পটুয়াখালীতে মাছ ধরা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১১

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের সেনের হাওলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রায় পাঁচ থেকে সাত বছর ধরে সেনের হাওলা গ্রামের বাঁধ ঘাট এলাকার বদ্ধ খালের জমিতে করা পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এর এক পক্ষে রয়েছেন হাফেজ আক্কাস, আর অন্য পক্ষে রাসেল মৃধা। তাদের এ বিরোধ নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠকও হয়।

তারা আরও জানান, সেই পুকুরে গত বছর মাছ চাষ করেছে বলে দাবি তুলে বুধবার সকালে মাছ ধরতে যান আক্কাসের লোকজন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মাছ ধরতে বাধা দেন রাসেল মৃধার লোকজন। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের ১১ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

আরো পড়ুন : গলাচিপায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত

আহতরা হলেন- সেনের হাওলা বাঁধ ঘাট এলাকার বাসিন্দা জাফর প্যাদা (৫০), হাফেজ আক্কাস (৩৫), রাকিব প্যাদা (২৮), রাশেদ প্যাদা (৩০), ইউনুস প্যাদা (৪৫), হনুফা বিবি (৫৫), খাদিজা বেগম (৩৫), সিয়াম (১৮), সোহাগ প্যাদা (২২), অনিক মৃধা (১৯), রনি (২০)। তাদের মধ্যে হাফেজ আক্কাস, হনুফা বিবি, রাকিব, ইউনুস ও জাফর গুরুতর আহত হয়েছেন।

জানা গেছে, আহতদের রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় আহতদের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে মামলা দেয়ার জন্য বলেছি। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় আমরা দুইজনকে আটক করেছি।




তৃতীয় ধাপে ১১২ উপজেলায় ভোট ২৯ মে




ইসরায়েলের যেকোনও হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুত : ইরানের সেনাবাহিনী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ইসরায়েলের যেকোনও ধরনের হামলা মোকাবিলায় ইরানের সামরিক বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান। দেশটির বিমানবাহিনী বলেছে, ইসরায়েলের যেকোনও পদক্ষেপ মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত রয়েছে। বুধবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে।




বরিশালের উজিরপুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষনকারী গ্রেফতার

বরিশাল অফিস :: বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের ডহরপাড়া গ্রামের নবম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করেছে এক লম্পট, এ ঘটনায় ধর্ষককে আটক করেছে উজিপুর মডেল থানা পুলিশ ।

মডেল থানা পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৫ এপ্রিল গভীর রাতে ওই স্কুল ছাত্রী (১৪) মা- বাবার ঘর থেকে দাদির কাছে ঘুমাতে গেলে পথিমধ্যে পাশের বাড়ি দেলোয়ার হোসেনের পুত্র সাজ্জাদ আহমেদ ফরহাদ (২৯) তুলে নিয়ে পাশের বাড়ির পরিত্যক্ত রান্নাঘরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় ওই স্কুল ছাত্রীর মা বাদী হয়ে উজিরপুর মডেল থানা একটি মামলা দায়ের করে, তার প্রেক্ষিতে উজিরপুর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তৌহিদুজ্জামান সোহাগ’র নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ধর্ষককে গ্রেফতার করেন। উজিরপুর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক মোঃ জাফর আহমেদ জানান,এই ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করে মঙ্গলবার আদালতে হস্তান্তর করা হলে আদালত তাকে জেল হাজতে পাাঠানোর আদেশ দেন।




বরিশালের মেঘনায় অভিযান, জাল সহ ট্রলার জব্দ

বরিশাল অফিস : বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে জাটকা ইলিশ নিধনের প্রধান শত্রু হিসেবে পরিচিত পাই জাল সহ দুইটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দিনভর হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জ মৎস্য অধিদপ্তর এবং নৌ পুলিশ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন। তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে হিজলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম জানান, জব্দকৃত ১০ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ পাই জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে।

পাশাপাশি জব্দকৃত ট্রলার নিলামে বিক্রির প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও জানান, নদীতে পাই জালের ব্যবহার জাটকা নিধনের প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠছে। তাই ইলিশ সম্পদ রক্ষায়
অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ কামাল হোসেন ও হিজলা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ তরিকুল ইসলাম অংশগ্রহন করেন।

 




গাবখান সেতু এলাকায় ট্রাক-প্রাইভেটকার-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১২

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: ঝালকাঠিতে ট্রাক, অটোরিকশা ও প্রাইভেটকারের ত্রিমুখী সংঘর্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন। আজ ঝালকাঠির গাবখান সেতু এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় অন্তত. আরও ২৫ জন আহত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

এডিশনাল পুলিশ সুপার ঝালকাঠি সদর সার্কেল মুহিদুল ইসলাম। গণমাধ্যমকে বলেন, এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে ৮ জন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর ৪ জনের মৃত্যু হয়।




বাউফলে চাঁদা না দেয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে দাবীকৃত চাঁদার টাকা দিতে আপত্তি করায় সন্ত্রাসীদের হামলায় সাবেক সেনা সদস্য,ব্যবসায়ী মোঃ ইসমাইল সরদারকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে।

উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের রামলক্ষন গ্রামের কনকদিয়া বাজার ব্রিজ সংলগ্ন সরদার মার্কেটে মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

আরো পড়ুন : জন্মের ৫ ঘণ্টার মাথায় সন্তানকে হাসপাতালে রেখে চলে গেলেন মা!

গুরুত্বর আহত অবস্থায় ব্যবসায়ী ইসমাইল সরদার বরিশাল সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) এ আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছে।

স্থানীয় ও আহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের রামলক্ষন গ্রামের সরদার বাড়ীর সাবেক সেনা সদস্য, অবসর প্রাপ্ত সেনা কল্যান সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক, সরদার এন্টার প্রইজের সত্বাধীকারি মোঃ ইসমাইল সরদারের কাছে একই এলাকার রুবেল রাড়ী ও সুমন খান দূর্ঘদীন থেকে ৫লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলো। ঘটনার দিন মঙ্গবার সকালে প্রতিদিনের ন্যায় ইসমাইল সরদার তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে গেলে লতিফ খানের ছেলে সুমন খান ও হাশেম রাড়ীর ছেলে খোকন রাড়ী সহ ৭ থেকে ৮ জন সন্ত্রাসীরা তাদের দাবীকৃত টাকা চাইলে ইসমাইল সরদার দিতে আপত্তি করলে তার উপরে হামলা করে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুত্বর জখম করে তার দোকানে ঢুকে মালামাল ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা এসে গুরুত্বর আহত অবস্থায় ইসমাইল সরদারকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স্রে নিয়ে আসলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) এ ভর্তি হয়ে আইসিইউতে ভর্তী হয়।

আরো পড়ুন : পর্যটকদের মন কাড়ছে কুয়াকাটার কীটনাশকমুক্ত শুঁটকি

এ বিষয়ে সুমন খান বলেন, ওনার দোকানের কাছেই আমার মার্কেট আছে । সেখানে অনেক লোক ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করে। ইসমাইল সরদার তাদেরকে হুমকি ধামকি দিয়ে দোকান খুলতে বাঁধা দিলে দোকান ব্যবসায়িরা প্রতিরোধ করে। আমি এ ঘটনার সাথে জড়ীতনা।

এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোনিত কুমার গায়েন বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাই নাই। পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।




জন্মের ৫ ঘণ্টার মাথায় সন্তানকে হাসপাতালে রেখে চলে গেলেন মা!

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দুমকিতে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার ৫ ঘণ্টার মাথায় হাসপাতাল থেকে পালিয়ে আসার অভিযোগ উঠেছে মা সানজিদা আক্তার পপির (২২) নামে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. আব্দুর রবের ছেলে আলামিন ও শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. মোজাম্মেল চৌকিদারের মেয়ে সানজিদা আক্তার পপির দেড় বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে ঝগড়াঝাটি লেগেই থাকত। এ ছাড়া এ নিয়ে থানা পুলিশও হয়েছে কয়েকবার।

আরো পড়ুন : পর্যটকদের মন কাড়ছে কুয়াকাটার কীটনাশকমুক্ত শুঁটকি

ভুক্তভোগী আলামিন বলেন, বিয়ের পর থেকেই আমার শাশুড়ি তার মেয়েকে নানান ধরনের কুবুদ্ধি দিয়ে আসছেন। এমনকি আমার সঙ্গে বিয়ের আগে সানজিদা অন্য একটা ছেলের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিল তা গোপন করে আমার সঙ্গে বিয়ে দিয়েছে। তাও আমি মেনে নিয়ে সংসার করার চেষ্টা করেছি। একপর্যায়ে সানজিদার পেটে বাচ্চা এলে তার মা বাচ্চাকে নষ্ট করার ষড়যন্ত্র করে; কিন্তু আমার জন্য পারেনি। গত সোমবার সানজিদাকে দুমকি হাসপাতালে নিয়ে ওষুধ খাইয়ে বাচ্চা নষ্ট করতে চেয়েছে।

কিন্তু চিকিৎসক সানজিদাকে পটুয়াখালী সদর হসপিটাল রেফার করেন এবং নরমাল ডেলিভারিতে মঙ্গলবার দুপুরে একটি কন্যাসন্তান জন্ম দেন। বাচ্চা জন্ম নেওয়ার ৫ ঘণ্টার মাথায় হাসপাতাল থেকে আমার শাশুড়ি আমার নবজাতক বাচ্চা ফেলে রেখে তার মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যান।

আরো পড়ুন : বেড়েই চলছে গরমের তীব্রতা, নিম্নআয়ের মানুষ দিশেহারা

এ বিষয়ে সানজিদার বাবা মোজাম্মেল চৌকিদার বলেন, আমার মেয়ের সন্তান ডেলিভারির সঠিক সময় হয়নি। কিন্তু আলামিন আমার মেয়ের পেটের ৮ মাসের বাচ্চা নষ্ট করতে দুমকি বাজারে বসে পেটের ওপর লাথি কিল-ঘুষিসহ মারধর করেন। একপর্যায়ে আমি আমার মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে ব্লিডিং শুরু হয়। পরে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে নরমাল ডেলিভারিতে মেয়ে সন্তান জন্ম নেয়। তবে বাচ্চা জন্ম নেওয়ার পর পরিপূর্ণ বয়স না হওয়ায় অসুস্থ ছিল। তাই আমরা বাঁচার জন্য তাদের পরিবারের হাতে বাচ্চা বুঝিয়ে দিয়ে আমার মেয়ে নিয়ে চলে আসি।




সর্বজনীন পেনশন প্রসারে ৮ বিভাগে মেলা, রাজশাহীতে ১৯ এপ্রিল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : দেশের সকল পর্যায়ের নাগরিকদের জন্য চালু হওয়া সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির (স্কিম) আওতা বৃদ্ধি করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মানুষের মনের শঙ্কা দূর করতে ও সব শ্রেণির মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ৮ বিভাগে ও ৬৪ জেলায় সর্বজনীন পেনশন মেলা করা হবে।




২১ নাবিক দেশে ফিরবেন জাহাজে, বাকি দুজন বিমানে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্ত হওয়া জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর ২১ নাবিক ওই জাহাজে করেই দেশে ফিরবেন। এছাড়া ২ নাবিক সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হারমিয়া বন্দরে পৌঁছে বিমানযোগে দেশে ফিরবেন। নাবিকদের নিজ নিজ ইচ্ছায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে জাহাজের মালিকপক্ষ।