আওয়ামী লীগকে দলগতভাবে বিচারের আওতায় আনার দাবি নাহিদের

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগকে দলগতভাবে বিচারের আওতায় এনে তাদের বিষয়ে ন্যায্য ফয়সালা করতে হবে।

রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। নাহিদকে ৪৭ নম্বর সাক্ষী হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন জেরা করেন।

নাহিদ বলেন, “নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। দল ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচারের আওতায় এনে রাজনৈতিক ও আইনি সমাধান করতে হবে। এসব অপরাধ কোনো ব্যক্তিসংঘটিত নয়, বরং দলগত এবং রাজনৈতিক পটভূমিতে সংঘটিত।”

তিনি আরও বলেন, ট্রাইবুনালের কাছে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ আছে। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকার জন্য জনগণকে হত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যা জনগণ প্রতিরোধ করে ব্যর্থ হয়। এই কারণে আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড রাজনৈতিকভাবে অপরাধমূলক, এবং দল হিসেবে দ্রুত বিচারের আওতায় আনা উচিত। এছাড়া, গত বছরের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধও ইতিহাসে নথিভুক্ত হবে।

জেরার সময় নাহিদকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, তার ওপর চলা অত্যাচার ব্যক্তিগত নয়, এটি সমগ্র জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংঘটিত অন্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। ব্যক্তিগতভাবে কোনো মামলা করেননি, তবে গুমের ঘটনায় আলাদা অভিযোগ করেছেন।

উল্লেখ্য, ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ট্রাইব্যুনালে নাহিদ ইসলাম ৪৭ নম্বর সাক্ষী হিসেবে দ্বিতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য দিয়েছেন। দুপুরে সাক্ষ্যগ্রহণের পরে বিরতি দেওয়া হয়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত তাকে জেরা করা হয়। যেহেতু শেষ হয়নি, আজ অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




পিআর না বিদ্যমান পদ্ধতিতে ভোট, সিদ্ধান্ত দেবে দলগুলো: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আগামী নির্বাচনে প্রস্তাবিত প্রপোরশনাল রেপ্রেজেন্টেশন (পিআর) সিস্টেম নাকি বিদ্যমান পদ্ধতিতে ভোট হবে, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক দলগুলোই নেবে।

রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গবেষণা সংস্থা ‘ইনোভেশন’-এর জরিপের ফলাফল উপস্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। শফিকুল আলম বলেন, “এ বিষয়ে সরকারের বক্তব্য কম থাকা শ্রেয়। তবে নির্বাচনের ধরণ ঠিক করার বিষয়টি রাজনৈতিক দলগুলোই নির্ধারণ করবে।”

জরিপের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জনগণের ৯৫ শতাংশ ভোট দিতে ইচ্ছুক, যা আগামী নির্বাচনকে ইনক্লুসিভ এবং গ্রহণযোগ্য করে তুলতে সহায়ক হবে। তিনি বলেন, “সকল ভোটার যদি অংশ নেন, তবে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা সম্ভব হবে না। এতে ভোট প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও ন্যায্য হবে।”

সংস্থাটির জরিপে আরও দেখা গেছে, দেশের ৫৬ শতাংশ মানুষ পিআর সিস্টেমের বিষয়ে অবগত নয়। পিআর সিস্টেম পছন্দ করেন ২১.৮ শতাংশ এবং পছন্দ করেন না ২২.২ শতাংশ মানুষ। জরিপে ১০,৪১৩ জনের মত নেয়া হয়েছে।

এছাড়া জরিপে দেখা গেছে, জনগণের ৬৯.৯% মনে করেন অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করতে সক্ষম। তবে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলো তুলনামূলকভাবে কম ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




মহানবী (সা.) ছিলেন মানবাধিকারের অগ্রদূত: ধর্ম উপদেষ্টা

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানবাধিকারের প্রতিষ্ঠায় অগ্রপথিক ছিলেন। পনেরো শতাধিক বছর আগে তিনি মানবাধিকারের মৌলিক তত্ত্ব ও প্র্যাকটিস সমন্বয় করে যুগান্তকারী অবদান রেখেছেন।

রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. খালিদ বলেন, মানবাধিকারের ধারণা যেমন নারী, শিশু, মত প্রকাশের অধিকার—সবকিছুর বিষয়ে নবী (সা.) আগে থেকেই কথা বলেছেন। তিনি কেবল তত্ত্ব দিয়েই থেমে থাকেননি, তা বাস্তবায়নও করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিসে বর্ণবৈষম্য ও জাত্যাভিমানের অবসান ঘটানো হয়েছে। আরব-অনআরব, সাদা-কালো—কোনো মানুষের ওপর অন্যের প্রাধান্য নেই।

ধর্ম উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, মদিনার সনদকে প্রথম লিখিত সংবিধান হিসেবে গণ্য করা যায়। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সংবিধান আবশ্যক, এবং দেড় হাজার বছর আগে নবী (সা.) এই ধারণাটি বাস্তবায়ন করেছেন। এটি প্রাচীন হাম্বুরাবির ‘দি কোড অব হাম্বুরাবি’-র তুলনায় অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ।

নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অবদানও বিশেষভাবে তুলে ধরেন ড. খালিদ। প্রাচীন রোম, পারস্য ও ভারতীয় সাম্রাজ্যে নারীদের প্রতি নিন্দা ও অবমাননা ছিল। কিন্তু নবী (সা.) ঘোষণা দিয়েছেন, “মায়ের পায়ের নিচে জান্নাত”, যা নারীদের মর্যাদা ও অবস্থানকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। হজরত আয়েশা (রা.)-এর শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতেও মহানবীর (সা.) অবদান ছিল অমূল্য।

অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম উদ্বোধনী বক্তৃতা করেন। ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদদীনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমিন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আঃ ছালাম খান এবং জবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ মোশাররফ হোসেন। বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ মুফতি আব্দুল মুনয়িম খাঁন মহানবীর সিরাত নিয়ে আলোকপাত করেন।

পরবর্তীতে অতিথিরা কেরাত, নাতে রাসুল (সা.), ক্যালিগ্রাফি ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ চুরি: ফিলিপাইনে বাজেয়াপ্ত ৮১ মিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি)-এ জমা থাকা ৮১ মিলিয়ন ডলার বাজেয়াপ্ত করেছে ফিলিপাইন কর্তৃপক্ষ।

রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান। তিনি জানান, আদালতের মাধ্যমে সিআইডি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ অর্থ বাজেয়াপ্ত করতে সক্ষম হয়েছে।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঘটে যাওয়া এ চাঞ্চল্যকর ঘটনার সূত্রপাত হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রাখা বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে। জাল সুইফট বার্তার মাধ্যমে প্রায় ১০১ মিলিয়ন ডলার স্থানান্তর করা হয়। এর মধ্যে শ্রীলঙ্কায় পাঠানো প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার সন্দেহজনক মনে হওয়ায় ফেরত আসে। তবে বাকি ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংকের মাকাতি সিটির জুপিটার শাখার কয়েকটি ভুয়া অ্যাকাউন্টে জমা হয়।

পরে এই অর্থ বিভিন্ন ক্যাসিনোর মাধ্যমে পাচার হয়ে যায়। ঘটনাটি ইতিহাসের অন্যতম বড় সাইবার ডাকাতি হিসেবে পরিচিতি পায়। এ ঘটনার পর বাংলাদেশ ব্যাংক মামলা দায়ের করে এবং ফিলিপাইনসহ বিভিন্ন দেশে তদন্ত শুরু হয়।

ফিলিপাইনের আদালত পরবর্তীতে আরসিবিসি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মায়া ডিগুইটোকে মানি লন্ডারিংয়ের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে। বর্তমানে বাজেয়াপ্ত অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




সিঙ্গাপুরে উন্নত চিকিৎসা নিতে যাচ্ছেন নুর

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি দেশ ছাড়বেন বলে জানা গেছে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসকের পরামর্শে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন নুর। তার সঙ্গে থাকবেন দলের সহ-সভাপতি ডা. সাজ্জাদ হোসেন।

রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) গণঅধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক শাকিল উজ্জামান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি দেশবাসীর কাছে নুরের সুস্থতার জন্য দোয়া চান।

উল্লেখ্য, গত ২৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টি (জাপা) ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিচার্জ করলে নুরুল হক নুর, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় নুরকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

বর্তমানে শারীরিক অবস্থার উন্নতির জন্য বিদেশে চিকিৎসা গ্রহণ করতে যাচ্ছেন তিনি।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




স্টারলিংক বাংলাদেশকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করতে চায় – অনুমোদন চেয়ে বিটিআরসিকে চিঠি

চন্দ্রদ্বীপ ‍নিউজ: আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক চলতি বছরের মে মাসে বাংলাদেশে  আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। বাধ্যতামূলক হওয়া সত্ত্বেও শুরুতে স্থানীয় গেটওয়ে ছাড়াই বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি বাংলাদেশে গেটওয়ে স্থাপন করার কথা জানিয়েছে স্টারলিংক। গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপনের পর এখন বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করতে চায় ইলন মাস্কের কোম্পানিটি। এজন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন চেয়েছে স্টারলিংক। গত ১৩ আগস্ট বিটিআরসি মহাপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন ডিভিশন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শফিউল আজম পারভেজের কাছে পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশের গেটওয়ে ব্যবহার করে বিদেশি গ্রাহকদের জন্য ডাটা পরিবহনে অনুমোদন চেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

চিঠি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের গেটওয়ে ব্যবহার করে অন্য দেশের গ্রাহকদের সেবা দিতে চায় স্টারলিংক। এজন্য বাংলাদেশে স্থাপিত পপ (পয়েন্ট অব প্রেজেন্স) থেকে সিঙ্গাপুর ওমানের পপে আন্তর্জাতিক ব্যাকহল সংযোগের জন্য এই অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। দেশীয় আইটিসি থেকে ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিজড সার্কিট (আইপিএলসি) এবং আনফিল্টারড আইপি কিনে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে তাদের আন্তর্জাতিক সেবা চালু রাখবে, তবে আনফিল্টারড আইপি দিয়ে বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের জন্য নয়, শুধু বিদেশি ব্যবহারকারীদের সেবা দেবে স্টারলিংক।

আইপিএলসি সার্ভিস হলো এমন একটি আন্তর্জাতিক ডাটা পরিবহন ব্যবস্থা, যেখানে এক দেশের নেটওয়ার্ক থেকে ডাটা নিয়ে সরাসরি অন্য দেশের (যেমন সিঙ্গাপুর বা ওমান) পপে পাঠানো হয়। আর আনফিল্টারড আইপি হচ্ছে এমন একটি ফিল্টারবিহীন আইপি ব্লক, যা ব্যবহার করে ডেটা কোনো ফিল্টার, কনটেন্ট ব্লকিং বা লোকাল নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ ছাড়া সরাসরি আন্তর্জাতিক লিংকে পাঠানো হয়।

বিটিআরসিতে পাঠানো চিঠিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, স্টারলিংকের নেটওয়ার্ক রেজিলিয়েন্সি রিডান্ডেন্সি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের বিষয়।

এজন্য তাদের প্রতিটি আন্তর্জাতিক পপ অন্তত দুই বা ততোধিক পপের সঙ্গে যুক্ত থাকে। সংযোগে আনফিল্টারড আইপি ট্রানজিট ব্যবহৃত হলেও তা বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

চিঠিতে স্টারলিংক জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশে অনুমোদিত কোম্পানি ফাইবার অ্যাট হোম, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি (বিএসসিসিএল) সামিট থেকে আইপিএলসি এবং আনফিল্টারড আইপি কিনবে। এই অবকাঠামোর মাধ্যমে বাংলাদেশের গেটওয়ে ব্যবহার করে বিদেশি গ্রাহকদের জন্য ডেটা পরিবহন করা হবে। তবে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের সেবা এর আওতায় পড়বে না। বাংলাদেশের ভেতরের ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেট সেবা স্থানীয় ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) হয়ে যাবে এবং আইন অনুযায়ী সব ধরনের নিরাপত্তা, ফিল্টারিং কনটেন্ট ব্লকিং মানা হবে। বাংলাদেশের স্টারলিংক পপ থেকে সিঙ্গাপুর ওমান পপে যে আন্তর্জাতিক লিংক যাবে, সেটি আনফিল্টারড আইপি ব্যাকহল হবে, যা শুধু বিদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য।

চিঠিতে দাবি করা হয়, এর আগে গত ২৯ এপ্রিল এক গোলটেবিল বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা অনুমোদিত হয়েছে। এনজিএসও লাইসেন্স প্রদানের পূর্বেই স্টারলিংককে এই অনুমোদনের নিশ্চয়তা দেওয়া হয় সেই বৈঠকে, যেখানে বিটিআরসি চেয়ারম্যান, ফাইবার আইপিএলসি প্রোভাইডারসহ বিটিআরসির সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরে গত ২৪ জুন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এবং বিটিআরসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনাতেও অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

তবে গত ৩১ জুলাইয়ের বৈঠকে কিছু প্রশ্ন অমীমাংসিত থেকে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি চিঠির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন চেয়েছে, যাতে তারা অনুমোদিত সরবরাহকারীদের সঙ্গে বাণিজ্যিক আইপিএলসি এবং আনফিল্টারড আইপি ব্যবহারের জন্য চুক্তি করতে পারে এবং বিদেশি ব্যবহারকারীদের সেবা দিতে পারে।

তবে বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে, স্টারলিংকের দাবি সঠিক নয়। লাইসেন্স প্রদানের আগেই তাদের এই অনুমোদনের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি। তাদের আবেদনের বিষয়ে আগে আলোচনা হলেও অনুমোদন হয়নি। আইপিএলসি গাইডলাইনে যেভাবে প্রভিশন আছে সেভাবে সিদ্ধান্ত নেবে বিটিআরসি।

এদিকে, স্টারলিংকের এই প্রস্তাব ঘিরে দেশের প্রযুক্তি সংশ্লিষ্টদের মধ্যে একদিকে আশাবাদ, অন্যদিকে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্টারলিংকের প্রস্তাব অনুমোদনের বিষয়ে খোদ বিটিআরসিতেও নেতিবাচক মনোভাব রয়েছে। বিটিআরসি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তাদের দাবি সঠিক নয়। গাইডলাইনেও বিষয়টি নেই, এমনকি গাইডলাইন অনুযায়ী এটার সুযোগও নেই। কারণ গাইডলাইনে আইপিএলসি শুধু সিগনালিংয়ের জন্য, ট্রাফিকের জন্য নয়। এভাবে অনুমোদন দিলে আমাদের মনিটরিং থাকবে না, আইনগত ইন্টারসেপশনও থাকবে না।




১৬ বছরের দুঃশাসনের চিত্র ধারন করবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর

জুলাই গন বিপ্লব , গুম-খুন-আয়নাঘর, শাপলা চত্বরের ম্যাসাকার পিলখানা হত্যাকাণ্ড,  এবং ভোট ডাকাতিসহ স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসনের সব গল্প ঐতিহাসিক তথ্য আকারে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে উপস্থাপন করা হবে।

শনিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক বৈঠকে জাদুঘর নির্মাণ কর্তৃপক্ষ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এ তথ্য জানায়।

সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী প্রধান উপদেষ্টাকে জানান, আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে এ জাদুঘরের নির্মাণকাজ শেষ হবে এবং নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন।

তিনি বলেন, আমরা হাসিনার দুঃশাসনের চিত্রগুলো এই জাদুঘরে প্রদর্শনের জন্য কিউরেট করছি যাতে ১৬ বছরের ফ্যাসিজমের ইতিহাস জীবন্ত থাকে। জীবন্ত থাকে সরাসরি গণভবন থেকে আসা নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত সব অত্যাচারের এবং নৃশংসতার ইতিহাস।

প্রধান উপদেষ্টা জাদুঘর নির্মাণ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং আশা প্রকাশ করেন, এ জাদুঘরে যারা আসবেন তারা ৫ আগস্ট গণভবনে জনতার ঢলকে অনুভব করবেন।

তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলার এই অনুভব নিয়ে আসাটাই এই জাদুঘরের একটা বড় কাজ।

জাদুঘর নির্মাণে আইসিটি প্রসিকিউশন টিম ও গুম বিষয়ক তদন্ত কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে বলে জানান জাদুঘরের চিফ কিউরেটর তানজীম ওয়াহাব। তিনি বলেন, আমরা মনে করছি এটি একটি ইউনিক জাদুঘর হবে। ১৬ বছরের দুঃশাসনের গল্পগুলো এই জাদুঘরে সিকোয়েন্স আকারে থাকবে। দর্শনার্থীরা জানতে পারবেন শেখ হাসিনা কীভাবে দেশ চালাতেন।

সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, গুম-খুনের নির্দেশ দেওয়া অনেক অডিও ইতোমধ্যে জাদুঘর কর্তৃপক্ষের হাতে এসেছে। এই অডিওগুলো জাদুঘরে রাখা হচ্ছে। শেখ হাসিনা কীভাবে গুমের শিকার পরিবারগুলোকে ডেকে মিথ্যা সান্ত্বনা দিতেন সে চিত্রও উঠে আসবে। এছাড়াও জাদুঘরে একটা স্ক্রিনিং সেন্টার থাকবে যেখানে জুলাই ও ১৬ বছরের দুঃশাসন নিয়ে ডকুমেন্টারি প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে।

 




ভোলার ১৯ জেলে সাগরে নিখোঁজ, পরিবারের উদ্বেগ বৃদ্ধি

ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের ১৯ জন জেলে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তাদের পরিবারগুলো চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

নিখোঁজ জেলেদের পরিবারের পক্ষ থেকে ভোলা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, জেলেরা ভারতের সংরক্ষিত সুন্দরবন এলাকার সীমান্ত অতিক্রম করলে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের আটক করেছে। পরে ভারতের কারাগারে পাঠানো হয়।

জেলেদের স্বজনরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন পর সাগরে ঝাঁকের ইলিশ ধরা পড়ার সংবাদ পেয়ে ৫ সেপ্টেম্বর বিকালে ১৯ জন জেলে মাছ ধরতে যান। তাদের সঙ্গে পরিবারের শেষ যোগাযোগ হয় ১২ সেপ্টেম্বর। এরপর থেকে তারা আর ফিরে আসেননি।

ভারতে আটককৃত জেলেদের নামগুলো হলো: মোঃ সফিজল বেপারী, মোঃ শাহে আলম, ছিডু মুন্সি, রাজিব চন্দ্র দাশ, মোঃ আক্তার হোসেন, মোঃ মিন্টু হাওলাদার, মোঃ ফরিদ, মোঃ আলমগীর, মোঃ ফরিদ, মোঃ ইউনুছ, মোঃ বাবুল সরদার, মোঃ নিরব হোসেন, মোঃ ইসমাইল, মোঃ শাহে আলম হাওলাদার, গৌতম চন্দ্র দাস, মোঃ জাকির, মোঃ ছগির সিকদার, মোঃ টুটুল এবং মোঃ শহিদুল ইসলাম। সকলেই দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

জেলা ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী সমিতির সম্পাদক শেখ আল মামুন জানিয়েছেন, নিখোঁজ জেলেদের সকল তথ্য সংগ্রহ করে প্রশাসনকে প্রদান করা হবে, যাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের উদ্ধারের ব্যবস্থা নিতে পারে। ভোলা জেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অধিদপ্তর থেকে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

পরিবারগুলো সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তায় তাদের প্রিয়জনদের দ্রুত ফিরে পেতে চায়।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশালে নগদ এজেন্টের ৪০হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র

মাত্র ১২ সেকেন্ডের ব্যবধানে বরিশালের এক নগদের এজেন্টের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্র। এ ঘটনা ঘটে গত ১৬ই সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নগরীর নথুল্লাবাদ কাঁচাবাজার সংলগ্ন রানা টেলিকমে।

প্রতারণার স্বীকার নগদের এজেন্ট আজম হাওলাদার রানা জানান, প্রতিদিনের মতো সকাল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত দোকান চালু থাকলেও সন্ধ্যার পর বাজার জমে ওঠায় তখন চাপ একটু বেশি থাকে। এ সুযোগ কাজে লাগায় প্রতারক চক্র। তারা প্রথমে কয়েক দফায় ছোট ছোট লেনদেন (৩শ’ থেকে ৫শ’ টাকা) করে দোকানে আসতে থাকে এবং রানার গতিবিধি খেয়াল করে ফোনের পিন সংগ্রহ করে।

পরে আনুমানিক ২৪ বছর বয়সী এক যুবক বাকপ্রতিবন্ধী সেজে নতুন কৌশল নেয়। সে নাম্বার সঠিকভাবে বলতে না পারায় নাম্বার ওঠানোর জন্য রানা নগদ এজেন্টের ফোন তার হাতে দেন। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ওই যুবক নাম্বার ওঠানোর সময় ফোন মিনিমাইজ করে নগদ এজেন্টের একাউন্টে প্রবেশ করে। এরপর নিজের পারসোনাল নগদ একাউন্ট ০১৩৩৮৪৯৪৩৯১-এ ৪০ হাজার টাকা ক্যাশইন করে ফেলে। পরে আবার রবি নাম্বার ০১৮২২৬৩১৭৯৮ উঠিয়ে ফ্ল্যাক্সিলোড করারা জন্য ফোন ফিরিয়ে দেয়।

কিছুক্ষণ পর রানা লেনদেন করতে গিয়ে মেসেজ দেখে বুঝতে পারেন পুরো টাকাই খোয়া গেছে। এরপর আশেপাশে খুঁজে না পেয়ে নগদ কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করলে তারা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণ দেখিয়ে তাকে কোনো সহযোগিতা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী নগদের এজেন্ট রানা বিমান বন্দর থানায় গিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানার এএসআই সোহাগ জানান, যে নাম্বারে টাকা ক্যাশইন হয়েছে সেটি ট্র্যাক করার চেষ্টা চলছে। ডিটেইলস পাওয়া গেলে তদন্তে আরও সুবিধা হবে। তার ধারণা, ঘটনাটিতে কাস্টমার কেয়ারের লোকও জড়িত থাকতে পারে।

এদিকে বিমান বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন,”অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে। আশা করি দ্রুতই সমাধান আসবে।




মৌ-এর অকপট স্বীকারোক্তি: ব্যক্তিগত জীবন ও বিতর্ক নিয়ে খোলাখুলি

দেশের নন্দিত মডেল ও নৃত্যশিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ বরাবরই তার ব্যক্তিগত জীবন গোপন রাখতে পছন্দ করেন। তিনি কাজের বাইরে খুব কমই ক্যামেরার সামনে আসেন। তবে সম্প্রতি একটি পডকাস্টে মৌ মন খুলে তার জীবনের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন।

মৌ বলেন, “তৌকীর ভাইয়ের সঙ্গে আমার কোনো ঠাণ্ডা লড়াই নেই। এটি সম্পূর্ণ গুজব। তবে সত্যি যে আমরা একসঙ্গে বেশি কাজ করিনি। দেখা হলে তিনি দুষ্টুমির ভঙ্গিতেই আমার সঙ্গে কথা বলেন।” তিনি আরও জানান, অতীতে বিটিভিতে তৌকীরের সঙ্গে একটি নাটকের জন্য রিহার্সেল করেছিলেন, কিন্তু নাচের শোয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে নাটকটি করা হয়নি। পরে তারা একাধিক নাটকে একসঙ্গে কাজ করেছেন।

কিছু দিন আগে মৌ-এর ছেলের সঙ্গে একটি মিষ্টি ছবি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়। মৌ বলেন, “আমি ভাবতেই পারিনি, মা ও ছেলের একটি ছবি নিয়েও কেউ কুৎসিত মন্তব্য করতে পারে। আমার ছেলে তখন আমাকে টেক্সট করে বলেছিল, ‘মা, সবাই তোমাকে খারাপ বলছে। আমরা কি কিছু করতে পারি?’ আমি তাকে সান্তনা দিতে পারছিলাম না।”

পডকাস্টে মৌ-এর স্বামী জাহিদ হাসান উল্লেখ করেন, তার জীবনের প্রথম প্রেমের কথা। এ প্রসঙ্গে মৌ বলেন, “প্রত্যেকের জীবনের অতীত থাকে। যদি তা বর্তমানেও প্রভাব না ফেলে, দোষের কিছু নেই। আমি জাহিদের প্রথম প্রেমের চিঠিগুলোও সযত্নে রেখেছি। আমি কখনোই জাহিদকে নিয়ে সন্দেহ বা ইনসিকিউরড ছিলাম না। আমরা এমন পরিবেশে বড় হয়েছি, যেখানে সম্পর্ককে বিশ্বাস ও সমর্থনের ভিত্তিতে দেখা হয়।”

মৌ-এর খোলাখুলিভাবে ব্যক্তিগত জীবন, ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক ও স্বামীর অতীত নিয়ে দেওয়া এই মন্তব্য সামাজিক মিডিয়ায় নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫