মহাসড়কে দুর্ঘটনায় ঢাকা-পটুয়াখালী রুটে যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: একের পর এক দুর্ঘটনা সড়ক পথে ঢাকা-বরিশাল-পটুয়াখালী রুটের যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক বাড়াচ্ছে। তাই নিরাপত্তার খাতিরে অনেক যাত্রী আবার নৌ-পথে যাতায়াত শুরু করেছেন।

যার প্রমাণ মিলেছে বরিশাল ও পটুয়াখালীর নদী বন্দরে পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষগুলোর ভিড় দেখে।

লঞ্চের যাত্রী ওমর ফারুক বলেন, গত কয়েকদিনে শুধু সড়কে দুর্ঘটনার খবরই শুনছি। নিজেও পটুয়াখালী আসার পথে একটুর জন্য দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে গেছি। তাই লঞ্চে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বাসের থেকে অন্তত নিরাপদে তো যেতে পারবো।

যদিও পদ্মা সেতু চালুর পর সময় স্বল্পতার কারণে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা সড়ক পথে নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিতের দাবি বেশিরভাগ যাত্রীর।

ঢাকা-পটুয়াখালী সড়কপথে নিয়মিত চলাচলকারী বাস যাত্রী ফাহিম রহমান বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর প্রতিনিয়ত যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে ঢাকা থেকে বরিশাল ও পটুয়াখালী রুটের মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ। তবে ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত দীর্ঘ মহাসড়কের ধারণক্ষমতা আছে ২০২২ সালের আগের মতোই। যদিও কিছু কিছু বাঁকে সড়ক প্রশস্ত করা হয়েছে, তবে তা কার্যত তেমন উপকারে আসছে না এখনও। এই যাত্রীর মতে, প্রয়োজন অনুসারে মহাসড়ক প্রশস্ত না হওয়ায় গতির প্রতিযোগিতাই দুর্ঘটনার মূল কারণ।

সম্প্রতি দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি থেকে বেঁচে যাওয়া যাত্রী মিজানুর রহমানের মতে, ঈদ-কোরবানির সময়টায় চালকরা একটানা বেশি ডিউটি করায় ক্লান্ত থাকেন। আর যেখান থেকে ঘুমের ভাব হলেই দুর্ঘটনা ঘটে। যে কারণে তিনিও দুর্ঘটনার শিকার হয়ে এখন নিয়মিত লঞ্চে যাতায়াত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এদিকে গণমাধ্যমও বলছে, ১৫ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত ছয়দিনে শুধু বরিশাল জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন ৯ জন। পক্ষান্তরে নৌ-পথে দুর্ঘটনার কোনো খবর পাওয়া যায়নি এ কয়দিনে।

বাস চালকরা বলছেন, শুধুই গতি নয়, অনভিজ্ঞ চালকসহ মহাসড়কে বৈধ-অবৈধ ও মিশ্র প্রযুক্তির গাড়িই দুর্ঘটনার মূল কারণ।

বাসের চালক নয়ন বলেন, ভাঙ্গা থেকে বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত একমাত্র মহাসড়ক, যেখানে অবাধে দূরপাল্লার গাড়িগুলোর সাথে ব্যাটারিচালিত রিকশা, ভ্যান, অটোরিকশা, টমটম, নছিমন, করিমন, সিএনজি, আলফাসহ সকল ধরনের থ্রি-হুইলার চলাচল করে। অথচ বিআরটিএর অনুমোদন পাওয়া-না পাওয়া এসব যানবাহন মহাসড়কে চলার কথা না। সেই সাথে বাজার-ঘাটে ঘেরা মহাসড়কে অটো ও ম্যানুয়াল প্রযুক্তির গাড়ির পাশাপাশি, তেলের- ব্যাটারির, নতুন-পুরাতন বিভিন্ন গতির গাড়ি চলাচল করছে।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে চাচার মারধরে ভাতিজার মৃত্যু

তিনি আরো বলেন, সবমিলিয়ে দিনের বেলা যেমন তেমনভাবে গেলেও রাতে তো আরও ভয়ানক হয়ে ওঠে ভাঙ্গা-বরিশাল- কুয়াকাটা মহাসড়ক। ব্যাটারিচালিত রিকশা, ভ্যান, অটোরিকশা, টমটম, নছিমন, করিমনের মতো অবৈধ অনেক যানবাহনের তো কোনো ধরনের বাতিই থাকে না, আবার যাদের আছে তাদের গাড়ির সামনে পেছনের সবগুলো বাতি ঠিকভাবে জ্বলে না। ফলে গাড়িটা কতখানি প্রশস্ত কিংবা চালক ব্রেক কষল কিনা তা বোঝা যায় না। সবমিলিয়ে যে অবস্থা তাতে এ মহাসড়কে বাস চালনা করতে একজন চালককে কতটা বেগ পেতে হয় তা বলে বোঝানো যাবে না। আর হিসেবের গড়মিল হলেই দুর্ঘটনা ঘটে যায়, তখন দোষ হয় পরিবহন চালকদের।

পরিবহন চালকদের মতে দুর্ঘটনা রোধ করতে হলে মহাসড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি সর্বপ্রথমে শৃঙ্খলা ফেরাতে হবে, নয়তো বিমুখ হবেন বাস যাত্রীরা। একই কথা জানালেন হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারাও।

গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রসুল মোল্লা মুঠো ফোনে বলেন, এ মহাসড়কে দুর্ঘটনা রোধে সর্বপ্রথম মহাসড়ক প্রশস্ত করা প্রয়োজন। এর পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ মানুষ চলাচলে জায়গায় জেব্রা ক্রসিংসহ রাস্তা পারাপারের ব্যবস্থা রাখা এবং মহাসড়কের পাশ ধরে হাঁটার জায়গা প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, রাস্তা সরু হওয়ায় বর্তমান সময়ে ওভারটেক করতে গিয়ে যেমন দুর্ঘটনা ঘটছে, তেমনি রাস্তার পাশে চলাচলের জায়গা না থাকায় মানুষ যানবাহনে চাপা পড়ছে। গেল কোরবানির ঈদের আমরা গরুর গাড়ি নির্বিঘ্নে চলাচলের নিশ্চয়তা দেওয়ার পাশাপাশি যাত্রীবাহী যানবাহনের ছাদে লোক না নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক ছিলাম। সেইসাথে মহাসড়কে অতিরিক্ত গতিতে যানবাহন চলাচল রোধ, থ্রি-হুইলারসহ আনফিট গাড়ির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াও হয়েছে। আর এজন্য বিভিন্নভাবে মহাসড়কে আমাদের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেছে। তবে নিজ নিজ পর্যায় থেকে সবাইকে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ এই কর্মকর্তার।

এদিকে এবারের ঈদে পটুয়াখালী-ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বিগত দিনগুলোর থেকে বেশি থাকায় খুশি সংশ্লিষ্টরা।




পটুয়াখালীতে চাচার মারধরে ভাতিজার মৃত্যু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে চাচার মারধরে ওবায়দুল সিপাইর (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার (২২ জুন) দুপুরে সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের পশরবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ওবায়দুল ওই এলাকার হারুন সিপাইর ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বারেক সিপাইকে (৪০) আটক করেছে পুলিশ।

আরো পড়ুন : কলাপাড়ার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ নিয়ে আতঙ্কে তিন লক্ষাধিক মানুষ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে ওবায়দুলের ঘর থেকে ২০ হাজার টাকা চুরি হয়। এ বিষয়ে চাচাতো ভাই ছানাউল্লাহকে জিজ্ঞেস করেন তিনি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বারেক সিপাইসহ আরও কয়েকজন ওবায়দুলের ওপর হামলা চালায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধারে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. জসীম বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত বারেক সিপাইকে আটক করা হয়েছে।




ঐকমত্যে সমুদ্রপথের সহযোগিতা, ‘ভারত বিশ্বস্ত বন্ধু’, বললেন হাসিনা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: শনিবার নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সংক্রান্ত যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বললেন, ‘‘ভারত আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী এবং বিশ্বস্ত বন্ধু।’’ দু’দেশের রাষ্ট্রনেতা এবং প্রতিনিধিদের এই বৈঠকে চূড়ান্ত হল একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির রূপরেখা। তার মধ্যে অন্যতম, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সমুদ্রাঞ্চলে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা চুক্তি। সে প্রসঙ্গের উল্লেখ করে হাসিনাকে ধন্যবাদ জানালেন মোদী। বললেন, ‘‘এই সমুদ্র সহযোগিতার মাধ্যমে নীল অর্থনীতির পথে এক সঙ্গে চলবে দুই দেশ




ভারতের বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে নামতে পারে বাংলাদেশ




রাসেলস ভাইপার নিয়ে জরুরি নির্দেশনা দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী




কলাপাড়ার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ নিয়ে আতঙ্কে তিন লক্ষাধিক মানুষ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপকূলের তিন লক্ষাধিক মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। জলোচ্ছ্বাসে ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ দীর্ঘদিন ধরে মেরামত না করা, বছরের পর বছর বৃষ্টির পানিতে বেড়িবাঁধের উচ্চতা কমতে থাকলেও মাটি দিয়ে এর উচ্চতা বৃদ্ধি না করাই এই আতঙ্কের অন্যতম কারণ।

কলাপাড়া উপজেলার আয়তন ৪৯২.১০ বর্গ কি.মি। এখানে ১২টি ইউনিয়ন ও দু’টি পৌরসভায় ২৪৪টি গ্রাম রয়েছে। উপজেলা ২২টি স্পটে ৯.১৯ কি. মি বেড়িবাঁধ বেড়িবাঁধ জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। ঘূর্ণিঝড় ছাড়াও প্রতি অমাবস্যা আর পূর্ণিমার সময় এলাকার মানুষ জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কায় থাকে আতঙ্কিত।

জানা যায়, গত এক দশকে মে মাসে আটটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে। ৪৭/৪ পোল্ডারের মিঠাগঞ্জ বেড়িবাঁধ ইতিমধ্যে বাঁধের রিভার সাইডের মূল বাঁধসহ জিওব্যাগ ধসে আন্ধারমানিক নদীতে পড়ে গেছে।
ভাঙন শুরু হয়েছে বাঁধের কান্ট্রি সাইডেও। সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় ফাঁটল। এ কারণে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে পাঁচটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।

৪৬ পোল্ডারের নীলগঞ্জ ইউনিয়নে গইয়াতলা গ্রামের ভাঙা বাঁধ সংলগ্ন ছয়টি গ্রামের মানুষ রয়েছে আতঙ্কে। বাঁধসহ স্লুইসগেট ভেঙে পড়ার পর এবার বেড়িবাঁধ ভেঙে পড়ার চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছে এলাকার মানুষ। সোনাতলা নদীর ঢেউয়ের তোরে গইয়াতলা বেড়িবাঁধের রিভার সাইডের বাঁধ ভেঙে পড়েছে। বাঁধের বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা দিয়েছে ফাটল।

এদিকে, ৪৭ পোল্ডারের মহিপুর ইউনিয়নে সিডরের পর থেকে নিজামপুর ৫ গ্রামের মানুষ ১০ বছর ধরে জমিতে কোনো চাষ করতে পারেনি। এরপর পানি উন্নয়ন বোর্ড জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে এখানের রিং বেড়িবাঁধ করে দেয়। এখন আবার নতুন করে আতঙ্কে ভুগছে। হুমকিতে পড়ছে উপজেলা নিজামপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রতিদিনই ভাঙছে নতুন করে একেকটি পরিবারের স্বপ্ন। সাগর ও নদীর প্রতিটি জোয়ারে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বসতঘর, আবাদি জমি ও মাথাগোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু। নিঃস্ব হতে হতে এই গ্রামের মানুষের শেষ সম্বল এখন শুধুই বেঁচে থাকার আকুতি। এভাবে পাউবোর পূর্ব গৈয়াতলা, লেমুপাড়া, চম্পাপুর, মঞ্জুপাড়া, মুন্সীপাড়া, নিজামপুর, জালালপুর, ধূলাসার, বালিয়াতলী, দেবপুর, নাচনাপাড়া, বড়কলবাড়ি, খ্রিস্টান পাড়ার বেড়িবাঁধ।

আরো পড়ুন : পূর্ব বিরোধের জেরে বাউফলে বৃদ্ধকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

এলাকাবাসীর দাবি, ত্রাণ চাই না শুধু বাঁধ চাই। অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় সিডরে নিশ্চিহ্ন আন্দারমানিক নদী তীরবর্তী এলাকার হাজারো পরিবারের দিন কাটছে চরম উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও আতঙ্কের মধ্যদিয়ে। ভয়াবহ ভাঙন ও তীর রক্ষাবাঁধ ধসে যাওয়ায় ভিটেমাটি হারানোর আশঙ্কায় তাদের মধ্যে এ আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বর্ষা মৌসুমে পুরো বাঁধ ভেঙে গেলে অরক্ষিত হয়ে পড়বে গোটা কলাপাড়া উপজেলা।

স্থানীয়রা জানান, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সময়মতো মেরামতের উদ্যোগ নিলে কম খরচ ও কম সময়ের মধ্যে মানসম্মত কাজ সম্ভব। তবে বর্ষার আগ মুহূর্তে যখন নদীতে জোয়ারের পানি বেড়ে বাঁধ কানায় কানায় পূর্ণ হয়, পাউবো কর্তৃপক্ষ সে সময় এসে মেরামতের উদ্যোগ নেয়। এতে একদিকে খরচ বাড়ে, অন্যদিকে তড়িঘড়িতে কাজ হয় নিম্নমানের। প্রতি বছরের মে মাস এলেই পাউবো কর্তৃপক্ষ বাঁধ মেরামতের তোড়জোড় শুরু করে। কী কারণে তা কেউ বলতে পারে না। অথচ শীত মৌসুমে কাজ করার অনেক সুবিধা। বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের সুযোগ সৃষ্টির জন্য পাউবোর লোকজন অসময়ে এসে কাজ ধরেন।

মহিপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী ফজলু গাজী জানান, এ এলাকার বেশির ভাগ মানুষই মৎসজীবী। আবার কেউ কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। শুধু অমাবস্যা-পূর্ণিমাই নয়, জোয়ার ভাটার সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে হয় তাদের। পূর্বের বেড়িবাঁধ নেই।

পাউবোর উপ-বিভাগীয় সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম জানান, পাউবোর পূর্ব গৈয়াতলা, লেমুপাড়া, চম্পাপুর, মঞ্জুপাড়া, মুন্সীপাড়া, নিজামপুর, জালালপুর, ধূলাসার, বালিয়াতলী, দেবপুর, নাচনাপাড়া, বড়কলবাড়ী, খ্রিস্টানপাড়া, চরান্ডা, চর মোন্তাজ, চালিতবুনিয়া বড় বাইশদিয়া বেড়িবাঁধের ২২টি স্পটে ৯.১৯ কি. মি. বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকতাদের সঙ্গে মিটিং হয়েছে। তারা বলছে বেড়িবাঁধগুলো পর্যায় ক্রমে মেরামত করা হবে।




গাজায় রেড ক্রিসেন্ট দপ্তরের কাছে হামলা, নিহত ২২




বাংলাদেশ-ভারত বিশ্বকাপ ম্যাচসহ টিভিতে খেলার সূচি




ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে এক পা দক্ষিণ আফ্রিকার




হিজাব নিষিদ্ধ করে আইন পাস তাজিকিস্তানে