তারকারা কে কোথায় ঈদ করছেন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল ফিতর। দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পরে ঈদের আনন্দে মেতে উঠবে দেশের সকল শ্রেণি পেশার মানুষ। কারো প্রিয়জনদের সঙ্গে, কারো ঈদ কাটবে কর্মব্যস্ততার মধ্য দিয়ে। 



সাকিব-মুশফিকরা কে কোথায় ঈদ করছেন




ইরানে সরাসরি হামলার হুমকি ইসরায়েলের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ইরান থেকে কোনো হামলা হলে দেশটিতে সরাসরি হামলার হুমকি দিচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। এপ্রিলের শুরুতে সিরিয়ায় অবস্থিত ইরানের কনস্যুলেটে ভয়াবহ হামলা চালায় ইসরায়েল। ওই হামলার জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছে তেহরান।



ইসরায়েলের হামলায় হামাস প্রধানের তিন ছেলে নিহত




সেই বৃদ্ধার ঘরে ঈদ উপহার পাঠালেন ইউপি চেয়ারম্যান

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় এক অসহায় বৃদ্ধার ঘরে ঈদ উপহার পাঠিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইদুজ্জামান মামুন। ওই বৃদ্ধার নাম আয়শা বিবি (৭০)। তিনি উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের হরিদ্রাখালী গ্রামের বাসিন্দা।

বুধবার দুপুরে ঈদসামগ্রীর প্যাকেজ বৃদ্ধার বাড়িতে পাঠানো হয়। এতে ছিল ১০ কেজি চাল, এব কেজির মশুর ডাল, চিনি, হলুদ,মরিচ, ধনিয়া গুড়া, সেমাই, দুধ ও নতুন কাপড়।

এর আগে ‘পচা নাড়ার ঘরে বসবাস বৃদ্ধা আয়শা বিবির’ শিরোনামে চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডক কম অনলাইনে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

পটুয়াখালীতে পচা নাড়ার ঘরে বসবাস বৃদ্ধা আয়েশা বিবির  শিরোনামে

সংবাদটি নজরে পড়লে বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মহিব্বুর রহমান মহিবের নির্দেশনায় ওই বৃদ্ধার ঘরে ঈদ সামগ্রী পাঠানো হয়েছে।

ঈদ উপহার পেয়ে আপ্লুত আয়শা বিবি বলেন, ‘স্বামী মারা গেছে প্রায় ২০ বছর হয়েছে। দুই মেয়ে ও এক ছেলে আছে। ওরা কেউ আমার খোঁজখবর নেয় না। আমি মানুষের বাসায় কাজ করে জীবনযাপন করি। এত ঈদ গেল কেউ খোঁজ নিলো না। এ বছর আমার কষ্টের কথা শুনে যে ঈদ বাজার পাঠিয়েছে তার জন্য আল্লাহ কাছে দোয়া করি। স্বামীর ভিটেতে নাড়ার ছাপড়া দেয়া ঘরে বসবাস করি। অনেক কষ্ট হয় ভাঙা ঘরটিতে। তবুও ঝুঁকি নিয়ে থাকতে হচ্ছে। আমারে ঘর করে দিলে ভালো হতো।’

আরো পড়ুন : বর্ষবরণ ও ঈদকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত পটুয়াখালীর মৃৎশিল্পীরা

সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইদুজ্জামান মামুন বলেন, আয়শা বিবির বাসস্থান নিশ্চিতে সরকারি ঘর দেয়ার ব্যবস্থা করবো।




বর্ষবরণ ও ঈদকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত পটুয়াখালীর মৃৎশিল্পীরা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পহেলা বৈশাখ ও ঈদকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করছেন পটুয়াখালীর বাউফলের পালপাড়ার মৃৎশিল্পীরা। এখানকার তৈরি মাটির পণ্যসামগ্রী ঢাকার আড়ং ব্র্যান্ড ও দেশের সীমানা পেরিয়ে বিদেশেও রফতানি হচ্ছে এখন। এ বছর ঈদ এবং পহেলা বৈশাখ উৎসব একই সময়ে পড়ায় জমজমাট ব্যবসা হচ্ছে বলে জানান এই মৃৎশিল্পীরা।

বাংলা বর্ষবরণ ও ঈদকে সামনে রেখে তৈরি করা হচ্ছে পান্তা খাওয়ার থালা-বাসন, মগ, মিষ্টির পাতিলসহ বিভিন্ন আইটেম। এসব পণ্য তৈরির কাজ শেষ । তাই এখন বিপণন নিয়ে ব্যস্ত এ শিল্পের সঙ্গে জড়িতরা।

আরো পড়ুন : স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স না থাকায় চিকিৎসা নিতে ছুটছেন পার্শ্ববর্তী উপজেলায়

পটুয়াখালীর বাউফলের মদনপুরা ইউনিয়নের পালপাড়া মাটির পণ্যের জন্য পরিচিত প্রায় অর্ধশতক ধরে। বৈশাখী মেলায় এ অঞ্চলের সর্বত্র এখানকার তৈরি মাটির খেলনা বিক্রি করা হতো। প্রযুক্তির উৎকর্ষ আর নকশার আধুনিকতায় এর বাজার ছড়িয়ে পড়ে রাজধানী ঢাকাতেও। এখন আর শুধু খেলনা নয়, মাটির তৈরি ফুলদানি, ডিনার সেট, কাপ-পিরিচ, মগসহ বিভিন্ন শোপিস তৈরি হয় এই পালপাড়ায়। যার বাজার রয়েছে ঢাকার আড়ংসহ বিভিন্ন মার্কেটে। কয়েক বছর ধরে দেশের বাইরেও যাচ্ছে এই মাটির পণ্যগুলো।

এখানকার মৃৎশিল্পের অন্যতম রূপকার ছিলেন রাজেশ্বর পাল। এক সময় তিনি মেলায় ঘুরে ঘুরে মাটির খেলনাসহ অন্যান্য পণ্য বিক্রি করতেন। তিনি আজ বেঁচে না থাকলেও, তার প্রতিষ্ঠানের তৈরি পণ্য সুনাম ছড়াচ্ছে দেশের ঐতিহ্যবাহী সব প্রতিষ্ঠানে।

পালপাড়ার এ মৃৎশিল্পের সঙ্গে জড়িত রয়েছে প্রায় অর্ধশত পরিবার। প্রতিবছর পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে স্থানীয় বাজারে প্রচুর চাহিদা থাকে। এ বছর ঈদ সামনে রেখে এই চাহিদার পরিমাণ আরও অনেক বেশি বলে জানিয়েছেন পালপাড়ার এই মানুষেরা।

বাউফল পালপাড়ার মৃৎশিল্পীদের সভাপতি বিশ্বেশর পাল বলেন, ‘সরকারিভাবে স্বল্প সুদের সহযোগিতা এবং মাটি পেলে আমরা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রফতানি করতে পারব তৈরি করা এই মাটির জিনিসগুলো।’

আরো পড়ুন : শেষ দিকে কুয়াকাটা সৈকত জুড়ে জমেছে ইফতার

পটুয়াখালীর ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প করপোরেশনের (বিসিক) সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. আলমগীর সিকদার বলেন, বর্তমানে এই শিল্পীরা আধুনিক কিছু পণ্য তৈরি করেছেন। সেই সঙ্গে কিছু পণ্য দেশের বাহিরেও রফতানি করা হচ্ছে। এই মৃৎশিল্পের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে পটুয়াখালীর শিল্প সহায়তা কেন্দ্রের। তাদের লোন কার্যক্রম ছাড়াও ঢাকা থেকে ডিজাইন সহায়তা করে থাকে বিসিক। তা ছাড়া এই মৃৎশিল্পীদের অল্প সুদে সহযোগিতা দেয়ার কথাও জানালেন এই বিসিক কর্মকর্তা।

পালপাড়ার এ মৃৎশিল্পের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন প্রায় অর্ধশত পরিবারের ৫ শতাধিক মানুষ। শুধু বর্ষবরণ নয়, বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠান এবং ঘরের শোভাবর্ধনে দিন দিন চাহিদা বাড়ছে এখানকার মাটির তৈরি পণ্যের।




শেষ দিকে কুয়াকাটা সৈকত জুড়ে জমেছে ইফতার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর সাগরকন্যা কুয়াকাটায় রমজানের শেষ সময়ে ইফতারকে কেন্দ্র্র করে সৈকতে পশ্চিম দিগন্তজুড়ে চলছে উৎসবের আমেজ। বিকেল হতেই কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে পশ্চিম দিকে দেখা যায় দলে দলে ইফতারের প্রস্তুতির দৃশ্য।

পড়ন্ত বিকেলে সূর্য যখন পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ে, ঠিক এমন গোধূলি বেলায় দেখা যায় রোজাদাররা ইফতার সামগ্রী নিয়ে রং তুলিতে সাজানো ব্লোকের উপরে বসে ইফতার সামগ্রী তৈরিতে কেউ কেউ ব্যস্ত, কেউ ব্যস্ত প্রার্থনায়, কেউ কেউ মনের সুখে গুনগুনিয়ে হামদ-গজল গাইছে, কারও হাতে ছোলা, মুড়ি, চপ মাখানোর ব্যস্ততা, কেউ বানায় শরবত, কেউ কেউ ফল বা তরমুজ কাটে, কেউ আবার খাবার পানি সহ সাজাচ্ছে প্লেট-গ্লাস। সৈকতের তীরে মুক্ত বাসাতে এ যেন এক অন্য রকম প্রশান্তি। সেখানেই সবার অপেক্ষা মাগরিবের আজানের।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীর ২১ গ্রামে ঈদ উদযাপন

মো. মারুফ হোসেন বলেন, সবদিনই তো পরিবারের সঙ্গে ইফতার করি। আজকে সবাই মিলে কুয়াকাটা সৈকতে ইফতার করতে এসেছি। মুক্ত বাতাস অনেক ভালো লাগতেছে। মনটা ভরে গেছে এই পরিবেশে এসে।

হোটেল মিয়াদ ইন্টারন্যাশনাল এর জিএম ইব্রাহীম ওয়াহিদ বলেন, প্রাকৃতিক পরিবেশে বিশাল সমুদ্রের বুকে মুক্ত বাতাসে ইফতার করার অন্য রকম এক অনুভূতি। ইফতারের আগের সময়টুকু সবচেয়ে ভালো লাগার। সারাদিন রোজা রেখে আল্লাহর এই বিশাল সৃষ্টির বুকে ইফতার আসলেই অন্তরকে তৃপ্তি দেয়, আলহামদুলিল্লাহ।

কুয়াকাটা বাইতুল আরজ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মাঈনুল ইসলাম মান্নান বলেন, আল্লাহর রাসূল বলছেন রমজানের শেষ দিকে সাওয়াল মাসের চাঁদ খুছতে। তাই একত্রে সৈকতের পাসে ইফতার করতে এসেছি। বিশাল সাগরের গর্জন, মুক্ত বাতাস মনোরম পরিবেশ, আল্লাহর মহান এক হুকুম রোজা রেখে ইফতারের অপেক্ষায় আছি। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে কবুল করুক, আগামী রমজান পর্যন্ত সবাইকে সুস্থ, সুন্দর রাখুক সেই প্রত্যাশা করছি।




স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স না থাকায় চিকিৎসা নিতে ছুটছেন পার্শ্ববর্তী উপজেলায়

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়ে গেছে। চরাঞ্চলে লবণাক্ত পানি, অতিরিক্ত গুমট আবহাওয়া ও সুপেয় পানির অভাবের কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করছেন ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসকরা।

অথচ এ উপজেলায় কোনো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স না থাকায় আক্রান্ত রোগীরা ছুটছেন পার্শ্ববর্তী কলাপাড়া ও গলাচিপা উপজেলায়। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে রোগী ও তার স্বজনদের।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীর ২১ গ্রামে ঈদ উদযাপন

ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে জানা যায়, গত কয়েক দিনের গরমে ডায়রিয়ার প্রকোপ চরম আকার ধারণ করেছে। আক্রান্তদের অধিকাংশই শিশু। বয়স্করা এসে এখানে চিকিৎসা নিয়ে অনেকেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন এবং সেখানে বসেই পরবর্তী চিকিৎসা নিতে পারচ্ছেন। কিন্তু শিশুদের ক্ষেত্রে ঘটছে বিপত্তি। তাদেরকে এখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পার্শ্ববর্তী কলাপাড়া অথবা গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হচ্ছে।

ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপসহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা ফিরোজ মাহমুদ বলেন, চরাঞ্চলের পানি লবণাক্ত এবং অনেকে অনিরাপদ ভাজাপোড়া খাচ্ছেন। এ কারণেই ডায়রিয়ার প্রকোপটা বেড়ে গেছে।

গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন জানান, গলাচিপা উপজেলায় প্রতিদিন প্রায় ৩০-৪০ জন ডায়রিয়ার রোগী আসছে। আবার অনেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন।




ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র স্বীকৃতি দেওয়ার ইঙ্গিত অস্ট্রেলিয়ার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  শান্তি ফেরানোর বিষয়ে দ্রুততা আনতে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং। তবে সেক্ষেত্রে সরকার পরিচালনায় হামাসের কোনো ভূমিকা থাকতে পারবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

ক্যানবেরা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছে, ইসরায়েলের সঙ্গে মধ্যস্থতার মাধ্যমে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের অংশ হিসেবেই একমাত্র ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি আসতে পারে।

তবে ওংয়ের মন্তব্যে চলতি বছরের গোড়ার দিকে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের একটি বক্তব্যের প্রতিফলন দেখা গেছে। সেসময় ক্যামেরন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ইসরায়েলের সমর্থন ছাড়াই ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে পারে যুক্তরাজ্যও।

গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের অভিযান সম্পর্কে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। ইসরায়েলি বিমান হামলায় একজন অস্ট্রেলীয় ত্রাণকর্মী এবং আরও ছয়জন নিহত হওয়ার ঘটনাতেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল দেশটি।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) রাতের ভাষণে পেনি ওং জানিয়েছেন, ‘সহিংসতার অন্তহীন চক্র’ ভাঙতে একমাত্র আশার আলো হতে পারে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান, যেখানে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিরা পৃথক দেশে পাশাপাশি বসবাস করবেন।

তিনি বলেছেন, এই পথ গ্রহণ করার ক্ষেত্রে দশকের পর দশক ধরে চলে আসা ব্যর্থতা এবং তার পাশাপাশি নেতানিয়াহু সরকারের ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের প্রশ্ন নিয়ে আলোচনায় অস্বীকৃতি জানানো ব্যাপক হতাশার সৃষ্টি করেছে। তাই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রশ্নকে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের গতি বাড়ানোর উপায় হিসেবে বিবেচনা করছে।

তবে অস্ট্রেলিয়ার বিরোধী দল এবং জায়নিস্ট ফেডারেশন অব অস্ট্রেলিয়া এর সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে। তাদের মতে, ফিলিস্তিনের বিষয়ে নেওয়া অস্ট্রেলিয়া সরকারের এমন সিদ্ধান্ত হবে অপরিপক্ব পদক্ষেপ।

বিরোধীদের পররাষ্ট্র বিষয়ক মুখপাত্র সাইমন বার্মিংহাম বলেছেন, তারা এই পদক্ষেপকে সমর্থন করে না এবং প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজের সরকার কয়েক দশক ধরে চলে আসা ‘দ্বিপক্ষীয় অস্ট্রেলীয় পররাষ্ট্রনীতি’ ভঙ্গ করার হুমকি দিচ্ছে।

এক বিবৃতিতে সাইমন বলেন, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে আগাম স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য আলবানিজ সরকারের যুক্তিতে নিরাপত্তার আগে রাষ্ট্রকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যে সন্ত্রাসীরা বর্তমানে এই ভয়াবহ সংঘাতের সূচনা করেছে, এতে তাদেরই জয় হবে।

জায়নিস্ট ফেডারেশন অব অস্ট্রেলিয়ার প্রেসিডেন্ট জেরেমি লেবলার বলেছেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি নিয়ে আলোচনার জন্য এখনো সঠিক সময় আসেনি।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র গঠনের কোনো আলোচনা বিশ্বাসযোগ্য হওয়ার আগে হামাসকে অবশ্যই অপসারণ করতে হবে এবং ফিলিস্তিনি নেতৃত্বের একটি নতুন প্রজন্মের উত্থান ঘটাতে হবে, যারা দুর্নীতিগ্রস্ত নয়, সহিংসতাকে প্রশ্রয় দেবে না এবং ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে ইসরায়েলের অস্তিত্বের অধিকারকে স্বীকৃতি দেবে।

অন্যদিকে, পেনি ওং জানিয়েছেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিলে ‘শত্রুকে পুরস্কৃত’ করা হবে, এই দাবি ‘ভুল’। তার মতে, ইসরায়েলের নিরাপত্তা দ্বি-রাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধানের ওপর নির্ভরশীল এবং রাষ্ট্রের স্বীকৃতি হামাসকে দুর্বল ও দূরে সরাতে সাহায্য করবে।

প্রায় ১৪০টি দেশ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিলেও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলো সেটি এখনো স্বীকার করেনি।

বর্তমানে ‘পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র’ হিসেবে থাকা ফিলিস্তিনকে আন্তর্জাতিক সংস্থার পূর্ণ সদস্যপদ দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করতে চলেছে জাতিসংঘ।

হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবরের পর থেকে ফিলিস্তিনি উপত্যকাটিতে ইসরায়েলি হামলায় ৩৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলটির বিরাট অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং বহু ফিলিস্তিনি দুর্ভিক্ষের মুখে পড়েছেন।

এই সংঘাত বন্ধে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চললেও তা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে এ ঘটনায় ইসরায়েলের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ ক্রমশ বাড়ছে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা




শাকিব ছাড়া দ্বিতীয় কোনো পুরুষকে ভাবতে পারি না : বুবলী