তুরস্কে চিকিৎসা নিচ্ছেন হামাসের ১ হাজারের বেশি যোদ্ধা: এরদোয়ান




কুমিরকে ঘুষি মেরে বোনকে বাঁচানো তরুণী পাচ্ছেন রাজকীয় সম্মাননা




জিম্মিদশা থেকে মুক্তির একমাস পর স্বজনদের কাছে সেই নাবিকরা




তাসকিনকে নিয়েই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা বাংলাদেশের, বাদ সাইফউদ্দিন




একমাত্র ছাত্রীও ফেল, অস্তিত্বই নেই যে মাদরাসার শিক্ষা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: এবারে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীদের পাসের হার শূন্য। এমন ফলাফল বিপর্যয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। অপরদিকে কাগজ কলমে অস্তিত্ব থাকলেও সরেজমিনে খোঁজ পাওয়া যায়নি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের।

জানা গেছে, উত্তর দাশপাড়া দাখিল মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দে। মাদরাসায় বর্তমানে ইবতেদায়ি থেকে দাখিল পর্যন্ত ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠান থেকে এ বছর দাখিল পরীক্ষায় ১৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের মধ্যে কেউ পাস করতে পারেননি। পশ্চিম কালিশুরী বালিকা দাখিল মাদরাসা থেকে অংশ নেয়া ১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কেউ পরীক্ষায় পাস করেননি।

আরেকটি অস্বিস্তহীন ননএমপিওভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উত্তর কেশবপুর বালিকা দাখিল মাদরাসা থেকে একজন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তিনিও ফেল করেছেন।

আরো পড়ুন : শো-ডাউন ও মিছিল দেয়ায়- দুমকিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী মাল্টার চার কর্মী সমর্থকের জরিমানা

ফলাফলের এ সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. নূরুন্নবী। এমন ফলাফলে হতাশা প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।

সরেজমিনে উত্তর কেশবপুর বালিকা দাখিল মাদরাসায় দেখা যায়, মাদরাসার কোন অস্বিস্ত নেই। শূন্য ভিটা পড়ে আছে। এখানে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিলো এমন কোন চিহ্নও দেখা যায়নি। ভিটার আশে পাশে জঙ্গলে ভরপুর। কোন শিক্ষকও খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিভাবে ফরমপূরণ করেছে তা কেউ বলতে পারেননি।

অবশেষে লতুফা নামক একজন শিক্ষিকার মোবাইল নম্বর পাওয়া গেছে স্থানীয়দের কাছে থেকে। মোবাইলে কথা হয় ওই শিক্ষকার সঙ্গে। তিনি জানান, মাদরাসাটি ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হলেও আজ অবধি এমপিওভুক্ত করা হয়নি। শিক্ষকরা দীর্ঘ দিন বিনা বেতনে পড়িয়েছেন। এক পর্যায়ে তাদের জীবনজীবিকা পরিচালনা করতে গিয়ে অন্য পেশায় ঝুঁকে পড়েন তারা। শিক্ষক ও স্থানীয়দের সহযোগিতা গড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টিনসেড ভবনটি দুই বছর আগে ঝড়ে ভেঙে যায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির গাজী বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করেননি সেগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।




২৭ বছর পর হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

প্রতিনিধি পটুয়াখালী :: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া এলাকা থেকে ২৭ বছর আত্মগোপনে থাকা হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি আনোয়ার হোসেন খানকে সোমবার গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

গ্রেপ্তার আনোয়ার হোসেন খান বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের কৃষ্ণকাঠি গ্রামের মৃত গিয়াস খানের ছেলে।

র‍্যাব-৮ পটুয়াখালী ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মাসুদ রানা জানান, ১৯৯৭ সালের অক্টোবর মাসে প্রতিবেশী হাকিম খানের ছেলে আসমান খানকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে আনোয়ার হোসেন খান। এই হত্যাকাণ্ডের পর গা ঢাকা দেয় অভিযুক্ত ব্যক্তি। ২০২১ এই হত্যা মামলার রায়ে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আনোয়ার হোসেন খানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয় আদালত।

আরো পড়ুন : শো-ডাউন ও মিছিল দেয়ায়- দুমকিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী মাল্টার চার কর্মী সমর্থকের জরিমানা

তিনি আরও বলেন, রায় ঘোষণার ২৩ বছর পার হলেও আসামি আনোয়ার হোসেন পলাতক ছিলো। আনোয়ার হোসেন খান এ সময় পার্শ্ববর্তী জেলা পটুয়াখালীর দুর্গম চরাঞ্চল রাঙ্গাবালীর বড়বাইশদিয়া এলাকায় পরিচয় গোপন করে মাছ ধরার জেলে হিসেবে বসবাস করে আসছিলো। সেখানে সে বিয়ে করে সংসার শুরু এবং দুই সন্তানের জনক হয়।

র‍্যাবের পটুয়াখালী ক্যাম্প তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে অভিযানে যায়। ১৩ মে বিকেল পৌনে পাঁচটায় র‍্যাবের একটি দল রাঙ্গাবালীর বড়বাইশদিয়া থেকে আনোয়ার হোসেন খানকে গ্রেপ্তার করে এবং বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।




গাজায় শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলা, শিশুসহ নিহত ১৪




কীভাবে দত্তক নিলাম, কেন নিলাম— তার চেয়ে বড় পরিচয় আমি ওর মা’




নতুন শিক্ষাক্রমে মূল্যায়ন: ৬৫ শতাংশ লিখিত, ৩৫ কার্যক্রমভিত্তিক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার সামষ্টিক মূল্যায়নের লিখিত অংশের ওয়েটেজ হতে যাচ্ছে ৬৫ শতাংশ। আর কার্যক্রমভিত্তিক অংশের ওয়েটেজ হবে ৩৫ শতাংশ। সম্প্রতি মূল্যায়নের বিষয়ে এ–সংক্রান্ত কমিটি যে সুপারিশ করেছিল, তা থেকে কিছুটা পরিবর্তন এনে লিখিত অংশের ওয়েটেজ বাড়ানোর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।

গতকাল সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ নিয়ে আলোচনা ও প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়। সভায় মন্ত্রণালয়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী দশম শ্রেণি শেষে যে পাবলিক পরীক্ষা হবে, সেটির নাম এখনকার মতো মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষাই রাখা হচ্ছে। এ পরীক্ষা হবে শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে।

দেশে গত বছর নতুন শিক্ষাক্রম শুরু হয়। বর্তমানে প্রাথমিকে প্রথম থেকে তৃতীয় এবং ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষাক্রমে অধ্যয়ন করছে। পর্যায়ক্রমে ২০২৭ সালে দ্বাদশ শ্রেণিতে চালু হবে নতুন শিক্ষাক্রম।




একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু ২৬ মে