বরগুনায় সড়ক দুর্ঘটনায় কনে পক্ষের যাত্রীসহ ১৫ জন আহত

বরগুনার মানিকঝুড়ি এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় কনে পক্ষের যাত্রীসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ১১ জনকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে ৫ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের মানিকঝুড়ি এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, কুয়াকাটা থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল ‘সাকুরা পরিবহন’ নামের একটি বাস। বাসটি মানিকঝুড়িতে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রী নামানোর জন্য থামানো একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার ওপর উঠে যায়। এতে অটোরিকশার ৭ যাত্রী আহত হন।
এরপর দ্রুতগতির ওই বাসটি সামনে থাকা বিয়ের কনে পক্ষের আরেকটি অটোরিকশার সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে উভয় অটোরিকশার ১৫ জন যাত্রী আহত হন। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ইউসুফ খাঁন (৬৫), কালাম হাওলাদার (৪০), মোশাররফ (৪৫), আবু সালেহ খাঁন (৪০), আফজাল খাঁন (৩৫), রহিম খাঁন (২৫), শামীম হাওলাদার (৩৫), মোসা জেসমিন আক্তার (৪৫), ফেরদৌস (১৮), এমি (২০) এবং আজিজ খাঁন রয়েছেন।
আহত শামীম হাওলাদার জানান, “সাকুরা পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। পরে আমাদের অটোরিকশার ওপর উঠে যায়। এতে আমরা সবাই আহত হই।”
আহতদের স্বজন রাসেল মোল্লা জানান, “আমতলী ফেরিঘাট জামে মসজিদের বিয়েতে কনে পক্ষের ১০ জন যাত্রী অটোরিকশায় যাচ্ছিলেন। বাসটি ধাক্কা দেয়ায় ৮ জন আহত হন, তাদের মধ্যে পাঁচজনকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান জানান, গুরুতর আহত পাঁচজনকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, “দুর্ঘটনায় জড়িত বাসটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছেন।”
এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫








