টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আগের চার ম্যাচ ছিল সন্ধ্যায়। টস খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারেনি। এবার প্রথমবারের মতন ঘরের মাঠে আন্তর্জাতিক ম্যাচ হচ্ছে সকাল ১০টায়, টসের কিছুটা প্রভাব থাকা স্বাভাবিক। গুরুত্বপূর্ণ টস জিতে আগে ফিল্ডিং নিয়েছে জিম্বাবুয়ে।

রোববার (১২ মে) মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টি একাদশে তিন বদল এনেছে স্বাগতিক দল। টানা খেলার মধ্যে থাকা তাসকিন আহমেদকে দেওয়া হয়েছে বিশ্রাম। চতুর্থ ম্যাচে খরুচে বল করা তানজিম হাসান সাকিব ও তানবীর ইসলাম একাদশে জায়গা হারিয়েছেন। তাদের বদলে একাদশে এসেছেন মাহমুদউল্লাহ, সাইফুদ্দিন ও শেখ মেহেদী হাসান।

জিম্বাবুয়েও তাদের একাদশে এনেছে এক বদল। পেসার রিচার্ড এনগারাভার জায়গায় খেলছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার শন উইলিয়ামস।

বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, সাকিব আল হাসান, জাকের আলি অনিক, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান।

জিম্বাবুয়ে একাদশ: ব্রায়ান বেনেট, তাডিওয়ানশে মারুমানি, সিকান্দার রাজা, ক্লাব মাদান্দে, শন উইলিয়ামস, রায়ান বার্ল, লুক জঙ্গুই, ফারাজ আকরাম, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, ব্লেসিং মুজারাবানি।




শেষ দিনেও ভিসা পাননি ১৮ হাজার হজযাত্রী




বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভিতে আজ খেলার সূচি




পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আকষ্মিক বজ্রপাতে গরুর মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অকষ্মিক বজ্রপাতে একটি বলদ গরুর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১১ মে) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার চম্পাপুর ইউপির মাসুয়াখালী গ্রামে এই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক জাহাঙ্গীর জানান, সকালে বাড়ির পাশে খোলা মাঠে গরুটি বেঁধে রেখেছিলেন। তখন আবহাওয়া ভালো ছিল। কিন্তু বেলা বাড়লে গুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। এরমধ্যে হঠাৎ-ই বিকট শব্দে বজ্রপাত ঘটে। পরে মাঠে গিয়ে বলদ গরুটি মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

আরো পড়ুন : নিষেধাজ্ঞার পর পটুয়াখালীর নদী থেকে ইলিশ উধাও

গরুটির আনুমানিক দাম প্রায় ৮৫ হাজার টাকা ছিল বলে জানান তিনি।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.রবিউল ইসলাম জানান, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে আবদেন করতে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে সহায়তা প্রদান করা হবে।




নিষেধাজ্ঞার পরও পটুয়াখালীর নদী থেকে ইলিশ উধাও

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন নদনদীতে ইলিশসহ সব রকমের মাছ ধরা বন্ধ ছিল। টানা ৬০ দিন পর ১ মে থেকে আবারও নদীতে মাছ ধরতে নামেন জেলেরা। তবে নদীতে নেমেই হতাশ তারা। জালে প্রত্যাশিত ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না। নদী থেকে ইলিশ যেন উধাও হয়ে গেছে।

শুধু ইলিশ নয়, অন্য মাছেরও দেখ পাচ্ছেন না জেলেরা। যে অল্প কিছু ইলিশ ধরা পড়ছে, সেগুলো চড়া দামে বিক্রি করেও জ্বালানি খরচ ওঠাতে পারছেন না জেলেরা। আবার চড়া দামের কারণে নিম্ন-আয়ের মানুষ ইলিশের ধারেকাছে যেতে পারছেন না। ঘাটে আড়াইশো থেকে তিনশ গ্রামের হালি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ থেকে ২ হাজার টাকায়।

আলিপুর, মহিপুর ঘাটে গিয়ে এসব তথ্য জানা গেছে।

শনিবার (১১ মে) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার ছোট বিগাই যাওয়ার পথে পায়রা নদীতে এই প্রতিবেদকের দেখা হয় একদল জেলের সঙ্গে। পায়রা নদীতে মাছ ধরার বিষয়ে কথা হয় তাদের সঙ্গে। নৌকার মালিক মো. জব্বার ফকির জানান, ৭ মে থেকে চার দিন নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন তারা। এক ট্রলারে ১১ জন জেলে চার দিনে মোট ২৬ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করতে পেরেছেন। এর মধ্যে খাবার ও নৌকার জ্বালানির জন্য ১৮ হাজার টাকার মতো খরচ হয়ে গেছে। অবশিষ্ট ৮ হাজার টাকা দিয়ে নৌকা, জাল ও ছয়জন মাঝিমাল্লার ৫ দিনের বেতন দিতে হবে।

জেলে নাসির বলেন, ‘মাছ ধরার পর যে টাকা পাই, তা দিয়ে কারোরই সংসার চলে না। এ মুহূর্তে নদীতে গিয়ে আমাদের পোষায় না। তারপরও ইলিশের আশায় এবং রোজগারের আশায় নদীতে যাই।’

জেলে দুলাল বলেন, ‘গত রাতে যে মাছ ধরেছি, ঘাটে এনে সেগুলো নিলামে বিক্রি করেছি ৫ হাজার টাকা। দিনের বেলায় যেগুলো ধরেছি, সেগুলো ৪ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। দুইবার নদীতে গিয়ে সারে ৩ হাজার টাকার জ্বালানি পুড়িয়েছি। তাই মাছ কম পেলে ঘাটে এসে বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।’

মহিপুর মৎস্য আরত এর ম্যানেজার বলেন, ‘অতীতে এ ঘাটে ঘণ্টায় ৪০-৫০ লাখ টাকার ইলিশ বিক্রি হতো। এখন ইলিশই নেই।’ ২০টি ট্রলারে তারা প্রায় ৫০ লাখ টাকার মতো দাদন দিয়েছিলেন। পুরো দিনে চারটি ট্রলার এসে মাত্র ৩০ হাজার টাকার ইলিশ নিলামে বিক্রি করেছে।

আলিপুর মৎস্য আরত এর ব্যবসায়ী আনোয়ার বলেন, ‘মাছ কম, তাই দাম অনেক বেশি। সাধারণ আয়ের কোন মানুষের পক্ষে এখন ইলিশ খাওয়া সম্ভব না। নদীর ঘাটেই ২৫০ গ্রাম ওজনের হালি ইলিশ হাজার টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না।’

আরো পড়ুন : গলাচিপায় জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ

মৎস্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে, দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১২ শতাংশ। বার্ষিক উৎপাদন প্রায় তিন লাখ ৪৬ হাজার টন। আর জিডিপিতে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১ শতাংশ। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, ভোলা, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, চাঁদপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা মিলিয়ে প্রায় ৭ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় ইলিশ মাছ সবচেয়ে বেশি ডিম ছাড়ে। এর বাইরের উপকূলের অন্যান্য নদীগুলোতেও ইলিশ ডিম ছাড়ে।

সরকার ছয়টি জেলার—ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, শরীয়তপুর—মেঘনা নদীর অববাহিকা, তেঁতুলিয়া নদী, আন্ধারমানিক নদী, পদ্মা ও কালাবদর নদীর ৪৩২ কিলোমিটার এলাকার ছয়টি এলাকা ইলিশ অভয়াশ্রম ঘোষণা করে। এর মধ্যে পাঁচটি অভয়াশ্রমে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস সব ধরনের প্রকার মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।




গলাচিপায় জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার, দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে মৎস্য জেলেদের আর্থিক উন্নতির লক্ষ্যে ২৩-২৪ অর্থবছরের ইলিশ সম্পদ ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (প্রথম সংশোধিত) বিকল্প বাছুর (গরু) দ্বিতীয় কিস্তিতে ৩২ জন জেলে পরিবারদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়।

শনিবার ১১ মে বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসিম রেজা, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মৎস্যজীবীদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ ও বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলার সুযোগ্য মৎস অফিসার মোঃ জহুরুন্নবী (বিসিএস)। বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ আকরামুজ্জামান, সহকারী সমাজসেবা অফিসার মোঃ সাইমুন জামান সায়েম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ প্রমুখ।

আরো পড়ুন : কলাপাড়ায় ৮৮ কিলোমিটার পাকা সড়কের বেহাল দশা কলাপাড়া

বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলেদের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকারের বিভিন্ন নির্দেশনা ও ঝাটকা ইলিশ সংরক্ষণে নির্দিষ্ট সময়ে মাছ আহরণ। বিকল্প কর্মসংস্থান ও আর্থিক অগ্রগতির জন্য মৎস্য চাল ও বকনা বাছুর সহ নানা বিধ সুবিধা বর্তমান সরকার দেশের মানুষের জন্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। এই বকনা (গরু) বাছুর কে যত্ন করে লালন পালন করে নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার সুধী সহ মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।




কলাপাড়ায় ৮৮ কিলোমিটার পাকা সড়কের বেহাল দশা কলাপাড়া

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ায় বিভিন্ন ইউনিয়নের ৮৮ কিলোমিটার পাকা সড়কের চরম বেহাল দশা। খানা-খন্দকে একাকার হয়ে গেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নির্মিত বিটুমিনাস কার্পেটিং এ সড়কের অধিকাংশ সিলকোট উঠে গেছে। বর্ষায় পানি জমে একাকার হয়ে যায়। অধিকাংশ সড়কের কার্পেটিং এর অস্তিত্ব নেই। বালু, কাদামাটি, খোয়া বেরিয়ে গেছে। পাকা এ সড়কগুলো এখন যান চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতিনিয়ত যানবাহন উল্টে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে মানুষ। দীর্ঘদিন মেরামত না করায় সড়কগুলোর এমন অবস্থা হয়েছে। তবে গ্রামের মানুষের দাবি ছয় চাকার অবৈধ দত্যাকৃতির যান, হামজা কিংবা ট্রলি অতিরিক্ত মালামাল বোঝাই করে চলাচলের কারণে শুধু পাকা সড়ক নয়, আরও শত কিলোমিটার কাঁচা ও কয়েক কিলোমিটার হেরিংবন্ড রাস্তা ভেঙে গেছে।

এলজিইডি’র তথ্যমতে, তিন মিটার প্রস্থ ও এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে সড়ক পাকাকরণে ৮০ লাখ থেকে সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা ব্যয় হয়। অথচ অবৈধ ছয় চাকার দৈত্যাকৃতির ওই যানের (ট্রলি-হামজা) চাকায় (নির্মাণর ৩-৬ মাসেই) পিষ্ট হয়ে রাস্তাঘাট নষ্ট হয়ে গেছে।
ফলে সরকারের শত শত কোটি টাকার পাকা সড়ক ছাড়াও আরও ৫০ কোটি টাকার কাঁচা মাটি কিংবা ইটের রাস্তার সর্বনাশ হয়েছে। অবৈধ এ যান রোধে নেই কোনো পদক্ষেপ। ফলে সরকারের গ্রামীণ যোগাযোগের উন্নয়ন চিত্র বিবর্ণ হয়ে গেছে। সড়ক ধ্বংসের এই ধারা অব্যাহত রয়েছে।

আরো পড়ুন : গলাচিপা উপজেলায় গরু চুরির হিড়িক পড়েছে

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, কলাপাড়া উপজেলায় এলজিইডি নির্মিত পাকা-কাঁচা মোট সড়ক রয়েছে এক হাজার ৯৬৮ কিলোমিটার। এর মধ্যে উপজেলা সংযোগ সড়ক রয়েছে ১০টি, যার দৈর্ঘ্য ১২০ কিলোমিটার। ইউনিয়ন সংযোগ সড়ক রয়েছে ২৩টি। যার দৈর্ঘ্য ২২৯ কিলোমিটার। গ্রামীণ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক (এ টাইপ) রয়েছে ৫১টি। যার দৈর্ঘ্য ২৪২ কিলোমিটার। গ্রামীণ কম গুরুত্বপূর্ণ (বি-টাইপ) প্রত্যন্ত এলাকার সড়ক রয়েছে ৪৪৫টি। যার দৈর্ঘ্য ১৩৪৫ কিলোমিটার। এর মধ্য চার শ্রণির সড়কের মধ্যে বিটুমিনাস কার্পেটিং (পাকা) সড়ক রয়েছে ৩০৪ কিলোমিটার। একশ’ সাত কিলোমিটার সড়ক রয়েছে এইচবিবি। আরসিসি ও সিসি সড়ক রয়েছে প্রায় দুই কিলোমিটার। এছাড়া কাঁচা মাটির সড়ক রয়েছে এক হাজার ৫৫৪ দশমিক ৬১ কিলোমিটার। কলাপাড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়নর হিসাব এটি।

ইউনিয়ন পরিষদর চেয়ারম্যানদের দেয়া তথ্যমতে, ১২টি ইউনিয়নের অন্তত গুরুত্বপূর্ণ ৮৮ কিলামিটার পাকা বিটুমিনাস কার্পেটিং সড়ক খুব খারাপ হয়ে গেছে। যা যান চলাচলের অনুপযোগী। এর মধ্যে টিয়াখালী ইউনিয়নের প্রায় ৭ কিমি, চাকামইয়া ৭ কিমি, ধানখালী ৮ কিমি, চম্পাপুর ১.৫ কিমি, লালুয়া ১২ কিমি, বালিয়াতলী ১০ কিমি, ধুলাসার ৯ কিমি, মিঠাগঞ্জ ৯ কিমি, নীলগঞ্জ ১৫ কিমি, মহিপুর ২ কিমি, লতাচাপলী ৭ কিমি এবং ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নে ১.৫ কিলোমিটার পাকা সড়ক ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে গেছে। এর মধ্যে হেরিংবন্ড ছাড়াও কাঁচা আরও ১০০’ কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা রয়েছে। বর্ষাকালে হাঁটু সমান কাদা হয়ে যায়। লালুয়ার অধিকাংশ সড়ক লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। এসব সড়ক পাকা না মাটির তা পর্যন্ত বোঝার উপায় নেই বলে জানান ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসন তপন বিশ্বাস। মানুষের চরম দুর্ভোগ হচ্ছে যোগাযোগের ক্ষেত্রে। তারা জনস্বার্থে জীর্ণদশার এই সড়কগুলো দ্রুত মেরামতের দাবি জানান।

আরো পড়ুন : রাঙ্গাবালীতে চেয়ারম্যান পদে ৪ জনসহ ১১ জনের মনোনয়ন দাখিল

কলাপাড়া এলজিইডি’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবুল হাসান জানান, আট কিলোমিটার সড়ক মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে, যা শেষ পর্যায়। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছর আরও প্রায় ১৫ কিমি সড়ক মেরামতের টেন্ডার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে সড়কগুলো পাকাকরণ করার পাশাপাশি মেরামত করা হবে। এছাড়া সড়ক নষ্ট করতে না পারে এজন্য ছয় চাকার দৈত্যাকৃতির ওই যান হামজা কিংবা ট্রলি চলাচল বন্ধে তারা কলাপাড়া এবং মহিপুর থানার ওসিদ্বয়কে অনেক আগেই চিঠি দেয়া হয়েছে। যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।




ইউক্রেনের ৬ গ্রাম দখলে নিয়েছে রাশিয়া

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : রুশ সেনারা পূর্ব ইউক্রেনের অন্তত ৬টি গ্রামের দখল নিয়েছে বলে দাবি করেছে রাশিয়া। শনিবার (১১ মে) দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রুশ সেনারা পূর্ব ইউক্রেনের অন্তত ৬টি গ্রামের দখল নিয়েছে এবং সেগুলোকে মুক্ত ঘোষণা করেছে। খবর এএফপির।

দখলে নেওয়া গ্রামগুলো হচ্ছে— রাশিয়ার সীমান্তবর্তী ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলের বোরিসিভকা, ওগিরভে, প্লেতেনিভকা, পুলনা ও স্ত্রিলেচা এবং দোনেৎস্ক অঞ্চলের কেরামিক গ্রাম।

এদিকে রুশ বাহিনী ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে সাঁজোয়া বহরের সহায়তায় ব্যাপক স্থল অভিযান শুরু করেছে। শুক্রবার আকস্মিক এই অভিযান শুরু করে রাশিয়া। এর আগেও ইউক্রেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহরটিতে অভিযান চালিয়েছিল রাশিয়া।

ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা খারকিভে রুশ বাহিনীকে মোকাবিলার জন্য অতিরিক্ত সেনা পাঠিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, রুশ বাহিনী খারকিভের সীমান্তবর্তী শহর ভভচানস্কে ব্যাপক গোলা ও বোমা হামলা চালিয়েছে।

এর আগে ইউক্রেনের স্টেট গার্ডের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে ওই বাহিনীর প্রধানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বলা হয়েছে, এই সপ্তাহের শুরুতে জেলেনস্কি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের হত্যার ষড়যন্ত্র উদঘাটন করে ইউক্রেনের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা স্টেট সিকিউরিটি সার্ভিস (এসবিইউ)। এরপর বৃহস্পতিবার স্টেট গার্ডের সাবেক নেতা সের্হি রুডকে বরখাস্ত করেন জেলেনস্কি। অবশ্য রুডের উত্তরসূরির নাম এখনও ঘোষণা করা হয়নি।




ঈদুল আজহায় কয়দিন ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : চলতি বছর ঈদুল আজহায় তথা কোরবানির ঈদে টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। এর মধ্যে ৩ দিন ঈদের ছুটি ও বাকি ২ দিন সাপ্তাহিক ছুটি।

চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ১৭ জুন (সোমবার) দেশে কোরবানির ঈদ উদযাপিত হতে পারে। এ হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে সরকারি ছুটির তালিকা।

ছুটির তালিকা অনুযায়ী ঈদের আগের দিন ১৬ জুন (রোববার) থেকে কোরবানির ঈদের ছুটি শুরু হবে। যা চলবে ১৮ জুন (মঙ্গলবার) পর্যন্ত।

এর আগে ১৪ ও ১৫ জুন (শুক্র ও শনিবার) রয়েছে সাপ্তাহিক ছুটি। সে হিসাবে মোট পাঁচ দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

মুসলমানদের বড় দুটি ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে ঈদুল আজহা তথা কোরবানির ঈদ অন্যতম। রোজার ঈদ তথা ঈদুল ফিতরের দুই মাস ১০ দিন পর মুসলমানরা ঈদুল আজহা পালন করে থাকেন।

হিজরি বর্ষপঞ্জি হিসাবে জিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখ থেকে শুরু করে ১২ তারিখ পর্যন্ত তিন দিন চলে ঈদুল আজহা।

এবার ১০ জিলহজ বা কোরবানির ঈদ হতে পারে জুন মাসের ১৬ কিংবা ১৭ তারিখে। সৌদি আরবের চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণা অনুযায়ী জুন মাসের ১৬ তারিখে দেশটিতে পালিত হবে কোরবানির ঈদ।

সাধারণত সৌদি আরব, কাতার, ওমান, আরব আমিরাত এসব দেশের পরের দিন কোরবানির ঈদ পালন করা হয় বাংলাদেশে। সেই হিসাবে দেশে কোরবানির ঈদ পালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে জুন মাসের ১৭ তারিখে। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে এই তারিখ পরিবর্তন হতে পারে।




একফ্রেমে চিত্রনায়ক আলমগীর ও তার তিন সন্তান