বরিশালে দুইটি সাংবাদিক সংগঠনের কমিটি গঠণ

বরিশাল অফিস :: বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি জেলার গৌরনদী শাখার কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা, ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর নবগঠিত কমিটি ঘোষণা করেছেন। উপজেলার টরকী বন্দর ফুড ভিলেজ রেস্তোরায় উল্লেখিত দুই কমিটির আয়োজনে সোমবার ইফতার মাহফিলের পূর্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু আবদুল্লাহ খান। প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর।


সংগঠনের গৌরনদী উপজেলা শাখার সভাপতি এসএম মিজানের সভাপতিত্বে ও বিএমএসএফ’র কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক খোকন আহম্মেদ হীরার সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন, ওসি (তদন্ত) মোঃ মাজহারুল ইসলাম, হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম রসুল মোল্লা, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ওয়াহিদুর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির, গিয়াস উদ্দিন মিয়া, আসাদুজ্জামান রিপন, আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তপন বসু, বিএমএসএফ’র জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মৃধা মোঃ আফসার উদ্দিন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সৈয়দ নকিবুল হক প্রমুখ। সভার শুরুতে ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন তালুকদার। শেষে দেশ ও জাতির কল্যানে বিশেষ দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

ইফতার শেষে অনুমোদিত ও ঘোষিত বিএমএসএফ’র ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির নেতৃবৃন্দরা হলেন-এসএম মিজান সভাপতি, এইচএম খায়রুল ইসলাম সহসভাপতি, হাসান মাহমুদ সাধারণ সম্পাদক, সাইফুল ইসলাম যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, প্রেমানন্দ ঘরামী সাংগঠনিক সম্পাদক, জিএম জসিম হাসান কোষাধ্যক্ষ, কেএম সোহেব জুয়েল দপ্তর সম্পাদক, পার্থ হালদার প্রচার সম্পাদক, এইচএম লিজন, নাসির উদ্দিন লিটু ও এইচএম আলামিন নির্বাহী সদস্য। সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে মণীষ চন্দ্র বিশ্বাস সভাপতি, তারেক মাহমুদ আলী সহ-সভাপতি, জামিল মাহমুদ সাধারণ সম্পাদক, রনি মোল্লা যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, আরেফিন রিয়াদ সাংগঠনিক সম্পাদক, মাজহারুল ইসলাম রুবেল কোষাধ্যক্ষ, উৎপল চক্রবর্তী দপ্তর সম্পাদক, রাসেদ আহমেদ প্রচার সম্পাদক, ফাহাদ মিয়া, এনায়েত হোসেন মুন্না ও বিনয় শিয়ালী নির্বাহী সদস্য।

 




যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে রাফাহতে হামলা চালালো ইসরায়েল

বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, রাফাহ শহরে হামলার পরিকল্পনা ও সৈন্যদের অনুমতি দেওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিল নেতানিয়াহু প্রশাসন। তবে ইসরায়েলের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি তোলে যুক্তরাষ্ট্র।

সোমবার (১৮ মার্চ) ফোনালাপের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নেতানিয়াহুকে সাফ জানিয়ে দেন, রাফাহতে বড় ধরনের হামলা চালানো ‘গুরুতর ভুল’ হবে। পরে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাফাহ শহরে ইসরায়েলের আক্রমণের পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য ‘বিকল্প পদ্ধতি’ নিয়ে আলোচনার জন্য নেতানিয়াহুকে তার জ্যেষ্ঠ্য কর্মকর্তাদের একটি দলকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে। ‍কিন্তু তার আগেই শহরটিতে হামলা চালালেন নেতানিয়াহুর সেনারা।

এ বিষয়ে সোমবার হোয়াইট হাউজের জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান বলেন, জো বাইডেন রাফাহতে ইসরায়েলের বড় ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনার সম্ভাবনা নিয়ে খুবই গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এমনিতেই চলমান হামলা গাজায় সৃষ্ট মানবিক সংকটকে চরম পর্যায়ে নিয়ে গেছে। তার মধ্যে গাজার শেষ নিরাপদ স্থান রাফাহ শহরে হামলা চালালে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে ও ইসরায়েল ক্রমেই আন্তর্জাতিকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়বে।

এর আগে চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন বাইডেন। তখন থেকেই গাজায় চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসন ও বর্বতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেখা গেছে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। এমনকি, বাইডেন এ পর্যন্ত দাবি করেছেন যে বর্তমানে গাজার নিরাপদ স্থানগুলোতে হামলা চালিয়ে নেতানিয়াহু ইসরায়েলেরই ক্ষতি করছেন।

এর আগে শুক্রবার (১৫ মার্চ) ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার শেষ নিরাপদস্থল রাফাহতে হামলার অনুমোদন দেয় দখলদার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এই অনুমোদনের বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্র। সেসময় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন বলেছিলেন, ইসরায়েল যদি রাফাহতে কোনো ধরনের সামরিক অভিযান চালাতে চায়, তাহলে সেটির একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা আমাদের দেখাতে হবে।

এদিকে, শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, বিশ্বের অধিকাংশ দেশ বলেছে, রাফাহতে হামলা চালালে তার পরিণতি খুব একটা ভালো হবে না। কারণ, ৮০ শতাংশ ধ্বংস হয়ে যাওয়া গাজা উপ্যতকার একমাত্র নিরাপদ স্থান এখন রাফাহ শহর। গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েল-হামাস সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে অন্তত ১৩ লাখ মানুষ রাফাহতে আশ্রয় নেন।

সূত্র: এএফপি, আল জাজিরা




হলমার্ক কেলেঙ্কারি: তানভীর-জেসমিনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. তানভীর মাহমুদ ও তার স্ত্রী এবং গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক মো. আবুল কাশেম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া ম্যাক্স স্পিনিং মিলসের হিসাবে সুতা রপ্তানির নামে ৫২৫ কোটি ৬২ লাখ ৯২ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের সুতা রপ্তানি করা হয় বলে নথিপত্রে দেখানো হয়। ওই হিসাবে পুরো অর্থ জমা করা হলে তা থেকে ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা হলমার্কের আরেক ভুয়া প্রতিষ্ঠান অ্যাপারেল এন্টারপ্রাইজের হিসাবে স্থানান্তর করা হয়, যা পরে তানভীর ও তার স্ত্রী তুলে নেন। ২০১২ সালের ৪ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ, পরস্পরের যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থের অপব্যবহার এবং পাচারের অভিযোগে রাজধানীর রমনা থানায় এ মামলা করে দুদক। ২০১৬ সালের ২৭ মার্চ ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা মামলার অভিযোগ গঠন করে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এ বদলির আদেশ দেন।

এ মামলার আসামিরা হলেন, হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. তানভীর মাহমুদ, তার স্ত্রী ও গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম, তানভীরের ভায়রা ও গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমেদ।

টি অ্যান্ড ব্রাদার্সের পরিচালক তসলিম হাসান, ম্যাক্স স্পিনিং মিলসের মালিক মীর জাকারিয়া, প্যারাগন গ্রুপের এমডি সাইফুল ইসলাম রাজা, নকশী নিটের এমডি মো. আবদুল মালেক ও সাভারের হেমায়েতপুরের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. জামাল উদ্দিন সরকার।

 এছাড়া সোনালী ব্যাংকের হোটেল শেরাটন বা রূপসী বাংলা শাখার সহকারী উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. সাইফুল হাসান, নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মতিন ও সোনালী ব্যাংক ধানমন্ডি শাখার জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেরুন্নেসা মেরি। সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জিএম অফিসের জিএম ননী গোপাল নাথ ও মীর মহিদুর রহমান, প্রধান কার্যালয়ের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবির, ডিএমডি মাইনুল হক, ও সফিজউদ্দিন এবং এজিএম মো. কামরুল হোসেন খান।

এর মধ্যে আসামি জামাল উদ্দিন সরকার জামিনে রয়েছেন। এছাড়া সাইফুল, মতিন, হুমায়ুন, গোপাল নাথ, তসলিম, সাইফুল, মেরী ও জাকারিয়া পলাতক রয়েছেন।




গাজায় হামাসের শীর্ষ কমান্ডার নিহত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :  ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান অভিযানে গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের জ্যেষ্ঠ কমান্ডার এবং সামরিক শাখা উপ প্রধান মারওয়ান ইসা নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জাতীয় নিরাপত্তা বিয়ষক উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান সোমবার হোয়াইট হাউসে এক ব্রিফিংয়ে নিশ্চিত করেছে এ তথ্য।




সাকিবের বিএনএমে যোগ দেওয়া নিয়ে যা বললেন ওবায়দুল কাদের 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :  বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান মাগুরা-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু এর আগে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এ যোগ দিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন পত্রিকায় খবর ও ছবি প্রকাশ হয়েছে। এ নিয়ে কোনো কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।




রোজায় শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে করণীয়

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : বিভিন্ন খাবারের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানলে এবং খাবার গ্রহণে সতর্ক থাকলে রোজায় সতেজ ও প্রাণবন্ত থাকা যাবে।

সতেজ থাকতে করণীয়: সাহরিতে খুব দেরিতে ঘুম থেকে উঠে তাড়াহুড়া করে না খেয়ে, একটু আগে উঠতে হবে।

এক গ্লাস হালকা গরম পানি খেয়ে পেট পরিষ্কার করে হালকা হাঁটাহাঁটি করলে এবং ধীরে ধীরে চিবিয়ে বিভিন্ন রঙের খাবার যেমন—তিন-চার রঙের সবজি, দু-তিন রকমের ফল ইত্যাদি গ্রহণ করলে খাবার সহজে হজম হবে।

রোজাদারদের শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে একটি নিয়ম বানিয়ে ফেলতে হবে। যেমন—সাহরিতে তিন গ্লাস, ইফতারিতে পানি ও শরবত মিলিয়ে তিন গ্লাস, তারাবির নামাজের আগে ও পরে দুই গ্লাস, রাতের খাবারের পরে দুই গ্লাস, ঘুমানোর আগে বা সাহরিতে হাফ গ্লাস বা এক গ্লাস দুধ (রোগ ও বিশেষ অবস্থার জন্য ডায়েটিশিয়ানের নির্দেশনা অনুযায়ী এই নিয়ম পরিবর্তিত হতে পারে)।

রোজা ভেঙে অনেক বেশি খাবার একবারে খাওয়া যাবে না। সারা দিন পাকস্থলী বা হজমের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত অঙ্গগুলো প্রায় নিষ্ক্রিয় থাকে। হঠাৎ করে বেশি খাবার পেলে সেগুলোর কাজের গতি বেড়ে যায়। যার দরুন রোজাদারদের অস্বস্তি সৃষ্টি হতে পারে।

তাই ইফতারের খাবার হওয়া চাই সহজপাচ্য। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যক্তিভেদে খাবার গ্রহণের পরিমাণও নির্দিষ্ট হতে হবে। ডায়াবেটিস, কিডনি রোগী এবং অন্যান্য বিশেষ রোগীর ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী খাবার তালিকা প্রস্তুত করা উচিত। 

খাবারের পরিমাণের পাশাপাশি খাবার তৈরির পদ্ধতি, রান্নার তেলের মান, খাবার রান্নার পাত্র, পরিবেশনের পাত্র, খাবার প্রস্তুতের পরে সেটা ঢেকে রাখা হচ্ছে কি না, খাবার সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি না, সালাদ বা ফল কতক্ষণ বাইরে রাখা হয়েছে ইত্যাদি ব্যাপার অবশ্যই পর্যবেক্ষণ করা উচিত। শরবতে চিনির ব্যবহার এড়িয়ে যাওয়া ভালো।

 

ব্যবহার করলেও কম পরিমাণে করতে হবে। প্রাকৃতিক চিনি স্টেভিয়া ব্যবহার করা যেতে পারে। ফল জুস করে না খেয়ে স্বাভাবিকভাবে চিবিয়ে খাওয়া ভালো। অবশ্যই খাবারের আগে ও পরে হাত ধোয়া অর্থাৎ ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার দিকে খেয়াল রাখা উচিত।

মোটকথা, আপনার কী ধরনের খাবার প্রয়োজন সেটা একজন অভিজ্ঞ ডায়েটিশিয়ানের কাছ থেকে জেনেবুঝে গ্রহণ করতে পারেন। কোনো দীর্ঘমেয়াদি রোগ থাকলে রোজার সময় ওষুধের ডোজের মাত্রা কেমন হবে, কখন কখন খেতে হবে, সেগুলো ডাক্তারের কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত।

পরামর্শ দিয়েছেন ফাতিম তুজ জুহুরা, মেরিন হেলথকেয়ার হসপিটাল, খিলক্ষেত, ঢাকা।




আজ টিভিতে যেসব খেলা দেখবেন 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  টিভিপর্দায় আজ থাকছে না কোনো সরাসরি ম্যাচ। একমাত্র স্পোর্টস ইভেন্ট হিসেবে চলবে প্রাইম ভলিবল। এছাড়া দেখতে পারেন আইপিএলের গেমপ্ল্যান।



পুতিনের জয়ে পশ্চিমাদের নিন্দা, শুভাকাঙ্ক্ষী কারা?

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নিরঙ্কুশ জয়ে সোমবার (১৭ মার্চ) নিন্দার ঝড় তুলেছিলেন পশ্চিমা নেতারা। পুতিনের প্রত্যাশিত এই জয়কে তারা পক্ষপাতমূলক ও অগণতান্ত্রিক বলে সমালোচনা করেছেন। তবে রুশ এই নেতার জয়কে স্বাগত জানিয়েছে চীন, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা। সোমবার (১৮ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।

পুতিনের জয় নিয়ে এই বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া দুই বছর আগে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর সময় বিস্তৃত হওয়া ভূরাজনৈতিক ফাটলকে নির্দেশ করছে। শীতল যুদ্ধের সমাপ্তির পর থেকে পশ্চিমের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কের গভীরতম সংকটের সূত্রপাত করেছে এই যুদ্ধ।

সোমবার ব্রাসেলসে পৌঁছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা পুতিনের সমালোচক আলেক্সি নাভালনির সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং তার মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে সম্মত হন। এর আগে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফলকে প্রতারণা হিসেবে উল্লেখ করে সেটি প্রত্যাখ্যান করেছেন তারা।

বৈঠকের শুরুতে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবক বলেছেন, ‘রাশিয়ার নির্বাচন একটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচন ছিল।’

ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর এই আগ্রাসনকে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ হিসেবে উল্লেখ করে থাকে দেশটি। এই বিষয়টিকে ইঙ্গিত করে পুতিনকে খোচা দিয়ে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টেফান সেজর্ন বলেছেন, প্যারিস রাশিয়ার এই ‘বিশেষ নির্বাচনী অভিযান’ নজরে রেখেছে।

পুতিনকে অভিনন্দন জানালেন যারা

রাশিয়ার নির্বাচন নিয়ে পশ্চিমাদের মধ্যে নিন্দার চর্চা থাকলেও বিপরীত ঘটনা ঘটেছে বিশ্বের অন্য অংশে। পুতিনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তিনি বলেছেন, ইউক্রেন আক্রমণ করার ঠিক আগে, ২০২২ সালে রাশিয়ার সঙ্গে করা ‘সীমাহীন’ অংশীদারিত্বের প্রতিশ্রুতি প্রচারে দেশটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখবে চীন।

সিনহুয়া নিউজ অনুসারে, শি তার শুভেচ্ছা বার্তায় পুতিনকে বলেছেন, ‘আমার বিশ্বাস, আপনার নেতৃত্বে রাশিয়া অবশ্যই জাতীয় উন্নয়ন ও অবকাঠামোতে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে।’

শি’র বার্তার প্রতিধ্বনি করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে ‘কার্যকরী এবং বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ আরও শক্তিশালী করতে উন্মুখ ভারত। বিশ্ব অর্থনীতিতে মার্কিন আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করার লক্ষ্যে গঠিত উদীয়মান অর্থনীতির জোট ব্রিকস। ভারত, চীন এবং রাশিয়া এই জোটের সদস্য।

এদিকে, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি পুতিনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এসময় রাশিয়ার সঙ্গে তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের ইচ্ছার উপর আরও জোর দিয়েছেন তারা। কিম এবং রাইসির বিরুদ্ধে রাশিয়াকে অস্ত্র সরবরাহ করার অভিযোগ এনেছিল পশ্চিমারা।

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে ইউক্রেনের পক্ষে আফ্রিকায় সমর্থন পেতে এবং এই অঞ্চল থেকে রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পশ্চিমারা। দেশটির কিছু সংবাদমাধ্যম বলছে, পুতিনের পুনঃনির্বাচন আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসো, মালি এবং নাইজারে তার অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সাহেল অঞ্চলের এই তিনটি রাজ্য তাদের ঐতিহ্যবাহী ফরাসি এবং মার্কিন মিত্রদের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের পর রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেছে।

বুর্কিনা ফাসোর দৈনিক সংবাদমাধ্যম আজুরডহুই অ ফাসো বলেছে, আফ্রিকায় এই পুনঃনির্বাচনটি কোন ঘটনার মধ্যে পড়ে না বলে মনে হতে পারে। তবে সাহেল অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে এটি একটি বিশেষ অর্থ গ্রহণ করে। কেননা, রাশিয়ার একটি ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি এবং প্রভাবের মাধ্যমে এই মহাদেশে ক্ষমতার একটি নতুন ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্য তৈরী করেছেন পুতিন।




এমভি আবদুল্লাহ উদ্ধারে সোমালিয়ায় অভিযানের প্রস্তুতি

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : আফ্রিকার দেশ সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ উদ্ধারে দেশটির পুলিশ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নৌবাহিনীর সদস্যরা মিলে যৌথ অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। জলদস্যুদের হাত থেকে ভারতীয় নৌবাহিনী অন্য একটি জাহাজ উদ্ধারের দুদিন পর সোমবার এই অভিযানের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে দেশটির পুন্টল্যান্ড অঞ্চলের পুলিশ জানিয়েছে।

সোমবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এমভি আব্দুল্লাহকে উদ্ধারে সোমালি পুলিশ ও আন্তর্জাতিক বাহিনীর প্রস্তুতির তথ্য জানানো হয়েছে।

মোজাম্বিক থেকে কয়লা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাওয়ার পথে ভারত মহাসাগরে গত ১২ মার্চ সোমালি জলদস্যুদের হাতে ছিনতাইয়ের শিকার হয় এমভি আব্দুল্লাহ। ওই সময় জাহাজটিতে ২৩ বাংলাদেশি নাবিক ছিলেন।

সোমালিয়ার আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল পুন্টল্যান্ডের উপকূলীয় এলাকায় দেশটির জলদস্যুদের অনেক ঘাঁটি রয়েছে। ওই অঞ্চলের পুলিশ বাহিনী বলেছে, তারা উচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছেন। একই সঙ্গে এমভি আবদুল্লাহকে জিম্মি করে রাখা জলদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযানে অংশ নিতে প্রস্তুত রয়েছেন।

পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘এমভি আবদুল্লাহকে মুক্ত করতে আন্তর্জাতিক নৌবাহিনী অভিযানের পরিকল্পনা করছে এমন খবর পাওয়ার পর পুন্টল্যান্ড পুলিশ বাহিনীও প্রস্তুতি নিয়েছে।’’

তবে ভারত মহাসাগরে কয়েকটি ছিনতাইয়ের চেষ্টা নস্যাৎ করে দেওয়া ভারতের নৌবাহিনী এমভি আব্দুল্লাহকে ঘিরে অভিযানের প্রস্তুতির ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

রোববার পুন্টল্যান্ড পুলিশ জানায়, তারা এমভি আবদুল্লাহ জাহাজে অবস্থানরত জলদস্যুদের সরবরাহ করার কাজের জন্য মাদক খাত থেকে নেওয়া একটি গাড়ি জব্দ করেছে।

সোমালিয়ার জলদস্যুদের এই ধরনের ছিনতাইয়ের ঘটনা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল ২০১১ সালে। ওই সময় সোমালি জলদস্যুদের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রায় ৭০০ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়। এর মধ্যে কয়েক মিলিয়ন ডলার তাদের কাছে গিয়েছিল মুক্তিপণ হিসেবে।

সূত্র: রয়টার্স।




লক্ষ্মীপ্যাঁচা উদ্ধারের পর অবমুক্ত

বরিশাল অফিস:: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি লক্ষ্মীপ্যাঁচা উদ্ধারের পর অবমুক্ত করেছে এনিমেল লাভার্স অফ পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার সদস্যরা।

সোমবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আমীরাবাদ গ্রাম থেকে আবুল বাশার (৫৫) নামের এক ব্যক্তি এ প্যাঁচাটি উদ্ধার করেন। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে লক্ষ্মীপ্যাঁচাটি ওই এলাকায় অবমুক্ত করা হয়।

লম্বা পাখনা, ফ্যাকাশে ও হৃদয় আকৃতি মুখের গড়ন এবং বর্গাকৃতির লেজ বিশিষ্ট এ লক্ষ্মীপ্যাঁচাটির বৈজ্ঞানিক নাম টয়টো আলবা। ২ কেজি ওজনের এ প্রাণিটি এক ধরনের পেঁচা প্রজাতির পাখি। এধরনের পেঁচা দিনে চোখে দেখতে পায় না বলে জানায় এনিমেল লাভারস অফ পটুয়াখালীর সদস্যরা।

আবুল বাশার বলেন, সন্ধ্যায় এ লক্ষ্মীপ্যাঁচাটি আমার এক প্রতিবেশীর জালে আটকা পড়ে। আমি প্যাঁচাটি উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসি। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে এনিমেল লাভারস অফ পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার সদস্যদের উপস্থিতিতে প্যাঁচাটি অবমুক্ত করি। এখন আগের মতো আর লক্ষ্মীপ্যাঁচা সচরাচর দেখা মেলে না। আর এ প্রজাতির প্যাঁচা এর আগে আমি আর এই এলাকায় লক্ষ করিনি।

এনিমেল লাভারস অফ পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার সদস্য বায়জিদ মুন্সী বলেন, এটি জালে আটকে কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়ে। তবে শরীরের কোথাও আঘাত লক্ষ করা যায়নি। নিশাচর হওয়ায় রাতেই আমরা প্যাঁচাটি অবমুক্ত করেছি। আমরা এনিমেল লাভার অফ পটুয়াখালী স্বেচ্ছাসেবী প্রাণিকল্যাণ ও পরিবেশবাদী সংগঠনের সদস্যরা মূলত বন্যপ্রাণি নিয়ে কাজ করি। আমরা এর আগেও বেশ কিছু বন্যপ্রাণি উদ্ধার করে অবমুক্ত করেছি। তবে এই প্রথম লক্ষ্মীপ্যাঁচা উদ্ধারের পর অবমুক্ত করলাম।

কলাপাড়া উপজেলা বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল হক মনি বলেন, লক্ষ্মীপ্যাঁচা উদ্ধারের খবর শুনেছি। এনিমেল লাভার্স অফ পটুয়াখালীর সদস্যরা এই প্যাঁচাটি উদ্ধার করে উন্মুক্ত করেছে। আমরা বন বিভাগ সব সময় তাদেরকে সহযোগিতা করি।