রমজানে বাজার মনিটরিং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জেলা টাস্কফোর্স মতবিনিময় সভা

বরিশাল অফিস :: পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে বাজার মনিটরিং, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জেলা টাস্কফোর্স ও অংশীজনের অংশগ্রহণে বৃহস্পতিবার(১৪ মার্চ) সকাল ১১ টায় বরিশাল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

বরিশাল জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন,বরিশাল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনদীপ খঘরাই,বরিশাল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাকেরগঞ্জ সার্কেল মোঃ ফরহাদ সরদা। বীর মুক্তিযোদ্ধা কেএসএ মহিউদ্দিন মানিক বীর প্রতিক,বরিশাল মেট্রোপলিটন প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী আবুল কালাম আজাদসহ সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বৃন্দ, বাজার কমিটির সদস্যরা, বিভিন্ন ব্যবসায়িরা উপস্থিত ছিলেন।

শুরুতে অতিথিরা পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে বাজার মনিটরিং, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে অতিথিরা পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে বাজার মনিটরিং ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরে আলোচনা করেন।

বরিশাল জেলা প্রশাসক বরিশাল শহিদুল ইসলাম বলেন, পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হবে৷ সবাইকে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে একসাথে কাজ করতে আহবান জানান তিনি।

 




একীভূত হচ্ছে এক্সিম ও পদ্মা ব্যাংক 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : শ‌রীয়াহভি‌ত্তিক বেসরকারি এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হতে যাচ্ছে চতুর্থ প্রজন্মের পদ্মা ব্যাংক।




এক দেশ এক ভোট’ চালু হচ্ছে ভারতে? রাষ্ট্রপতির কাছে রিপোর্ট জমা দিল রামনাথ কোবিন্দ কমিটি

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : লোকসভা নির্বাচন ঘোষণার আগেই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে রিপোর্ট জমা দিল, ‘এক দেশ এক ভোট’ (ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশন) নীতি কার্যকর করার লক্ষ্যে নরেন্দ্র মোদী সরকারের গড়া কমিটি। বৃহস্পতিবার ওই কমিটির প্রধান তথা প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে দ্রৌপদীর হাতে আট খণ্ডে বিভক্ত ১৮ হাজার পাতার রিপোর্টটি তুলে দেন।

চলতি সপ্তাহেই লোকসভা নির্বাচন ঘোষণা হতে পারে। তার আগে এই পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন। কারণ, কংগ্রেস, তৃণমূল, সিপিএম-সহ বিরোধী দলগুলি গোড়া থেকেই ‘এক দেশ এক ভোট’ পদ্ধতির সমালোচনায় মুখর। তাদের মতে, এই নীতি নিয়ে মোদী সরকার ঘুরপথে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ধাঁচের ব্যবস্থা চালু করতে চাইছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং সংসদীয় গণতান্ত্রিক ভাবনার পরিপন্থী বলেও বিরোধী নেতৃত্বের অভিযোগ।

বিশেষত বিজেপি-বিরোধী আঞ্চলিক দলগুলির আশঙ্কা, ‘এক দেশ এক ভোট’ নীতি কার্যকর হলে লোকসভার ‘ঢেউয়ে’ বিধানসভাগুলি ‘ভেসে যাবে’। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয়, সাংসদ এবং বিধায়ক নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে টুকু বৈচিত্রের সম্ভাবনা রয়েছে, বিজেপির আগ্রাসী প্রচারের মুখে তা ভেঙে পড়বে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বিজেপির অঙ্ক হল, শুধু লোকসভা ভোট হলে বিরোধী দলগুলির পক্ষে আসন সমঝোতা করা সহজ হবে। কিন্তু একই সঙ্গে বিধানসভা ভোট জুড়ে দিতে পারলে কংগ্রেসের সঙ্গে সহযোগী আঞ্চলিক দলগুলির বিরোধ অনিবার্য।

বিরোধীদের একাংশের আশঙ্কা, পরবর্তী পর্যায়ে এই নীতিতে হেঁটে রাজ্য নির্বাচন কমিশনগুলিকে কার্যত ক্ষমতাহীন করে দিয়ে পঞ্চায়েত-পুরসভা ভোটকেও এই প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ঘটনাচক্রে, সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ সংক্রান্ত মামলায় ধাপে ধাপে উপত্যকার পঞ্চায়েত থেকে বিধানসভার ভোটের আয়োজনের কথা বলেছে মোদী সরকার। তা ছাড়া, ‘এক ভোট’ ব্যবস্থা চালুর পরে কেন্দ্রে বা কোনও রাজ্যে পাঁচ বছরের আগেই নির্বাচিত সরকার পড়ে গেলে কী হবে, প্রশ্ন রয়েছে তা নিয়েও।

যদিও লোকসভা ভোটের সঙ্গেই সব রাজ্যের বিধানসভা ভোট সেরে ফেলার পক্ষে মোদী সরকারের যুক্তি হল, এতে নির্বাচনের খরচ কমবে। একটি ভোটার তালিকাতেই দু’টি নির্বাচন হওয়ায় সরকারি কর্মীদের তালিকা তৈরির কাজের চাপ কমবে। ভোটের আদর্শ আচরণ বিধির জন্য বার বার সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ থমকে থাকবে না। নীতি আয়োগ, আইন কমিশন, নির্বাচন কমিশনও এই ভাবনাকে নীতিগত সমর্থন জানিয়েছে বলে কেন্দ্রের দাবি। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে প্রথম বার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরেই মোদী ‘এক দেশ এক ভোট’ তত্ত্ব প্রকাশ্যে এনেছিলেন।




পটুয়াখালীতে ৩০ টাকার তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়

৩০ টাকার তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

‘তরমুজের মৌসুম সবেমাত্র শুরু হয়েছে। এখনো ভালোভাবে বাজারে আসতে শুরু করেনি। আগাম জাতের তরমুজ বিক্রি করা হচ্ছে তাই দাম একটু বেশি। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বেশি দামে কিনছেন। আমরাও আড়ত থেকে বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছি।’

পটুয়াখালীতে আগাম জাতের তরমুজ বাজারে এসেছে। পবিত্র রমজান উপলক্ষে ইফতারি পণ্য হিসেবে রসালো ও সুমিষ্ট এ ফলের ব্যাপক কদরও আছে। ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করছেন। আকারভেদে প্রতি কেজি তরমুজ ৬০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

মৌসুমের শুরুতে ও রমজানে এ ফলের উচ্চমূল্যের কারণে হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেক ক্রেতা। পটুয়াখালীতে তরমুজ চাষ প্রচুর পরিমাণে হলেও এখন তা ক্রেতাদের হাতের নাগালে নেই।

পটুয়াখালী শহরের উপকণ্ঠের কুয়াকাটা মহাসড়কের পাশে হেতালিয়া বাঁধঘাটে ও পটুয়াখালী নিউমার্কেট এলাকায় দেখা গেছে ব্যবসায়ীরা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করছেন।

হেতালিয়া বাঁধঘাট বাজারের তরমুজ ব্যবসায়ী বশির গাজী বলেন, ‘আমরা আড়ত থেকে গড় দামে পিস হিসেবে তরমুজ কিনে আনি। কিন্তু কেজি দরে বিক্রি না করলে আমাদের লোকসান হয়।’
কারণ হিসেবে তিনি জানান, প্রতিটি তরমুজের গড় মূল্য পড়েছে ৩৫০ টাকার বেশি। এর মধ্যে ৪-৫ কেজি ওজনের ছোট আকারের, ৭-৮ কেজি ওজনের মাঝারি ও ৯ কেজির ওপরে বড় আকারের তরমুজ আছে। গড় মূল্য হিসেবে প্রতিটি তরমুজ কমপক্ষে ৪০০ টাকায় বিক্রি করতে হয়।

তিনি আরও জানান, ছোট আকারের তরমুজ ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, মাঝারি আকারের ২৫০-৩০০ টাকা ও বড় আকারের ৪০০ টাকার বেশি চাইলে ক্রেতারা কিনতে চান না। তবে কেজি হিসেবে বিক্রি করতে পারলে অনেক ক্রেতা কিনেন।

পাশের দোকানদার আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘তরমুজের মৌসুম সবেমাত্র শুরু হয়েছে। এখনো ভালোভাবে বাজারে আসতে শুরু করেনি। আগাম জাতের তরমুজ বিক্রি করা হচ্ছে তাই দাম একটু বেশি। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বেশি দামে কিনছেন। আমরাও আড়ত থেকে বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছি।’

হেতালিয়া বাঁধঘাট বাজারে তরমুজ কিনতে আসা সদর উপজেলার মৌকরণ গ্রামের আব্দুস সালাম বলেন, ‘ইফতারে চাহিদা থাকায় তরমুজ কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু দাম নাগালের বাইরে।’

অপর ক্রেতা কালিকাপুর এলাকার দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘পটুয়াখালীতে অনেক তরমুজ হয়। এত দামে আমাদের কেন তরমুজ কিনতে হবে তা দেখা উচিত।’

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রমজানে বাজার মূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক নুর কুতুবুল আলমের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে তরমুজের বাজারদর নিয়েও আলোচনা হয়। সভায় জানানো হয় কোনোভাবেই কেজি দরে খুচরা বাজারে তরমুজ বিক্রি করা যাবে না। যেহেতু ব্যবসায়ীরা পিস হিসেবে কেনেন তাই খুচরা পর্যায়েও পিস হিসেবে বিক্রি করতে হবে।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনাও দেন। কিন্তু ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করেই খুচরা বাজারে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে।

পটুয়াখালী ভোক্তা অধিকার দপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শোয়াইব মিয়া জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশে পটুয়াখালীর কয়েকটি বাজার পরিদর্শন করা হয়েছে। তরমুজ ব্যবসায়ীদেরকে কেজি দরে বিক্রি না করে পিস হিসেবে বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কৃষক ও বাজারে খুচরা পর্যায়ে তরমুজের দামের মধ্যে দেখা যাচ্ছে বিস্তর ফারাক। পাইকারি ব্যবসায়ীরা তরমুজ চাষিদের কাছ থেকে প্রতি ১০০ তরমুজ ৩০-৩৫ হাজার টাকায় কিনে আনেন। সে হিসেবে প্রতিটি তরমুজের দাম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। বাজারে তা ২৫০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

রাঙ্গাবালী উপজেলার জাহাজমারা চরের তরমুজ চাষি জুলহাস মিয়া বলেন, ‘এ বছর তিন বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। চার দিন আগে ২৫০ পিস তরমুজ পাইকারি ব্যবসায়ীর কাছে ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। খুচরা বাজারে ওই তরমুজ কয়েক গুণ বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে।’
উদাহরণ হিসেবে তিনি আরও বলেন, ‘পটুয়াখালীতে ৩০ টাকার তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়।’

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এ বছর ২২ হাজার ৩৯৮ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে।
এ বছর জেলায় সবচেয়ে বেশি তরমুজ আবাদ হয়েছে গলাচিপা উপজেলায় আট হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে। এ ছাড়াও, রাঙ্গাবালীতে পাঁচ হাজার ৯৪৩ হেক্টর, বাউফলে তিন হাজার ৩৮০ হেক্টর, কলাপাড়ায় এক হাজার ৫৮০ হেক্টর, দশমিনায় এক হাজার ৫২৫ হেক্টর, সদর উপজেলায় ৭০৫ হেক্টর, দুমকিতে ২৫০ হেক্টর ও মির্জাগঞ্জে ৬৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে।




বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যর সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শন

বরিশাল অফিস :: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া।

উপাচার্য হিসেবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পরপরই তিনি ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যবর্ধনের প্রতি জোর দেন এবং এ লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বুধবার (১৩ মার্চ) দুপুর ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ১ এর সম্মুখে এরকম একটি প্রকল্প পরিদর্শন করেন উপাচার্য।

পরিদর্শন শেষে উপাচার্য এ প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশ বিকশিত হয়। ক্যাম্পাস যদি অপরিচ্ছন্ন হয়, অসুন্দর হয় সেখানে শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হয়। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার জন্য যা যা করার আমি তা করব। আমার লক্ষ্য হচ্ছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া।

এসময় উপাচার্যর সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি, বিভাগীয় প্রধান, প্রভোস্ট, প্রক্টরসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

 




রাঙ্গাবালীতে ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির স্বাক্ষরিত নতুন পাঁচ কমিটি প্রকাশ!

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

সকালে উপজেলা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। রাতে সেই কমিটির পেছনের তারিখের স্বাক্ষরে অনুমোদিত ইউনিয়ন পর্যায়ের পাঁচটি শাখার নতুন কমিটি প্রকাশ্যে এসেছে। ঘটনাটি পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা ছাত্রলীগের।

তবে জেলা ছাত্রলীগ বলছে, বিলুপ্ত কমিটির স্বাক্ষরে করা কমিটিগুলোর সাংগঠনিক বৈধতা নেই।

সংগঠনটির সূত্র বলছে, রাঙ্গাবালী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফ হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ মৃধার নেতৃত্বাধীন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। মঙ্গলবার সকালে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. তানভীর হাসান আরিফের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।

২০২৩ সালের ২২ মার্চ এক বছরের জন্য গঠন করা আরিফ-রিয়াদের এ কমিটি মেয়াদ শেষ হওয়ার ১২ দিন আগেই কেন কি কারণে বিলুপ্ত করা হলো, তা ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।

তাৎক্ষণিক এ বিষয়ে জানতে চাইলে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. তানভীর হাসান আরিফ বলেছিলেন, ‘এটা সংগঠনের জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমরা করেছি।’

এদিকে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে উপজেলা ছাত্রলীগের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সাবেক সভাপতি আরিফ হোসেন এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ মৃধার পেছনের তারিখে স্বাক্ষরিত ইউনিয়ন পর্যায়ের একে একে পাঁচটি নতুন কমিটি প্রকাশ্যে আসে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আরিফ-রিয়াদ নিজেরাই এ কমিটি প্রকাশ করেন। পরে ফেসবুকে সেই কমিটি ছড়িয়ে পড়ে।

আরিফ-রিয়াদের গত ৮ মার্চের যৌথ স্বাক্ষরিত পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, আগামী এক বছরের জন্য ১৭ সদস্য বিশিষ্ট রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়ন, ৮ সদস্য বিশিষ্ট রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন (দক্ষিণ), ১৩ সদস্য বিশিষ্ট ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়ন, ৩ সদস্য বিশিষ্ট বড়বাইশদিয়া ইউনিয়ন এবং ৩ সদস্য বিশিষ্ট চরমোন্তাজ ইউনিয়ন শাখার নতুন কমিটি অনুমোদন করা হয়।

এবিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সদ্য বিলুপ্ত রাঙ্গাবালী উপজেলা কমিটির সাবেক সভাপতি আরিফ হোসেন বলেন, ‘ওই কমিটি আমাদের আগেই করা ছিল। কিন্তু তখন ফেসবুকে দিতে পারিনি। পরে (মঙ্গলবার) ফেসবুকে প্রচার হয়েছে। ওই কমিটির কাগজ আমরা নেতাকর্মীকে দিয়ে দিয়েছিলাম।’

জানা যায়, সকালে বিলুপ্ত ঘোষণা করা কমিটিই রাতে উপজেলাধীন নতুন পাঁচটি কমিটি প্রকাশ করার বিষয়টিকে অবৈধ বলছেন জেলা কমিটি। তাই ওই কমিটি ফেসবুকে প্রকাশ করার পরপরই মঙ্গলবার রাতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিজেদের ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ওই কমিটির সাংগঠনিক বৈধতা নেই বলে উল্লেখ করেন।

এ ব্যাপারে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘রাঙ্গাবালী উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সুতরাং সাবেক সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরিত সবগুলো কমিটি অবৈধ। যার সাংগঠনিক কোন বৈধতা নেই। এ বিষয়ে আমার ফেসবুকে স্টাট্যাসও দেওয়া আছে।’

 




বরিশালে গাঁজাসহ যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

বরিশাল অফিস : বরিশাল জেলার গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ গাঁজাসহ দুই বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো উপজেলার পিঙ্গলাকাঠীর হাজীপাড়া গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদ খলিফার ছেলে ও নলচিড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন খলিফা ওরফে বাবু খলিফা এবং তার সহযোগি একই গ্রামের মৃত অতুল হালদারের ছেলে সমীর হালদার।

গৌরনদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ মাজহারুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বাবু খলিফার কাছ থেকে ৩০ গ্রাম ও সমীর হালদারের কাছ থেকে ২৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছেন, তারা দীর্ঘদিন থেকে গাঁজা বিক্রি করে আসছিলেন।

এ ঘটনায় থানার এসআই হৃদয় কুমার চাকলাদার বাদি হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।




দরজা ভেঙে সাদির ঝুলন্ত মরদেহ দেখেন শিবলী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী, শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন রবিরাগের পরিচালক সাদি মহম্মদ। বুধবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় নিজ ঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তার মরদেহ।



আজ টিভিতে যেসব খেলা দেখবেন 




আপনার ফোন ট্র্যাকিং হচ্ছে কি না কীভাবে বুঝবেন

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : প্রযুক্তির উৎকর্ষতা আজকাল ব্যক্তিগত জীবনকেও নানাভাবে প্রভাবিত করছে। এই যে আপনার প্রিয় স্মার্টফোনের কথাই ধরা যাক। বিভিন্নভাবে জীবনকে সহজ করলও  এই স্মার্টফোন দিয়েই আপনাকে নানা উপায়ে ট্র্যাক করা সম্ভব। তবে আপনি যদি এ বিষয়ে খেয়াল রাখেন তাহলে এর পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারবেন।

ফোন ট্র্যাকিং অনেক অপ্রত্যাশিত উপায়ে হতে পারে। আপনার ব্যবহৃত ডিভাইসটিতে কারও প্রবেশের অধিকার থাকলে সহজেই সেই ব্যক্তি আপনার ফোনে লোকেশন-ট্র্যাকিং ফিচারটি সক্রিয় করতে পারবে।

আর অন্য কোনো ব্যক্তি ট্র্যাকিং চালু করেছেন কি না সেটা ডিভাইসের মালিক বুঝতেও পারবেন না। এতে করে অনেক অ্যাপ এবং ফোন অপারেটিং সিস্টেমের লোকেশন-ট্র্যাকিং ফিচার মানুষের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এ ছাড়া আপনার কর্মক্ষেত্র বা নিয়োগকর্তা দ্বারাও আপনার ফোনের ব্যবহার ট্র্যাকড হতে পারে। বিশেষ করে যেসব ক্ষেত্রে আপনার ডিভাইসটি কোম্পানি থেকে ইস্যু করা থাকে। এমনকি আপনার স্মার্টফোনটি যদি একটি করপোরেট নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, সেক্ষেত্রেও আপনাকে ট্র্যাকিং সম্ভব৷

অনেকে ফোন ট্র্যাকিংয়ের কিছু লক্ষণ শনাক্ত করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ তারা লক্ষ্য করতে পারেন, ডিভাইসটি ধীর হয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন কর্মক্ষমতায় অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন দেখা যায়। তবে ট্র্যাকিং করা হলে তা সব সময় এত সুস্পষ্টভাবে বোঝা যায় না।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুসারে, আপনি বিভিন্ন কোড ডায়াল করে দেখতে পারেন। যেগুলো ফোন ট্র্যাকিং করা হলে সম্ভাব্য কিছু প্রতিক্রিয়া দেখাবে। যেমন: *#61# লিখে ডায়াল করলে ইনকামিং কলগুলো অন্য কোনো নম্বরে ফরওয়ার্ড করা হয় কি না তা জানাবে।

একইভাবে *#62# ডায়াল করে আপনি দেখতে পারবেন যে, কোনো ডাইভারশন সফ্টওয়্যার বিভিন্ন কল এবং টেক্সটকে আপনার কাছে পৌঁছাতে বাধা দেয় কিনা।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে সব সময় লোকেশন বার বন্ধ করে রাখুন। ট্র্যাকিং থেকে বাঁচতে ফোনের জিপিএস অপশনটি বন্ধ করে রাখতে হবে। যদি আসে, তাহলে ফোনে লগইন করা জি-মেইলের পাসওয়ার্ড বদলে ফেলতে হবে। যদি ফাইন্ড গুগল ছাড়া স্ট্যাটাস বারে লোকেশন ইনফরমেশন আইকন দেখা যায়, তাহলে বুঝবেন আপনার মোবাইল ফোনের সেটে স্পাই অ্যাপ আছে।

সমাধান পেতে, ফোনের ডেভেলপার অপশনে চলে যান। সেখান থেকে রানিং সার্ভিস অপশনে গিয়ে সন্দেহজনক কোনো অ্যাপ চোখে পড়লে সোজা আন-ইনস্টল করে দিন।

ট্র্যাকিং হওয়ার বিষয় একবার নিশ্চিত হয়ে গেলে ফোনের সেটিংসে যান এবং ‘লোকেশন’ সেটিংস অফ করে দিন। এটি ফোনকে আপনার অবস্থান সংগ্রহ করা বন্ধ করতে সাহায্য করবে। চাইলে ডিভাইসে একটি ভিপিএন ব্যবহার করুন। এটি আপনার ইন্টারনেট ট্রাফিকটিকে এনক্রিপ্ট করে এবং আপনার অবস্থান গোপন রাখতে সাহায্য করবে।

এ ছাড়া নিরাপদ থাকতে ফোনকে ট্র্যাকিং থেকে রক্ষা করার জন্য একটি লক স্ক্রিন ব্যবহার এবং শক্তিশালী পাসওয়ার্ড বা ফাংশনাল প্যাটার্ন দিয়ে সুরক্ষিত রাখার চেষ্টা করতে হবে। ফোন রুট করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ, অনেক সময় রুটের মাধ্যমে ফোনের এক্সেস পেয়ে যায়, এতে ফোনের তথ্যাদি চুরি হতে পারে। অনাকাঙ্ক্ষিত মেসেজ, যেমন স্প্যাম বক্সের জমা করা মেসেজ খোলা থেকে বিরত থাকুন।

যারা অ্যাপভিত্তিক ট্র্যাকিং সম্পর্কে অনেক বেশি উদ্বিগ্ন। তারা অপারেটিং সিস্টেম বা ওএস-ভিত্তিক সেটিংস থেকে এটিকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেন।

অ্যাপলের আইওএস-এর সাম্প্রতিক সংস্করণগুলো সব ধরনের অ্যাপ কিংবা পৃথক অ্যাপের ক্ষেত্রে ট্র্যাকিং বন্ধ করার সুযোগ দিয়ে থাকে।

গুগলও সম্প্রতি অ্যান্ড্রয়েডের জন্য প্রাইভেসি স্যান্ডবক্স নামে অনুরূপ একটি ফিচারের ঘোষণা করেছে। এটি থার্ড পার্টির কাছে ব্যক্তিগত ডেটা স্থানান্তর সীমিত করে আনে। এ ছাড়া এটি সব অ্যাপে ট্র্যাকিং কার্যক্রম চলার অনুমতি দেয় না।