গ্রামে দ্রুত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: গ্রামে দ্রুত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

সোমবার (৬ মে) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

এদিন মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী লোডশেডিংয়ের বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন- এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেবিনেটের কথা তো কেবিনেটে চলে গেছে। এটা তো বাইরে বলা যাবে না।

লোডশেডিং নিয়ে সারাদেশের মানুষ কষ্ট পাচ্ছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশে কিছু কিছু অঞ্চলে আমাদের কিছুটা লোডশেডিং করতে হচ্ছে। বিশেষত গ্রামাঞ্চলে অনেক জায়গায়। এটি আমরা গত এক মাস ধরে পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের বেশ কিছু পাওয়ার প্ল্যান্ট, বিশেষত ওয়েল বেইজড পাওয়ার প্ল্যান্টগুলো বন্ধ আছে। সেগুলো আমরা ধীরে ধীরে চালু করছি। তেলের স্বল্পতা ছিল, অর্থ স্বল্পতা ছিল- এ বিষয়গুলোকে নজরদারি করে আমরা এখন একটি ভালো পরিস্থিতিতে আছি।




এই প্রথম ইসরায়েলে অস্ত্র পাঠানো স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র




জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, আহত ১১

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে শিশু ও নারীসহ কমপক্ষে ১১ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

রবিবার (০৫ মে) রাত ১০টায় উপজেলার কুয়াকাটার তুলাতুলি বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে ছয়জনকে কুয়াকাটা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর বাকি চারজন গুরুতর জখম হওয়ায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলীপুর গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ইউপি সদস্য আবু হানিফ খান গংদের সঙ্গে তুলাতলী এলাকার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশারেফ আকন গংদের দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। রবিবার ওই এলাকায় জমি নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ১১ জন আহত হন।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের আত্মহত্যা

আহতরা হলেন- মোশাররফ আকন (৪৭), আমির আকন (৪৪), হাসান আকন (১৮), জাহিন আকন (২৪), সুমি বেগম (৩৫), চানবরু বিবি (৬৭), হ্যাপি বেগম (৪০)। আর গুরুতর জখম নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে জাহিদুল ইসলাম খান (২৫), মনিরুল ইসলাম খান (৩২), আবুল বাশার (২৫), সালমান (২৩)।

এবিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে এনেছি। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদ করতে দুজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন আছে।




হামাসের ব্যাপক রকেট হামলায় ৩ ইসরায়েলি সৈন্য নিহত




বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা




গরমের ‘জাতীয় গাইডলাইন’ উন্মোচন করল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর




জিম্বাবুয়েকে ৬ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ




অবশেষে ‘অবৈতনিক’ হচ্ছে নিম্ন মাধ্যমিক স্তর




পটুয়াখালীতে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের আত্মহত্যা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী দশমিনায় মো: আনোয়ার হোসেন (৪০) নামে অবসরপ্রাপ্ত এক সেনাসদস্য আত্মহত্যা করেছেন।

আজ রোববার তিনি নিজের বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের আবদুর রব ঢালির ছেলে।

পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বছর মো: আনোয়ার হোসেন বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট থেকে অবসরে আসেন। এ সময় তিনি এলাকায় ডাবের ব্যবসা শুরু করেন। ব্যবসায় ক্ষতি হলে পাওনাদারদের কারণে ঢাকায় চলে আসেন। ২ মে ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন।

আজ তিনি পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বাড়ির বাথরুমে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে এলাকার লোকজন এসে বাথরুমের দরজা ভেঙে দেখে মরদেহ ঝুলছে। খবর পেয়ে দশমিনা থানার পুলিশ এসে লাশের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠান।

আরো পড়ুন : স্বামী কারাগারে, ঘরে আত্মহত্যা স্ত্রীর

তাঁর স্ত্রী মোছা. সাহিমা বলেন, ‘আমার স্বামী (আনোয়ার হোসেন) চাকরি থেকে অবসরে আসার পর ডাবের ব্যবসা শুরু করেন। ব্যবসায় ক্ষতি হওয়ায় ঢাকায় চলে যান। তিন মাস ঢাকায় থাকেন। গত বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে আসেন। শনিবার রাতে লোকজন এসে টাকার জন্য কথা শোনায়। সেই থেকে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।’

সাহিমা আরো বলেন, ‘সকালে আমি বাইরে যাই, পরে এসে না দেখে খোঁজ করি। দেখি বাসার সব রুম আটকানো, লোকজন ডেকে দরজা ভেঙে দেখি বাথরুমে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছে।’

এ বিষয়ে দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিক সুরতহাল পর্যালোচনায় এটি আত্মহত্যা। একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু হবে। অপমৃত্যু মামলা তদন্ত করব। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।’




স্বামী কারাগারে, ঘরে আত্মহত্যা স্ত্রীর

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় নাসিমা (২২) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে গলাচিপা থানা পুলিশ। আত্মহত্যা আগ থেকেই নাসিমার স্বামী কাওসার মৃধা পটুয়াখালী জেল হাজতে রয়েছেন।

রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রামানন্দ গ্রামের এ ঘটনা ঘটে।

নাসিমা ওই গ্রামের নাসির বয়াতির মেয়ে।

আরো পড়ুন : চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মেহেদী হাসান মিজান এর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আমখোলা গ্রামের ফারুক মৃধার ছেলে কাওসার মৃধা (২৮) ও একই ইউনিয়নের রামানন্দ গ্রামের নাসির বয়াতির মেয়ে নাসিমার সাথে ৩/৪ বছর আগে বিবাহ হয়। ভালো ভাবেই সংসার করছিল। দুই বছর আগে তাদের সংসার জুড়ে ফুটফুটে একটি সুন্দর কন্যা সন্তান হয়। তাদের মধ্যে পাবিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী নাসিমা বেগম স্বামী, শ্বশুর ও শাশুরিসহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা করেন। এতে আদালত স্বামী কাওসার মৃধাকে জেল হাজতে পাঠান, আর তার একমাত্র মেয়ে করিমাকে তার শ্বাশুরি বিউটি তাদের বাড়িতে নিয়ে যান। এ কারণে হয়তো নাসিমা বেগম রাগে ও ক্ষোভে বাবার বাড়িতে আজ ভোরে শূন্য ঘর পেয়ে ঘরের আড়ার সাথে লায়লন রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার করেন বলে স্বামীর পরিবারের অভিযোগ।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালী তিন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র যাছাই বাছাই অনুষ্ঠিত

এ ব্যাপারে গলাচিপা থানার এস আই মনির হোসেন জানান, রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় নাসিমা নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে।