নববধূর সাজে ইধিকা, বিয়ে করেছেন শাকিবের প্রিয়তমা?




বঙ্গবন্ধু কন্যার লড়াইয়ের গল্প তুলে ধরাই হোক অঙ্গীকার’




সারা দেশে টানা ৩ দিন বৃষ্টি হতে পারে




রাইসির মৃত্যু হলে ইরানের দায়িত্ব নেবেন যিনি




রাইসির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত নিয়ে যা বলল যুক্তরাষ্ট্র




হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুর শঙ্কা




দশমিনায় হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: দশমিনা উপজেলায় আলোচিত মৌসুমী আক্তার দুলুর হত্যার প্রধান আসামী চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান সোহাগ ও তার সহযোগীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন পরিবারের সদস্যরা।

শনিবার দুপুর ২ টায় দশমিনা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে মৌসুমী আক্তার দুলুর হত্যাকারি প্রধান আসামীকে গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন পরিবারের পক্ষ থেকে।

সংবাদ সম্মেলনে মৌসুমী আক্তার দুলুর বড় ভাই বিপ্লব অভিযোগ করে বলেন গত ৪ নভেম্বর রাত ১২ থেকে ৫ নভেম্বর দুপুর ১২ ঘটিকার মধ্যবর্তী সময় আমার বোনের স্বামী ও উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান সোহাগসহ তার ভাই দিপু, কামরুল, রবিউল, জসিম, রকিব আমার বোনকে খুন করে উপজেলার নলখোলা বন্দরের ভাড়া বাসার বাথরুমে ঝুলিয়ে রাখেন। এ ঘটনায় দশমিনা থানায় হত্যা মামলা আনায়ন করলে দশমিনা থানা পুলিশ মামলা নেয়নি।

আরো পড়ুন : দুমকি উপজেলা নির্বাচন: মাল্টা কাওসার ও তার কর্মীদের হামলার শিকার ৩ আনারস কর্মী

আমি বাদী হয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্য্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা দাখিল করলে বিজ্ঞ আদালত ওসি দশমিনা থানাকে এজাহার গ্রহনপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ প্রদান করেন। উক্ত মামলায় দিপু, রবিউল, কামরুল. জুসিম ও রকিব মহামান্য হাইকোর্ট থেকে জামিনে আসলে পরবর্তীতে পটুয়াখালী বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্য্যাতন দমন ট্রাইবুনালে তাদের জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন। পরে তারা আবার মহামান্য হাইকোর্ট থেকে জামিনে আসেন।

বর্তমানে মামলার ৬-৭ মাস অতিবাহীত হলেও দশমিনা থানা পুলিশ প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি। প্রধান আসমী প্রকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং ৬ষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনে তার চাচা আাবদুল আজিজ(দোয়াতকলম) এর সমর্থনে ইউডিনয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পথসভা ও উঠান বৈঠকে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে কাজ করছেন। আমরা দশমিনা থানা পুলিশকে জানালে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনা। আমি এবং আমার পরিবার তার ভয়ে সবসময় আতংকে থাকি।

দশমিনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাছে আমার বোনের হত্যাকারি প্রধান আসামী আসাদুজ্জামান সোহাগকে দ্রত গ্রেফতারের দাবি জানাই।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ২ জনকে কুপিয়েছে কিশোর গ্যাং ‘কমরেড’ বাহিনী

সংবাদ সম্মলনে উপস্থিত ছিলে মৌসুমী আক্তার দুলুর মা মোসঃ পারুল বেগম, বোন বুলবুল, আনোয়ারকলি কন্যা সন্তান মেহেরিন, পুত্র সন্তান নাফিস এবং আব্দুল্লাহ।

উল্লেখ্য (৫ নভেম্বর ২০২৩ ) রবিবার দুপুরে উপজেলা সদর ইউনিয়নের নলখোলা বন্দর এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে মৌসুমী আক্তারের ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন তার স্বামী।

পরে সোমবার পটুয়াখালী বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে নিহতর ভাই মনিরুজ্জামান বিপ্লব রাড়ি ৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

দশমিনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) নুরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, মৌসুমী আক্তার দুলু হত্যা মামলার প্রধান আসামী আসাদুজ্জামান সোহাগ কে গ্রেফতারের চেষ্ঠা চলছে। গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করা হবে।




পটুয়াখালীতে ২ জনকে কুপিয়েছে কিশোর গ্যাং ‘কমরেড’ বাহিনী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে ‘কমরেড’ নামক একটি কিশোর গ্যাং গ্রুপের বিরুদ্ধে দুই জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (১৮মে) কালাইয়া ইউনিয়নের পুরানো পুলিশ ফাঁড়ির সামনে কলেজ শিক্ষার্থী হাবিব (১৭) ও ইমনের (২৪) ওপর এ হামলা চালানো হয়।

এর আগেও এ ‘কমরেড’ গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে আটককৃতরা কিশোর হওয়ায় পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে তথ্য দিতে অপরাগতা প্রকাশ করেছে।

আরো পড়ুন : দুমকী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন : আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগে মোটরসাইকেল প্রার্থীকে জরিমানা করলেন ম্যাজিস্ট্রেট

ভুক্তভোগীরা জানায়, বাউফল সরকারি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী হাবিব কালাইয়া কাপড়ের পট্টি এলাকায় ইমনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। দুপুরে দোকানের অন্যদের জন্য খাবার পানি সংগ্রহ করতে পুলিশ ফাঁড়ির টিউবওয়েলের ঘরে যায় হাবিব।

এসময় সেখানে আড্ডা দিচ্ছিলো কমরেড গ্রুপের ১৪/১৫ জন সদস্য। তাদের আড্ডায় সময় সেখানে যাওয়ার অপরাধে হাবিবকে চড়থাপ্পড় মারে তারা। এ ঘটনা দোকানে এসে জানালে কলেজ শিক্ষার্থী ও কাপড় ব্যবসায়ী ইমন তাকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। মারধরের কারণ জিজ্ঞাসা করলে হামলাকারীরা ছুরি ও লাঠিসোটা নিয়ে, তাদের ওপর পুনরায় হামলা চালায়।

পরে স্থানীরা তাদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। হাবিবের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে ভর্তি রাখা হয় এবং ইমনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠানো হয়।

আরো পড়ুন : উপজেলা নির্বাচন: চতুর্মুখী লড়াই হবে কলাপাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে

পুলিশ জানায়, মারামারির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। আটককৃত দুজনই কিশোর। তাই তদন্ত শেষ না করে, তাদের বিষয়ে কোনো তথ্য বা ফুটেজ দেয়া যাবে না।

এ বিষয়ে বাউফল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাদ্দাম হোসাইন বলেন, এরকম কোনো গ্রুপ সক্রিয় আছে কিনা, সে বিষয় আমাদের ইন্টেলিজেন্স টিম কাজ করছে। কোনো অপরাধীকে পুলিশ ছাড় দিবে না। অপরাধের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পেলে, সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে।




বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি পেল বিড়াল




এভারেস্টচূড়ায় বাংলাদেশের বাবর আলী