ামী পার্টি (পিকেএমএপি) প্রধান মাহমুদ খান আচাকজাইয়ের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

অন্যদিকে পিপিপির ফরুক এইচ নায়েক এবং সেলিম মান্ডভিওয়ালা প্রেসিডেন্ট পদের জন্য জোট সরকারের মনোনীত প্রার্থী হিসাবে দলের কো-চেয়ারপারসন আসিফ জারদারির মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসার হিসাবে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করবেন বিচারপতি আমির ফারুক।

এদিকে শনিবার যাচাই-বাছাই পর্বের মধ্য দিয়েই দেশব্যাপী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করেছে পিটিআই। লাহোরে পিটিআই নেতাকর্মীদের ধরপাকড়ও করেছে পুলিশ। নির্বাচনি কারচুপির বিরুদ্ধে সারা দেশে বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে তারা।




চার মামলায় ইমরান খানের জামিন

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : পাকিস্তান তেহেরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে চার মামলায় জামিন দিয়েছেন লাহোরের সন্ত্রাস বিরোধী আদালত।

শুক্রবার (০১ মার্চ) জিলে শাহ হত্যা, জামান পার্কের বাইরে পুলিশের ওপর হামলা, পিএমএল-এন’র অফিস এবং একটি কন্টেনারে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এনে করা মামলাগুলোয় জামিন পান তিনি। শুনানি শেষে জামিন মঞ্জুর করে রায় দেন বিচারক আশাদ জাভেদ। একইসঙ্গে প্রতিটি মামলায় আবেদনকারীকে ৫ লাখ রুপির বন্ড প্রদানের নির্দেশ দেন তিনি। খবর ডনের।

শুনানি চলাকালে কারাবন্দি ইমরান খানের জামিন আবেদনের বিরুদ্ধে যুক্ততর্ক উপস্থাপনকারী বিশেষ আইনজীবী রানা শাকিল বলেন, গত বছরের ৯ মে’র হামলায় অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ইমরান খান। এছাড়া তার নির্দেশেই সেনাবাহিনীর স্থাপনায় হামলা করা হয়।

এ সময় বিচারক আশাদ জাভেদ ওই আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, কর্মীরা যেন হামলা চালায় সেজন্য ইমরান খান কী তার এক্স হ্যান্ডেলে কোনও পোস্ট দিয়েছিলেন?

এ প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারেননি আইনজীবী রানা শাকিল। তবে তিনি বলেন, ইমরান খান গ্রেফতারের আগে হামলা চালানোর মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন।

এদিকে ইমরান খানের আইনজীবী সালমান সাফদার বলেন, যে মামলায় ইমরান খানতে অভিযুক্ত করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ইমরান খান পুলিশ স্টেশনে হামলা এবং জিলে শাহকে হত্যার সঙ্গে জড়িত নয়।

তিনি বলেন, বিক্ষোভের সময় ন্যাবের হেফাজতে থাকা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেফতারের বিরুদ্ধে দলীয় কর্মীরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করেছে।

সালমান সাফদার আরও বলেন, ট্রায়াল কোর্ট আগে মেধার ভিত্তিতে মি. খানকে আগাম জামিন দিয়েছিল কিন্তু পরে তোশাখানা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তার অনুপস্থিতির জন্য তা খারিজ করে দেয়।

সূত্র: ডন




নকশা ঠিক নেই রাজধানীর ১৩’শ ভবনের: সংসদে সাবেক গণপূর্ত মন্ত্রী

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : রাজধানীতে নকশা ঠিক নেই এমন ১৩’শ ভবনকে চিহ্নিত করা হলেও তাদের বিরুদ্বে ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি বলে সংসদে জানিয়েছেন সাবেক গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। শনিবার (২ মার্চ) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বেইলি রোডের অগ্নিকান্ড বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

সাবেক মন্ত্রী বলেন, যেসব ভবনের প্ল্যান ঠিক নেই এবং যে ভবনের অধিকাংশ ফ্লোর অননুমোদিতভাবে করা হয়েছে সে ভবনগুলো চিহ্নিত করা হলেও তার সময়ে সেগুলোকে ভাঙা সম্ভব হয়নি।

শেখ হাসিনার হাতে দায়মুক্তির সংস্কৃতি ধ্বংস হয়েছে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মন্তব্য করে সরকারি দলের এই সদস্য বলেন, বড় বড় অপরাধীদের বিচার হয়েছে।

সেক্ষেত্রে দায়মুক্তির সংস্কৃতি থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছি। কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় আরও কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

২০১৯ সালে বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুনে ২৭ জনের মৃত্যু হয়। সে সময় গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ছিলেন শ ম রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুন লাগার পরে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে কাজ করেছিলাম। তদন্ত করে ৬২ জনের বিরুদ্ধে আমরা রিপোর্ট দিয়েছিলাম। দুর্ভাগ্য সর্বোচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি রিপোর্ট দেওয়ার পরও সবার বিরুদ্ধে মামলা হয়নি। তারপর চার্জশিট দেওয়ার সময় অনেককে বাদ দেওয়া হয়েছে। এখানেই শেষ নয় আজকে পর্যন্ত সে মামলার অভিযোগ গঠন পর্যন্ত হয়নি।

রেজাউল করিম বলেন, নারায়ণগঞ্জে একটি ফ্যাক্টরিতে ৫২জন লোককে পুড়িয়ে হত্যা করা হল ২০২১ সালে। সে মামলার আসামীরা জেলে গেছে কিন্তু বিচার আজ পর্যন্ত শুরু হয়নি। এ রকম অনেক ঘটনা আছে।

এর আগে সংসদের বৈঠকের শুরুতে বেইলি রোডে অগ্নিকান্ডে হতাহতের ঘটনায় জাতীয় সংসদে শোক প্রকাশ করা হয়। বৈঠকের শুরুতে স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী এই ঘটনায় গভীর শোক এবং নিহতের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।




বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল আর নেই

বরিশাল অফিস :: শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক আজকের বার্তার সম্পাদক কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত ৮ টা ১৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭২ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। দৈনিক আজকের বার্তা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত রোগে ভুগছিলেন। তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় বারডেম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বেশ কয়েকদিন লাইফ সাপোর্টেও ছিলেন তিনি। দৈনিক খবর পত্রিকার বরিশাল ব্যুরো প্রধান হিসেবে সাংবাদিক অঙ্গনে যাত্রা শুরু করেন তিনি। এর আগে তিনি কাশিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। দৈনিক আজকের বার্তার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক কাজী নাসিরউদ্দিন বাবুল জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৪ বার বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও একবার সাধারন সম্পাদক ছিলেন।

রোববার ( ৩রা মার্চ) বাদ জোহর কাশিপুরের কাজী বাড়ী জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে মরহুমের জানাজা নামাজ হবে।

 

 




নেপালকে হারিয়ে সাফ শুরু বাংলাদেশের




সদস্যপদ বাতিল করায় যা বললেন জায়েদ খান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের সদস্যপদ বাতিল করেছে সমিতির বর্তমান কমিটি। শনিবার (২ মার্চ) অনুষ্ঠিত চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বার্ষিক বনভোজনে দ্বি-সাধারণ সভায় এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

 




শেষ হলো বইমেলা, গুণীজন স্মৃতি পুরস্কার ঘোষণা