যুদ্ধকালীন বিশেষ মন্ত্রিসভা বাতিল করলেন নেতানিয়াহু




বিত্তশালীদেরকে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান




টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সুপার এইট নিশ্চিত করতে সেন্ট ভিনসেন্টে নেপালের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচ জিতলে কোনো ধরনের সমীকরণ ছাড়াই সেরা আটে জায়গা পেয়ে যাবে টাইগাররা। অপ্রত্যাশিতভাবে বড় ব্যবধানে হেরে গেলে নাজমুল হোসেনের দলকে তাকিয়ে থাকতে হবে নেদারল্যান্ডসের ম্যাচের দিকে।

ডাচদের ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে চায় না বাংলাদেশ। নেপালের বিপক্ষে দাপুটে জয় নিয়েই সুপার এইটে খেলতে চায় টাইগাররা। সেই লক্ষ্যে মাঠে নামা বাংলাদেশ আজ জিততে পারেনি। টস জিতেছেন নেপালের অধিনায়ক রোহিত পাউডেল। নিজে ফিল্ডিং নিয়ে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে।

 




বসে থাকলেই নয়, ওজন বাড়ার পেছন আরও যেসব অভ্যাস দায়ী




ইরানের নির্বাচনে কে হবেন নতুন প্রেসিডেন্ট?




সৌদি আরবে অন্তত ১৯ হজযাত্রী নিহত




নদীতে আশানুরূপ মাছ না পেয়ে দশমিনায় হতাশ জেলেরা

বরিশাল অফিস :: পটুয়াখালীর দশমিনায় তেঁতুলিয়া-বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে ইলিশসহ অন্য মাছ শিকার করতে নেমে আশানুরূপ মাছ না পেয়ে হতাশ জেলেরা।

আশানুরূপ মাছ না পেয়ে জেলেদের কষ্টই বৃথা হয়ে যাচ্ছে। মা ইলিশ সংরক্ষণে ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেরা নদীতে জাল ফেলার পর আশানুরুপ মাছ পাচ্ছে না। ফলে জেলেরা হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরছেন।

উপজেলার বাঁশবাড়িয়া, হাজীরহাট, গোলখালী মৎস্য ঘাট এবং বাঁশবাড়িয়াঘাটসহ হাট-বাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, নদীর পাড়ে অনেক জেলে বসে আছেন। কেউ মাছ ধরতে জাল নিয়ে নদীতে যাচ্ছেন। আবার কেউ জাল ফেলে তেমন মাছ না পেয়ে নদীর পাড়ে চুপচাপ বসে আছেন। নিষেধাজ্ঞা শেষে যেখানে জালভর্তি মাছ পেয়ে জেলেদের মুখে সব সময় হাসির ঝিলিক লেগে থাকার কথা, সেখানে জেলের মুখ হয়ে আছে মলিন। কারণ নদীতে ইলিশ শিকারের আয়োজনে তাদের খরচের টাকাই উঠছে না।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে কার্ডধারী ১০ হাজার ১৭১ জন বিভিন্ন ধরনের পেশাজীবী জেলে রয়েছে। আর সরকারি সাহায্য সহযোগীতার আওতায় ভিজিএফ’র ছয় হাজার জেলে সমুদ্রগামী।

উপজেলার গোলখালী এলাকা থেকে একাধিক জেলে জাল ও নৌকা নিয়ে নদীতে নামেন মাছ শিকারে। রাতে তিনটি ‘খেও’ (জাল ফেলে) দেয়ার পর অল্প কিছু পোয়া মাছ ও রাম ছোর পেয়ে ঘাটে এসে নোঙর করে দুরচিন্তায় বসে আছে।

জেলেরা বলেন, ‘অভিযান (নিষেধাজ্ঞার) সময় আমরা নদীতে মাছ ধরতে যাইনায়। ওই সময় গেলে মাছ বেশি পাইতাম। অভিযান (নিষেধাজ্ঞা) শেষে নদীতি নামি দেহি কোনো মাছ নেই। রাতভর তিন খেপ দিয়া মাত্র দুই-তিন কেজি পোয়া আর ছোর মাছ পাইছি । তাও সব ছোট মাছ আর ২৮০ টাকা কেজি দরে বেঁচিছি। কি আর করমু। মনডা বেশি ভালা নাই। তাই চুপচাপ বইসা আছি।’

উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মাছ ধরতে আসা শাহ আলম খাঁ, জাহাঙ্গীর ও লাল মিয়াসহ আর প্রায় শতাধিক জেলে হতাশার সুরে বলেন, ‘নৌকা নামাতে প্রায় এক থেকে দেড় লাখ টাকা খরচ হয়েছে। কেই গরু-বাছুর বিক্রি করে আর কেউ ঋণ নিয়ে জাল-নৌকা নামাইছি। তয় নদীতে কোথাও মাছ নাই। গেল বছর প্রতি খেয় ২০-৩৫ কেজি কইরা বিভিন্ন প্রজাতের মাছ পাইছি। এবার দুই খেও দিইয়া মাত্র পাঁচ কেজি মাছ পাইছি।’

তারা আরো বলেন, নিষেধাজ্ঞা শেষে যেখানে জালভর্তি মাছ পেয়ে জেলেদের মুখে সব সময় হাসির ঝিলিক লেগে থাকার কথা, সেখানে অধিকাংশ জেলের মুখ ছিল মলিন। কারণ, নদীতে ইলিশ শিকারের আয়োজনে তাদের খরচের টাকাই উঠছে না। বাজারে দেখা যায়, নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে অনেক ইলিশ ধরা পড়বে ভেবে বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষজন কিনতে এসেছেন বাজারে। না পেয়ে তারা হতাশ মুখে ফিরে যাচ্ছেন। অধিকাংশ মাছের আড়ৎ ঘরের সামনে ডালায় সামান্য কিছু মাছ দেখা যায়। ক্রেতাদের ভিড়ে মাছের বাজারও বেশ চড়া।

মৎস্য ব্যবসায়ী বাঁশবাড়িয়া ঘাটে মিরাজ খাঁ বলেন, ‘অন্য বছর নিষেধাজ্ঞা শেষে অনেক ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতের মাছ ধরা পড়ত। গত বছর অনেক মাছ বেচাকেনা করেছি। অভিযানের সময় কেউ কেউ লুকিয়ে মাছ ধরেছে। মৎস্য বিভাগ বা প্রশাসনের হাতে ধরা পড়েছে অনেকে। অভিযান শেষে ভালো মাছ ধরা পড়বে এই আশায় অনেকে ধারদেনা হয়ে জাল ও নৌকা নামিয়েছে। নদীতে নেমে মাছ না পেয়ে আমরা হতাশ হচ্ছি।’

উপজেলা মৎস্য মেরিল ফিসারিজ কর্মকর্তা মো: নাজমুল ইসলাম জানান, জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে জীববৈচিত্রের ওপর ভারসাম্যহীন আঘাতের এবং তেঁতুলিয়া-বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে গভীরতা ক্রমান্বয়ে কমে যাওয়ায় ইলিশের প্রজনন প্রক্রিয়ায় বাধাগ্রস্ত হয়। অন্য বছরের তুলনায় এবার নদীতে মাছের সংখ্যা তুলনামূলক অনেক কম।




নতুন সাজে ভোলার বিনোদনকেন্দ্রগুলো

বরিশাল  অফিস :: দ্বীপ জেলা ভোলায় ঈদুল আজহাকে ঘিরে নতুন সাজে সেজেছে বিনোদনকেন্দ্রগুলো। ঈদ আনন্দকে আরও উপভোগীয় করে তুলতে প্রস্তুত করা হয়েছে পর্যটনকেন্দ্র, পার্টি সেন্টার ও রিসোর্ট।

উপকূলীয় জেলা ভোলার দর্শনার্থীদের বিনোদনের অন্যতম স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে, ভোলা সদরের তুলাতলী মেঘনা পাড়ের ভোলা ইলিশ বাড়ি, আলপনা পার্টি সেন্টার, ইলিশা শাহবাজপুর পর্যটনকেন্দ্র, তেঁতুলিয়া বঙ্গবন্ধু উদ্যান ও খেয়াঘাট বেবিল্যান্ড শিশু পার্ক।

এ ছাড়া চরফ্যাশনের জ্যাকব টাওয়ার, শেখ রাসেল শিশু বিনোদনকেন্দ্র, জেনিক অ্যান্ড জেনিথ রিসোর্ট সেন্টার (খামার বাড়ি), বেতুয়া প্রশান্তি পার্ক এবং কাকতাড়ুয়া ও চরকুকরিমুকরি পর্যটনকেন্দ্র।

ভোলা ইলিশ বাড়ি বিনোদন কেন্দ্রের পরিচালক হেলাল উদ্দিন গোলদার বলেন, উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অনেক স্থান রয়েছে। কিন্তু পর্যটকদের বিনোদনের জন্য বড় ধরনের পর্যটনকেন্দ্র গড়ে ওঠেনি। তবুও গত কয়েক বছর ধরে ভোলা মেঘনা পাড়ে ইলিশ বাড়িসহ কিছু বিনোদনকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। এগুলোকে আধুনিকায়ন করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

পর্যটনকেন্দ্রের শেয়ার হোল্ডার গালিব ইবনে ফেরদাউস বলেন, প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি দ্বীপ জেলা ভোলা। পর্যটক ও ভ্রমণপিপাসুদের আকর্ষণীয় করে তুলতে জেলার বিভিন্ন স্থানের মনোরম পরিবেশের দৃশ্যকে উপভোগ করতে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী পাড় কেন্দ্রিক বিভিন্ন পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। দিনে দিনে ভ্রমণ পিপাসুদের চাহিদা অনুযায়ী বিনোদন কেন্দ্র ও রিসোর্টগুলোকে আরও আধুনিক করে গড়ে তুলতে নতুন সাজে সাজানো হচ্ছে।

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নারীর টানে যে সব মানুষ বিভিন্ন উৎসব পালন করতে নিজের এলায় আসছেন, তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে যাতে একটু বিনোদন করতে পারে এবং মনোরম পরিবেশে ঘুরে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে পারেন এবং কর্মস্থলে ফিরে গিয়ে বলতে পারেন ভোলায় বিনোদনকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। এই বিনোদন কেন্দ্রগুলোর সৌন্দর্য উপভোগ ছাড়াও লোভনীয় সুস্বাদু খাবারের পাশাপাশি শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে খেলনাসহ বিভিন্ন রাইডার। তাই টানা ছুটিতে ঈদুল আজহা উদযাপনের জন্য প্রস্তুত ভোলা জেলার সব কয়টি বিনোদনকেন্দ্র।




ঝালকাঠিতে ৩ মাদ্রাসা ছাত্রকে বেধড়ক পেটাল শিক্ষক

বরিশাল অফিস ::  ঝালকাঠির এনএস কামিল মাদ্রাসা শিক্ষক সালাহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ফুটবল খেলায় মাদ্রাসার তিন ছাত্রকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১০ জুন) বিকেলে মাদ্রাসার তাহেলি ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন মাদারীপুর সদর উপজেলার মিজানুর রহমানের ছেলে হাবিবুল্লাহ (১৬), পটুয়াখালীর ছোট দিঘাই এলাকার খলিলুর রহমানের ছেলে রুবায়েত (১৬) ও ভোলা সদর উপজেলার চরনোয়াবাদে এলাকার মাহমুদ হাসানের ছেলে ইয়াসিন হাসান নাইম (১৬)। এদের মধ্যে ইয়াসিন হাসান নাঈম গুরুতর আহত হয়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, দুপুরে তারা ফুটবল খেলতে গিয়েছিলেন। খেলা শেষে ফিরে আসলে ওই শিক্ষক তার কক্ষে ডেকে নিয়ে বেত দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক সালাউদ্দিনকে একাধিকবার ফোন দিলে রিসিভ না করায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদ্রাসার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




বরিশালে সেতু পার হতে হয় প্রাণ হাতে নিয়ে

বরিশাল অফিস :: বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে হাজারী খালের উপর নির্মিত সেতুটি কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে। সেতুটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষের সেতুটি দিয়ে পার হতে হয় প্রাণ হাতে নিয়ে। গত ১০ বছর ধরে সেতুটি দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ১৯৯৮ সালে সেতুটি নির্মাণ করে নিজ অর্থায়নে মরহুম সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ আলহাজ সৈয়দ মাসুদ রেজার চাচা মরহুম সৈয়দ মোহাম্মদ আলী ৮ লাখ টাকা ব্যয় করেন। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় সেতুর সিমেন্টের ঢালাই দেওয়া স্লিপারের বেশির ভাগই ভেঙে পরে খালে ঝুঁকেছে। ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়েছে সেতুটি।

অথচ ১০ বছর পার হলেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেতুটি সংস্কার ও নতুন করে নির্মাণের কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। নিরুপায় হয়ে স্থানীয়রা, সেতুটির উপরে সুপারি গাছ ও বাসের সাঁকো নির্মাণ করে চলাচল করছে। এমন পরিস্থিতিতে ঝুঁকিতে পড়েছে কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে বৃদ্ধ ও শিশুসহ স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা।

ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে যাতায়াত করা রামনগর, কাফিলা রূপারজোর, গাবুয়া রামনগর, ঢালমারা মহেষপুরসহ কয়েক গ্রামের মানুষের। এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন রামনগর আলিয়া হোসাইনিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা, জনতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য রামনগর রেজিস্ট্রার প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢালমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মহেশপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মহেশপুর সৈয়দ আফসার আলী ডিগ্রি কলেজের হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীরা নড়বড়ে ও ভেঙ্গে যাওয়া সেতুটি দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রায় দুর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে। সেতুটি দ্রুত সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় ৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১০ ফুট প্রস্থ নড়বড়ে ও ভেঙ্গে যাওয়া সেতুর সিমেন্টের ঢালাই দেওয়া স্লিপারগুলো খুলে নিচের দিকে ঝুলে গেছে। ক্রস অ্যাঙ্গেলগুলো মরিচা ধরে ভেঙে গিয়ে সেতুটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা চলাচলের জন্য সিমেন্টের ঢালাই দেওয়া স্লিপার না থাকায় লোহার অ্যাঙ্গেলগুলোর সঙ্গে সুপারি গাছ ও বাঁশের মাচা তৈরি করে পারাপার হচ্ছে। সেতুর সিমেন্টের স্লিপারের বিভিন্ন স্থানে ফাঁকা হয়ে ঝুলে আছে। সেতুর ক্রস অ্যাঙ্গেলগুলো বেঁকে গিয়েছে, আবার কোথাও মরিচা ধরে বিভিন্ন স্থান ভেঙে গেছে। মানুষ নিরুপায় হয়ে সেতু দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। স্থানীয় কৃষকরা তাদের মাথায় করে ধান, চাল ভাঙা সেতুর ওপর দিয়ে পারাপার করছেন। বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে নিয়ামতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির  জানান, হাজারী খালের উপর অবস্থিত সেতুটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সেতুর মাঝখানের সিমেন্টের স্লিপার খুলে ক্রস অ্যাঙ্গেলগুলো বেঁকে নড়বড়ে হয়ে গেছে। যে কোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। আর এ দুর্ঘটনা এড়াতে অতিদ্রুত সেতুটি নতুন করে নির্মাণ করা প্রয়োজন। এ ছাড়া আর কোনো উপায় দেখি না।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আবুল খায়ের মিয়া জানান, সেতুটি কোনো প্রকল্পের আওতাধীন এলজিইডির না গ্রামীণ সড়কের এবং কাবিখা প্রকল্পের সেটা ভালো করে জানতে হবে। না জেনে কিছু বলা যাবে না।