দুমকিতে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর দুমকিতে বহু দিনের জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। শহিদুল আলম হাওলাদারকে সভাপতি ও মো. রাকিব হোসেন মৃধাকে সাধারণ সম্পাদক করে উপজেলা শাখার আংশিক এই কমিটির অনুমোদন দিয়েছে জেলা ছাত্রলীগ কমিটি।

আজ শনিবার পটুয়াখালী জেলা শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. তানভীর হাসান আরিফ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১৭ সদস্যের এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। 

আরো পড়ুন :আন্ধারমানিক নদী রক্ষায় প্রতিবন্ধকতা শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কমিটির অন্যরা হলেন- সহসভাপতি মাইনুল এইচ সাচ্চু মৃধা, এস.এম প্রিন্স, রাসেল শরীফ, সবুজ উদ্দিন মৃধা, মামুন মোল্লা, আরিফ মুন্সী, রাহাত তালুকদার। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. বায়জিদ খান, সৈয়দ রাব্বি, মোহাম্মদ ইমন হাওলাদার, শফিউল আলম জিসান। সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তফা, মশিউর রহমান, মোহাম্মদ শাহিন, শেখ সোহাগ।

 




আন্ধারমানিক নদী রক্ষায় প্রতিবন্ধকতা শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ‘বাংলাদেশের নদ-নদী রক্ষায় প্রতিবন্ধকতা প্রেক্ষিত আন্ধারমানিক’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার মো: তৌহিদুর রহমান সিআইপি মিলনায়তনে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) এবং ওয়াটার কিপার্স বাংলাদেশ নামের দুটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এ মতবিনিময়সভার আয়োজন করে।

কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা, কলাপাড়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র মো. হুমায়ুন কবীর।

আরো পড়ুন :পটুয়াখালীতে পুরুষাঙ্গ কেটে দিল স্ত্রী

মতবিনিময সভার শুরুতে আন্ধারমানিক নদীর উপর গবেষণালব্ধ ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন ওয়াটার্স কিপার্স বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার ইকবাল ফারুক।

মতবিনিময়সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গণমাধ্যমকর্মী নেছারউদ্দিন আহমেদ টিপু, জসীম পারভেজ, মিলন কর্মকার রাজু, সুজন মৃধা, কৃষক ফরিদ তালুকদার প্রমূখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক মেজবাহ উদ্দিন মাননু।

মতবিনিময়সভায় কলাপাড়া উপজেলার প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক, মৎস্য চাষী, ব্যবসায়ী, জেলেসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশগ্রহন করেন।




আইসিসির আম্পায়ারিং প্যানেলে ৫ বাংলাদেশি নারী




মস্কো হামলায় নিহত বেড়ে ১১৫




১৮৮ রানে অলআউট বাংলাদেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বাংলাদেশের ব্যাটারদের একের পর এক উইকেট হারানোর কারণে আগে থেকেই বোঝা যাচ্ছিলো ইনিংসটি খুব বড় হবে না। শেষ পর্যন্ত হলোও না। কোনো একজন ব্যাটার মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি লঙ্কান বোলারদের সামনে। একটি হাফ সেঞ্চুরি পর্যন্ত হলো না। সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক, প্রথম দিন শেষ বিকেলে নাইটওয়াচম্যান হিসেবে মাঠে নামা তাইজুল ইসলাম।

ব্যাটারদের ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত দু’শর নিচেই, ১৮৮ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন তাইজুল ইসলাম। লঙ্কান পেসার বিশ্ব ফার্নান্দো ৪টি এবং কাসুন রাজিথা ও লাহিরু কুমারা নেন ৩টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসেই বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকলো ৯২ রান।

লঙ্কান পেসারদের তোপের মুখে প্রথম দিনের শেষ দিকে ৩ উইকেট হারিয়েছিলো বাংলাদেশ। আজ দ্বিতীয় দিন লাঞ্চের আগে আরও ৩ উইকেট হারিয়েছে তারা। আউট হয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়, শাহাদাত হোসেন দিপু এবং লিটন দাস। লাঞ্চ বিরতি থেকে ফিরে এসে বাকি চার ব্যাটারও দ্রুত আউট হয়ে যান।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম দিনটিতে শাসন করেছিলো পেসাররা। দ্বিতীয় দিনেও পেসারদের দাপট থাকবে হয়তো, শুরুতেই সেই ইঙ্গিত মিলেছে।

বাংলাদেশ দলের ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় প্রথম দিন শেষ বিকেলে লঙ্কান পেসারদের সয়লাব ঠেকিয়েছেন। তবে দ্বিতীয় দিনের শুরুতে আর ঠেকাতে পারেননি। লাহিরু কুমারার বলে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন তিনি। ধনঞ্জয়া ডি সিলভা সেই ক্যাচ তালুবন্দী করে জয় ফিরিয়ে দেন সাজঘরে। দলীয় ৫৩ রানেই পড়লো বাংলাদেশের চতুর্থ উইকেট। মাহমুদুল হাসান জয় আউট হলেন ৪৬ বলে ১২ রান করে।

এর আগে প্রথম দিন টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ধনঞ্জয়া ডি সিলভা (১০২) এবং কামিন্দু মেন্ডিসের (১০২) জোড়া সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ২৮০ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা। ৩টি করে উইকেট নেন খালেদ আহমেদ এবং অভিষিক্ত নাহিদ রানা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে একঘণ্টা সময় পান বাংলাদেশের ব্যাটাররা। কিন্তু এই এক ঘণ্টায় ৩টি উইকেট হারিয়ে বসে তারা। ৯ রানে জাকির হাসান, ৫ রানে নাজমুল হোসেন শান্ত এবং ৫ রানে আউট হয়ে যান মুমিনুল হক। দিন শেষে জয় ৯ রানে এবং তাইজুল অপরাজিত ছিলেন শূন্য রানে। বাংলাদেশের রান ছিল ৩ উইকেটে ৩২।




সেচ পাম্পের ওপর পড়ে গিয়ে হাত হারাতে বসেছেন কলেজ শিক্ষার্থী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে একটি সেচ পাম্পের ওপর পড়ে গিয়ে হাত হারাতে বসেছে পটুয়াখালীর দশমিনা সরকারি আব্দুর রশিদ তালুকদার কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার (১৬)।

গতকাল শুক্রবার দশমিনা সরকারি আব্দুর রশিদ তালুকদার কলেজ সংলগ্ন সবুজবাগ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটে।

আহত সাদিয়া দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের যৌথা গ্রামের জাকির মৃধার মেয়ে। এ ঘটনায় সাদিয়ার সহপাঠী ও শিক্ষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির বিচার দাবি করেছেন।

আরো পড়ুন :পটুয়াখালীতে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দিল স্ত্রী

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার কলেজে অর্ধবার্ষিকী বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা শেষে দশমিনা সবুজবাগ এলাকার খালপাড়ের কাঁচা সড়ক দিয়ে সাদিয়া ও তার দুই সহপাঠী নাবিল হোসেন ও জান্নাতুল মাওয়া বাড়ি ফিরছিলেন এ সময় কাঁচাসড়কে রাখা পানির সেচ পাম্পের ওপর পরে তার ডান হাতের হাড় চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়।

সাদিয়ার সাথে থাকা সহপাঠী নাবিল হোসেন ও জান্নাতুল মাওয়া জানান, সড়কে চালু করে রাখা পানির সেচ পাম্পের কাদা নর্দমায় আছড়ে পরে সেচ পাম্পের পাখায় সাদিয়ার হাত ঢুকে যায়। পরে তাদের ডাকচিৎকারে কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা এসে সাদিয়াকে উদ্ধার করে দশমিনা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষক জাফর হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ওই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন কলেজের শত শত শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। সেই সড়কের মাঝে অবৈধভাবে একটি পানির সেচপাম্প চালু দিয়ে রাখায় সাদিয়ার মতো মেধাবী শিক্ষার্থী পঙ্গু হতে বসেছে।

এ বিষয়ে দশমিনা হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা: আলভি জানান, সাদিয়ার ডান হাতের হাড় ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে। তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসা না পেলে মেয়েটি চির দিনের জন্য তার হাত হারাতে পারেন।

আরো পড়ুন :রমজানে ২ টাকা লাভে পণ্য বিক্রি করছেন দুমকির টিপু



পটুয়াখালীতে পুরুষাঙ্গ কেটে দিল স্ত্রী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর দশমিনায় পারিবারিক কলহের জেরে সোহেল খাঁ (৩৫) নামে এক যুবকের পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়েছে তার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন (৪০)।

শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলা সদর ইউনিয়ের পূজাঁ খোলা এলাকার ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। ওই দম্পতি দশমিনা ২নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

পুলিশ ঘটনাস্থন থেকে আলামত হিসাবে ছুড়ি ও গৃহবধূকে আটক করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে পূজা খোলা ভাড়া বাসায় পারিবারিক ঝগড়াকে কেন্দ্র করে স্ত্রী তার স্বামীর পুরুষাঙ্গ ও ডান পা কেটে দেন। এসময় স্বামীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে এমন ঘটনা দেখতে পান। পরে গুরুত্বর অবস্থায় সোহেল খাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। রোগীর শরীরের অবস্থার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করলে সেখান থেকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন।

আরো পড়ুন :বাউফলে বাড়ছে অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি : উপজেলা নির্বাচনে ব্যবহারের আশঙ্কা

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাগেছে, দীর্ঘদিন যাবত ভাড়া বাসায় থেকে ওই দম্পতি মেকানিক্সের কাজ করতেন। উপজেলার দশমিনা গ্রামের বেল্লাল খাঁর ছেলে সোহেল ও অভিযুক্ত সাবিনা ইয়াসমিন পাশাপাশি গ্রামের ছত্তার কাজীর মেয়ে।

এ বিষয়ে দশমিনা থানার ওসি নূরুল ইসলাম মজুমদার এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনার পর আলামত ও অভিযুক্ত গৃহবধূকে পুলিশ আটক করেছেন। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।




বাউফলে বাড়ছে অবৈধ অস্ত্র : উপজেলা নির্বাচনে ব্যবহারের আশঙ্কা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি : বাউফলে ক্রমেই বাড়ছে অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল ও অন্যান্য অপরাধে ব্যবহার হচ্ছে এসব অবৈধ অস্ত্র। অহরহ ঘটছে অস্ত্র প্রদর্শন, ফাঁকা গুলি ও হতাহতের ঘটনা। এসব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নেই কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি। ফলে জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সম্প্রতি বড় ভাইয়ের অবৈধ অস্ত্রের গুলিতে প্রতিবন্ধী ছোট ভাই নিহত হওয়ার ঘটনায় বাউফলে আবারো আলোচনার শীর্ষে উঠে আসে অবৈধ অস্ত্র।

সূত্র জানায়, গত ৯ মার্চ উপজেলার সূর্যমণি গ্রামের বাবুল সওদাগরের বড় ছেলে পৌর শহরের নবারুণ সার্ভে অ্যান্ড পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের ছাত্র সজীব হোসেন (২২) তার কাছে থাকা অবৈধ পিস্তল নাড়াচাড়া করতে গিয়ে বেড়িয়ে যাওয়া গুলিতে নিহত হন প্রতিবন্ধী ছোট ভাই সাব্বির হোসেন (১৩)। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত সজীবকে আটক করে এবং তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী পিস্তলটি জব্দ করে।

এ ঘটনায় উপজেলাজুড়ে অবৈধ অস্ত্র নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠে। অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং হত্যার অভিযোগে সজীবের নামে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। অবৈধ অস্ত্র মামলার বাদী পুলিশ এবং হত্যা মামলার বাদী অভিযুক্ত সজীবের মা রাশেদা বেগম। দুই মামলায় জেলহাজতে পাঠানো হলে সজীব অবৈধ অস্ত্রের ব্যাপারে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ এর বেশি কিছু বলছেন না।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সজীব ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালিয়ে নিজের লেখাপড়ার খরচ জোগান। তার সঙ্গে শহরের একটি সন্ত্রাসীগোষ্ঠীর সম্পর্ক গড়ে উঠে। ওই সন্ত্রাসীরা সজীবকে অবৈধ অস্ত্র পরিবহনে ব্যবহার করে আসছিলেন।

আরো পড়ুন : দুমকিতে চলাচলের পথে কাঁটাতারের বেড়া, এলাকাবাসীর মানববন্ধন

চলতি বছর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগা ইউনিয়নে নৌকার উঠান বৈঠক শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হন ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি রেজাউল খান। হামলার সময় আতঙ্ক সৃষ্টি করতে সন্ত্রাসীরা অবৈধ শর্টগানের ফাঁকা গুলি ছুড়েছিল। এ ঘটনায় রেজাউল গুরুতর আহত হয়ে পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

২০১৮ সালে বাউফল সদর ইউনিয়নে এক সভায় স্থানীয় এমপি ও সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজের ছেলে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য রায়হান শাকিবকে প্রকাশ্যে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে হুমকি দেয়া হয়েছিল।

২০২১ সালে অনুষ্ঠিত নওমালা ইউপি নির্বাচনে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দেখা গেছে। ওই সময় অবৈধ অস্ত্রের গুলিতে একজন আহত হয়েছিলেন।

এসব ঘটনায় একাধিক মামলা হলেও উদ্ধার হয়নি কোনো অস্ত্র। অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও জনমনে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

সূত্র জানায়, বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক বিরোধের জের, স্থানীয় নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ডাকাতি ও রাজনৈতিক নেতাদের সুনজরে থাকতেই ব্যবহার হচ্ছে ওই সব অবৈধ অস্ত্র।

জানা গেছে, ওয়ান শুটারগান, পাইপগান, এলজি, একে-২২, বিদেশি নাইন এমএম পিস্তল, সেভেন পয়েন্ট সিক্স ফাইভ, নাইন এমএম, পয়েন্ট টু টু রিভলবারের মতো আগ্নেয়াস্ত্র এবং রাম দা, বাগি দা ও গিয়ার চাকু জাতীয় অস্ত্রও রয়েছে সন্ত্রাসীদের হাতে। বিভিন্ন সময় এসব অস্ত্র পরিবহনে ‘কিশোর অপরাধী চক্র এবং মোটরসাইকেলের চালকদের ব্যবহার করা হয়।

বাউফলের সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শামসুল আলম মিয়া বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে অস্ত্র উদ্ধার অভিযান কোনোভাবেই সন্তোষজনক বলা চলে না। অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি এবং মাদকের দাপটে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত এবং উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিনাতিপাত করছেন। শীঘ্রই আসছে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। ওই নির্বাচনেও আধিপত্য বিস্তার করতে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাবেক চিফ হুইপ স্থানীয় এমপি আ স ম ফিরোজ বলেন, বিগত বিশ-ত্রিশ বছরে এ রকম অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি দেখিনি। একই সঙ্গে মাদকে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে বাউফল। এ কারণে যুব ও তরুণ সমাজ ধংসের পথে। জরুরি ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হোতাদের ধরতে পুলিশের ঊধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। আশা করি দ্রুতই তারা পদক্ষেপ নেবেন।

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার সম্পর্কে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শোনিত কুমার গায়েন বলেন, আমি যোগদান করার পর থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনার কাজ শুরু করেছি। এছাড়া মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এর বেশি কিছু বলা যাবে না।

 




রোজায় ওজন কমানোর সহজ উপায়




বাংলাদেশ, ব্রাজিল, জার্মানির ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা