কলাপাড়ায় গরমে বাড়ছে ডায়রিয়া রোগী, বেশির ভাগই শিশু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অতিরিক্ত গরমের কারণে আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এদের বেশির ভাগই শিশু।

জানা গেছে, এপ্রিলের শুরু থেকেই গরমের সঙ্গে ডায়রিয়া রোগের প্রকোপ বাড়তে শুরু করে।  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শয্যা না থাকায় মেঝেতে ঠাঁই হয়েছে অনেক রোগীদের।

আরো পড়ুন : গলাচিপায় মাঠে মাঠে হলুদ সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে ২৫ জন রোগী। গত এক সপ্তাহে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮১ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যাই বেশি। ধারণ ক্ষমতা থেকে অতিরিক্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকায় চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, পর্যাপ্ত ওষুধ এবং স্যালাইন মজুত রয়েছে। ডায়রিয়া থেকে বাঁচতে সবাইকে বাইরের খাবার পরিহারের আহ্বান জানান চিকিৎসকরা।




গলাচিপায় মাঠে মাঠে হলুদ সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: দূর থেকে দেখলে মনে হয় হলুদের গালিছা বিছানো। কাছে গেলে দেখা যায় বাতাসে দোল খাওয়া সূর্যমুখী ফুলের হাসি। পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার মাঠে মাঠে এখন সূর্যমুখীর ফুলের হাসি। ভালো ফলন পাওয়ায় কৃষকের মুখেও হাসি ফুটে উঠছে।

এবার গলাচিপা উপজেলার আমখোলা, গোলখালী, সদর ইউনিয়ন, পানপট্টি, ডাকুয়া, বকুলবাড়িয়া, কলাগাছিয়া, গজালিয়া, রতনদী তালতলী, চর বিশ্বাস ও চরকাজলসহ ১২টি ইউনিয়নে ১২০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। এখান থেকে এবার প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ মেট্রিক টন সূর্যমুখী বীজের ফলন পাওয়া যাবে।

আরো পড়ুন : ২ ঘণ্টা পর ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়কে যান চলাচল শুরু

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আওতায় তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পে হাইসান-৩৩ জাতের সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে এ উপজেলায়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সূর্যমুখীর ফলনও ভালো হযেছে। তেল জাতীয় অন্য ফসলের চেয়ে সূর্যমুখীর চাষ লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা এ ফসল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে।

গলাচিপা সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের কাউয়ুম চৌকিদার জানান, তিনি ৩৩ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ করেছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর থেকে এক কেজি বীজ এবং ২০ কেজি ইউরিয়া, ২০ কেজি জিপসাম, তিন কেজি ম্যাট সার, ২৫ কেজি ড্যাব সার সরবারহ করেছে। এ ছাড়া জমি চাষাবাদ বাবদ তিন হাজার ৫০০ টাকা এবং সেচ বাবদ ৫০০ টাকা খরচ হয়েছে তার।

গলাচিপা পৌরসভার ঝন্টু দেবনাথ জানান, রতনদী গ্রামে ১২০ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ করেছেন তিনি। জলবায়ু সহনশীল বীজ, ইউরিয়া, টিএসপি, পটাশ, জিংক, দস্তা ও বোরন সার সরবরাহ করা হয়েছে। ফলনও ভালো হয়েছে।

গলাচিপা সদর ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয় ৫-৬ হাজার টাকা। উৎপাদিত ফসল বিক্রি করা যায় ১৬ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা। বীজ রোপণের ৯০ থেকে ১০৫ দিনের মধ্যে ফসল ঘরে তোলা যায়। এবার আবহাওয়া ও পরিবেশ অনুকূলে থাকায় সূর্যমুখীর ফলন বেশ ভালো হয়েছে। এই ফসলের রোগবালাই কম এবং সূর্যমুখীর খৈল গরুর জন্য উৎকৃষ্ট খাদ্য।

আরো পড়ুন : বৈশাখী মেলায় নৌকা ভেঙে ৫ শিশু-কিশোর আহত

ডাকুয়া ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাহিদ হাসান বলেন, তেল জাতীয় ফসলের আবাদ বৃদ্ধির জন্য সরকারের নির্দেশনা রয়েছে। সে লক্ষ্যে আমরা প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ ও সহায়তা দিয়ে আসছি।

গলাচিপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজু আক্তার জানান, সূর্যমুখী থেকে পাওয়া তৈল মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। বাংলাদেশ সরকার কৃষকদেরকে সূর্যমুখী চাষে উদ্বুদ্ধ করতে বীজ ও সার বিনামূল্যে সরবরাহ করছে। আমাদের ধারণা, তেল জাতীয় ফসল সূর্যমুখীর চাষ কৃষকেরকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।




২ ঘণ্টা পর ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়কে যান চলাচল শুরু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ২ ঘণ্টা অবরোধের পর জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়কে ফের যান চলাচল শুরু হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে পটুয়াখালীর বড় চৌরাস্তা এলাকায় অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের কারণে দুটি বাসকে জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সড়ক অবরোধ করে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেয় বাস শ্রমিকরা। এতে করে ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়কের দুই দিকে আটকে পড়ে শতাধিক যানবাহন। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। তীব্র গরমে যানবাহনের ভেতর হাঁসফাঁস করতে থাকেন তারা।

আরো পড়ুন : ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করায় পটুয়াখালীতে বাস বন্ধ

পরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে মালিক সমিতির সঙ্গে বৈঠকের আশ্বাস দেয়া হলে বেলা সোয়া ৩টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

পটুয়াখালী জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন মৃধা বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষেরা ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফিরছেন। সময় বাঁচানোর জন্য তারা চালক ও হেলপারের নিষেধ উপেক্ষা করেই অতিরিক্ত যাত্রী হিসেবে বাসে উঠছে। এ কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করেছেন। জরিমানার পরিমাণ সহনশীল হলেও সেটি ঠিক ছিল, কিন্তু প্রতিটি বাসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এত টাকা বাসের চালক বা হেলপারের পক্ষে দেয়া কষ্টসাধ্য, তাই তারা সড়ক অবরোধ করেন।
পরে জেলা প্রশাসনের আশ্বাসে জরিমানা পরিশোধ করে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।




অবরোধ প্রত্যাহার, ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক

বরিশাল অফিস :: ঢাকা-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের অবরোধ তুলে নিয়েছেন বাস মালিক ও শ্রমিকরা। অবরোধ তুলে নেওয়ার পর যানচলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর ১টা থেকে বিকেল সোয়া ৩টা পর্যন্ত অবরোধ চলে। এসময় সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করায় বাস বন্ধ করে দিয়েছেন মালিক-শ্রমিকরা সংশ্লিষ্টরা জানান, দুপুরের দিকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মহাসড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সময় রুদ্র-তূর্য পরিবহনের একটি বাসে অধিক যাত্রী পরিবহন করায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এস নুরুল আখতার নিলয়। তবে বাস শ্রমিকরা জরিমানা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সড়কে বাস আড়াআড়ি করে রেখে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ করে দেন। পরে বাস মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসে জেলা প্রশাসন। বৈঠকে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এসময় জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন বাস মালিক।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম বলেন, কিছু সময় বাস চলাচল বন্ধ ছিল। বর্তমানে মহাসড়কে সবধরনের যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।




ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করায় পটুয়াখালীতে বাস বন্ধ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী পরিবহন করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানার প্রতিবাদে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে বাস মালিক ও শ্রমিকরা।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর থেকে ঢাকা-কুয়াকাটা সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, দুপুরের জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএস নুরুল আখতার নিলয় অভিযানে নামেন। এসময় ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী নেওয়ায় রুদ্র-তূর্য পরিবহনের একটি বাসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তবে শ্রমিকরা জরিমানা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সড়কে বাস আড়াআড়ি করে ঢাকা-কুয়াকাটা সড়কে যানবাহন চলচল বন্ধ করে দেন।

আরো পড়ুন : বরগুনায় মা-মেয়ে ধর্ষণের সাজাপ্রাপ্ত আসামি ১৭ বছর পর গ্রেফতার

পটুয়াখালী জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন মৃধা বলেন, ঈদের সময় হওয়ায় যাত্রী চাপ বেশি। সে কারণে কিছু বাসে দাঁড়িয়ে যাত্রী যাচ্ছে। কিন্তু নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সকাল থেকে প্রতিটি গাড়িকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করছেন। এ কারণে শ্রমিকরা বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. নূর কুতুবুল আলম বলেন, আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সেখানে রয়েছে পুলিশের অতিরিক্ত ফোর্স সেখানে যাচ্ছে। আমরা বিষয়টি দেখছি।




বরিশালে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে গৃহবন্দী করে রাখার অভিযোগ

বরিশাল অফিস :: ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ ও তার মাকে গত ১৬ দিন ধরে একটি ঘরের মধ্যে গৃহবন্দী করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই গৃহবধূর বাবা জেলা পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার ধামুরা বন্দর এলাকার।
আগৈলঝাড়া উপজেলার মোল্লাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হরিশ চন্দ্র সরকার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, তার মেয়ে শিল্পী রানী ঢালী (২৭) ও তার স্বামী একই গ্রামের সুবল চন্দ্র ঢালী বিগত চার বছর পর্যন্ত উজিরপুরের ধামুরা বন্দরে মজিবুর রহমান হাওলাদারের ভাড়াটিয়া বাসায় বসবাস করে আসছে। সেখানে বসবাস করার সুবাদে তার মেয়ে জামাতা অমৃত ফুড প্রোডাক্টসসহ বিভিন্ন কোম্পানীর মালামাল সাব এজেন্ট হিসেবে বিক্রি করে আসছে।

অভিযোগে আরও জানা গেছে, গত ২ এপ্রিল থেকে রহস্যজনকভাবে তার জামাতা সুবল চন্দ্র ঢালীর কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছেনা। খবর পেয়ে তার (হরিশ) স্ত্রী শেফালী রানী সরকার মেয়ের বাসায় যান। এসময় ভাড়াটিয়া বাড়ির মালিক মজিবুর রহমান তাদের মা ও মেয়েকে ঘরের মধ্যে গৃহবন্দী করে বাহির থেকে তালাবদ্ধ করে রাখে। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি (হরিশ) স্থানীয় বিভিন্নজনের মাধ্যমে মজিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তাদের বিভিন্নধরনের হুমকি প্রদর্শন করা হয়।

উপায়অন্তুর না পেয়ে জাতীয় সেবা ৯৯৯ নাম্বারে যোগাযোগের পর ১৭ এপ্রিল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও রহস্যজনক কারনে তারা গৃহবন্দী মা ও মেয়েকে উদ্ধার না করে চলে আসেন। এ অবস্থায় অসহায় হরিশ চন্দ্র সরকার তার ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে শিল্পী রানী ঢালী ও তার স্ত্রী শেফালী রানী সরকারকে গৃহবন্দী থেকে মুক্ত করতে জেলা পুলিশ সুপার বরাবরে আবেদন করার পর সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বরিশাল উজিরপুর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ তৌহিদুজ্জামান জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিলোনা। এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 




বরিশালে মহাসড়কে গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের অভিযান

বরিশাল অফিস :: ঈদের যাত্রা বরিশাল জেলার মহাসড়কে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন নিশ্চিত করতে গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে বরিশালের জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল থেকে জেলা প্রশাসনের নিরবচ্ছিন্ন ভাংগা-কুয়াকাটা মহাসড়কের বরিশাল জেলার গৌরনদী, উজিরপুর, বাবুগঞ্জ, বরিশাল সদর ও বাকেরগঞ্জ উপজেলায় অতিরিক্ত গতিতে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণসহ যাত্রী ও সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে করতে মোবাইল কোর্ট অভিযানের অংশ হিসেবে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ অভিযান পরিচালনা করেন।

এ সময় তারা স্পিডোমিটার দিয়ে গাড়ির গতিসীমা পরীক্ষা করেন। দূরপাল্লার গাড়িগুলোকে মহাসড়কে গতিসীমা মেনে চলতে সতর্ক করা হয়। এ সময় রুটপারমিট বিহীন গাড়ি, ফিটনেসবিহীন গাড়ি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় প্রভৃতি অপরাধে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর বিধান মোতাবেক ১৮ টি মামলায় ২৯ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। যাত্রী ও সড়ক নিরাপত্তায় জেলা প্রশাসন বরিশালের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।




টাইম ম্যাগাজিন: ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় বাংলাদেশের মেরিনা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশি স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম। বুধবার ২০২৪ সালের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করা হয়।

মেরিনা তাবাসসুম সম্পর্কে টাইম ম্যাগাজিনে লেখা হয়েছে, সাধারণত পুরস্কারজয়ী স্থপতিদের সঙ্গে তাদের নিঃস্বার্থ কাজের বিষয়টি তেমন উল্লেখ করা হয় না। কিন্তু মেরিনা তাবাসসুম সাধারণ নন। তিনি স্থাপত্যচর্চায় এমন একটি রীতি তৈরি করেছেন, যেখানে স্থানীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের পাশাপাশি আমাদের এই পৃথিবী যে বিপদের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তা অগ্রাধিকার পেয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের বড় ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশে মেরিনা তাবাসসুম ভিন্ন ধরনের একটি বাড়ি তৈরি করেছেন। এর নির্মাণ ব্যয় যেমন কম, তেমনি এই বাড়ি সহজে স্থানান্তরও করা যায়।

তবে এবারই প্রথম নয়, স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম এর আগে ২০২১ সালে মানবিক ঘর তৈরির জন্য যুক্তরাজ্যের মর্যাদাপূর্ণ সন পদক পান। ২০২০ সালে ব্রিটিশ সাময়িকী প্রসপেক্ট-এর ৫০ জন চিন্তাবিদের মধ্যে শীর্ষ ১০য়ের তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নেন তিনি।

তাবাসসুমকে নিঃস্বার্থ স্থপতি উল্লেখ করে টাইম ম্যাগাজিনে লেখা হয়েছে, তাবাসসুমের নকশা করা ভবনগুলোর মাঝেও তার নিঃস্বার্থ কাজের পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে। তিনি তার নিজের সৃষ্টির প্রতি বেশ যত্নশীল বলা যায়।

আগা খান পুরস্কারপ্রাপ্ত ঢাকার বাইত উর রউফ মসজিদ নিয়ে তাবাসসুম নিজে বলেছেন, কৃত্রিম কোনো সাহায্য ছাড়াই একটি ভবনকে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে দিতে হবে। আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে বন্যা ঝুঁকি বাড়তে থাকা একটি দেশে তিনি এমন সব বাড়ির নকশা করেছেন যেগুলো কম খরচে নির্মাণ করা যায় এবং সহজে সরিয়ে ফেলা যায়।

 




হিট ওয়েভের কবলে দেশ, বেশি আক্রান্ত হচ্ছে পশ্চিমাঞ্চল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  সারা দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে হিট ওয়েভ বা তাপপ্রবাহ। যা আগামী কয়েকদিন পর্যন্ত অব্যাত থাকবে। তবে দেশের দক্ষিণপূর্ব অঞ্চলের তুলনায় পশ্চিমাঞ্চল হিট ওয়েভে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।



গাজা: বিমান হামলায় বেঁচে যাওয়া বালকের প্রাণ গেল সাহায্য নিতে গিয়ে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ইসরায়েলের বর্বর হামলায় নিহত হয়েছিল পরিবারের সবাই। কেবল প্রাণে রক্ষা পেয়েছিল এক বালক। এবার চলে গেল সেই প্রাণও। ইসরায়েলি বিমান হামলায় পরিবারের সবাইকে হারানো ১৩ বছর বয়সী এক ফিলিস্তিনি বালকের প্রাণ গেল সাহায্য নিতে গিয়ে।