‘গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা থেকে লাভবান হচ্ছে পশ্চিমা বিশ্ব’

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ বলেছেন, আমেরিকাসহ পুরো পশ্চিমা বিশ্ব সমরাস্ত্র সরবরাহ করার মাধ্যমে গাজা উপত্যকার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের ভয়াবহ গণহত্যা থেকে লাভবান হচ্ছে। তিনি রাশিয়ার একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন।

সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে অবৈধ দখলদার ইসরায়েলিদের সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের সংঘাতে ওয়াশিংটনের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন আসাদ। তিনি বলেন, আমরা যখন বলি আমেরিকা তখন আমরা পুরো পশ্চিমা বিশ্বকে বোঝাই। কারণ, পশ্চিমা বিশ্বকে আমেরিকাই নিয়ন্ত্রণ করে।

প্রেসিডেন্ট আসাদ বলেন, বিশ্বের যেকোনো সংঘাত থেকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসিদ্ধি হচ্ছে। প্রথমে সে সংঘাত বাধিয়ে দিয়ে দূরে সরে দাঁড়ায় এবং এরপর মোক্ষম সুযোগে চূড়ান্ত আঘাত হেনে নিজের অবৈধ স্বার্থ হাসিল করে।

বাশার আল আসাদ বলেন, ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’ বা ‘সংঘাত বাধিয়ে শাসন করো’ নীতিতে চলে আমেরিকা। কিন্তু ব্ল্যাকমেইল করার এই নীতি সম্পূর্ণ অনৈতিক। মার্কিন সরকার যেকোনো সংঘাতকে ভয়ঙ্কর বিপজ্জনক মাত্রায় নিয়ে যায় কিন্তু সেই বিপদের ভুক্তভোগী হয় সংশ্লিষ্ট দুই পক্ষ। আর আমেরিকা দূরে দাঁড়িয়ে তা উপভোগ করে।

গাজা উপত্যকায় ছয় মাসের বেশি সময় ধরে গণহত্যামূলক যুদ্ধ চলার জন্য তেল আবিবের প্রতি ওয়াশিংটনের সমরাস্ত্র সরবরাহকেই দায়ী করেছেন প্রেসিডেন্ট আসাদ।

সম্প্রতি গাজার খান ইউনিস শহরের নাসের হাসপাতালে একটি গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে। সেখানে কয়েক মাস অভিযান চালানোর পর সম্প্রতি সেনা প্রত্যাহার করেছে ইসরায়েল। ওই গণকবর থেকে এখন পর্যন্ত ১৮০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়া গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে এখনও হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেখানে নতুন করে হামলার ঘটনায় সাতজন নিহত হয়েছে। এর আগে এক রাতেই বোমা হামলায় রাফায় ২২ জন প্রাণ হারায়।

 গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেখানে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৩৪ হাজার ৯৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ৭৬ হাজার ৯৮০ জন।

 




অভিনেতা ওয়ালিউল হক রুমি মারা গেছেন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : অভিনেতা অলিউল হক রুমি মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার (২২ এপ্রিল) ভোরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেতার ভাগিনা ফয়সাল আহমেদ।

বরিশালের আঞ্চলিক ভাষাতেই বেশি অভিনয় করে থাকেন রুমি। এ ভাষাতেই দর্শকদের হাসান ও কাঁদান।

 ১৯৮৮ সালে ‘এখন ক্রীতদাস’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু তার। টেলিভিশনের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন।

২০০৯ সালে ‘দরিয়া পাড়ের দৌলতী’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয় অলিউল হক রুমির।

তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য নাটক হলো—‌‘ঢাকা টু বরিশাল’, ‘আমেরিকান সাহেব’, ‘জার্নি বাই বাস’, ‘বাকির নাম ফাঁকি’, ‘যমজ সিরিজ’, ‘কমেডি ৪২০’, ‘চৈতা পাগল’, ‘জীবনের অলিগলি’, ‘মেঘে ঢাকা শহর’ ইত্যাদি।

বর্তমানে তার অভিনীত ‘বকুলপুর’ নামে একটি জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক দীপ্ত টিভিতে প্রচার হচ্ছে।




কুয়াকাটায় বাতিল হচ্ছে হোটেল-রিসোর্টের অগ্রিম বুকিং

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: অতিরিক্ত তাপমাত্রায় পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় আগত পর্যটকরা হোটেল-রিসোর্টের অগ্রিম বুকিং বাতিল করছেন। কেউ কেউ দুই-তিনদিন থাকার জন্য এসে গরমে একদিন থেকে ফিরে যাচ্ছেন। এতে কাঙ্ক্ষিত পর্যটক পাচ্ছেন না পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

কুয়াকাটার বেশ কয়েকটি হোটেল মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদ পরবর্তী লম্বা একটি সময় কুয়াকাটায় পর্যটকদের আগমনে সরগরম থাকে। তবে প্রতি বছরের চেয়ে এ ঈদের পর অসংখ্য পর্যটকদের আগমন থাকলেও হঠাৎ ভাটা পড়ে। অতিরিক্ত দাবদাহের কারণে আগত পর্যটকরা দ্রুত চলে যাচ্ছেন।

আরো পড়ুন : তাপদাহে অসহনীয় পটুয়াখালীর জনজীবন

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ এসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ জানান, অগ্রিম বুকিং করা পর্যটকরা পরিবারের শিশু-বৃদ্ধদের চিন্তা করে সেটি বাতিল করছেন। প্রতিটি ঈদের পর আমরা প্রথম সপ্তাহ পুরোপুরি বুকিং পাই, দ্বিতীয় সপ্তাহে ৫০-৭০ শতাংশ বুকিং থাকে। এভাবে কমপক্ষে ২৫ দিন আমরা পর্যটকদের সরগরমে ব্যস্ত থাকি। তবে এ ঈদের পরে হঠাৎ পর্যটকদের অবস্থা ২০-৩০ শতাংশে চলে এসেছে।

বরিশাল থেকে বেড়াতে আসা পর্যটক মো. শাহ আলম জানান, তিন সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে কুয়াকাটায় এসেছি। ২-৩ দিন থাকতে চেয়েছি কিন্তু একদিন থাকার পরে মনে হচ্ছে এখানে আর থাকা সম্ভব নয়।

হোটেল সমুদ্র বাড়ি রিসোর্টের পরিচালক নজরুল ইসলাম সজিব জানান, আমাদের হোটেলে ঈদের পরে বেশ ভালো অগ্রিম বুকিং পেয়ে থাকি।
তবে প্রতি বছর ঈদ পরবর্তী এমন সময়ে হোটেলের প্রায় ৫০-৬০ শতাংশ কক্ষ বুকিং থাকে। কিন্তু এ বছর মাত্র ১০ শতাংশ বুকিং রয়েছে। দুদিন আগে বুকিং দেওয়া চারটি রুম দুটি পরিবার আজকে বাতিল করেছে। তারা বলছে অতিরিক্ত গরমের কারণে শিশু ও পরিবারের লোকজন নিয়ে নিরাপদ মনে না করায় এ বুকিং বাতিল করা হয়েছে।

ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক) সেক্রেটারি জেনারেল জহিরুল ইসলাম জানান, ঈদ পরবর্তী সময়কে আমরা পর্যটক মৌসুমের একটি বড় সময় ধরে থাকি। এ বছর মৌসুমে পর্যটক আসা শুরু করলেও অতিরিক্ত তাপমাত্রা সবকিছু এলোমেলো করে দিয়েছে।

আরো পড়ুন : দশমিনায় নদীতে ভেসে আসা যুবকের পরিচয় সনাক্ত

কুয়াকাটায় প্রায় ২০০ আবাসিক হোটেল-রিসোর্ট রয়েছে তার মধ্যে ৪০-৫০ শতাংশ হোটেলে কক্ষে এসি থাকে। সব পর্যটকরা তো আবার এসিতেও থাকে না। সব মিলিয়ে এ পর্যটক কমে যাওয়া ব্যবসায়ীদের জন্য একটি বড় ক্ষতির কারণ।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মো. জিল্লুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। কয়েকদিন ধরে এর আশপাশে অবস্থান করছে তাপমাত্রা। আগামীতে আরও এক সপ্তাহ এ অবস্থা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানান, পর্যটকদের বারবার মাইকিং করে সাবধানে থাকতে বলা হচ্ছে। এছাড়াও আমাদের সদস্য বাড়তি নজরদারি রাখছে যাতে কোনো পর্যটক অসুস্থ হলেও দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া যায়।




তাপদাহে অসহনীয় পটুয়াখালীর জনজীবন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বৈশাখের তপ্ত তাপদাহে দক্ষিণের জনপদের মাঠঘাট ফেটে চৌচির। শুকিয়ে গেছে পুকুর জলাশয়। প্রচণ্ড গরম ও পানির সংকটে অসহনীয় হয়ে উঠেছে মানুষ ও পশুপাখির জীবন। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়ায় সেচের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে আউশ ও বোরো আবাদ। দিশেহারা পটুয়াখালীসহ দক্ষিণ জনপদের কৃষক।

এদিকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত জেলায় ৪৫ দশমিক ১৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ৮ মিলিমিটার, ফেব্রুয়ারিতে ১৬ মিলিমিটার, মার্চে ১০ দশমিক ৮ মিলিমিটার এবং ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ১১ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়, যা গত বছরের তুলনায় অর্ধেকেরও কম। ২০২৩ সালে জানুয়ারি-এপ্রিল জেলায় ৯৬ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল। গতকাল রোববার পটুয়াখালীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পটুয়াখালী আবহাওয়া অধিদপ্তর এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আরো পড়ুন : দশমিনায় নদীতে ভেসে আসা যুবকের পরিচয় সনাক্ত

পটুয়াখালী আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী জানান, আগামী ৭২ ঘণ্টা আবহাওয়ার এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকবে। সামান্য বৃষ্টিপাত হলেও তাতে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা নেই বলে জানান এ কর্মকর্তা।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ২৮ থেকে ৩৪ ফুট নিচে নেমে গেছে। এর মধ্যে বদরপুরে ৩৪ ফুট, ইটবাড়িয়ায় ৩০ ফুট, কালিকাপুরে ২৯ দশমিক ৬ ফুট, মাদারবুনিয়ায় ২৯ ফুট, জৈনকাঠিতে ২৮ দশমিক ৭ ফুট এবং লাউকাঠিতে ২৮ ফুট নিচে রয়েছে পানির স্তর। একই অবস্থা জেলার অন্যান্য ইউনিয়নেরও। এ অবস্থায় পটুয়াখালীসহ পুরো দক্ষিণ জনপদের অনেক গভীর নলকূপে পানি উঠছে না । এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

পটুয়াখালীর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুজ্জামান জানান, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অস্বাভাবিক ভাবে নিচে নেমে যাওয়ায় অনেক নলকূপে পানি উঠছে না। সাধারণত ৬ নম্বর হ্যান্ডপাম্পযুক্ত গভীর নলকূপ বসানোর জন্য পানির সর্বোচ্চ স্থিতিতল হয় ২০ থেকে ২৫ ফুট। কিন্তু সদর উপজেলায় পানির স্তর আরও নিচে নেমে গেছে। এতে নলকূপগুলোর হাতল শক্ত হয়ে পানির ডিসচার্জ কমে যায়। কিছু কিছু নলকূপ অকেজো হয়ে পড়েছে। পানির সংকট নিরসনে সাবমার্সিবল পাম্প বরাদ্দ দেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন : পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে একসঙ্গে ভিড়বে তিন জাহাজ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার ৬১০ হেক্টর। এর মধ্যে স্থানীয় জাতের ২৪১ হেক্টর, উফশী জাতের ১৫ হাজার ৫৫৯ হেক্টর এবং হাইব্রিড জাতের ৪ হাজার ৮১০ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়। কিন্তু অনাবৃষ্টি ও সেচের অভাবে বোরো আবাদ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে বোরো আবাদে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে কৃষকদের অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া প্রচণ্ড তাপদাহে মাঠঘাট ফেটে চৌচির হওয়ায় আবাদ করা মুগ ডাল, তিল, চিনাবাদাম, কাঁচামরিচ, সূর্যমুখী, ভুট্টাসহ অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, খরা ও অনাবৃষ্টিতে রবিশস্যের তেমন ক্ষতি না হলেও বোরো আবাদে ক্ষতির শঙ্কা প্রবল। কৃষকরা জমিতে দুই থেকে তিন দিন পানি ধরে রাখতে পারলে এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। ফসল রক্ষায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।




বরিশালে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

বরিশাল অফিস :: একটানা তাপপ্রবাহে যারপরনাই নাকাল হয়ে পড়েছে দক্ষিণের জনপদ বরিশালের মানুষ। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যেন বেড়েই চলছে।

বাইরে আগুনে পোড়া গরমে জীবন দুর্বিষহ হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে মানুষ। অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠছে শ্রমজীবী মানুষরা।

যেখানে সেখানে ছায়া মানুষ বিশ্রাম নিচ্ছে, স্বস্তি পেতে ঠান্ডা শরবত বা ডাব খাচ্ছে।

সব মিলিয়ে গরমে প্রভাব ফেলছে জীবনযাত্রায় এই তাপপ্রবাহ।

যাদের দিন আয়ে দিন চালতে হয় তাদের কাজ না করতে পেরে বেগ পেতে হচ্ছে বেশ। তারা বলেন, প্রচণ্ড গরমে কাজে নামতে পারছে না, কাজ পেলেও আগের মতো করতে পারে না বলে মজুরিও কম পাচ্ছে।

শিশু ও বৃদ্ধদের কাছে গরম এখন অসহনীয় অবস্থায়। আবার ঘরের ভেতরেও শান্তি নেই, গরমের কারণে সবাই ঘামছে, পানিশূন্যতা দেখা দিয়ে অনেকেই অসুস্থ বোধ করছেন।

দক্ষিণের সব থেকে বড় চিকিৎসাকেন্দ্র বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রশাসনিক শাখা জানিয়েছে, গরমের কারণে গত কয়েকদিনে সব থেকে বেশি মানুষ মেডিসিন ও সিসিইউতে ভর্তি হয়েছে। যাদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, খিচুনিসহ নানান রোগের প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা গেছে।

আর স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বরিশালের কাছাকাছি তাপমাত্রা গেল দিন তিনটায় সর্বোচ্চ রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে ফের আজ রোববার (২১ এপ্রিল) দুপুর তিনটার পর জানা যাবে তাপমাত্রা কত। তবে সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বরিশালে সর্বোচ্চ ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা অনুভুত হচ্ছে। তবুও এই তাপমাত্রা বরিশালের জনজীবনে ত্রাহি ভাব বইছে।

 




গরমে ৫ পানীয় রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  শুধু তেষ্টা মিটলেই তো চলবে না, গরমে বাছতে হবে এমন পানীয়, যা শরীরকেও ঠান্ডা রাখবে। তা ছাড়া, গরমে ব্যাক্টেরিয়া ও ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। তাই শরীরের প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি করার দিকেও নজর দিতে হবে।

জাঁকিয়ে বসেছে গরম। সূর্যের চোখরাঙানিতে হাঁসফাঁস অবস্থা। এই গরমে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা থেকে বাঁচতে মশলা জাতীয় খাবার বাদ দিয়ে পানীয়ের উপরেই নির্ভর করতে হয় বেশির ভাগ সময়ে। কিন্তু শুধু তেষ্টা মিটলেই তো চলবে না, গরমে বাছতে হবে এমন পানীয়, যা শরীরকেও ঠান্ডা রাখবে। তা ছাড়া গরমে ব্যাক্টেরিয়া ও ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। তাই শরীরের প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি করার দিকেও নজর দিতে হবে।

আমলকির শরবত: আধ কাপ আমলকির রস একটি গ্লাসে ঢালুন। এক চামচ মধু ও স্বাদ মতো বিটনুন খুব ভাল করে মিশিয়ে নিন। এ বার পরিমাণ মতো জল মিশিয়ে দিন। খুব সহজেই তৈরি হয়ে যাবে আমলকির শরবত।

তরমুজ-অ্যালো ভেরার শরবত: কয়েক টুকরো তরমুজের রসের সঙ্গে কয়েকটি তুলসি পাতা, ২ চামচ অ্যালো ভেরার রস আর কয়েকটা বরফ দিয়ে ভাল করে মিক্সিতে ঘুরিয়ে নিন। এ বার মিশ্রণে সামান্য বিটনুন, গোলমরিচ আর লেবুর রস দিয়ে দিন। গ্লাসে তরমুজের কুচি আর পুদিনা পাতা দিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন তরমুজ-অ্যালো ভেরার শরবত।

গন্ধরাজ ঘোল: দই, জল, কিছু পুদিনা পাতা, একটু জিরেগুঁড়ো, একটু লাল লঙ্কাগুঁড়ো এবং বিটনুন দিয়ে মিক্সারে ঘুরিয়ে নিন। এ বার সেই মিশ্রণে গন্ধরাজ লেবুর রস, লেবুর নির্যাস আর কয়েকটি বরফ মিশিয়ে নিন। পরিবেশন করুন গন্ধরাজ ঘোল।

শিকঞ্জি: পুদিনা পাতা বেটে নিন। তাতে একে একে পাতিলেবুর রস, বিটনুন, চিনি আর ভাজা জিরে গুঁড়ো মিশিয়ে নিন| এ বার উপর থেকে সোডা কিংবা ঠান্ডা জল ঢেলে অল্প নেড়ে বরফ কুচি সহযোগে পরিবেশন করুন শিকঞ্জি।

তেঁতুলের শরবত: তেঁতুলের খোসা ও বীজ ছাড়িয়ে ক্বাথ বার করে রাখুন। গন্ধরাজ লেবুর রস বের করে নিন। এ বার মিক্সিতে একসঙ্গে তেঁতুলের ক্বাথ, লেবুর রস, বরফের কুচি, পুদিনা পাতা কুচি, নুন আর ভাজা জিরে গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। পরিবেশন করার পাত্রে তেঁতুলের শরবত ঢেলে উপর থেকে পুদিনা পাতা কুচিয়ে ও বরফ দিয়ে পরিবেশন করুন।




মুইজ্জুর জয় ; চিন-প্রীতি’র পক্ষেই মলদ্বীপের জনগণ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  রবিবারের মলদ্বীপের ৯৩ আসনে ভোটগ্রহণ হয়। ভোট গণনার ফলাফল থেকে জানা গিয়েছে, প্রথম ৮৬ আসনের মধ্যে ৬৬ আসনেই জয় পেয়েছে মুইজ্জুর দল। যা জাদুসংখ্যার থেকে অনেকটাই বেশি।

মলদ্বীপের পার্লামেন্ট নির্বাচনে বড় জয় পেল প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর দল পিপল্‌স ন্যাশনাল কংগ্রেস (পিএনসি)। ভারতের সঙ্গে সে দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতি খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারল না রবিবারের পার্লামেন্ট নির্বাচনে। অনেকেই বলছেন, মুইজ্জুর চিন-প্রীতির দিকেই ঝুঁকে তাঁর দলকে ভোট দিয়েছেন মলদ্বীপের নাগরিকেরা।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, রবিবারের মলদ্বীপের ৯৩ আসনে ভোটগ্রহণ হয়। ভারতীয় সময় রাত ১১টা পর্যন্ত ভোট গণনার ফলাফল থেকে জানা গিয়েছে, প্রথম ৮৬ আসনের ভোট গণনা সম্পন্ন হয়েছে। সেই ৮৬ আসনের মধ্যে ৬৬ আসনেই জয় পেয়েছে মুইজ্জুর দল। যা জাদুসংখ্যার থেকে অনেকটাই বেশি। রবিবারের নির্বাচনে মুইজ্জুর দলের সঙ্গে মূলত লড়াই ছিল সে দেশের মলডিভিয়ান ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এমডিপি)-র। ফলাফল থেকেই স্পষ্ট পার্লামেন্ট নির্বাচনে সে ভাবে দাগ কাটতে পারেনি এমডিপি।

মলদ্বীপের পার্লামেন্ট নির্বাচন বিশেষ গুরুত্ব ছিল আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের কাছে। বিশ্বের অনেক দেশের নজর ছিল এই নির্বাচনের দিকে। গত সেপ্টেম্বরেই সে দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মহম্মদ সোলিকে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন মুইজ্জু। কিন্তু পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখে সোলির দল এমডিপি। ফলে পার্লামেন্টের ‘বাধায়’ বহু সিদ্ধান্তই কার্যকর করতে পারেনি মুইজ্জুর সরকার। তাই এই ভোটে জিতে তারা মলদ্বীপের পার্লামেন্টেও নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বজায় রাখতে চেয়েছিল।

কূটনৈতিক মহলের কথায়, এই নির্বাচন মূলত দু’টি কারণের জন্য আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল। মুইজ্জুর ‘ভারত বিরোধী অবস্থান’ এবং ‘চিন ঘেঁষা নীতি’ মলদ্বীপের মানুষের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য তা পরখ করার একটা পরিসর তৈরি করছিল এই নির্বাচন।

ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপ সরকারের সম্পর্ক ক্রমশ অবনতি ঘটেছে এই কয়েক মাসে। মুইজ্জু চিনপন্থী এবং ভারত-বিরোধী হিসাবে পরিচিত। তিনি ক্ষমতায় আসার পর ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছিল মুইজ্জুর তিন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তার পর ভারতের সমাজমাধ্যমে মলদ্বীপ বয়কটের ডাক ওঠে। অনেকেই মলদ্বীপে যাওয়ার টিকিট বাতিল করে দেন। যার ফলে দেশটি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। ইতিমধ্যে চিনের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন মুইজ্জু। এমনকি, মলদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনা সরানোর নির্দেশও দেন তিনি। যা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। শেষ পর্যন্ত ভারত সরকার মলদ্বীপ থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে। এই আবহেই এসে পড়ে সে দেশের পার্লামেন্ট নির্বাচন। মলদ্বীপের বিরোধী দলগুলি মুইজ্জু সরকারের ভারত বিরোধী অবস্থানের বিরোধিতা করে প্রচারও করে। কিন্তু কোনও কিছুই মইজ্জুর দলের পার্লামেন্টে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পথে বাধা হতে পারেনি।




রিয়াল দুর্গে হারল বার্সা, শিরোপার আরও কাছে ভিনিরা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : লা লিগায় এবারের মৌসুমে প্রথম এল ক্লাসিকো যেন ফিরে এলো ফিরতি দেখায়। এবারও ম্যাচের নায়ক জুড বেলিংহ্যাম। রিয়ালের দুর্গ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে উল্লাস—৩-২ রোমাঞ্চের। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে রিয়াল সমর্থকদের উল্লাসে ভাসিয়েছেন বেলিংহ্যাম।

রোববার বার্নাব্যুতে ম্যাচের শুরুতেই জমে উঠে এল ক্লাসিকো। মাত্র ৬ মিনিটে এগিয়ে যায় জাভির শিষ্যরা। রাফিনিয়ার ক্রস থেকে দারুণ হেডে বার্সেলোনার প্রথম গোলটি করেন ক্রিস্টেনসেন। তবে সমতায় ফিরতে বেশি সময় নেয়নি রিয়াল। ম্যাচের ১৬ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাকে যায় স্বাগতিকরা।

জোয়াও কানসেলোকে পাশ কাটিয়ে বক্সে ঢুকেছিলেন লুকাস ভাসকেস। কিন্তু তাকে ফাউল করে বার্সার জন্য বিপদ ডেকে আনেন কুবারসি। পেনাল্টিতে গোল আদায় করে নেন ভিনিসিয়ুস।

বিরতির পর দুদলই সমান তালে লড়াই চালিয়ে যায়। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে ইয়ামালের শট লুনিন ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি শটে গোলে এগিয়ে যায় কাতালানরা। ফারমিন লোপেসে পা থেকে সাফল্য পায় বার্সা। কিন্তু লিড চার মিনিটের বেশি ধরে রাখতে পারেনি বার্সা। ভিনির নিখুঁত ক্রসে জোরালো শট নিয়ে বার্সা গোলরক্ষক টার স্টেগানকে পরাস্ত করেন ভাসকেস।

ম্যাচে সমতা ফিরলে জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে দুদল। তবে বার্সার দুর্গে একের পর এক হানা দেয় রিয়াল। অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই ভাসকেসের দূরপাল্লার ক্রস পেছনে থাকা বেলিংহ্যামের জন্য ছেড়ে দেন হোসেলু। বার্সা ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে দুর্দান্ত শটে বার্সার কফিনে শেষ প্যারেক ঠুকে দেন বেলিংহ্যাম।

এই জয়ে ৩২ ম্যাচে ৮১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরও শক্ত করল রিয়াল। দুইয়ে থাকা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সার সঙ্গে তাদের ব্যবধান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ পয়েন্টে। সমান ম্যাচ খেলে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে জাভি হার্নান্দেজ বাহিনী।




শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ: লিখিত পরীক্ষার উত্তীর্ণ ৪৬ হাজার ১৯৯

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে (তিন পার্বত্য জেলা বাদে ২১টি জেলা) লিখিত পরীক্ষার উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৬ হাজার ১৯৯ জন।

সোমবার (২২ এপ্রিল) রাত দেড়টায় এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়‌

গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।




কাজ করতে পারেনি বলেই ওদের ভরাডুবি হয়েছে: মিশা

বরিশাল অফিস :: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত ১৯ এপ্রিল। ২০২৪-২০২৬ মেয়াদের নির্বাচনে তৃতীয়বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হন মিশা সওদাগর। নির্বাচনের পর আজ প্রথমবারের মতো সমিতিতে যান তিনি। সেখানে গিয়ে সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রতি দেওয়ার পাশাপাশি নিপুণ প্যানেলের ভরাডুবির কারণও উল্লেখ করেন এই দাপুকে খল অভিনেতা।

আজ ২১ এপ্রিল দুপুরে এফডিসিতে গিয়ে মিশা সওদাগর বলেন, ‘২৩ তারিখের পর আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করবো। এর পরে আমরা অপর প্যানেল থেকে বিজয়ী তিনজনকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবো। পাশাপাশি চলচ্চিত্রের অন্যান্য সংগঠনের সঙ্গে বসে আমরা পর্যায়ক্রমে কাজগুলো সম্পন্ন করবো ইনশাল্লাহ।’

নিপুণ প্যানেলের ভরাডুবি উল্লেখ করে দাপুটে এই খল অভিনেতা বলেন, ‘ওরা কাজ করতে পারেনি বলেই ওদের ভরাডুবি হয়েছে।’

নিপুণ আক্তারের বিপরীতে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হন মনোয়ার হোসেন ডিপজল। এদিকে সহ-সভাপতি পদে জয়ী হয়েছেন মাসুম পারভেজ রুবেল ও ডি এ তায়েব, সহ-সাধারণ সম্পাদক আরমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জয় চৌধুরী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আলেকজান্ডার বো, দফতর ও প্রচার সম্পাদক জ্যাকি আলমগীর, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মামনুন হাসান ইমন এবং কোষাধ্যক্ষ পদে কমল। এর মধ্যে নিপুণ প্যানেল থেকে কেবল ক্রীড়া সম্পাদক মামনুন হাসান ইমন জয়ী হন।

কার্যনির্বাহী সদস্য পদে মিশা-ডিপজল পরিষদ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ৯ জন। তারা হলেন সুচরিতা, রোজিনা, আলীরাজ, সুব্রত, দিলারা ইয়াসমিন, শাহনূর, নানা শাহ, রত্না কবির ও চুন্নু। কলি-নিপুণ পরিষদ থেকে রিয়ানা পারভিন পলি ও সনি রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ভোট গ্রহণ শেষ হয়। এর আগে ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যে শুক্রবার সকাল সাড়ে নয়টায় এফডিসির শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ৫৭০ ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ৪৭৫টি। এবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু।