জয়ে সুপার এইটে যাত্রা শুরু দক্ষিণ আফ্রিকার 




বরিশালে দেখা দিল আষাঢ়ে প্রথম স্বস্তির বৃষ্টি

বরিশাল অফিস :: ঘূর্ণীঝড় রিমেলের পর অবশেষে বরিশালে দীর্ঘ অস্বস্তি গরমের পর প্রথমবারে আষাঢ় মাসে মাত্র ত্রিশ মিনিটের জন্য মুসলধরে বজ্র বৃষ্টির মাধ্যমে নগরবাশির মাঝে ক্ষনিকের স্বস্তি এসেছে।

বুধবার (১৯) জুন,৫ই আষাঢ় সকাল থেকে বরিশালের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে ঊঠায় বিগত দিনের মত তেমন কোন গরমের প্রভাব দেখা যায়নি।

বেলা বাড়ার সাথে সাথে আকাশ মেঘে ভারি হয়ে উঠে অবশেষে বেলা বারটার দিকে মুষল ধরে বৃষ্টির শুরু হওয়ার সাথে সাথে আকাশে ছিল বজ্রের ডাক।

এসময় নগরের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ পূর্ব থেকে ছাতা নিয়ে বেড় হয়ে এসেছে তারা স্বস্তির মত চলা ফেরা করতে পারলেও অন্যসকল শ্রেণির মানুষ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে চলাচল করতে হয়েছে। মাত্র ত্রিশ মিনিটের বৃষ্টিতে নগরীর সদররোড, আগুুরপুর সড়ক প্রেসক্লাব গলি সহ বিভিন্নস্থানে পালি জমে যায়।

এসময় বেশ কিছু পথচারি বলেন হঠাৎ করে বৃষ্টি চলে আসায় আমাদের চলাচলে সামান্ন ক্ষতি হলেও তারপরেও আমাদের মনে দীর্ঘ গরমের ভিতর যে অস্বস্তি ভোগ করেছি তার চেয়ে এবৃষ্টি অনেক আনন্দের এখন মনে হচ্ছে শরীরটা শিতল হয়ে এসেছে।

অপরদিকে নগরীর রাস্তায় কতিপয় পথচারি নিজ থেকেই বৃষ্টিতে ভিজে দীর্ঘ গরমের শরীরের ভিতর জমে থাকা তাফ দুর করছে।

এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বরিশালের আকাশ মেঘাচ্ছনের পাশাপাশি গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে সেই সাথে বইছে হালকা শিতল বাতাশ। অন্যদিকে ঈদুল-আযহার পর অফিস আদালত খোলা থাকার পরও নগরীর রাস্তায় তেমন কোন লোকজনের চাপ নেই।




সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সংকেত




খাসি নিয়ে ভাইরাল যুবক আমার ছেলে নয়’




রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধস, ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার




বিশ্বকাপের সুপার এইটসহ টিভিতে খেলা




ঘূর্ণিঝড় রিমাল গেলেও পটুয়াখালীর গ্রামীণ জনপদে রেখে গেছে ক্ষত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ঘূর্ণিঝড় রিমাল চলে গেলেও ক্ষত রেখে গেছে গেছে পটুয়াখালীর গ্রামীণ জনপদে। অনেক জায়গার রাস্তাঘাট চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। কোথাও রাস্তা সম্পূর্ণ ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের ওপর এলজিইডি’র করা সড়কগুলোর ক্ষতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি। ঝুঁকির মুখে রয়েছে অনেক ইউনিয়ন সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ সড়ক।

মৌকরন ব্রিজের নীচ থেকে বাজার হয়ে কলেজ পর্যন্ত যাওয়ার সড়কটি ধসে পড়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

লাউকাঠী স্লুইসগেট এলাকার সড়কটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হওয়ায় সাঁকো দিয়ে রাস্তা পারাপার হচ্ছেন এলাকার মানুষ।

বর্ষা মৌসুমের আগেই সড়কগুলো সংস্কার করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বরাদ্দ চাওয়ার কথা জানিয়েছেন এলজিইডির এই কর্মকর্তা।

আরো পড়ুন : ঈদের দ্বিতীয় দিনে প্রাণ ফিরেছে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায়

পটুয়াখালী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. লতিফ হোসেন বলেন, যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তারমধ্যে আমরা অনেকগুলোর সংস্কার করে ফেলেছি। যেগুলোর একটু বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেগুলো মেরামতের জন্য আমরা সদর দপ্তরে জানিয়েছি।

পটুয়াখালী এলজিইডির হিসাবে, ঘূর্ণিঝড় রিমালের জলোচ্ছ্বাস ও জলাবদ্ধতায় জেলার মোট ৪৪৯ দশমিক ১৩ কিলোমিটার পাকা ও ২৮৩ দশমিক ২০ কিলোমিটার কাঁচা সড়কের ক্ষতি হয়েছে।




বুধবার থেকে নতুন সময়সূচিতে চলবে ব্যা




সিলেটের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা




দুমকিতে আগুনে ঈদের আনন্দ রূপ নিল বিষাদে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ঈদের রাতে আগুনে নিঃস্ব হয়েছে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের রাজাখালি গ্রামের ১টি পরিবার। সব হারিয়ে ঈদের আনন্দ এখন বিষাদে পরিণত হয়েছে।

সোমবার (১৮ জুন) দিবাগত রাতে সাবেক ইউপি সদস্য বাচ্চু হাওলাদারদের বাড়ির রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন মাহমুদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মরহুম এসকান্দার হাওলাদারের ওই বাড়িতে তার ছেলে মাসুদ হাওলাদার বসবাস করে আসছিলেন। ঈদ উপলক্ষে অন্যান্য ছেলেরাও পরিবার-পরিজন নিয়ে বাড়িতে আসে। রাতে বাড়ির লোকজন ও প্রতিবেশীদের খাওয়ানোর পর একটার দিকে ঘুমাতে যায় ঘরের লোকজন। রাত সাড়ে তিনটায় আগুনের ধোঁয়ার গন্ধে ঘুম ভেঙে যায় মাসুদ হাওলাদারের স্ত্রী তাসলিমা বেগমের।

তাসমিনা বেগম জানান, ধোঁয়ার গন্ধে ঘুম ভেঙে গেলে চিৎকার করে সকলকে উঠায় এবং রান্নাঘর দাউ দাউ করে জ্বলতে দেখেন। এ সময় দ্রুত সবাই এক কাপড়ে ঘর থেকে বের হয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে।ততক্ষণে আগুন বসত ঘরে ছড়িয়ে পড়ে এবং গ্যাস সিলিন্ডারের কারণে আগুনের তীব্রতা বাড়ে এবং সম্পূর্ণ ঘর পুড়ে যায়।

আরো পড়ুন : ঈদের দ্বিতীয় দিনে প্রাণ ফিরেছে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায়

পরিবারের মেজো ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য বাচ্চু হাওলাদার জানান, রাতে খাবার শেষে বাড়ি থেকে দুমকি উপজেলা সদরের বাসায় ফেরেন তিনি। ভোররাতে আগুনের খবর পেয়ে বাড়ি এসে দেখতে পান সবকিছু পুড়ে গেছে। মালামাল ছাড়াও ঘরে থাকা ১৫ মন মুগডাল, ১০ মন চালও পুড়ে যায়।

শ্রীরামপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মৃধা জানান, ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পরিবারটি একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুমকির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন মাহমুদ বলেন, আমরা যা ধারণা করেছিলাম এখানে আগুনের ভয়াবহতা তার চেয়েও বেশি ছিল। পরিবারটি একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছে। আমাদের পক্ষ থেকে যতটুকু সহযোগিতা সম্ভব সর্বাত্মক দেয়ার চেষ্টা করবো।

এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িটি পরিদর্শন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার।