তীব্র গরমে বরিশালে ক্লাসরুমে ৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ

বরিশাল অফিস :: বরিশালে তীব্র তাপপ্রবাহে স্কুুল চলাকালীন সময়ে একটি বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। সোমবার (২৯ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে নগরীর জগদীশ সারস্বত গার্লস স্কুুল এন্ড কলেজে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

জানা যায়, তীব্র গরমের মধ্যে জেলার অন্যান্য স্কুলের মতো নগরীর জগদীশ সারস্বত গার্লস স্কুুল এন্ড কলেজে সকাল ১০টায় ক্লাস শুরু হয়। এদিন বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতিও ছিল মোটামুটি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক শিক্ষার্থী গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পরে এর মধ্যে আবার লোডশেডিং হয়। এক পর্যায়ে ক্লাস চলাকালে অসুস্থ হয়ে পড়ে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসনীন আক্তার, কিছুক্ষণ পরে সপ্তম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থীও অসুস্থ হয়ে পরে। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের টিচার্স রুমে এনে শরবত, স্যালাইন ও মাথায় পর্যাপ্ত পানি দেওয়ার পরে কিছুটা স্বস্তি ফিরলে অভিভাবককে ডেকে বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

অসুস্থ শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রথম ক্লাস থেকেই পেটে ব্যথা, মাথা ব্যথা ও বমি বমি ভাব হচ্ছিল। হঠাৎ লোডশেডিং হলে কিছুক্ষণের মধ্যে গরম বেড়ে যায়। তারপরে অসুস্থ হয়ে পড়ি।

সহকারী শিক্ষক কাওসার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এক একটি শ্রেণি কক্ষে ৪০ থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থী ক্লাস করছিল। বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড গরমের ফলে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে প্রচণ্ড গরমে তিন জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের অভিভাবকদের ডেকে বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

এদিকে বরিশাল আবহাওয়া অফিসের উচ্চমান পর্যবেক্ষক মো. বশির আহাম্মেদ জানান, সোমবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত ৩৮ দশমিক ০৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।




দাবদাহের কারণে স্কুল বন্ধ দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার আরও যেসব দেশে

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  চলতি এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি থেকে এশিয়ার বিভিন্ন অংশে বয়ে যাচ্ছে তাপপ্রবাহ। ব্যাপক গরম ও দাবদাহের কারণে আগামী ৩ দিন স্কুল-মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশের হাইকোর্ট।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ছাড়াও অসহনীয় গরমের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার অন্তত ৫টি দেশ। এসব দেশ হলো— ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুর।

ফিলিপাইনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় রোববার দেশজুড়ে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামী দুই দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এই দ্বীপরাষ্ট্রের আবহাওয়া দপ্তরের কর্মকর্তারা বলেছেন, বর্তমানে ফিলিপাইনের প্রায় সব অঞ্চলে তাপমাত্রার পারদ ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার আশপাশে; কিন্তু এপ্রিলের শুষ্ক আবহাওয়া এবং বৃষ্টিহীনতার কারণে রাজধানী ম্যানিলাসহ বিভিন্ন দ্বীপে অনুভূত তাপমাত্রা প্রায় ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দেশটির স্কুলশিক্ষকদের সংগঠন টিচার্স ডিগনিটি কোয়ালিশনের চেয়ারপারসন বেঞ্জো বাসাস স্থানীয় বেতার সংবাদমাধ্যম ডিডব্লিউপিএম রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ফিলিপাইনের অধিকাংশ স্কুলের শ্রেনীকক্ষে এসি নেই, শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বেশি। গত কয়েকদিন ধরে আমরা খবর পাচ্ছিলাম যে অত্যাধিক গরমের কারণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্লান্তিভাবসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। গরম ও কোলাহলের কারণে ক্লাসের মধ্যে শিক্ষক বা শিক্ষার্থী অজ্ঞান হয়ে পড়েছেন— এমন কিছু ঘটনাও আমরা শুনেচ্ছি।’

‘তাই আমরা মনে করছি সরকারের এই সিদ্ধান্ত প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী এবং টিচার্স ডিগনিটি কোয়ালিশনের পক্ষ থেকে আমি এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি।’

স্কুলগুলোতে ক্লাসের সময় বৈদ্যুতিক পাখাও সবসময় চালু রাখা যাচ্ছে না। দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদন কর্তৃপক্ষ শনিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গরমের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই ঘাটতি শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে গিয়ে ইতোমধ্যে অন্তত ১৩টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বিকল হয়ে গেছে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে রোববার লোকজনকে অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত বাড়ির বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে থাইল্যান্ড। গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে রাজাধানী ব্যাংককসহ দেশটির মধ্য ও উত্তরাঞ্চলের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির নিচে নামছে না। গত ২২ এপ্রিল উত্তরাঞ্চলীয় শহর ল্যামপাঙের তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠেছিল।




আজ  ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  অস্ট্রেলিয়া নারী দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল বাংলাদেশ নারী দল। সেই ব্যর্থতা কাটিয়ে ভারত সিরিজ দিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ টাইগ্রেসদের সামনে। তবে ঘরের মাঠের এই সিরিজও হার দিয়ে শুরু করেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।

প্রথম ম্যাচে বড় হারের পর নিশ্চিতভাবেই মানসিকভাবে কিছুটা পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। তাছাড়া শক্তিমত্তায়ও এগিয়ে ভারত। তারপরও ঘরের মাঠ বলে কথা। ঘুরে দাঁড়ানোর মিশনে আগামীকাল আবারও মাঠে নামছে বাংলাদেশের মেয়েরা।

আজ মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বিকাল ৪টায় ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।  ৫ ম্যাচ সিরিজে ইতোমধ্যেই ১-০ তে এগিয়ে আছে ভারত।

বাংলাদেশ স্কোয়াড : নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার, মারুফা আক্তার, মর্শিদা খাতুন, সোবহানা মুস্তারি, স্বর্ণা আক্তার, রিতু মনি, সুলতানা আক্তার, রাবেয়া খান, ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা, শরিফা খাতুন, দিলারা আক্তার, ফাহিমা খাতুন, রুবায়া হায়দার ঝিলিক, হাবিবা ইসলাম পিংকি। অতিরিক্ত– সুমাইয়া আক্তার, নিশিতা আক্তার।

ভারতের স্কোয়াড: হারমানপ্রীত কৌর (অধিনায়ক), স্মৃতি মান্ধানা (সহ–অধিনায়ক), শেফালি ভার্মা, দয়ালন হেমলতা, সাজানা সজীবন, রিচা ঘোষ (উইকেটকিপার), যষ্টিকা ভাটিয়া (উইকেটকিপার), রাধা যাদব, দীপ্তি শর্মা, পূজা বস্ত্রকর, আমানজোত কৌর, শ্রেয়াঙ্কা পাতিল, সাইকা ইসহাক, আশা সোভানা, রেনুকা সিং ও তিতাস সাধু।




শাকিব খানের বিয়ের খবরে নিশ্চুপ অপু বিশ্বাস!

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  গত কয়েকদিন ধরেই ঢালিউডের সবচেয়ে বড় খবর ‘শাকিব খানের বিয়ে’! সম্প্রতি দেশের একটি সংবাদমাধ্যম দাবি করে, খুব শিগগিরই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলীর সঙ্গে সংসার ভাঙনের পর নায়ককে নতুন করে বিয়ে দেওয়ার চিন্তা করছে তার পরিবার।

শাকিবের বিয়ের খবরে যখন গোটা শোবিজ অঙ্গন উত্তাল, তখন নীরব ভূমিকায় রয়েছেন তার প্রাক্তন স্ত্রী অপু বিশ্বাস। গেল ঈদেও শাকিব বন্দনায় মুখর ছিলেন অপু। জানিয়েছিলেন, প্রাক্তন স্বামীর পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের গল্প।

তবে হঠাৎই শাকিবের বিয়ের খবরে যেন নিশ্চুপ এই নায়িকা। গেল কয়েকদিনে একাধিকবার অপু বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও শাকিব খানের ‘বিয়ে’ প্রসঙ্গে কোনো মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এক আলাপচারিতায়, অপু বিশ্বাসকে শাকিব খানের বিয়ের প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে শুরুতে এ ধরণের কোনো সংবাদ দেখেননি বলে মন্তব্য করেন তিনি। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে কোনো কথা বলতেও রাজি হননি এই অভিনেত্রী।

এদিকে প্রকাশিত সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শাকিবের পরিবার চাইছে না তার জীবনে অপু বিশ্বাস বা বুবলীর সঙ্গে কোনো সম্পর্ক থাকুক। সে কারণেই নায়ককে নতুন করে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিবার থেকে ইতোমধ্যেই পাত্রী দেখা শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে অপু বিশ্বাস কোনো মন্তব্য না করলেও শাকিবের বিয়ের খবরে মুখ খুলেছেন শবনম বুবলী। একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, তার বিয়ের বিষয়ে আমার কথা বলার কোনো ইচ্ছে নেই। বিগত কয়েক বছরে শাকিব খানের বিয়ে নিয়ে এতবার শুনেছি, যে কয়েকদিন পর আমার সন্তান শেহজাদ খান বীর এই প্রশ্ন শুনলে বলবে ‘নো কমেন্টস’।

কয়েকদিন আগেও এক সাক্ষাৎকারে নিজেকে শাকিবের বৈধ স্ত্রী বলে দাবি করেছেন বুবলী। সে সময় এই নায়িকা বলেন, ‘আমার ও শাকিবের এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদ হয়নি। আমরা দুজনেই সময় নিচ্ছি। সন্তান শেহজাদ খান বীরের জন্য যেটা মঙ্গল হবে, সেটাই সিদ্ধান্ত নেব।’

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে গোপনে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে বিয়ে করেছিলেন শাকিব খান। তাদের সেই সংসারে রয়েছে একটি পুত্র সন্তান। বিয়ের ১০ বছরের মাথায় বিচ্ছেদ ঘটে এই দম্পতির সংসারে। এরপর চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীর গলায় মালা দেন শাকিব। সেই সংসারেও রয়েছে একটি সন্তান। কিন্তু বুবলীর সঙ্গেও শাকিবের সংসার স্থায়ী হয়নি। কয়েক বছরের মধ্যেই আলাদা হয়ে যান এই জুটি।

 




দেশের কোন জেলার তাপমাত্রা কত?

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:   দেশের ওপর দিয়ে স্মরণকালের সবচেয়ে দীর্ঘতম তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। দাবদাহের কারণে হিট স্ট্রোকে মারা যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্কুলশিক্ষার্থীসহ অনেক মানুষকে গরমে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। গরম থেকে বাঁচতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা ওঠে ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত।

গতকাল সন্ধ্যা ৬টায় আবহাওয়ার সবশেষ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের সবচেয়ে উত্তপ্ত এলাকা ছিল খুলনাঞ্চল। এ বিভাগের কোথাও আজ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সে. এর নিচে নামেনি। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গায় ছিল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে এর বিপরীত চিত্র দেখা গেছে সিলেট বিভাগে। এ অঞ্চলে তাপমাত্রা অনেকটাই সহনীয় ছিল। এর মধ্যে শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২০ ডিগ্রি সে.।

 

আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামীকালও সারা দেশে তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। আবহওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির স্বাক্ষরিত এক আবহাওয়া বার্তায় বলা হয়, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, পাবনা ও রাজশাহী জেলার ওপর দিয়ে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ এবং খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের অবশিষ্টাংশ এবং ঢাকা বিভাগের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ময়মনসিংহ জেলাসহ বরিশাল, রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

আজ (মঙ্গলবার) সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিভাব বিরাজমান থাকতে পারে।

ঢাকা বিভাগ

ঢাকা : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

টাঙ্গাইল : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ফরিদপুর : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মাদারীপুর : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গোপালগঞ্জ : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

নিকলি : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা … ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চট্টগ্রাম বিভাগ

 

চট্টগ্রাম : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সন্দ্বীপ : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সীতাকুণ্ড : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রাঙামাটি : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

কুমিল্লা : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চাঁদপুর : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মাইজদীকোর্ট : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ফেনী : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

হাতিয়া: সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

কক্সবাজার : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

কুতুবদিয়া : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

টেকনাফ : সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

বান্দরবান : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

সিলেট বিভাগ

সিলেট : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শ্রীমঙ্গল : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা … ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ময়মনসিংহ বিভাগ

ময়মনসিংহ : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

নেত্রকোণা : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রাজশাহী বিভাগ

রাজশাহী : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ঈশ্বরদী : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বগুড়া : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বদলগাছি : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তাড়াশ : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রংপুর বিভাগ

রংপুর : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দিনাজপুর : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সৈয়দপুর : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তেঁতুলিয়া : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ডিমলা : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রাজারহাট : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

খুলনা বিভাগ

খুলনা : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মোংলা : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সাতক্ষীরা : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

যশোর : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

চুয়াডাঙা : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

কুমারখালী : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বরিশাল বিভাগ

বরিশাল : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

পটুয়াখালী : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

খেপুপাড়া : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ভোলা : সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

সূত্র: আবহাওয়া অধিদপ্তর




আজ থেকে ফের ৫ দিনের ছুটিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর এবং গরমের কারণে এক সপ্তাহ মিলিয়ে মোট ১ মাস ৩ দিন পর ২৮ এপ্রিল খুলেছে দেশের শিক্ষাঙ্গণ। একদিন খোলা রেখে সোমবার থেকে ফের বন্ধ হয় মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা।

তবে তীব্র তাপপ্রবাহ ও হাইকোর্টের নির্দেশনা মেনে ২ মে পর্যন্ত সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এরপর শুক্র ও শনিবার স্বাভাবিক ছুটি। অর্থাৎ এক মাস তিন দিন বন্ধ শেষে মাত্র দুদিন শ্রেণিকার্যক্রমের পর ফের ৫ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শিশু শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা বিবেচনায় বৃহস্পতিবার (২ মে) পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরসঙ্গে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটিও যোগ হবে। সব মিলিয়ে টানা ৫ দিনের ছুটি পাচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিন বলেন, সারা দেশে বহমান তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে শিশু শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা বিবেচনায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের বিদ্যালয় ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর লার্নিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ সাংবাদিকদের বলেন, আদালতের নির্দেশনা এখনও আমাদের কাছে পৌঁছায়নি। এরআগেই সকালে আমরা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।




খালে পাওয়া ‘টর্পেডো’ উদ্ধার করল নৌবাহিনী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর খালে ভেসে আসা টর্পেডো সরিয়ে নিয়েছে নৌ-বাহিনী।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) সকালে শেরে-বাংলা নৌ-ঘাটির সদস্যরা বেশ সর্তকতার সাথে এটি খাল থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।

এ সময় কোস্ট গার্ড আন্ধারমানিক জোনের সদস্যরা উপস্থিত ছিল। তবে এটি টর্পেডো কিনা, টর্পেডো হলে এটি কোন দেশের, কিভাবে এখানে ভেসে এল এ বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি হয়নি উদ্ধারকারী নৌ-বাহিনীর সদস্যরা।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালী‌তে ক্লাস চলাকালীন ২ শিক্ষার্থী অসুস্থ

প্রায় ২৭ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩ ফুট প্রস্থের টর্পেডোটি রবিবার দুপুরে বঙ্গোপসাগর থেকে রাবনাবাদ চ্যানেল হয়ে রাঙ্গাবালীর মৌডুবী ইউনিয়নের মীরকান্দা গ্রামের ভাঙ্গার খালে ভেসে আসে। অচেনা এ বস্তুটি দেখে স্থানীয়দের মাঝে কৌতুহলসহ আতংক সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। কোষ্টগার্ডের সদস্যরা ছবি দেখে এটি প্রাথমিকভাবে টর্পেডো বলে জানিয়েছেন রাঙ্গাবালী থানার ওসি হেলাল উদ্দিন।

কোস্টগার্ড জানায়, টর্পেডো হচ্ছে এক ধরনের স্ব-চালিত অস্ত্র। এটি জলের নিচে বা উপরে বিস্ফোরক ওয়ারহেড বহন করে এবং লক্ষ্যবস্তুর কাছাকাছি আসার পর বিস্ফোরিত হতে পারে। সাবমেরিন কিংবা যুদ্ধ জাহাজ ধ্বংসে এটি ব্যবহার করে থাকে নৌ-বাহিনী।




পটুয়াখালী‌তে ক্লাস চলাকালীন ২ শিক্ষার্থী অসুস্থ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী‌তে তীব্র তাপদা‌হের ম‌ধ্যে ক্লাস চলাকালীন সম‌য়ে হঠাৎ বিদ্যুৎ চ‌লে গে‌লে দুইজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হ‌য়ে পড়েছে।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ৯টার দি‌কে কুয়াকাটা বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ‌্যাল‌য়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ক‌ক্ষে এ ঘটনা ঘ‌টে।

অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হ‌লেন- মোছা. কারীমা বেগম ও মো. ইমান ইসা।

আরো পড়ুন : ভাইরাল ভিডিও নিয়ে কুয়াকাটা পৌর ছাত্রলীগের সংবাদ সম্মেলন

বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মো. ওবায়দুর রহমান জানান, আহত‌দের প্রাথ‌মিক চি‌কিৎসা ক‌রি‌য়ে তা‌দের নিজ নিজ বাড়ি‌তে পৌঁ‌ছে দেয়া হ‌য়ে‌ছে। বর্তমা‌নে তারা মোটা‌মুটি সুস্থ র‌য়ে‌ছে। ত‌বে অন্যান্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ম‌ধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।

তি‌নি জানান, অনেক দিন পর স্কুল খুল‌লে শিক্ষার্থীরা হাসিখুশি ম‌নেই ক্লাস কর‌ছিল। কিন্তু বাই‌রে তাপদা‌হের মধ্যে ক্লাস শুরু হ‌লে হঠাৎ বিদ‌্যুৎ চ‌লে যায়। এসময় ওই দুই শিক্ষার্থী অসুস্থ হ‌য়ে প‌রে। এ অবস্থা দে‌খে যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ‌্যুৎ না ছিল ততক্ষণ পর্যন্ত শিক্ষার্থী‌দের নিরাপদে রাখার চেষ্টা ক‌রে‌ছি।




স্কুল-মাদরাসা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :  তীব্র গরম ও চলমান তাপপ্রবাহের মধ্যে সারাদেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং মাদরাসার পাঠদান আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।

আদেশে আদালত বলেছেন, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) রয়েছে সেগুলোতে যথারীতি পাঠদান ও পরীক্ষা কার্যক্রম চলবে। এছাড়া যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার দিন ধার্য করা থাকে সেক্ষেত্রে সিডিউল অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ সাইফুজ্জামান জামান আদেশের বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, শ্রেণিকক্ষে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বা এসি নেই, তীব্র গরমের কারণে এ ধরনের প্রাথমিক-মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসাগুলো বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

অন্যদিকে, কোনো প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার দিন ধার্য থাকলে নির্ধারিত সময়সূচিতে পরীক্ষা নেওয়া যাবে বলেও জানান এ আইনজীবী।

ঈদের ছুটি শেষে গত ২১ এপ্রিল সারাদেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ছিল। তবে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে এক সপ্তাহ ছুটি বাড়ানো হয়। এরপর গত ২৫ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে রোববার (২৮ এপ্রিল) থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথারীতি ক্লাস শুরুর নির্দেশনা দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী রোববার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে। তবে অনেক প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত গরমে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর পাওয়া যায়।

এদিকে, তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে সোমবার ঢাকা, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, খুলনা ও রাজশাহী দেশের এই পাঁচটি জেলার সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। গতকাল রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তবে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বা এসি রয়েছে, কর্তৃপক্ষ চাইলে সেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে পারবেন।




২৯ এপ্রিলের ভয়াল সেই স্মৃতি আজও ভুলতে পারেনি উপকূলবাসী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ভয়াল ২৯ এপ্রিল আজ। স্বজন হারাদের আঁতকে ওঠার দিন। এখনও স্বজনরা ডুকরে ডুকরে কাঁদে প্রিয়জনের স্মরণে। গণহারে কবর হয়েছিল, লাখে লাখে মরেছে মানুষ। মানুষের লাশ আর লাশ ভেসে এসেছে সেদিন।

১৯৯১ সালের এদিনে দিনগত মধ্যরাতে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনাসহ দেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ১২ থেকে ২০ ফুট উচ্চতায় জ্বলোচ্ছাসে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় ‘হারিকেন’। লাশের পরে লাশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল চারদিকে। নদী-নালা, ডোবায়, খাল-বিল, সমুদ্রে ভেসেছিল মানুষের লাশ আর লাশ। গরু, মহিষ, ভেড়ার মরদেহের স্তুপ যেন ভয়াল এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য।

আরো পড়ুন : ভাইরাল ভিডিও নিয়ে কুয়াকাটা পৌর ছাত্রলীগের সংবাদ সম্মেলন

বিস্তীর্ণ অঞ্চল ধ্বংস্তূপে পরিণত হয়েছিল। দেশের মানুষ বাকরুদ্ধ হয়ে সেদিন প্রত্যক্ষ করেছিল প্রকৃতির করুণ এই আঘাতের নিদারুণ দৃশ্য। প্রাকৃতিক দুর্যোগের এতবড় অভিজ্ঞতার মুখোমুখী এদেশের মানুষ এর আগে আর কখনো সম্মুখীন হয়নি।

পরদিন বিশ্ববাসী অবাক হয়ে গিয়েছিল সেই ধ্বংসলীলা দেখে। নির্বাক হয়ে তাকিয়ে ছিল জাতি। স্বজনহারানোর অস্থিরতায় বোবা কান্নায় ডুকরে ডুকরে কেঁদেছিল সমগ্র দেশ।

বাংলাদেশে আঘাত হানা ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে নিহতের সংখ্যা বিচারে পৃথিবীর ভয়াবহতম ঘূর্ণিঝড়গুলোর মধ্যে অন্যতম। ঘূর্ণিঝড় এবং তার প্রভাবে সৃষ্ট ২০ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসে আনুমানিক ১ লক্ষ ৩৮ হাজার মানুষ নিহত এবং প্রায় এক কোটি মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছিল। তবে বেসরকারি হিসাবে এর সংখ্যা আরও বেশি। মারা যায় ২০ লাখ গবাদিপশু। ক্ষতি হয়েছিল ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি সম্পদ।

ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা ক্ষয়ক্ষতির কারণ সম্পর্কে পত্রপত্রিকায় লেখালেখি হয়েছিল আগে থেকেই। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সতর্কবার্তা প্রচার হয়েছিল। সেসময় অনেকেই ঘূর্ণিঝড়ের ভয়াবহতা বুঝতে পারে নি বলে সাইক্লোন সেন্টারে যায় নি। বার বার মাইকিং করা সত্ত্বেও বাড়ি ঘর ছেড়ে যেতে চায় নি’। এটাও ঠিক যে তখন সাইক্লোন সেন্টারও যথেষ্ট ছিল না। যাবেই বা কোথায়? পরিবারে বৃদ্ধ মা-বাবাকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। শেষ সময়ে অনেকে ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়ে যাবার সময় বৃদ্ধ মা-বাবাকে নারিকেল গাছের সাথে বেঁধে গেছেন। বাতাসের তীব্র গতিতে গাছের সাথে দুলতে দুলতে কেউ কেউ বেঁচেও গিয়েছিলেন, আবার ভেসেও গেছেন এমন দুঃখের কথাও আমরা শুনেছি রাঙ্গাবালী, গলাচিপা, কুয়াকাটা, কলাপাড়ার মানুষের কাছে।

কুয়াকাটার বাসিন্দা জয়নাল মৃর্ধা বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের পরে তখন আমরা যা দেখেছি পুরো উপকূল মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিল। এলাকায় ফিরে গিয়ে দেখি তখন এক কবরে একাধিক নারী পুরুষ শিশুকে কাফন ছাড়া দাফন করা হচ্ছে। হাটে ঘাটে নালা নর্দমা পুকুরে লাশের সারি। ঘূর্ণিঝড় জলোচ্ছ্বাসের আগে নারীরা বলেছিলেন আমরা গরু-ছাগল হাঁস-মুরগি রেখে যাই কেমন করে? এটা নিয়ে অনেকে হেসেছিলেন, কিন্তু ওদের কথায় এটা পরিষ্কার ছিল যে পরিবার বলতে ওদের কাছে শুধু মানুষ নয়, ঘরের পশুপাখিও তাদের পরিবারের অংশ। তাদের ফেলে যাবেন এমন স্বার্থপর তারা নন। সাইক্লোন শেল্টারগুলোতে গবাদিপশু রাখার ব্যবস্থা তখন ছিল না, এখনও নেই। শুধু মানুষ বাঁচানোর চেষ্টা। আবার এই মানুষ যখন অন্য প্রাণীর জন্যে আকুল হয় তখন তাদের সচেতনতার অভাবের কথা বলা হয়।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালী তীব্র তাপদাহে ফসলের উৎপাদন ব্যাহতের শঙ্কা

উপকূলবাসী আজও ভুলতে পারেনি সেই রাতের দুঃসহ স্মৃতি। প্রলয়ঙ্করী এই ধ্বংসযজ্ঞের ৩৩ বছর পার হতে চলেছে। এখনও স্বজনহারাদের আর্তনাদ থামেনি। গৃহহারা অনেক মানুষ এখনও মাথা গোঁজার ঠাঁই করে নিতে পারেনি।

রাঙ্গাবালী দ্বীপের বাসিন্দা আলম মিয়া ওই রাতের স্মৃতি উল্লেখ করে বলেন, সে ভয়াল রাতের কথা মনে পড়লে চোখে পানি চলে আসে। সেই রাতের কথা কোনো ভাবেই ভুলে যাওয়ার নয়। সেই উপকূল এখনো অরক্ষিত।