খুলে দেওয়া হলো বিআরটি প্রকল্পের ৭ ফ্লাইওভার

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : যানবাহন চলাচলের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়েছে বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) অংশের ৭টি ফ্লাইওভার। রোববার (২৪ মার্চ) সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ফ্লাইওভারগুলো উন্মুক্ত করেন।

ফ্লাইওভার গুলোর মধ্যে আছে- এয়ারপোর্ট ফ্লাইওভার (বাম পার্শ্ব), এয়ারপোর্ট ফ্লাইওভার (ডান পার্শ্ব), জসীমউদ্দিন ফ্লাইওভার, ইউ-টার্ন-১ গাজীপুর ফ্লাইওভার, ইউ-টার্ন-২ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ফ্লাইওভার, ভোগড়া ফ্লাইওভার ও চৌরাস্তা ফ্লাইওভার।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নানান ঝামেলায় এই প্রজেক্টের সম্পূর্ণ কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু এখন এটি শেষের পর্যায়ে। আশা করি, এ বছরেই এটি পুরোপুরি খুলে দেওয়া সম্ভব হবে।’ এই প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ শেষ হতে জুন পর্যন্ত সময় লাগবে বলে জানান মন্ত্রী।

প্রকল্পের ২০ দশমিক ৫ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (আরএইচডি) কাজ ১৬ কিলোমিটার, যার মধ্যে ৭টি ফ্লাইওভার রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আওতায় রয়েছে ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজ।

সেতু কর্তৃপক্ষ উত্তরা হাউজ বিল্ডিং হতে টঙ্গী চেরাগ আলী মার্কেট পর্যন্ত এলাকার সড়কের কাজ করছে। বাকিটা হচ্ছে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের অধীনে।

এছাড়া, সড়কের প্রধান করিডোরের সঙ্গে সংযোগের জন্য বিভিন্ন অংশে ১১৩টি সংযোগ সড়ক, ২৫টি বিআরটি স্টেশন, ঢাকা বিমানবন্দর ও গাজীপুরের শিববাড়ি এলাকায় দুটি বাস টার্মিনাল থাকছে প্রকল্পে।

বাস স্টপেজে প্রবেশ ও বের হওয়া এবং পথচারী পারাপারের জন্য থাকছে ৩০টি আন্ডারপাস, নতুন সড়কের দুপাশে উচ্চ ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ৪১ কিলোমিটার ড্রেন ও ২০ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ফুটপাতও থাকছে এ প্রকল্পের অধীনে।

২০১১ সালে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক প্রকল্পের প্রাথমিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করে। ২০১২ সালের ১ ডিসেম্বর একনেক বিআরটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। শুরুতে ব্যয় ধরা হয় ২ হাজার ৩৯ কোটি ৮৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে। এরপর কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়।

প্রকল্পের সবশেষ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ২৬৮ কোটি ৩২ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। শুরুতে প্রকল্পের দৈর্ঘ্য ছিল চান্দনা চৌরাস্তা থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত। কিন্তু পরে সময় বৃদ্ধি করে প্রকল্প ব্যয় বাড়ানো হলেও পথ ছোট করে চান্দনা চৌরাস্তা থেকে কেরানীগঞ্জের পরিবর্তে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত করা হয়।




তিন ঘণ্টায় পশ্চিমাঞ্চলের সাড়ে ১২ হাজার টিকিট বিক্রি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে সকাল ৮টায়। এই সময় বিক্রি শুরু হয় পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট। পূর্বাঞ্চলের টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টায়। সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত পশ্চিমাঞ্চলের ১২ হাজার ৬০০ টিকিট বিক্রি হয়েছে।



অজিদের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ




ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৯

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা ফিলিস্তিনের ভিড়ে আবারও নির্বিচার হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এতে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৯ জন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২৩ জন।



দুই বছর ধরে জোড়া সেতু যেন মৃত্যুকূপ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন খালের পশ্চিম পাশে কাছিয়াবুনিয়া আর পূর্বাংশে হাপুয়াখালী গ্রাম। মাঝখানে বয়ে যাওয়া খালটির নাম আমলাভাঙা। দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মেলবন্ধনে দু’টি সেতু নির্মাণ কর হয়েছে। এই সেতু এখন গলার কাঁটা হয়ে ঝুঁলছে। গত দুই বছর ধরে সেতুর মধ্যাংশে ও পাশের রেলিং ভেঙে গেছে। ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ১৯৯৮ সালে আমলাভাঙ্গা খালের ওপর আয়রন ব্রিজ প্রকল্প থেকে সেতু নির্মাণ করা হয়।

জানা গেছে, ভাঙা সেতু পার হয়ে কাছিয়াবুনিয়া গ্রামে অবস্থিত তিনটি মাধ্যমিক ও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা আসা-যাওয়া করছেন।

আরো পড়ুন :কলাপাড়া পৌর এলাকায় ময়লা আবর্জনায় অতিষ্ঠ মানুষ

রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়ন ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুজ্জামান মামুন বলেন, সেতুটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে নতুন সেতুর কোনো বিকল্প নেই।




কলাপাড়া পৌর এলাকায় ময়লা আবর্জনায় অতিষ্ঠ মানুষ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্লাস্টিকের ময়লা ডাস্টবিনের পাশে বাঁশ পুঁতে রশি দিয়ে বেঁধে রেখেও সড়কে ময়লা, আবর্জনা ছিটানো ঠেকানো যাচ্ছে না। প্রতিনিয়ত গরু, ছাগল, ভেড়া এসে ডাস্টবিনে মুখ দিয়ে সড়কের উপর উল্টে ফেলছে ডাষ্টবিন। অতপর ডাস্টবিনে ফেলা গেরস্থালি ময়লা আবর্জনা খাচ্ছে গৃহপালিত পশুর দল। এভাবে সড়কের উপর ছিটিয়ে ফেলা ময়লা আবর্জনা গোটা শহরকে অপরিচ্ছন্ন করে তুলছে। এতে নাক চেপে সড়কে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছে পথচারীরা।

এ ছাড়া শহরের মুদি ও কাঁচামাল ব্যবসায়ীদের দেখা যাচ্ছে কিছুক্ষণ পরপর গরু, ছাগল, ভেড়া তাড়াতে। নতুবা তাদের নিত্যপণ্যসামগ্রী খেয়ে পেট ভরছে গরু, ছাগল, ভেড়ার দল।

এমন চিত্র এখন পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরে। দেশের দক্ষিণ জনপদের প্রথম শ্রেণির এ পৌরসভাকে নাগরিক সেবায় অনন্য, স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলার নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল মেয়র, কাউন্সিলরদের। অথচ মুষ্টিমেয় ক’জন প্রভাবশালী গরু, ছাগল, ভেড়া মালিকের কাছে জিম্মি হয়ে নাগরিক দুর্ভোগ লাঘবে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না মেয়র, কাউন্সিলররা।

জানা যায়, পৌর শহরের ব্যবসায়ীসহ সাধারণ নাগরিকরা গরু, ছাগল, ভেড়ার উপদ্রবে এখন অতিষ্ঠ। ভুক্তভোগীরা পৌরসভায় অভিযোগ জানিয়েও কোনো প্রতিকার পায়নি। বন্দর ব্যবসায়ী সমিতি শহরে কয়েকবার মাইকিং করেও কোনো কাজ হয়নি।

স্থানীয় নজরুল ইসলাম বলেন, আমার বাসার একটু কাছেই পৌরসভার ময়লা ফেলার ডাস্টবিন।
আমরা প্রতিদিনের গেরস্থালি ময়লা, আবর্জনা ডাস্টবিনে ফেলি। অথচ কসাই পট্টি এলাকার রশি ছেড়ে পালা কয়েকটি গরু, ছাগল এসে ডাস্টবিন উল্টে সড়কের উপর ফেলে রাখে।

উম্মে হাফসা বলেন, রাম ছাগলের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ। ছাগল ঘরে ঢুকে ধান-চালের ড্রাম ভেঙে ফেলায় ছাগল মালিক কিংবা পৌর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোনো ফল হয়নি।

আরো পড়ুন : কলাপাড়া ইউএনওর বদলিতে কান্নার রোল

বন্দর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শহিদুল ইসলাম বলেন, মুদি ও কাঁচামাল ব্যবসায়ীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা সমিতির উদ্যোগে গরু, ছাগলের উপদ্রব রোধে শহরে কয়েকবার মাইকিং করিয়েছি। পৌরসভা কর্তৃপক্ষের সহায়তা না পাওয়ায় আমাদের উদ্যোগ ফলপ্রসু হয়নি।

পৌর সচিব কাব্য লাল চক্রবর্ত্তী বলেন, নাগরিক সচেতনতা সৃষ্টিতে এ বিষয়ে আমরা কয়েকবার মাইকিং করিয়েছি। বর্তমানে মেয়র চিকিৎসার জন্য ভারতে অবস্থান করছেন। তিনি দেশে ফিরে এলে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।




‘রাজকুমার’ সিনেমার প্রথম পোস্টার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  আসন্ন ঈদে মুক্তি পাচ্ছে ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘রাজকুমার’। বিগ বাজেটের এই সিনেমা নির্মাণ করছেন ‘প্রিয়তমা’ খ্যাত পরিচালক হিমেল আশরাফ। প্রযোজনায় রয়েছেন ভার্সেটাইল মিডিয়ার কর্ণধার আরশাদ আদনান।



বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভিতে যেসব খেলা দেখবেন 




রোজা রাখার স্বাস্থ্যগত উপকারিতা




হঠাৎ তরমুজের দরপতন, বিপাকে কৃষকেরা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীতে প্রচুর তরমুজ থাকলেও ক্রেতার অভাবে একেবারেই দাম নেই। পচনশীল হওয়ায় পানির দামেই পাইকারদের কাছে অনেকে ছেড়ে দিচ্ছেন তরমুজ। ফলে মাথায় হাত পড়েছে কৃষকদের।

কৃষকেরা জানান, তরমুজের এখন যা পাইকারি দাম তাতে উৎপাদন খরচ তো দূরের কথা, পরিবহন খরচই উঠছে না। তরমুজ বিক্রি করে গাড়ি ভাড়ার খরচ দিয়ে পকেট শূন্য।

হঠাৎ দরপতন হওয়ার কারণ হিসেবে পটুয়াখালী চরবিশ্বাস এর কৃষক শামীম পালোয়ান জানান, ব্যাপারীরা যারা ক্ষেত কিনে রেখেছিলেন তারা গত দুই দিন বৈরি আবহাওয়ার কারণে অপরিপক্ক  সহ সব তরমুজ কেটে বাজারে নিয়ে গেছেন। বাজারে তরমুজ সরবরাহ থাকলেও ক্রেতা নেই। কাঁচা থাকার কারণে ক্রেতারা তরমুজ কিনছেন না।

আরো পড়ুন :বাজারে এসেই জাটকা হয়ে যাচ্ছে ‘চাপিলা মাছ’

ফরহাদ নামের আরেক কৃষক জানান, ক্ষেতে এখনো ৪০ থেকে ৫০ ভাগ তরমুজ রয়েছে। দাম কমে যাওয়ায় ক্ষতি হচ্ছে। এক ট্রাক তরমুজ কয়েকদিন আগেও বিক্রি করছি ৭/৮ লাখ টাকায়। এখন বিক্রি হচ্ছে ২/৩ লাখ টাকা। ক্ষেতের তরমুজ ৪/৫ দিনের মধ্যে পেকে যাবে। তখন তরমুজ সরবরাহ আরো বাড়বে। তখনো দাম কম থাকলে কৃষকেরা পকেটের টাকা গচ্চা দিয়ে তরমুজ নিয়ে বাজারে হয়তো যাবেন না। তখন ক্ষেতেই ক্ষেতেই পঁচে যাবে।

কৃষকেরা জানান, সবচেয়ে ভালো মানের ৮-১২ কেজি ওজনের ১০০টি তরমুজ পাইকারি বিক্রি ছিল ৪ হাজার টাকা, যা এখন কমে হয়েছে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা।

এলাকা ঘুরে জানা গেছে, পটুয়াখালীতে এবার আগাম তরমুজের বাম্পার ফলন হলেও শেষ মুহূর্তে দাম হঠাৎ কমে যাওয়ায় চরম হতাশ কৃষকেরা। নিদারুণ কষ্ট- রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে এবং নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে উৎপাদিত এ ফসলের মূল্যপতন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ঝেড়েছেন তারা।

আরো পড়ুন : দুমকিতে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা