বরিশালে লঞ্চ দেরিতে পৌঁছানোয় ভাঙচুর

বরিশাল অফিস:: নির্ধারিত সময়ে ঘাটে পৌঁছাতে না পারায় ঢাকা থেকে বরিশালে আসা এমভি সুন্দরবন-১০ লঞ্চে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে যাত্রীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৯) রাত ৯টার দিকে মাঝ নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

পরে লঞ্চ বরিশাল নদীবন্দরে ভিড়লে পাঁচ যাত্রীকে আটক করে নৌ-পুলিশ। যদিও পরে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের অনুরোধে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানান বরিশাল সদর নৌ-থানার ওসি আব্দুল জলিল।

তিনি বলেন, দুপুর ১টায় ঢাকা সদরঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশালের উদ্দেশে লঞ্চটি ছেড়ে আসে। লঞ্চ ছেড়ে আসার আগে যাত্রীদের জানানো হয়েছিল রাত ৮টার মধ্যে বন্দরে ভিড়বে। কিন্তু লঞ্চ নির্ধারিত সময়ে পৌঁছাতে পারেনি। তাই বিক্ষুদ্ধ যাত্রীরা ভাঙচুর চালান। লঞ্চটি রাত ১০টায় বরিশাল নদীবন্দরে নোঙর করলে, হামলার অভিযোগে পাঁচ যাত্রীকে নৌ পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের অনুরোধে সবার কাছ থেকে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সুন্দরবন-১০ লঞ্চের সুপারভাইজার মো. হারুন বলেন, লঞ্চ ঘাটে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় কিছু যাত্রী ক্ষুব্ধ হন। তারা লঞ্চের মাস্টার ব্রিজে গিয়ে রাডারের গ্লাস, দুটি ফ্যান ভাঙচুর করেন। পরে তারা নিচে নেমে এসে টিকিট কাউন্টারের টেবিল-চেয়ার ভেঙে দেন। তেমন কোনো ক্ষতি না হওয়ায় বিষয়টি সমাধান করে ফেলা হয়েছে।

এদিকে লঞ্চের যাত্রীরা জানান, লঞ্চটি ঢাকা থেকে যে সময়ে ছাড়ার কথা ছিল, তার চেয়ে কয়েক ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ে। ঢাকায়ও যাত্রীদের সঙ্গে লঞ্চের স্টাফদের ঝামেলা হয়। পরে নির্ধারিত সময়ে লঞ্চ পৌঁছানোর কথা থাকলেও, ধীরে চালিয়ে বরিশালে পৌঁছাতে মধ্যরাত হয়ে যায়। এতে কিছু যাত্রী ক্ষুব্ধ হয়ে মাস্টার ব্রিজে গিয়ে হট্টগোল করেন।

লঞ্চের মাষ্টার ব্রিজ কিংবা চালনা কক্ষের স্টাফরা জানান, প্রথমে একজন যুবক হট্টগোল বাঁধায়। তারপর তার ইন্ধনে ৬০-৭০ জন যাত্রী ব্রিজে হামলার চেষ্টা করেন। তারা অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং লঞ্চ আরও দ্রুতগতিতে চালাতে বলেন। এ সময় তারা ব্রিজের সামনের অংশ ঘিরে রাখেন। সামনে কিছু দেখা যাচ্ছিল না। এতে চরে আটকে যাওয়াসহ দুর্ঘটনার শঙ্কা দেখা দেয়। শত অনুরোধ করার পরও তারা মাস্টারসহ সবাইকে মারতে যান এবং দুটি ফ্যান ও রাডারের গ্লাস ভাঙচুর করেন।




আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকার গঠন দিবস

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল দিন আজ। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অর্থাৎ এই দিনে গঠিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রথম সরকার। আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রও পাঠ করা হয় সরকার গঠনের পর। এ দিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণাকে দেওয়া হয় অনুমোদন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।

শপথ গ্রহণের পর ওই সরকারে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন ৭ জন। এ সময় মুজিবনগর সরকারের কাঠামো ছিল- রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (পাকিস্তান সামরিক শাসকদের হাতে বন্দি), উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম (বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং পদাধিকারবলে সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব গ্রহণ), প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, অর্থমন্ত্রী এম মনসুর আলী, স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী এএইচএম কামারুজ্জামান, পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমাদ, প্রধান সেনাপতি কর্নেল (অব.) এমএজি ওসমানী, চিফ অব আর্মি স্টাফ লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব। সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এই বৈদ্যনাথতলাকেই তখন ঐতিহাসিক ‘মুজিবনগর’ হিসেবে নামকরণ করেন। সেই থেকে কলকাতায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার মানুষের কাছে ‘মুজিবনগর সরকার’ নামে পরিচিত ছিল। এ সরকারের নেতৃত্বেই পুরো মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়।

প্রতিবছর নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন দিবস উদযাপন করা হয়। তবে এবার ঈদের ছুটির কারণে কর্মসূচি পালনে কিছুটা বিঘ্ন ঘটছে। ঈদের ছুটির পর আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করবে বলে জানা গেছে।




বরিশালে শোলক ভিক্টোরিয়া পূর্তিতে গাইবেন নাসির-শুভ-নিশি

বরিশাল অফিস:: বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শোলক ভিক্টোরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১২৫ বছর পুর্তি ১৩ এপ্রিল। এদিন বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষক, শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তি, সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের ঈদ পুনর্মিলনী ও মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হবে।

দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে শিক্ষক শিক্ষার্থী ও সাবেকদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেই সাথে বিদ্যালয়ের স্কাউট ও গার্লস গাইড দলের মনোমুগ্ধকর ডিসপ্লে। এ আয়োজনকে আরো আনন্দঘন করে তুলতে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী নাসির, কাজী শুভ ও নিশি শ্রাবনীসহ আরো অনেকে। পুরো অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করবেন আর জে অপু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ এম সাইদুর রহমান।

উল্লেখ্য, ১৮৮৭ সালে জুনিয়র স্কুল হিসেবে শোলক ভিক্টোরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু। এর প্রকৃত বয়স ১৩৭ বছর। কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যমতে- বিদ্যালয়টি থেকে শিক্ষার্থীরা প্রথম এন্ট্রান্স পরীক্ষায় অবতীর্ণ হন ১৯০১ সালে। সে হিসাবে ১৮৯৯ সালকে বিদ্যালয়টির মাধ্যমিক স্বীকৃতি লাভের বছর হিসাবে গণ্য করা হয়। তখন থেকে ১৮৯৯ সালই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার বছর হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

 




ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত পটুয়াখালীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ

 প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী পৌরসভা নিয়ন্ত্রিত কেন্দ্রীয় ঈদগাহে একসঙ্গে ১৫ হাজার মুসুল্লির ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায়ের ব্যাবস্থা করা হয়েছে। প্যান্ডেল নির্মাণ ও সাজসজ্জাসহ ইতিমধ্যে প্রায় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে পৌরসভা। মেয়র ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা দফায় দফায় সকল কাজ তদারকি করছেন।

পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদ জানান, ঈদের দিন বৈরি আবহাওয়া থাকলেও মুসুল্লিরা যাতে নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন সেজন্য ঈদগাহের প্যান্ডেলের উপরে এবং চারপাশে ত্রিপল দেয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত আলো, বাতাসের ব্যাবস্থা রাখা হয়েছে। মুসুল্লিদের নিরাপত্তায় ঈদগাহের ভিতরে ও বাইরে বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : জাটকা সংরক্ষণ মৌসুমে ভিজিএফ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে। এবারে ঈদগাহে যাতে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন সেজন্য ঈদগাহের বাইরেও প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে। মানুষ যাতে ঈদের দিনে যানজট মুক্ত ভাবে চলাচল করতে পারে সেজন্য বিভিন্ন রাস্তাকে ওয়ান ওয়ে করে দেয়া হচ্ছে। আনন্দ বিনোদনের জন্য বিভিন্ন ব্যাবস্থা গ্রহণ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। সর্বপরি পটুয়াখালী পৌর শহরের মানুষ এবার ভালোভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারবে।

এদিকে শহরের চরপাড়ায় জেলা প্রশাসক ঈদগাহ এবং মির্জাগঞ্জ ইয়ার উদ্দিন খলিফার মাজার সংলগ্ন ঈদগাহে আরো দুটি বড় জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জেলার বিভিন্ন ঈদগাহে ৫১১টি এবং বিভিন্ন মসজিদে ১৭৪১টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে।




জাটকা সংরক্ষণ মৌসুমে ভিজিএফ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: নভেম্বর থেকে জুন এই ৮ মাস জাটকা সংরক্ষণ মৌসুম। এ সময়ে জাটকা ধরা থেকে বিরত থাকার জন্য সরকারের তরফ থেকে নিবন্ধিত জেলেদের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল ৪ মাস প্রতিমাসে ৪০ কেজি হারে চাল সহায়তা হিসেবে দেয়া হয়। চলতি বছর এ পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় জেলেদের মাঝে জাটকা সংরক্ষণ মৌসুমের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসের সহায়তার চাল বিতরণ করা হয়েছে। কিন্তু চাল বিতরণে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তালিকা তৈরিতে রয়েছে সমন্বয়ের অভাব ও করা হয়েছে স্বেচ্ছাচারিতা। এতে অধিকার বঞ্চিত হয়েছেন প্রকৃত জেলেরা।

জেলার গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৮৫৬ জন।  চলতি জাটকা সংরক্ষণ মৌসুমে ভিজিএফ বরাদ্দ হয়েছে ৮০৮ জন জেলের নামে। এসব জেলেরা জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ৮০ কেজি করে চাল পাওয়ার কথা থাকলেও পেয়েছেন ৪০ কেজি। আবার চালের তালিকায় নাম লেখাতে দিতে হয়েছে উৎকোচ। চাল পেয়েছেন সখ্যতার কারণে নিবন্ধনের আওতায় থাকা অন্যান্য পেশাজীবীরা। ভোট না দেয়ায় চাল বিতরণের তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন প্রকৃত জেলেরা। তাই যাচাই বাছাই সাপেক্ষে নিবন্ধিত তালিকা হালনাগাদ করার দাবি প্রকৃত জেলেদের।

আরো পড়ুন : ১০ দিনে কলাপাড়ায় মৎস্য আড়তে ৪৭৫ টন ইলিশ বিক্রি

ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ মোফাজ্জেল বলেন, আশেপাশের অনেক ইউনিয়নের জেলেরা ২ মাসে ৮০ কেজি চাউল পাইছে আমরা কেন পামু না? এই চেয়ারম্যান ক্ষমতায় আসার পর   আমরা একবারও  পুরা চাউল পাইনাই। যারা জেলে না, সাগর চোখে দেখে নাই, কোনদিন নদীতেও যায় নাই  হেরাও চাউল পাইতে আছে। আমাগো চাউল ভাগ কইরা তাগো দেতে আছে।

মোঃ আলমিন মোল্লা বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে আমাগো নামে ৮০ কেজি করে চাউল আসছে কিন্তু সেই চাউল আমাগো দেয় না। অনেক ওয়ার্ডে কোন জেলে নাই কিন্তু তালিকা কইরা অন্য মানুষের নাম ঢুকাইয়া আমাগো চাউল কম দিয়া তাগো ভাগ কইরা দেয়। আমরা আমাগো ন্যায্য অধিকার চাই।

মোঃ বিল্লাল উদ্দিন নামের আরেক জেলে নিজের কার্ড দেখিয়ে বলেন, আমি আগে চাউল পাইতাম এই চেয়ারম্যান আওয়ার পরে তালিকা দিয়া আমার নাম কাইট্টা দেছে। যারা ভ্যান চালায়, দোকান দেয়, কৃষি কাজ করে তাগো চাউল দেয়। কিন্তু আমি জাইল্লাগিরি করলেও চাউল পাই না।

একই অভিযোগ ৪ নং ওয়ার্ডের কবির খাঁ, ২ নং ওয়ার্ডের আইয়ুব সরদারসহ অন্যান্য জেলেদের।

৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ মনিরুল ইসলাম শোভন বলেন, চেয়ারম্যান তার পছন্দের লোক দিয়া তালিকা করছে। আমি যে তালিকা করছি সে তালিকা সে নেয় নাই। আমার ওয়ার্ডে ১৪৬ জন নিবন্ধিত জেলে আছে এরমধ্যে ৮২ জনের নামের তালিকা করা হয়েছে। এই ৮২ জনের মধ্যেও ১৮ জন চাল পায় নাই। আমি স্লিপ দিয়ে চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে পাঠালেও তিনি তাদের চাল দেননি। ৮০৮ জন জেলের নামে ৮০ কেজি হারে চাল বরাদ্দ এসেছে। এই চাল যাতে বেশি সংখ্যক মানুষ পায় তাই ভাগ করে দেয়া হয়েছে।

৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ দাদন মিয়া বলেন, আমি রানিং মেম্বার কিন্তু জেলেগো তালিকা করতে পারি নাই। তালিকা করে দলের নেতা কর্মীরা। তারা টাকা পয়সা নিয়া তাগো পছন্দের লোক জনের নাম তালিকায় ঢুকাইছে। যাগো চাউলডা প্রয়োজন তারা না পাইয়া পাইছে অন্যরা। তাছাড়া তালিকায় অনেকের নাম আছে যারা এখন এদেশে থাকেনা। তাগো নামের চাউল নিল কেডা?

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান সাহেবরে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমারে বলছেন এ ব্যাপারে আপনারে পরে বলবো।

আরো পড়ুন : আগুনে পুড়ে ছাই ঈদের আনন্দ

দাদন মিয়া আরো বলেন, বরাদ্দ আসছে ৮০৮ নামে কয়েকজন মেম্বারের জোগসাজেসে চাউল বিতরণের তালিকা করা হয়েছে ১৬১৬ জনের। এই কারণে জেলেদের নিবন্ধনের তালিকায় থাকা মোটরসাইকেল ড্রাইভার, ভ্যান ড্রাইভার,  দোকানদার, ফার্মেসিওয়ালারা চাউল পাইছে।

একই অভিযোগ ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ স্বপনের। তিনি বলেন চেয়ারম্যান সাহেব জেলেগো চাউল ভাগ কইরা দেওয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হইয়া আমার কাছে আসে। যারা  পাওয়ার যোগ্য তারা চাউল না পাইয়া  যখন জবাব চায় আমরা কি জবাব দিতে পারি? এবিষয়ে তারে বারবার বলা স্বত্ত্বেও কোন সুরাহা হয়নি।

২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ কামাল হোসেন বলেন, ২০০৭/২০০৮ সালে যখন ঢালাও ভাবে জেলেদের নিবন্ধন হয়েছে তখন অনেকের নাম ঢুকছে যাদের অনেকে এখন পেশা পরিবর্তন করছে। এমন ব্যাপক নাম প্রায় সব ইউনিয়নেই আছে। এদের দেখেই সবাই অনুযোগ করে যে ভ্যান চালক অটো চালকেরা চাউল পায়। তবে বরাদ্দ কম প্রকৃত জেলেদের বাদ দিয়ে কেন এসব ভ্যান চালক অটো চালকদের চাল দেয়া হয়েছে এ প্রশ্নের জবাব দিতে পারেননি তিনি।

ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদ রানা বলেন, উপজেলা সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্তের  আলোকে সরকারের বরাদ্দকৃত সুবিধা  অধিক সংখ্যক জেলেদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, ট্যাগ অফিসার এবং আমি মিলে তালিকা অনুমোদন দিয়েছি।

তালিকায় স্বজনপ্রীতিসহ অন্যান্য পেশাজীবীদের নাম থাকা ও অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে সুস্পষ্ট কোন জবাব দিতে পারেননি তিনি।

গলাচিপা উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জহুরুন্নবী বলেন, গলাচিপা উপজেলায় মোট ২০ হাজার ৮৩৫ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন। এর মধ্যে ৯০০০ নামে ২ মাসের চালের বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বেশি সংখ্যক জেলে বাদ পরার বিষয়টি উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির উপদেষ্টা স্থানীয় সংসদ সদস্য এস.এম শাহাজাদার উপস্থিতিতে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানরা উত্থাপন করেন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সরকারের এ বরাদ্দকৃত চাল অধিক সংখ্যক জেলেদের মাঝে বণ্টনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে যে জেলে এক মাসের চাল পেয়েছেন তাকে অন্য মাসে বাদ রেখে অন্যদেরকে চাল দেয়া হয়েছে।

তালিকা হালনাগাদের বিষয়ে তিনি বলেন, ২০২১ সালে জেলেদের তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে আবারো এ তালিকা হালনাগাদ করা হবে বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মহিউদ্দিন আল হেলাল তালিকা তৈরি ও বিতরণ ব্যাবস্থাপনায় কিছু সমস্যা থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, সরকার শ্রেণি অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে চাল বরাদ্দ দেয়। কিন্তু চাল বিতরণের সময় জেলেদের আলাদা  শ্রেণি বিভাগ করা সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে বরাদ্দের চেয়ে বেশি জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করতে হয় তাই স্থানীয় সংসদ সদস্য সহ সকলের সাথে পরামর্শ করে এ কাজটি করা হয়।

তিনি আরও বলেন, জেলে নয় এমন কিছু লোকের নাম তালিকায় আছে। পেশা পরিবর্তণের কারণে এমনটি হতে পারে। এজন্য আমরা আবেদন চাচ্ছি যারা জেলে নেয় আমরা বাতিল করব এবং যারা নতুন করে এ পেশার সাথে যুক্ত হয়েছে ওদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে।




১০ দিনে কলাপাড়ায় মৎস্য আড়তে ৪৭৫ টন ইলিশ বিক্রি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। গত ১০ দিনে মৎস্য বন্দর মহিপুর ও আলীপুরসহ কলাপাড়ার বিভিন্ন আড়তে বিক্রি হয়েছে প্রায় ৪৭৫ মেট্রিক টন ইলিশ। এবার ইলিশের দাম অনেক চড়া। এতে হতাশা প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। সাগরে জেলিফিশের প্রাদুর্ভাব কমে যাওয়ায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছের উৎপাদন বেড়েছে বলে দাবি মৎস্য বিভাগের।

সরেজমিনে কলাপাড়ার বৃহৎ মৎস্য বন্দর মহিপুর, আলীপুর, কুয়াকাটা, ধুলাসার, ধোলাইবাজার ও আঁশাখালী আড়তে গিয়ে দেখা যায়, প্রচুর পরিমাণে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে। কারণ, গত ১০ দিন গভীর সাগর থেকে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ নিয়ে ঘাটে এসেছে ট্রলারগুলো।

জানা গেছে, মৎস্য বন্দরগুলোতে ১ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৫০০-১৬০০ টাকা কেজি দরে। ৮০০ গ্রামের ইলিশ কিনতে ক্রেতাদের খরচ করতে হচ্ছে ১২০০-১৩০০ টাকা, ৬০০ গ্রামের ইলিশ ৮০০-৯০০ টাকা। বাজারে জাটকা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকা কেজি দরে।

আরো পড়ুন : আগুনে পুড়ে ছাই ঈদের আনন্দ

মহিপুরের পাইকারি মাছ ব্যবসায়ী সলেমান মিয়া বলেন, গত ১০দিন (সোমবার পর্যন্ত) সব জেলেরাই সাগর থেকে মাছ নিয়ে ফিরেছেন। দামও ভালো পেয়েছেন তারা। মূলত পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মাছের দাম কমেনি। আমরা যারা পাইকারি ব্যবসা করি আমরাও ঢাকায় মাছের ভালো দাম পেয়েছি।

ধুলাস্বর এলাকার জেলে ইউসুফ মিয়া বলেন, আমরা মূলত ডিঙ্গি নৌকা দিয়ে মাছ শিকার করি। প্রতিদিন সাগরে যাই আবার ফিরে আসি। সাগরে জেলিফিশ কমে যাওয়ার পর আমাদের জালে ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়েছে। এভাবে মাছ আসলে আমরা ধারদেনা কাটিয়ে উঠতে পারবো।

কলাপাড়া মাছ বাজারে ইলিশ কিনতে আসা ক্রেতা ফজুল মিয়া বলেন, ব্যবসায়ীরা পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে ইলিশের প্রচুর দাম চাচ্ছেন। যেভাবে দাম চাচ্ছে মনে হয় সোনা কিনতে এসেছি। আমরা বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানাচ্ছি।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

অপর ক্রেতা সাইফুল মিয়া বলেন, বিক্রেতারা ১ কেজি ইলিশের দাম চাচ্ছে ১৭০০-১৮০০ টাকা। এভাবে ইলিশের দাম বাড়লে আমরা কোনোভাবেই এই মাছটি আর কিনে খেতে পাড়বো না। বাজারে প্রশাসনের নজরদারি বাড়লে ইলিশের দাম কমতে পারে।

কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, গত ১০ দিনে কলাপাড়া উপজেলার জেলেরা ৪৭৫ মেট্রিকটন ইলিশ বিক্রি করেছেন। এছাড়া চিংড়ি, লইট্যা, পোয়া, তুলার ডাডি ও সোনাপাতাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছও পাচ্ছেন জেলেরা। আশা করছি, বৃষ্টি হলে মাছের পরিমাণ আরও বাড়বে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা বাজার মনিটরিং করছি। পণ্যের দাম বেশি রাখলে তার (ব্যবসায়ী) বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




আগুনে পুড়ে ছাই ঈদের আনন্দ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ঈদের দুই দিন আগে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় আগুনে পুড়ে গেছে দুটি বসতঘর। মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের চরইমারশন গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- ওই গ্রামের আজাহার ফরাজী ও তার ছেলে রনিপ ফরাজী।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

এদিকে, আগুনের ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিক ত্রাণসামগ্রী ও নগদ টাকা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে ছুটে যান ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মু. কামরুজ্জামান শিবলী।

চেয়ারম্যান মু. কামরুজ্জামান শিবলী বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান মুহিব এমপি মহোদয়ের নির্দেশনায় তাৎক্ষণিক ত্রাণসামগ্রী ও নগদ টাকা প্রদান করেছি।’




দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, বৃহস্পতিবার ঈদ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : দেশের আকাশে কোথাও হিজরি শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সে হিসাবে আগামীকাল বুধবার (১০ এপ্রিল) পবিত্র রমজান মাসের ৩০তম দিন পূর্ণ হবে এবং আগামী বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) পবিত্র ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হবে।

অর্থাৎ শাওয়াল মাস শুরু হবে আগামী বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল)। ওই দিনই দেশে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর।

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খানের সভাপতিত্বে এ বৈঠক হয়।

সভায় ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৬৪ জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত হয় যে, আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে পবিত্র শাওয়াল মাস গণনা শুরু হবে এবং ১ শাওয়াল বৃহস্পতিবার সারা দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।




পটুয়াখালীতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাস টার্মিনালগুলোতে শুরু হয়েছে নাড়ির টানে গ্রামে ফেরা মানুষের ঢল।

ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনে পটুয়াখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন করেছেন পটুয়াখালী জেলার পুলিশ সুপার মো. সাইদুল ইসলাম বিপিএম, পিপিএম।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে বাস টার্মিনাল পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার।

আরো পড়ুন : বিএনপির নিবন্ধন বাতিল চায় দেশের জনগণ: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

তিনি যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা কোনো ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন কিনা এসব বিষয়ে জানতে চান।

এছাড়া পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে ঈদযাত্রার বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। বাস মালিক সমিতির এবং বাস কাউন্টারের লোকদের উদ্দেশ্য করে বলেন কোনোভাবেই যেন লেবুখালী বা কোনো স্থানে অহেতুক কালক্ষেপন না করে গাড়িগুলো তাহলে বাড়তি গাড়ির চাপে সড়কে যান চলাচল বিঘ্নিত হবে জনগণের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পাবে।

তিনি আরও বলেন, একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না আর আপনারা জানেন এলাকায় একটা দুর্ঘটনা মানে এই এলাকার আনন্দ ম্লান হওয়ার সামিল। তাই আপনারা ট্রাফিক আইন মেনে চলবেন। ঈদ আসলে স্কুল, কলেজ পড়ুয়ারা চাবে একটু গাড়ি নিয়ে মজা করতে। এই মজা যেন কারো কষ্টের বা দুঃখের না হয় তাই লাইসেন্স না থাকলে কাউকে গাড়ি দিবেন না। আমরা পটুয়াখালী জেলার ঈদ আনন্দ নির্বিঘ্ন করতে চুরি, চিনতাই বা যেকোনো আপত্তিকর পরিস্থিতি রোধ কল্পে ইতোমধ্যে সকল প্রকার নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আহমাদ মাঈনুল হাসান।




বিএনপির নিবন্ধন বাতিল চায় দেশের জনগণ: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বিএনপি এখন আর প্যালেষ্টাইনের পক্ষে নেই। জঙ্গি বিএনপি, জামায়াত মুসলমানদের পক্ষে কথা বলছেনা। একমাত্র বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকার প্যালেষ্টাইনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মুসলমানদের পক্ষে কথা বলছে। তাই দেশের জনগণ স্বাধীনতা বিরোধী দল বিএনপির নিবন্ধন বাতিল চায় বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ মো. মহিববুর রহমান এমপি।

আজ মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) বেলা ১১টায় পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে দুর্যোগ ব্যবস্হাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে মহিপুর, লতাচাপলী, ডালবুগঞ্জ, ধূলাসার ও কুয়াকাটা পৌরসভার সহস্রাধিক দুস্থ মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ঈদ উপহার বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন ।

আরো বলুন : পটুয়াখালীতে পচা নাড়ার ঘরে বসবাস বৃদ্ধা আয়েশা বিবির

মহিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আ: মালেক আকনের সভাপতিত্বে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম, কুয়াকাটার পৌর মেয়র আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, মহিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদ নুরুল ইসলাম হাওলাদার, সহ-সভাপতি ডাক্তার খলিলুর রহমান, কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অনন্ত মূখার্জী, মহিপুর থানা যুবলীগের আহ্বায়ক এএম মিজানুর রহমান বুলেট।

বিতরণকৃত ঈদ উপহার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি চিনি, ১০০ গ্রাম মরিচের গুঁড়া, ২০০ গ্রাম হলুদের গুঁড়া, ১০০ গ্রাম ধনে গুঁড়া এবং ১ লিটার সয়াবিন তেল।