তুরস্কে নাইট ক্লাবে আগুন লেগে ২৯ জনের মৃত্যু




হামাস নেতা হানিয়াহের বোনকে আটক করেছে ইসরাইল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : দক্ষিণ ইসরাইলে এক অভিযানে হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়াহের বোনকে ইসরাইলি পুলিশ আটক করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ইসরাইলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্যা টাইমস অফ ইসরাইলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে, হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়াহের এক বোনকে উগ্র গোষ্ঠীর অপারেটিভদের সাথে যোগাযোগ এবং সন্ত্রাসী কাজে সমর্থন করার সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ইসরাইল পুলিশ একটি বিবৃতিতে বলেছে যে- তারা শিন বেটের সাথে যৌথ অভিযানে ৫৭ বছর বয়সী এক নারীকে গ্রেফতার করেছে যিনি ‘হামাসের একজন সিনিয়র সদস্যের আত্মীয়’ যেটিকে ‘আর্লি ডন’ বলা হয়েছিল।

বিবৃতিতে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়নি, শুধু বলা হয়েছে যে- তিনি দক্ষিণাঞ্চলীয় তেল শেভা শহরের বাসিন্দা, যেখানে অভিযান চালানো হয়েছিল।

দেশটির প্রতিরক্ষা সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলে নিশ্চিত করেছে যে- ওই নারী হানিয়াহের বোনদের একজন।

চ্যানেল-১২ জানিয়েছে, পুলিশ পরে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে সাবাহ আবাদ আল-সালাম হানিয়েহ বলে শনাক্ত করেছে।
সূত্র : দ্যা টাইমস অফ ইসরাইল




সারাহর কিডনি গ্রহীতা দ্বিতীয় নারীও মারা গেল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সারাহ ইসলামের কিডনিগ্রহীতা অপর নারীও মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শামীমা আক্তার (৩৪) নামে ওই নারীর মৃত্যু হয়।

ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমান দুলাল শামীমার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, সারাহর কিডনি নেওয়া প্রথমজন ফুসফুসের সংক্রমণে মারা গেছেন। এবার দ্বিতীয়জনও চলে গেলেন। এটি আমাদের জন্য খুবই কষ্টের।

এর আগে গত বছরের অক্টোবরে সারহার কিনডি নেওয়া হাসিনা আক্তারের মৃত্যু হয়।

গত বছরের জানুয়ারিতে সারাহ ইসলামের অঙ্গদানের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো ‘ব্রেইন ডেড’ মানুষের কিডনি নিয়ে অন্য রোগীর দেহে প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া শুরু হয়, যা দেশব্যাপী আলোচনার সৃষ্টি করেছিল।

অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বলেন, শামীমা শেষ ৬ মাস আমাদের তত্ত্বাবধায়নের বাইরে ছিল। সম্প্রতি তার ভাই জানায়, শামীমার ক্রিটিনিন বেড়েছে, একেবারে শুকিয়ে গেছে। ৩ সপ্তাহ আগে তাকে ফের বিএসএমএমইউতে ভর্তি করানো হয় তাকে। শুরুর দিকে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও ক্রিটিনিন ফের বাড়ায় তাকে ওয়ার্ড থেকে কেবিনে আনা হয়। এরপরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ৪ দিন আগে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল।

শামীমার মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার সি ভাইরাস ও বিরল নিউমোনিয়া ধরা পড়েছিল। সে অনুযায়ী ডায়ালাইসিসও শুরু করেছিলাম আমরা। একদিন বাইরের হাসপাতালেও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অবস্থার পরিবর্তন না হওয়ায় আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানেই আজ রাত ৯টার দিকে শামীমা মারা যায়।

কিডনি ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও বিশিষ্ট কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হারুন অর রশিদ জানান, সারাহর কিডনি নেওয়া হাসিনা আক্তার অক্টোবর কিডনি ফাউন্ডেশনে মারা যায়। তার সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল।

এদিকে দ্বিতীয়বারের মতো যে দুজনের শরীরে ‘ব্রেইন ডেড’ মানুষের কিডনি প্রতিস্থাপন (ক্যাডাভেরিক কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট) করা হয়েছিল, তাদের একজন মারা গেছেন। ৭ বছর ধরে কিডনি সমস্যায় ভোগা এক ব্যক্তির শরীরে চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি ওই কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। গত ৪ ফেব্রুয়ারি ৪৪ বছর বয়সী ওই রোগী মারা যান। অপর রোগী এখনও সুস্থ আছেন।




জিম্মি এমভি আব্দুল্লাহ : নাবিকদের মুক্তির বিষয়ে জলদস্যুদের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সোমালি জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি আব্দুল্লাহের ২৩ জন নাবিকের মুক্তির বিষয়ে জলদস্যুদের সঙ্গে আলোচনায় বেশ অগ্রগতি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) কমোডর মোহাম্মদ মাকসুদ আলম।

ডিজি বলেন, আলোচনা ফলপ্রসূভাবে শেষ করতে কত সময় লাগতে পারে—তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে ভালো অগ্রগতি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জাহাজে থাকা নাবিকরা ভালো আছেন। তাদের মাঝে মাঝে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে এসআর শিপিংয়ের কর্মকর্তারা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে জলদস্যুদের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে বলে জানান।

প্রসঙ্গত, গত ১২ মার্চ ভারত মহাসাগরে নাবিকসহ বাংলাদেশি জাহাজটি জিম্মি করে সোমালিয়ার জলদস্যুরা।




সোনালী ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে ২ কোটি টাকা লুট

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : বান্দরবানের রুমা উপজেলায় সোনালী ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে ২ কোটি টাকা লুট করেছে অস্ত্রধারীরা। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে ব্যাংকে থাকা আনসারের ৪টি অস্ত্রও লুট করে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনার পর থেকে ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মো. নিজাম উদ্দিনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

এ ঘটনার সঙ্গে সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের। ঘটনার পর থেকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ওই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার রেখেছে।

ব্যাংকের শাখা সংশ্লিষ্টরা জানান, ওই সময় ব্যাংকের ভল্টে আনুমানিক ২ কোটি টাকা ছিল। অস্ত্রধারীরা পুরো টাকাই লুট করে নিয়ে গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ইফতারের কিছুক্ষণ পরে নামাজ পড়তে যান সোনালী ব্যাংকের রুমা উপজেলা শাখার কর্মচারীরা। এ সময় আনসারের ৪ সদস্য ব্যাংকের পাহারায় ছিলেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে প্রায় ৬০-৭০ জন অস্ত্রধারী ব্যাংকে আক্রমণ করে। প্রথমে তারা ব্যাংকের পাহারায় থাকা আনসার সদস্যদের অস্ত্র কেড়ে নিয়ে বেঁধে রাখে। এরপর তারা ব্যাংকের ভেতরে ঢুকে লকার ভেঙে টাকা লুট করে।




তুরস্কে নাইট ক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৯

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : তুরস্কের ইস্তান্বুলের একটি নাইট ক্লাবে আগুন লেগে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ অগ্নিকাণ্ডে আহত হয়েছেন আরো বেশ কয়েকজন মানুষ।

মঙ্গলবার দিনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই সময় নাইট ক্লাবটি খোলা ছিল না। সেখান সংস্কার কাজ চলছিল।

ইস্তান্বুলের গায়রেত্তেপেতে অবস্থিত নাইট ক্লাবটি একটি ১৬ তলা আবাসিক ভবনের বেজমেন্টে ছিল।

প্রদেশটির গভর্নর দাভুত গুল জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। যারা নিহত হয়েছেন তারা সংস্কার কাজ করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আগুনে দগ্ধ অন্তত একজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইস্তান্বুলের গভর্নর অফিস।

ঘরে আগুন দেখে বের হয়ে গেল সবাই, পুড়ে মরলেন বৃদ্ধা মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে ইস্তান্বুল ফায়ার বিভাগের প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, দমকলকর্মীরা একাধিক ফায়ার ইঞ্জিন নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। এছাড়া ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ভবনটির পাশে দাঁড়িয়ে আছে অ্যাম্বুলেন্স।

ওই সময় অন্তত একজন ব্যক্তিকে ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে নিয়ে আসতে দেখা যায়।

ইস্তান্বুলের মেয়র ইকরিম ইমামগোলো এক্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শোক জানিয়ে বলেছেন, যারা পরিবার-পরিজনকে হারিয়েছেন তাদের ওপর আল্লাহ দয়া করুক। যারা আহত হয়েছেন তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি আমি।

মেয়র ইমামগোলো জানিয়েছেন, ভবনটির নিরাপত্তা নিরূপণে এখন সেখানে কাজ চলছে।

প্রাথমিকভাবে এই অগ্নিকাণ্ডে ১৫ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়। পরবর্তীতে জানানো হয় ভয়াবহ এ অগ্নি দুর্ঘটনায় ২৯ জন নিহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে কিনা এ ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি।




কিশোরীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ ও বিক্রি, গ্রেপ্তার তিন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে কিশোরীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ এবং পরে বিক্রি করে দিচ্ছিলো এক যুবক। অভিযোগ পেয়ে, র‌্যাব-৮ এর সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তার করে। এসময় নারীদের কেনাবেচায় সংশ্লিষ্ট আরও দুই জনকে গ্রেপ্তার এবং ১৫ বছরের এক কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জেলার দুমকি উপজেলার জলিশা গ্রামের ইমন (২০) এবং নারী কেনাবেচায় তার দুই সহযোগী মাদারীপুরের তানিয়া (২৬) ও পালং উপজেলার জাহানারা বেগম (২৭)।

উদ্ধার হওয়া কিশোরীটি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।

আরো পড়ুন : মির্জাগঞ্জে ছিনতাইকারীদের কবলে স্ত্রীসহ জাপা নেতা

মঙ্গলবার সকালে জেলা শহরের পুরাতন হাসপাতাল এলাকার একটি বাড়ি থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার এবং তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব-৮ পটুয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মাসুদ রানা জানান, গত ১১ মার্চ মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় ওই কিশোরী। পরের দিন তার বাবা বাকেরগঞ্জ থানায় জিডি করেন। পরে ভিকটিমকে উদ্ধার ও আসামি গ্রেপ্তারে ব্যাপারে র‌্যাবের সহযোগিতা চাওয়া হয়।

গ্রেপ্তারের পর স্বীকারোক্তিতে জানা যায়, ইমন প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১১ মার্চ ওই কিশোরীকে অপহরণ করে পটুয়াখালী নিয়ে আসে এবং সহযোগী দুই নারীর কাছে ৩০ হাজার টাকায় বেচে করে দেয়। গ্রেপ্তার দুই নারী পটুয়াখালী জেলা শহরের পুরাতন হাসপাতাল এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে মেয়েদের দিয়ে দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। এই কিশোরীকেও চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু পারেনি।

ইমন এর আগেও প্রতারণার ফাঁদ পেতে অপহরণ ও পাচার করেছে। গ্রেপ্তার তিন জনকে বাকেরগঞ্জ থানায় সোপর্দ এবং মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।




মির্জাগঞ্জে ছিনতাইকারীদের কবলে স্ত্রীসহ জাপা নেতা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েছেন জাতীয় পার্টির নেতা আবু জাফর মো. সালেহ ও তার স্ত্রী আয়শা। ছিনতাইকারীরা তাদের সঙ্গে থাকা টাকা, স্বর্ণালংকার, দুটি স্মার্টফোন ও একটি লেপটপ নিয়ে পালায়।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল ) বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ আমড়াগাছিয়ার বেতাগী-সুবিদখালী সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুন : কিশোরীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ ও বিক্রি, গ্রেপ্তার তিন

ভুক্তভোগী আবু জাফর মো. সালেহ উপজেলা জাতীয় পার্টির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও সুবিদখালী মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক এবং তাঁর স্ত্রী আয়শা পার্শ^বর্তী উপজেলা বেতাগীর হোসনাবাদ ইউনিয়নে পরিবার কল্যাণ সহকারী হিসেবে চাকরি করেন। বর্তমানে তিনি মাতৃত্বকালীন ছুটিতে তার স্বামীর বাসা সুবিদখালীতে আছেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আবু জাফর মো. সালেহ বলেন, জমি ক্রয়ের জন্য আমার স্ত্রী আয়শা বেতাগী সোনালী ব্যাংক থেকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৫ শত টাকা উত্তোলন করে এবং তার বাবার কাছে আগের পাওনা ৩ লাখ টাকা এনে একসাথে স্ত্রীর ভ্যানিটি ব্যাগে নিয়ে সুবিদখালীর উদ্দেশ্যে নিজ মোটরসাইকেলে রওয়ানা দেই। সুবিদখালী যাওয়ার পথে দক্ষিণ আমড়াগাছিয়ায় পৌঁছলে ওতপেতে থাকা ৪ টি মোটরসাইকেলে ১০-১১ জন ছিনতাইকারী আমার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। পরে তাদের হাতে থাকা লাঠি দিয়ে আমাকে ও আমার স্ত্রীকে বেধড়ক পিটায় এবং আমার স্ত্রীর হাতের ভ্যানিটি ব্যাগে থাকা ওই টাকা, তার গলার ১২ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, ১০ আনা ওজনের স্বর্ণের একটি বেসলাইট, দুটি স্মার্টফোন ও একটি লেপটপ ছিনিয়ে নেয়। এসময় আমাদের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে ছিনতাইকারীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়।

এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, খবর পেলে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটির তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।




ঈদ বাজারে ক্রেতাদের চাপ সামলাতে বরিশালে হিমশিম বিক্রেতারা

বরিশাল অফিস :: আসন্ন ঈদ-উল ফিতরকে সামনে রেখে বরিশাল নগরীর ঈদ বাজার জমজমাট হয়ে উঠেছে। এতে করে বিক্রেতারাও বেশ খুশি। একইসাথে নগরীর পোশাক তৈরীর টেইলার্সগুলো বন্ধ করে দিয়েছে পোশাক তৈরীর অর্ডার নেওয়া। সবমিলিয়ে ক্রেতাদের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা।

বিগত ১৫ রমজানের পর থেকেই ক্রেতা আকর্ষণে নানা সাজসজ্জা আর বিভিন্ন প্রকার প্রস্তুতি শুরু করেছে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও নগরীর খুচরা ও পাইকারী পোশাক বিক্রেতারা। ছোট-বড় মার্কেট, স্বনামধন্য বিদেশী শোরুম ও শপিংমলগুলোর ভেতরে পোশাকের সমাহার আর বাহিরে রং-বেরংয়ের বাতিতে ঝলমল করছে সর্বত্র। উৎফুল্ল ক্রেতাদের জমজমাট কেনাকাটায় জমে উঠেছে মার্কেটগুলো। ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আনা নিত্য নতুন কালেকশন নিয়ে পসরা সাজিয়েছে ফ্যাশন হাউজ ও মার্কেটগুলো।

গৃহকর্তারা পরিবার পরিজন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরেছে কেনাকাটায়। যা চলছে মধ্যরাত পর্যন্ত। এছাড়াও সু-ষ্টোস্গুলোতে চলছে বিকিকিনি। পোশাক তৈরী করা টেইলার্সগুলোতে প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বড় বড় টেইলার্সগুলো কাপড় তৈরীর অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।

ঈদের পোশাক ক্রয় করতে নগরীর চকবাজারে আসা বিএম কলেজের ছাত্রী জেসিকা আহম্মেদ জুঁই, গৃহীনি মমতাজ বেগম, ফেরদৌস জাহান আখি বলেন, এ বছর রোজা শুরুর দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে বেশ কয়েকবার নগরীর একাধিক মার্কেটঘুরে ঈদের শপিং করেছি। কিন্তু চলতি বছর ঈদের সব জিনিসপত্র ও পোশাকের দাম গতবারের চেয়ে তিন থেকে চারগুন বেশি। নগরীর চকবাজার এলাকার স্বদেশী বস্ত্রালয়ের স্বত্ত্বাধীকারি মৃনাল কান্তি সাহা বলেন, ক্রেতারা নিত্য-নতুন ডিজাইনের পোশাক ও শাড়ি কিনছেন।

নগরীর চকবাজার, ভেনাস মার্কেট, সদর রোড, হেমায়েত উদ্দিন রোড, সোবাহান কমপ্লেক্স, ফকির কমপ্লেক্স, শপিংমলগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়াও সিটি মার্কেট ও মহসিন মার্কেটে নিন্ম ও মধ্যবিত্ত্ব পরিবারের ক্রেতাদের ভিড় ছিলো লক্ষণীয়। এ বছর ঈদকে ঘিরে নগরীর মার্কেটগুলোতে বিদেশী পোশাকের সাথে সাথে দেশী পোশাকের সমারহ রয়েছে বেশ। ঈদ মার্কেটে পুরুষের কাছে পাঞ্জাবীর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জিহাদুল কবির বলেন, ঈদ বাজারে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের নিছিদ্র নিরাপত্তা দিতে ও যানজটমুক্ত রাখতে মেট্রোপলিটন পুলিশ সদস্যরা সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে ইতোমধ্যে পুরো নগরীজুড়ে ২৬০টি সিসি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা নগরীকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা, উন্নত পুলিশি সেবার লক্ষে ক্রাইম কন্ট্রোল, ট্রাফিক ও থানা কন্ট্রোল এবং সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিংয়ের জন্য ইন্টিগ্রেটেড কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারের মাধ্যমে বিভাগীয় শহর বরিশালের পুরো নগরী এখন পুলিশি নজরদারির মধ্যে রয়েছে। যেকারণে মধ্যরাতেও নিরাপত্তায় নগরীর বিভিন্ন মার্কেট ও শপিংমলগুলোকে নিবিঘ্নে ঈদের বিকিনিকি চলছে। পাশাপাশি ক্রেতাদের চাপ সামলাতে ইতোমধ্যে নগরীর চকবাজার ও গীর্জা মহল্লা এলাকার সড়কে সবধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বাহারি পোশাক :: দক্ষিণাঞ্চলের বিভাগীয় শহর বরিশাল। এই শহরে পেশাজীবী মানুষের বসবাস বেশি। পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে শৌখিন ক্রেতারা ঈদের কেনাকাটা করার জন্য ছুটে আসেন বরিশাল শহরে। যেকারণে প্রতিনিয়ত ঈদের কেনাকাটা করার জন্য উৎসাহী মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে নগরীর শপিংমলগুলোতে। এবার ঈদ মার্কেটে মেয়েদের বাহারি পোশাক, শাড়ি, থ্রি-পিস ও পুরুষের শার্ট-প্যান্ট, পাঞ্জাবি, বাচ্চাদের পোশাক কিনতেই স্বাচ্ছ্যন্দবোধ করছেন সবাই। দেশি পণ্যের পাশাপাশি বিদেশি পণ্যও কিনতে ঝুকছেন ক্রেতারা। দোকানীরা জানিয়েছেন, এবারের ঈদে নারীদের সবচেয়ে বেশি পছন্দ সুতি শাড়ি। পাশাপাশি রয়েছে তাঁত-জামদানি, মুসলিম জামদানি ও দোপাট্টা। যা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫শ’ টাকা থেকে শুরু করে আট হাজার টাকা পর্যন্ত। মিরপুরী কাতান, সিল্ক ও জুট কাতানেরও চাহিদা রয়েছে। যা বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ২৫ হাজার টাকার মধ্যে। মেয়েদের থ্রি-পিসে এবার কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। পি-কে, কাল্পনিক, লাভ স্টোরি নামের নতুন ডিজাইনের থ্রি-পিসের যথেষ্ট চাহিদা বরিশালের ঈদ বাজারে। এসব থ্রি-পিস বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ২শ’ টাকা থেকে শুরু করে ২২ হাজার টাকা পর্যন্ত। ছেলেদের জন্য সুতি পাঞ্জাবি ও শেরওয়ানি বেশি বিক্রি হচ্ছে। যার দাম ৩ হাজার ২শ’ টাকা থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত। ঈদের কেনাকাটার জন্য প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা গেছে, রীচম্যান-লুবনান, স্মার্টটেক্স, স্বপ্ন, স্টার প্লাস, ব্যাঙ, চন্দ্রবিন্দু, বিশ্ব রঙ, আড়ংসহ বিভিন্ন ব্রান্ডের পোশাকের দোকানগুলোতে।

বরিশাল নগরীর চক বাজার বিপণীন বিতানগুলোতে দেশীয় শাড়ি ক্রয় করতে আসা গৃহিনী সিমা আহম্মেদ বলেন, বাঙালীর যেকোন উৎসবে নারীর প্রথম পছন্দ শাড়ি ও থ্রি-পিস। আর ঈদ উপলক্ষেতো শাড়ি বা থ্রি-পিস চাই-ই চাই। ঈদে নারীদের জন্য শাড়ি আর পুুরুষের জন্য পাঞ্জাবীর আবেদন কোনদিনও শেষ হবেনা। এবারের ঈদেও এ দুইটি পোশাকই প্রাধান্য পেয়েছে।

বরিশাল গরীর বিভিন্ন শপিংমলের শাড়ি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, পাইকারী ও খুচরা শাড়ি বিক্রেতারা এবছর ভারত থেকে গুজরাটী শিল্ক, বাহা শিল্ক, মনিপুরি কাতান, মনিপুরি সুতি, পিউর শীল্ক, জর্জেট ও নেটের উপর কাজ করা শাড়ি আমদানী করেছেন। তবে এবার বেশীর-ভাগ ক্রেতারে পছন্দে রয়েছে ঢাকাই জামদানী, টাঙ্গাইল জামদানী, তাঁতের শাড়ি, সফট শিল্ক আর জুট জামদানী। এগুলোর দামও ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে। এবছর ঈদে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা মূল্যের শাড়ি বিক্রি হচ্ছে বেশী। তারা আরও জানিয়েছেন, ভ্যাপসা গরমকে মাথায় রেখেই এবার আরামদায়ক শাড়ি খুঁজছেন ক্রেতারা।

ফুটপাতে উপস্থিতি বেশি:: ঈদ-উল ফিতরকে ঘিরে নগরীর নামিদামী শপিংমলের চেয়ে ফুটপাতে ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশি লক্ষ্য করা গেছে। ক্রেতাদের দাবি, তুলনামূলকভাবে বরিশালে পোশাকের দাম গতবারের চেয়ে ৩/৪ গুন বেশি। তাই তারা পরিবারের সদস্যদের চাহিদা মেটাতে অনেকটা কমদামে ফুটপাতের দোকানগুলো থেকে ক্রয় করতে বাধ্য হয়েছেন।

নগর ভবনের সামনে ও তার পাশ্ববর্তী এলাকার ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান থেকে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আব্দুর রহমান বলেন, এবার পোশাকের এতো দাম যে বলার মতো না, আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য যা খুবই কষ্টসাধ্য। হাসান সিদ্দিক নামের এক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ব্রান্ডের পোশাকগুলো ভালো কিন্তু সেগুলোর দাম কয়েকগুণ বেশি রাখা হচ্ছে। বিপনিন বিতানগুলোতে যে পোশাকের দাম চার হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে, সেই একইরকম পোশাক আমরা ফুটপাত থেকে এক হাজার টাকার মধ্যেই ক্রয় করতে পারছি। তাই বাধ্য হয়েই ফুটপাতের দোকান থেকে ক্রয় করেছি। নাবিলা আক্তার জিতু নামের এক গৃহীনি বলেন, নগরীর ব্রান্ডের প্রায় সব শোরুমেই ঘুরলাম, প্রতিটি শোরুম ও মার্কেটগুলোতে পোশাকের অতিরিক্ত দাম। তাই অনেকটা কমদামে ফুটপাত থেকে ঈদের কেনাকেটা করেছি। তবে ক্রেতাদের এসব অভিযোগ অস্বীকার করে টপ-টেন বরিশাল শাখার ব্যবস্থাপক ইমরান শেখ বলেন, আমরা সব সময় পোশাকের গুণগত মান ধরে রাখার চেষ্টা করছি। মানের সাথে আমাদের প্রতিটি পণ্যের দামটাও সামঞ্জস্য করে নির্ধারণ করা হয়েছে।

অপরদিকে বরিশালে কসমেটিকস ও কাপড়ের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। সেক্ষেত্রে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তেমন কোন অভিযান নেই বললেই চলে। তবে ভোক্তার জেলা কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রতিটি পণ্যে যেখানে যৌক্তিক একটা লাভ করা যায়, সেখানে বরিশালে ৯০ থেকে ১০০ শতাংশ লাভ করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে। এছাড়া অনেকে অনৈতিকভাবে আলাদা করে সংযুক্ত করেছে ভ্যাট। এগুলোর বিরুদ্ধে অভিযানে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

কেনাকাটা বিকাশ পেমেন্টে :: বড় শপিংমল থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকানগুলোতে স্বাচ্ছন্দে ঈদের কেনাকাটার পর এখন নিরাপদে মূল্য পরিশোধ করা হচ্ছে বিকাশ পেমেন্টের মাধ্যম। পছন্দের ফ্যাশন হাউস, নামিদামী শোরুম, শপিংমল, মার্কেট, জামা-জুতার আউটলেট ও ফুটপাতের দোকানগুলো থেকে ঈদের কেনাকাটার পর বিকাশ পেমেন্টের মাধ্যমে সহজ, নিরাপদ, ঝামেলাহীন ও দ্রুত ডিজিটাল লেনদেন এখন ক্রেতা-বিক্রেতাদের লাইফস্টাইলের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বরিশাল নগরীর সবচেয়ে বড় মার্কেট চক বাজারে পরিবার নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা ডাঃ শাহনাজ রুবি বলেন, সারাবছর সব কেনাকাটাতেই আমি কম-বেশি বিকাশ পেমেন্টের চেষ্টা করি। তাছাড়া ছোট-বড় সব দোকানেই বিকাশ পেমেন্টের সুবিধা আছে। তিনি আরও বলেন, বিকাশের ডিজিটাল পেমেন্টের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে, আমাকে শপিংমলে ক্যাশ বহন করতে হচ্ছেনা। ফলে টাকা চুরি যাওয়া অথবা ছেঁড়া-ফাটা-ভাংতি টাকার ঝামেলা পোহাতে হচ্ছেনা।

ক্রেতাদের পাশাপাশি বিক্রেতারাও ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ করে ফেলছেন স্বস্তির নিঃশ্বাস। চকবাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল খালেক বলেন, পবিত্র ঈদ-উল ফিতরকে সামনে রেখে প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কাস্টমারের ভিড় কম-বেশি লেগেই রয়েছে। বিকাশ পেমেন্ট সেবার কারণে টাকার হিসেব রাখা অনেক সহজ হয়ে গেছে। তার সাথে ভাংতি বা নকল টাকার ঝামেলা নেই। পাশাপাশি দিন শেষে অনেক ক্যাশ টাকা রাখার ঝুঁকি নিয়েও ভাবতে হয়না।

 




আগৈলঝাড়া মাদকবিরাধী ও আইন শৃংখলা সভা

বরিশাল অফিস:: মাদককে রুখবো, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়বো এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ২ এপ্রিল সোমবার বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক মাদকবিরাধী সেমিনার এবং এছাড়াও ঈদ উপলক্ষে আইন শৃংখলা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্বকরেন আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারিহা তানজিন।

প্রধান অথিতি ছিলেন আগৈঝাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়াম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত। এসময় আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারিহা তানজিন বলেন, মাদকের ভয়াবহতা থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে হবে। এজন্য স্কুল-কলেজে সচেতনমূলক সভাকরতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে মাদক বিরোধী কাজ করতে হবে। উপজেলা চুরি বেড়েচলছে। ঈদকে সামনে রেখে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি সভাবিক রাখার জন্য রাতে হাটবাজার, স্কুল-কলেজে পাহাড় যোরদার করতে হবে।

এছাড়াও যাদের ২য়তলা ও তার অধিকতলা ভবন আছে প্রতিটি ভবনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা জন্য প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়াম্যানদের বলেছেন। এছাড়াও বাজার দর নিয়ন্ত্রেণের জন্য বাজার মনিটরিং করার জন্য সহকারী কমিশনার(ভূমী) কে নির্দেশ দেয়ন। আগৈলঝাড়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলোম চাদ বলেন, বর্তমানে গরুচুরির বড়েগেছে। যারা গরু চুরি করছে তারা এই উপজেলার লোকনা। একটি চোরচক্র আছে তারা গাড়ীনিয়ে ঘুরতে থাকে সুযোগপেলে গরু গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।

গত মাসে থানায় ৮টি মাদক, ১টি অপহরন ও ১ যৌতুক মামলা হয়েছে। সভায় বক্তব্য রাখেন, সহকারী কমিশনার (ভূমী) উম্মে ইমামা বানীন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাক্তার মো.বখতিয়া আল মামুন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. লিয়কত আলী হাওলাদার, বরিশাল জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পরিদর্শক আব্দুল মালেক তালুকদার, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান মো. ইলিয়াছ তালুকদার, বিপুল দাস, আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাব আহবায়ক সরদার হারুন রানা প্রমূখ।