শনিবার মাধ্যমিক, রোববার খুলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : রমজান মাস, ঈদুল ফিতর এবং তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বন্ধ থাকার পর আগামী সপ্তাহ থেকে স্বাভাবিক হচ্ছে শ্রেণীকক্ষে পাঠদান। আগামী শনিবার (৪ মে) থেকে খুলছে মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আর রোববার (৫ মে) থেকে খুলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়।



একদিকে রেকর্ড ভাঙা গরম, অন্যদিকে গাছ কাটছে বন বিভাগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: চলমান অসহনীয় গরমে যখন ‘গাছ লাগাও, পরিবেশ বাঁচাও’ আওয়াজ উঠেছে, ঠিক সে সময়েই পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে সামাজিক বনায়নের এক হাজার ৩৭৫টি গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। সামাজিক বনায়ন বিধিমালার নিয়ম রক্ষা করতে গিয়ে তীব্র গরমের মধ্যেই ৬ কিলোমিটার সড়কজুড়ে ছায়া দেওয়া ২৪ বছরের পুরানো এসব গাছ কেটে নেওয়া হচ্ছে। এতে ছায়া বঞ্চিত হচ্ছে মানুষ, ঠিকানা হারাচ্ছে পাখ-পাখালি। কিন্তু গাছ কাটার এমন সিদ্ধান্ত কিংবা নিয়ম জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের জন্য শুভকর নয়; বলছেন পরিবেশবিদরা।

সামাজিক বনায়নের এসব গাছ কাটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন বিভাগ। বন বিভাগের রাঙ্গাবালী রেঞ্জ কার্যালয় সূত্র বলছে, ১৯৯৯-২০০০ অর্থবছরে রাঙ্গাবালী বন গবেষণা ইনস্টিটিউট সংলগ্ন সড়ক থেকে উপজেলা পরিষদ হয়ে গন্ডাদুলা এম এইচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়কের দু’পাশে এ গাছগুলো রোপণ করা হয়েছিল। বন বিভাগের সবুজ বেষ্টনী প্রকল্পের আওতায় ২৪ বছর আগে সড়কটির দু’পাশে মেহগনি, রেইনট্রি, আকাশমনি, অর্জুন, খইয়া, বাবলা, চাম্বুল, শিশু, কড়াই, ঝাউ, পেয়ারা ও কাঁঠাল প্রজাতির এ গাছ রোপণ করা হয়।

বন বিভাগ বলছে, সামাজিক বনায়ন বিধিমালার অনুযায়ী ২০ বছর পূর্ণ হলেই সামাজিক বনায়নের গাছ নিয়মানুযায়ী বিক্রি করার বিধান রয়েছে। সেই নিয়ম রক্ষা করতে গিয়ে ফলজ-বনজ প্রজাতির এক হাজার ৩৭৫টি গাছ নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করে বিক্রি করার জন্য গত ১৩ ডিসেম্বর দরপত্র আহ্বান করে বন বিভাগ। ৫ লক্ষ ৮৩ হাজার ২০০ টাকায় সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মো. বশির মিয়া গাছ কাটার কার্যাদেশ পান।

আরো পড়ুন : সৎ, শিক্ষিত ও তরুণ নেতৃত্ব নির্বাচিত করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মধ্য দিয়ে স্মার্ট, উন্নত ও মানবিক দুমকি বিনির্মানে সহযোগীতা চাইলেন মেহেদী হাসান মিজান

কিন্তু গরমে যখন হাঁসফাঁস জনজীবন, ঠিক তখনই গাছ কাটা শুরু হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, কাঠফাটা রোদে একটু প্রশান্তি মেলে গাছ তলাতে। কিন্তু মাথার ওপর ছায়া দেওয়া, পাখিদের আশ্রয় দেওয়া সেই গাছে ঢাকা সড়কটি এখন প্রায় গাছ শূন্য। একের পর এক কাটা পড়ছে ছায়া বৃক্ষগুলো। তাপদাহ চলা পুরো এপ্রিল মাসজুড়েই গাছ কাটা চলে। এখন প্রায় শেষ পর্যায়ও।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন জানান, বন বিভাগ যে গাছগুলোতে লাল নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করেছে তা-তো কাটা হচ্ছেই, আর যেগুলো নম্বর চিহ্ন দেয়নি তাও কাটা হচ্ছে। ছোট-ছোট গাছও রক্ষা পাচ্ছে না।

উপজেলার সদর ইউনিয়নের গন্ডাদুলা গ্রামের খালিদ হোসেন বলেন, ‘দু’পাশের এ গাছগুলো সড়কটিকে ছায়া দিয়ে রাখতো। ছায়া দেওয়া এসব গাছের কোনটিই রাখা হচ্ছে না। ছোট-বড় সব গাছ কেটে সাবাড় করা হচ্ছে। বন বিভাগের গাছ তো নিছেই, আমাদের অনেকের লাগানো মালিকানা গাছও কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এই সড়কে গাছ থাকলে ছায়ায় চলাফেরা করতে পারতাম। গাছ না থাকার কারণে রোদের তীব্রতা আরও বেড়ে গেছে। গরমে সড়কে চলাচল করতে পারছি না।’

ওই ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের বশার হোসেন বলেন, ‘এই রাস্তায় যখন গাছ ছিল, ঠান্ডা বাতাস লাগতো। গাছ কেটে ফেলছে, এখন রোদে চলা যায় না। পথচারীরা গাছের ছায়া পাচ্ছে না। গাছগুলোতে আশ্রয় নেওয়া পাখিগুলো আশ্রয় হারাচ্ছে। এই সড়কে শোনা যাবে না পাখির কিচিরমিচির শব্দ।’

বন বিভাগের রাঙ্গাবালী রেঞ্জ কর্মকর্তা অমিতাভ বসু বলেন, ‘দারিদ্র বিমোচন করতে সামাজিক বনায়ন বিধিমালা অনুযায়ী উপকারভোগীদের সম্পৃক্ত করে সমিতির মাধ্যমে সৃষ্ট সামাজিক বনায়নের গাছ রোপণের ২০ বছর পর কেটে নিয়মানুযায়ী বিক্রি করার বিধান রয়েছে। বিক্রি করা এই অর্থ বন অধিদপ্তর ১০ শতাংশ, ভূমি মালিক সংস্থা ২০ শতাংশ, উপকারভোগী ৫৫ শতাংশ, পুনরায় বাগান করার জন্য ১০ শতাংশ এবং ইউনিয়ন পরিষদ পাবে ৫ শতাংশ।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে সড়ক থেকে গাছ কাটা হচ্ছে সেই সড়কে পুনরায় ১০ হাজার গাছ রোপণ করা হবে।’

তবে সামাজিক বনায়ন বিধিমালা রক্ষার নামে গাছ কাটার এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করছেন পরিবেশবিদরা।

পরিবেশবিদরা বলছেন, সামাজিক বনায়ন বিধিমালার এই নিয়ম এখন পরিবর্তন প্রয়োজন। এমন নিয়ম করতে হবে যে গাছ কেটে উপকারভোগীদের আর টাকা দেওয়া হবে না। গাছের পরিচর্যা কিংবা দেখাশোনা করার দায়িত্ব থাকা উপকারভোগীদের অন্য ধরণের সুবিধা দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু কোনভাবেই গাছ কাটা যাবে না। গাছ কাটা পরিবেশ ও জীববৈচিত্রের জন্য মারাত্মক হুমকির বলে মনে করছেন তারা।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে বালুচাপা দেয়া হাত-পা বাঁধা অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার

এ প্রসঙ্গে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বনায়ন ও পরিবেশ বিজ্ঞান অনুষদের বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. মো. শাহরিয়ার জামানের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, ‘আমাদের দেশে বনায়নের পরিমাণ অত্যন্ত কম। এটা ১২ দশমিক ৮ কিংবা হিসেব করলে এর চেয়ে আরও কম। যেটার কুফল কিন্তু এখন আমরা ভোগ করছি। আমাদের দেশের ওপর দিয়ে হিটওয়েভ বয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রিও ছাড়িয়েছে। যেটা ১০-১৫ বছর আগেও ছিল না।’

ড. মো. শাহরিয়ার জামান বলেন, ‘উপকূলীয় রাঙ্গাবালী এমনিতেই খরা, জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততার মতো দুর্যোগের সম্মুখীন। সুতরাং সামাজিক বনায়নের যে গাছগুলো বন বিভাগ কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এটা পরিবেশগত হানিকর সিদ্ধান্ত ছাড়া আর কিছুই না। বন বিভাগই যদি এমন সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে আমরা কার প্রতি আস্থা রাখবো?। আমি মনে করি বন বিভাগ এমন সিদ্ধান্ত থেকে দ্রুত সরে আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সামাজিক বনায়নের সুফল ভোগ করে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত মানুষজন। এর সুফল ভোগ করে সেখানকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। সুতরাং এ গাছগুলো কেটে ফেলা বা সরিয়ে ফেলা মানে ওখানকার তাপমাত্রা এমনেতেই বেড়ে যাবে। ওই জায়গার জীববৈচিত্র্য হুমকিতে পড়বে। এছাড়া ১৫-২০ বছরের পুরনো গাছ যদি কেটে ফেলা হয়, সে অবস্থায় আবার ফিরে আসতে ১৫-২০ বছর অপেক্ষা করতে হবে।’




ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করছে কলম্বিয়া




অবশেষে নামলো বৃষ্টি, মানুষের স্বস্তির নিশ্বাস

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দীর্ঘ দাবদাহে পুড়তে থাকা চট্টগ্রাম নগরবাসী অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টির দেখা পেয়েছেন। বুধবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে নগরীর বিভিন্ন জায়গায়।




বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভিতে আজ খেলার সূচি




গরমে ত্বক ভালো রাখার সহজ ৪ উপায়




পটুয়াখালীতে বালুচাপা দেয়া হাত-পা বাঁধা অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী সদরের বদরপুর ইউনিয়নের শিয়ালী গ্রামে একটি পরিত্যক্ত ভিটায় বালুচাপা দেয়া ও হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ বস্তাবন্দী অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার সন্ধ্যার পর শিয়ালী এসএস পেট্রোল পাম্পের দক্ষিণ পাশে নয়ন মৃধার পরিত্যক্ত ভিটা থেকে ওই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মাঝ বয়সী ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তে ঘটনাস্থলে সদর থানার পাশাপাশি সিআইডি পুলিশ কাজ করছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পটুয়াখালী সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলাম সজল।

আরো পড়ুন : হঠাৎ উত্তাল বঙ্গোপসাগর, নিখোঁজ জেলে

এলাকাবাসী জানায়, দুপুর থেকেই ঘটনাস্থল থেকে দুর্গন্ধ আসছিলো। বিষয়টি স্থানীয় চৌকিদারকে অবহিত করে স্থানীয়রা। বিকেলে গন্ধের সূত্র খুঁজতে গিয়ে চৌকিদার এসএস পেট্রোল পাম্পের দক্ষিণ পাশে নয়ন মৃধার ভিটায় বালুর মধ্যে একটি হাত দেখতে পেয়ে বদরপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়। সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং বালু সরিয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত দেখতে পায়।

স্থানীয়রা ও বদরপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিহাব হাওলাদার জানান, মরদেহ গলে বিকৃত হওয়ায় বোঝা যাচ্ছেনা স্থানীয় কিনা। আর এলাকায় এ ধরনের কেউ নিখোঁজ নেই, তাই ধারনা করা হচ্ছে বাহিরের কারো মরদেহ হতে পারে।

সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। বালি খুড়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ডিকম্পোজ হওয়ায় চেহারা বোঝা যাচ্ছেনা। পরিচয় শনাক্তে সদর থানা পুলিশ ও সিআইডি কাজ করছে।




গরমে ‘এনার্জি বুস্টার’ হিসেবে কোন খাবার খাবেন?

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:   গরমে অল্প পরিশ্রমেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন কমবেশি সবাই। এ সময় ঘাম বেশি হওয়ার কারণে শরীর যেমন পানিশূন্য হয়ে পড়ে, ঠিক একইভাবে পুষ্টিকর খাবার না পেলে শরীর চাঙ্গা থাকে না।

ফলে সামান্য কাজ করলেই শরীর অবসন্ন হয়ে পড়ে। তবে কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে গরমেও শরীরের এনার্জি সঠিক মাত্রায় বজায় থাকবে, জেনে নিন কী কী-

মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলু ওজন কমানোর পাশাপাশি সাহায্য করে এনার্জির জোগান দিতেও। তাই গরমে পাতে রাখতে পারেন মিষ্টি আলু। মিষ্টি আলুতে কার্বোহাইড্রেট ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টস প্রচুর পরিমাণে থাকায় আপনি অনেকক্ষণ চাঙ্গা থাকার এনার্জি পাবেন এই খাবার থেকে।

কলা

সকালের নাশতায় অনেকেই কলা খান। এতে পেট ভরে থাকবে অনেকক্ষণ। আপনি শারীরিকভাবে চাঙ্গাও থাকবেন দীর্ঘক্ষণ। কলার মধ্যে আছে সুক্রোজ, ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ। এই তিন উপকরণ আপনাকে ইনস্ট্যান্ট এনার্জি প্রদান করতে পারে। তার ফলে চাঙ্গা থাকবে আপনি।

ওটস

ওটস একটি স্বাস্থ্যসম্মত খাবার। ওটস খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভর্তি থাকে ও ওজন কমে। একই সঙ্গে আপনি প্রচুর এনার্জিও পাবেন এই খাবার থেকে। ওটসের মধ্যে আছে ফাইবার, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেটস। এই তিন ধরনের নিউট্রিয়েন্টের সাহায্যে আপনার শরীরের এনার্জির মাত্রা বাড়বে।

চিয়া সিডস

শুধু ওজন কমাতে নয় গরমের মরশুমে আপনাকে ভরপুর এনার্জির জোগান দেবে চিয়া সিডস। তাই এই উপকরণ অবশ্যই রাখুন আপনার মেনুতে।

প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, মিনারেলসে ভরপুর চিয়া সিডস আপনার পেট ভরিয়ে রাখবে অনেকক্ষণ। সেই সঙ্গে আপনাকে কাজের শক্তি দেবে, চাঙ্গা রাখবে। অল্প পরিশ্রমেই ক্লান্ত হতে দেবে না।

বাদাম ও বীজ

বিভিন্ন ধরনের বাদাম ও বীজ জাতীয় জিনিস খেতে পারেন যা আপনাকে ভরপুর এনার্জির জোগান দেবে এই তীব্র গরমেও।

আমন্ড, আখরোট, চিনাবাদাম, সূর্যমুখী ফুলের বীজ এসব উপকরণে থাকে হেলদি ফ্যাট, ফাইবার ও প্রোটিন, যা আপনাকে ভরপুর এনার্জির জোগান দেবে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

 




বিশ্বকাপের দল ঘোষণা নেপাল-ওমানের

 

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:   নতুন অধিনায়ক আকিব ইলিয়াসের নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাবে ওমান। আজ (১ মে) বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে তারা।

২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওমানকে নেতৃত্ব দেওয়া জিসান মাকসুদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ইলিয়াস। জিসান অধিনায়ক না থাকলেও দলে আছেন।

ওমানের বিশ্বকাপ দলে জায়গা হয়নি ওপেনিং ব্যাটার জতিন্দর সিং আর লেগস্পিনার সামায় শ্রীভস্তভের। তারা আছেন রিজার্ভ খেলোয়াড় হিসেবে।

এদিকে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা রোহিত পাওদেলের নেতৃত্বে বিশ্বকাপ খেলতে যাবে নেপাল। দলে নেই তারকা লেগস্পিনার সন্দ্বীপ লামিচানে। ধর্ষণ মামলায় জেলে আছেন তিনি।

আগামী ১ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে বসবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের আসর।

ওমানের বিশ্বকাপ স্কোয়াড

আকিব ইলিয়াস (অধিনায়ক), জিসান মাকসুদ, কাশ্যপ প্রজাপতি, প্রতিক আথাভালে (উইকেটরক্ষক), আয়ান খান, শোয়েব খান, মোহাম্মদ নাদিম, নাদিম খুশি (উইকেটরক্ষক), মেহরান খান, বিলাল খান, রাফিউল্লাহ, কলিমুল্লাহ, ফায়াজ বাট, শাকিল আহমেদ।

নেপালের বিশ্বকাপ স্কোয়াড

রোহিত পাওদেল (অধিনায়ক), আসিফ শেখ, অনিল কুমার শাহ, কুশল ভুর্তেল, কুশাল মাল্লা, দিপেন্দ সিং আইরে, ললিত রাজবংশি, কারান কেসি, গলশান ঝা, সোমপাল কামি, প্রতিস জিসি, সন্দ্বীপ জোরা, অবিনাশ বোহারা, সাগর ধাকাল, কামাল সিং আইরে।




বিয়ে করছেন শাকিব?

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:   ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের ব্যক্তিজীবন নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। গোপনে বিয়ে, বিচ্ছেদ, সংসার নিয়ে হরহামেশাই সংবাদের শিরোনাম হন এই নায়ক।

এসবের মাঝেই গত কয়েকদিন ধরে ঢালিউডের সবচেয়ে বড় খবর ‘আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন শাকিব’। চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলীর সঙ্গে সংসার ভাঙনের পর নায়ককে নতুন করে বিয়ে দেওয়ার চিন্তা করছে তার পরিবার।

বিষয়টি নিয়ে শাকিব চুপ থাকলেও মুখ খুলতে শুরু করেছে তার ঘনিষ্ঠজনেরা। এবার প্রযোজক ও ভার্সেটাইল মিডিয়ার কর্নধার আরশাদ আদনারের বক্তব্যেও মিলল তেমনই ইঙ্গিত।

শাকিব খানের সুপারহিট দুই সিনেমা ‘রাজকুমার’ ও ‘প্রিয়তমা’র প্রযোজনার দায়িত্বে ছিলেন আরশাদ আদনান। ব্যক্তিজীবনেও নায়কের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরশাদের। সেই জায়গা থেকেই এবার শাকিবের বিয়ে নিয়ে মুখ খুলেছেন এই প্রযোজক।

একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শাকিব খানের বিয়ের প্রসঙ্গে উত্তরে আরশাদ বলেন, ‘বিয়ে নিয়ে শাকিবের মন্তব্য না আসা পর্যন্ত আমি কিছু বলতে চাইছি না। তবে শাকিব বিয়ে করছেন কি না, এটি আমি জানি। আগে শাকিব এ বিষয়ে নিজের স্টেটমেন্টস দিবে, তারপরই আমি বলবো।’

তাহলে কী শাকিবের জীবনে স্থিতিশীলতা আসছে? এমন প্রশ্নে এই প্রযোজক বললেন, ‘শাকিবের জীবনে স্থিতশীলতা আসবে। সেটা এ বছরই আসবে। আমিও দায়িত্ব নিয়েছি। শাকিবিয়ানদের উদ্দেশে বলতে পারি, নায়কের জীবনে এ বছরই স্থিতিশীলতা আসছে।’

এসময় বুবলী-অপু প্রসঙ্গে আরশাদ আদনান বলেন, ‘শাকিব খান জয় এবং বীরের বাবা। অপু-বুবলী তাদের সন্তানকে নিয়ে তার বাড়িতে আসে। সেটা সন্তানদের সঙ্গে দেখা হওয়া পর্যন্তই শেষ। যদি এর বাইরে বেশি কিছু বলা হয় সেগুলো ভুল বলা বা বাড়িয়ে বলা হবে। আমার মনে হয় না বিষয়গুলো এতটা সরব। যতোটা অপু-বুবলী দাবি করছে।’

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে গোপনে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে বিয়ে করেছিলেন শাকিব খান। তাদের সেই সংসারে রয়েছে একটি পুত্র সন্তান। বিয়ের ১০ বছরের মাথায় বিচ্ছেদ ঘটে এই দম্পতির সংসারে। এরপর চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীর গলায় মালা দেন শাকিব। সেই সংসারেও রয়েছে একটি সন্তান। কিন্তু বুবলীর সঙ্গেও শাকিবের সংসার স্থায়ী হয়নি। কয়েক বছরের মধ্যেই আলাদা হয়ে যান এই জুটি। এরপরই সম্প্রতি শোনা যাচ্ছে, তার নতুন বিয়ের খবর।