বরিশালে অগ্নিকাণ্ড ৫ টি ঘর ভস্মীভূত , ২৫ লক্ষ টাকার ক্ষয় ক্ষতি

বরিশাল অফিস:: বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ভবানীপুর গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যায়। স্থানীয়, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, শনিবার ১৩ এপ্রিল ভোর পাঁচটায় মল্লিক বাড়ির মোঃ ইয়াসিন মল্লিকের রান্নাঘরের বৈদ্যুতিক পানির মটারের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত দেখা যায়, মুহূর্তেই একই বাড়ির কামাল মল্লিক,সাইদুল মল্লিক, ফরিদা বেগম,জাহিদুল মল্লিক’র ঘর সম্পূর্ণ আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায়।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের কয়েক ঘন্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, আলহাজ্ব খালেক রাঢ়ী।

এ সময় উজিরপুর বানারিপাড়া বরিশাল ২ আসনের সংসদ সদস্য কমরেড রাশেদ খান মেননের পক্ষে জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা জহিরুল ইসলাম টুটুল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যান ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল, তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সহায়তা প্রদান করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন জানান, ক্ষতিগ্রস্তদেরকে উপজেলা প্রশাসন থেকে টিন ও নগদ অর্থ প্রদান করা হবে।




বরিশালে বেড়াতে এসে নদীতে গোসলে নেমে তরুণী নিখোঁজ

বরিশাল অফিস:: বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় মামীর বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসে নদীতে গোসলে নেমে সিলেটের এক তরুণী নিখোঁজ হয়েছেন। শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মরিচবুনিয়া গ্রামে ভেলুয়া নদীতে ওই তরুণী নিখোঁজ হয় বলে জানিয়েছেন বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার আনোয়ার হোসেন।

নিখোঁজ শান্তা (১৮) সিলেট শহরের সৌদি আরব প্রবাসী মো. সোহেল রানার মেয়ে। তিনি মহাখালী টি অ্যান্ড টি মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী।

স্থানীয় বাসিন্দা সাইমুন বলেন, মরিচবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা আয়নাল হকের মেয়ের সঙ্গে শনিবার সকাল ৯টার দিকে বেড়াতে আসেন শান্তা। পরে বেলা ১১টার দিকে ছোট বোন লামিয়াকে নিয়ে নদীতে গোসল করতে যান। এক পর্যায়ে স্রোতে তলিয়ে যান শান্তা।

বিশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম শান্ত বলেন, সাঁতার না জানায় ওই তরুণী স্রোতে ভেসে যান। স্থানীয়ভাবে ডুবুরি দিয়ে তিন ঘণ্টার মত নদীতে তল্লাশি চালিয়ে খোঁজ না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়।

ফায়ার সার্ভিসের আনোয়ার হোসেন বলেন, সন্ধ্যা হওয়ায় উদ্ধার অভিযান শুরু করা সম্ভব হয়নি। রোববার সকালে উদ্ধার কাজ শুরু করা হবে।




ভাতিজার দায়ের কোপে প্রাণ গেল চাচার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দুমকিতে মানসিক ভারসাম্যহীন ভাতিজার ধারাল দায়ের কোপে চাচা সাবেক পুলিশ সদস্য আ. আজিজ সিকদার (৭০) নিহত হয়েছে।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের আঠারগাছিয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক খুনের ঘটনাটি ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, আঠারগাছিয়া গ্রামের আলতাফ সিকদারের সৌদি ফেরত বিকারগ্রস্ত ছেলে শহিদ শিকদার (২৮)  আকস্মিক উত্তেজিত হয়ে ৩-৪ প্রতিবেশীর ঘরের দরজা, জানালা পিটিয়ে চারদিকে ছোটাছুটিকালে সম্পর্কে চাচা সাবেক পুলিশ সদস্য আজিজ সিকদারের (পুলিশ) হাতে থাকা ধারাল দাও কেড়ে নিয়ে তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে দেশী প্রজাতির ছোট বড় মাছ বিলুপ্ত হতে চলছে

প্রতিবেশী লোকজন বিকারগ্রস্ত শহিদকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে এবং গুরুতর আহতকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। শেবাচিম হাসপাতালে নেয়ার পর বেলা আড়াইটায় তার মৃত্যু হয়।

অভিযুক্ত শহিদ সিকদারের ভাই সবুজ সিকদারের দাবি, সৌদি ফেরত শহিদ সিকদার বেশ কয়েক দিন ধরে একাকিত্বে থেকে অসংলগ্ন আচরণ করছিল। কারও সাথে কোনো পূর্ব বিরোধ না থাকলেও মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে এমন মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে।

দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ তারেক মো. আবদুল হান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের লাশ বরিশাল হাসপাতাল মর্গে আছে। অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন।




নতুন বছর অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে : প্রধানমন্ত্রী




নববর্ষ বরণে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

নববর্ষ বরণে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

7Shares
facebook sharing button
whatsapp sharing button
অ+
অ-
নববর্ষ বরণে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি 

 




ইসরায়েলে আঘাত হানতে সক্ষম ইরানের শক্তিশালী ৯ ক্ষেপণাস্ত্র

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইরানের কনস্যুলেট ভবনে হামলা চালানোর পর থেকে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে ইসরায়েল। যেকোনো কূটনৈতিক স্থাপনায় হামলা হলে তার জবাব আন্তর্জাতিক আইনে সম্পূর্ণ বৈধ।

ইরানের পাল্টা হামলা কেমন হতে পারে তা নিয়ে ইসরায়েল ও তার সহযোগী দেশগুলো বিশেষ করে আমেরিকা ভয়ানক উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ইরান ইসরায়েলে শতাধিক ড্রোন ও কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে পারে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক প্রতিবেদনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারকে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি বলে উল্লেখ করেছে। ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র বহরে রয়েছে নানা ধরনের বহু ক্ষেপণাস্ত্র।

ইসরাইলে আঘাত হানতে সক্ষম ইরানের নয়টি ক্ষেপণাস্ত্র হচ্ছে :

খোররামশহর-৪ ক্ষেপণাস্ত্র (খাইবার)
এটির পাল্লা ২ হাজার কিমি, দৈর্ঘ্য: ১৩ মিটার, ব্যাস: ১.৫ মিটার, ওজন: ৩০ টন, গতি: বায়ুমণ্ডলের বাইরে ১৬ ম্যাক/বায়ুমণ্ডলের ভিতরে ৮ ম্যাক

হাজি কাসেম ক্ষেপণাস্ত্র
এই ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা ১ হাজার ৪০০ কিমি, দৈর্ঘ্য ১১ মিটার, ওজন ৭ টন, গতি ৫ ম্যাক।

খায়বার শেকান ক্ষেপণাস্ত্র
এটির পাল্লা ১ হাজার ৪৫০ কিমি, দৈর্ঘ্য ১০.৫ মিটার, ওজন ৪ হাজার ৫০০ কেজি। গতি ঘণ্টায় ৫ হাজার কিলোমিটারের বেশি।

সিজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র 
সিজ্জিলের পাল্লা ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০কিমি. দৈর্ঘ্য ১৭.৫৭ মিটার। ওজন ২৩ টন। গতি ১২ থেকে ১৪ ম্যাক।

পাভে ক্ষেপণাস্ত্র
এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ১ হাজার ৬৫০ কিমি, উড়ন্ত উচ্চতা ৫০ মিটারের কম, গতি ঘণ্টায় ৬০০ থেকে ৯০০ কি.মি.।

ফাত্তাহ-২ ক্ষেপণাস্ত্র
এটির পাল্লা ১ হাজার ৪০০ কিলোমিটারের বেশি, দৈর্ঘ্য ১২ মিটার। ওজন ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার ১০০ কেজি। গতি ৫ ম্যাক।

কদর ক্ষেপণাস্ত্র (ট্রিপল)
কদর ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ১ হাজার ৯৫০ কি.মি. পর্যন্ত।  ওজন ১৭ হাজার ৪৮০ কেজি পর্যন্ত। গতি প্রায় ৯ ম্যাক।

এমাদ ক্ষেপণাস্ত্র
এই  ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় ১ হাজার ৭০০ কি.মি.। ওজন ১ হাজার ৭৫০ কেজি।

শাহাব-৩ ক্ষেপণাস্ত্র
এর পাল্লা প্রায় দুই হাজার কি.মি.। দৈর্ঘ্য প্রায় ১৬ মিটার। ওজন ১ হাজার ৭৮০ কেজি।




পটুয়াখালীতে দেশী প্রজাতির ছোট বড় মাছ বিলুপ্ত হতে চলছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী জেলার সবগুলো উপজেলাতে বিভিন্ন দেশী প্রজাতির ছোট বড় মাছ বিলুপ্ত হতে চলছে। জেলার বিভিন্ন খালে-বিলে বাঁশের চাঁই ব্যবহারের ফলে ছোট প্রজাতির মাছ হারিয়ে যাবার উপক্রম হয়েছে। চাঁই ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন প্রজাতির দেশী মাছের পোনা ও ছোট বড় মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। গ্রাম-গঞ্জে বাঁশের তৈরী চাঁই পেতে মাছের বংশ নষ্ট করছে এক শ্রেনীর অসাধু জেলেরা।

অন্যদিকে বিভিন্ন খালে ও ডোবায় অধিক হারে কীটনাশকযুক্ত পানি প্রবেশ করার কারনে মাছের বংশ বিস্তার করতে পারছে না। এই সব অবৈধ চাঁই প্রতিরোধ করতে না পারলে দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। তারপরও থেমে নেই মাছ শিকারে অসাধু জেলেরা। ফলে ভবিষ্যতে দেশী প্রজাতির ছোট-বড় মাছ রুপকথার গল্পের মত হয়ে যাবে।

আরো পড়ুন : দীর্ঘ ৮ বছর পর পটুয়াখালী-কুয়াকাটার ১১ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ

জেলায় মাছের ক্ষেত্র হিসাবে পরিচিত আলীপুরা, বাঁশবাড়িয়া, রনগোপালদী, চরবোরহান, দশমিনা, গলাচিপা, ছোট বিঘাই, দুমকি, মির্জাগঞ্জ, সুবীধখালী, কলাপাড়া, আনন্দপুর, বেতাগী সানকিপুর ইত্যাদি ইউনিয়নসহ চরাঞ্চল এলাকা ছোট-বড় খাল এখন মাছ শূন্য হয়ে গেছে।

উল্লেখিত এলাকায় বোয়াল, মাগুর, শিং, কৈ, টেংরা, শোল, টাকি, পুটি, গজার, চাপিলা, খৈইলশা, পাবদা, আইড়, চিংড়ি, মলা, বাইন, বেলে সহ অর্ধ শতাধিক প্রজাতির মাছ প্রায় বিলুপ্ত হবার পথে রয়েছে। বিশেষ করে নদীর মাছ হিসাবে পরিচিত পোয়া, ইলিশ, আইড়, রিটা যার দেখা এখন অনেকটা ভাগ্যের ব্যাপার। অত্র অঞ্চলের সোনার হরিণ হিসাবে পরিচিত ইলিশ মাছ যেন এখন হয়ে গেছে।

নিষিদ্ধ ঘোষিত জালের অবাধ ব্যবহার, কৃষি জমিতে সার ও কীটনাশকের ব্যাপক ব্যবহার, বর্ষাকালে প্রজনন মৌসুমে ডিমওয়ালা মা মাছ সহ পোনা নিধন, শুস্ক মৌসুমে মাছ ধরার প্রবনতা এবং মাছের বিচরন ক্ষেত্র কমে যাওয়া সহ প্রভৃতি কারনে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ফসল হিসাবে পরিচিত মৎস্য সম্পদ আজ বিলুপ্ত হতে চলছে। এছাড়া মাছের প্রজনন মৌসুম ও পোনা মাছের বৃদ্ধিকালীন সময় অবাধে ছোট-বড় মাছ ধরা এবং মৎস্য আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় মৎস্য সম্পদ দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। বিগত ২০ বছর আগে গ্রামাঞ্চলে সর্বত্র দেশী প্রজাতির মাছ পাওয়া গেলেও এখন আর সেই অবস্থা নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা গুলোর বিভিন্ন হাট-বাজারে অবৈধ ভাবে বাঁশের তৈরী চাঁই বিক্রি করে থাকে স্থানীয় ও সুবিধাভোগী ব্যবসায়ীরা। বৈশাখ থেকে ভাদ্র মাসের শেষ পর্যন্ত জেলার ৭টি উপজেলাতেই ধানী জমি ও খাল-বিল, ডোবা-নালাতে বাশেঁর চাঁই পেতে বিভিন্ন প্রজাতির পোনা মাছ ও বড় মাছ শিকার করা হচ্ছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মাছ শিকারের জন্য ব্যবহারিত নিয়ম কানুন না মেনে অবৈধ ভাবে চাই পেতে মাছ শিকারে মেতে উঠেছে অসাধু জেলেরা। এ সকল অসাধু জেলেরা দুই সুতাঁ পরিমান ফাঁকা রেখে বাশেঁর চাঁই তৈরী করে ব্যবহার করছে। ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছের বংশ নষ্ট করছে। আর দেশীয় মৎস্য প্রজনন কমে যাচ্ছে।

আরো পড়ুন : নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজি খাদে, নিহত ২

অন্য দিকে এ অঞ্চলের মানুষের মাছের আকাল দিন দিন বেড়েই চলছে। এমতাবস্থায় বাঁশের চাঁই ব্যবহার দ্রুত বন্ধ না করলে ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে দেশীয় মাছ রুপকথার গল্পের মত
থেকে যাবে।

এই বিষয়ে দশমিনা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুব আলম তালুকদার বলেন,বাশেঁর চাঁই দিয়ে মাছ শিকারের কারনে এই অঞ্চলের দেশী বিভিন্ন প্রজাতির মাছ উৎপাদন কমে যাচ্ছে। দেশী প্রজাতির মাছ রক্ষায় জেলেদেরকে সচেতন করা হবে।




টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থিম সং গাইলেন যারা




৬ বিভাগে তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা




নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজি খাদে, নিহত ২

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সিএনজি উল্টে রাস্তার খাদে পড়ে দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন।

আজ শনিবার (১৩ এপ্রিল) সকালে পটুয়াখালী-কলাপাড়া মহাসড়কের বিশকানি নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুন : ট্রাক-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক নিহত

নিহতরা হলেন আফজাল হোসেন (৬০) ও জাকারিয়া (২৩)। এ ঘটনায় চারজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিএনজিচালক পার্শ্ববর্তী আমতলী চৌরাস্তা থেকে ৫ জন যাত্রী নিয়ে কলাপাড়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। এ সময় বিশকানি এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। আহতদের মধ্যে সিএনজিচালক জামাল ও মতিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল সেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : দীর্ঘ ৮ বছর পর পটুয়াখালী-কুয়াকাটার ১১ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ

কলাপাড়া থানার ওসি আলী আহমদ জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।