বাঁধের ভাঙন ঠেকাতে পারছে না জিও ব্যাগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: গলাচিপার তেঁতুলতলা গ্রামের পাশে ভাঙছে রাবনাবাদ নদীর তীর। সেখানে ফেলা জিও ব্যাগও ধসে পড়ছে।

ফলে রাবনাবাদ নদীর ভাঙনে ঝুঁকিতে পড়ছে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বেড়িবাঁধের একটি অংশ। এতে উপজেলা সদরের সঙ্গে পাঁচটি ইউনিয়নের মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা করছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে বেড়িবাঁধ ও এর ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সড়ক রক্ষায় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) থেকে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। এতেও ভাঙন থামছে না। উল্টো বেশকিছু জিও ব্যাগ ধসে পড়ছে নদীতে।

এলাকাবাসী জানায়, ঘূর্ণিঝড় রিমাল আঘাত হানার পর বাঁধের একটি অংশ ভেঙে জোয়ারের পানি ঢুকে যায়। এ সময় প্লাবিত হয় ইউনিয়নের আটখালী, ডাকুয়া ও হোগলবুনিয়া গ্রাম।

আটখালীর কৃষক বাদল মৃধা বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারে লবণপানি ঢুকে পড়েছিল। এতে তাঁর ৫ কুড়ি পানের বরজ নষ্ট হয়ে যায়।

ডাকুয়ার তাজুল ইসলামের ভাষ্য, জোয়ারের নোনাপানি বাঁধ উপচে বাড়িঘর ও ফসলি জমিতে ঢুকে পড়ছে। ফলে আগামী মৌসুমে চাষবাস করাই কঠিন হয়ে পড়বে।
জোয়ারে রাবনাবাদ নদীর তীব্র ঢেউ বাঁধে আছড়ে পড়ে। এতে ভেঙে যাওয়া অংশ পুরো ধসে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন আটখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক দীপক নারায়ণ ভূঁইয়া।
তাঁর ভাষ্য, বিশেষ করে অমাবশ্যা-পূর্ণিমার প্রভাবে জোয়ারের প্রবল চাপ থাকে। ভাঙন ঠেকাতে বালুর বস্তা ফেলা হলেও এ সময়কে ঝুঁকিমুক্ত বলা যাবে না। ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতেও সম্প্রতি ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

পটুয়াখালী পাউবো ও এলজিইডি সূত্র জানায়, ১৯৭৬-১৯৭৭ অর্থবছরে গলাচিপায় ৪৬ কিলোমিটার দীর্ঘ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করে পাউবো। ৫৫/১ পোল্ডারের বাঁধটি গলাচিপা পৌর এলাকা থেকে শুরু হয়েছে গলাচিপা সদর ইউনিয়ন, পানপট্টি, রতনদী-তালতলী ইউনিয়ন, ডাকুয়া পর্যন্ত গেছে। ১৯৯৫-১৯৯৬ অর্থবছরে ওই বেড়িবাঁধের ওপর সড়ক নির্মাণ করে এলজিইডি। গলাচিপা থেকে বকুলবাড়িয়া ­ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া পর্যন্ত ২১ কিলোমিটার অংশে কার্পেটিং করা হয়। এ সড়কটি গলাচিপা উপজেলা সদরের সঙ্গে ডাকুয়া, কলাগাছিয়া, চিকনিকান্দি, গজালিয়া ও বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ সহজ করে দেয়। এ ছাড়াও সড়কটি দিয়ে পটুয়াখালী জেলা সদর, দশমিনা ও বাউফল উপজেলায় সহজে যাতায়াত করা হয়। ফলে এটি এখন জেলার ব্যস্ততম একটি সড়ক।

আরো পড়ুন : পরকীয়ার অপবাদে আ. লীগ নেতাকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন

ডাকুয়া এলাকার বাসিন্দা গাজী গোলাম মোস্তফা সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা। তাঁর আশঙ্কা, যেভাবে বাঁধের পাশাপাশি সড়কের অংশ নদীতে ভেঙে পড়ছে, এতে তাদের এলাকা সদর থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন তিনি।

ডাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটিও ভাঙনঝুঁকিতে আছে বলে জানান ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ রায়। তাঁর ভাষ্য, তেঁতুলতলা বাজারের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, ঘরবাড়ির পাশাপাশি মসজিদ-মন্দির, দুটি বিদ্যালয়, প্রাচীন একটি জমিদারবাড়ি, সাংবাদিক নেতা আলতাফ মাহমুদের কবরস্থানটিও হুমকির মুখে। সড়কটি নদীতে ধসে পড়লে পাঁচ ইউনিয়নের দেড় লাখ মানুষ ভোগান্তিতে পড়বে। তাই নদীশাসন ও খনন করে গতিপথ বদলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

এলজিইডির গলাচিপা উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, সম্প্রতি তাঁর দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ভাঙনঝুঁকিতে থাকা সড়কটি পরিদর্শন করেছেন। শুরুতে বাঁধ মেরামত করে পরে কার্পেটিং সড়ক নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। এখন বাঁধের কাজ চলছে। তা শেষ হলেই সড়ক নির্মাণ শুরু করা যাবে।

রাবনাবাদের জোয়ারে তেঁতুলতলায় বাঁধের ১০০ মিটার ভাঙনের কবলে পড়েছে জানিয়ে পটুয়াখালী পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মিরাজ গাজী বলেন, ঘূর্ণিঝড় রিমাল ও পূর্ণিমার জোয়ারে ১০ মিটার অংশ ধসে পড়েছে। সঙ্গে সড়কও ভেঙেছে। ভাঙন রোধে তারা জিওব্যাগ ফেলছেন।

তাঁর দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফ হোসেন জানান, ভাঙন রোধে প্রাথমিকভাবে ৫০ হাজার জিওব্যাগ ফেলে নদী সংরক্ষণকাজ শুরু হয়েছে। এতে এক কোটি ৭২ লাখ টাকা খরচ ধরা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১২ হাজার ব্যাগ ফেলা হয়েছে।




পরকীয়ার অপবাদে আ. লীগ নেতাকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পরকীয়ার অপবাদে হযরত আলী (৪৩) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাত জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন তিনি।

হযরত আলী উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, হযরত আলী দীর্ঘদিন ধরে ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের শাহ জামালের সঙ্গে গরুর ব্যবসা করে আসছেন। গত ১৭ জুন রাতে জামালের বাড়ি থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন তিনি। এ সময় আলীর সঙ্গে আরও দুই জন ছিল।

ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছলে তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে ১৯-২০ জন ব্যক্তি। এ সময় আলীসহ তার সঙ্গে থাকা দুই জনের হাত, পা ও মুখ বেঁধে পার্শ্ববর্তী বিলের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে আলীকে ওই এলাকার মাসুম, মামুন খলিফা, সবুর, বশার, এখলাছ, মহায়মিন ও সুধীরপুর গ্রামের মামুন হাওলাদার মারধর শুরু করেন।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

একপর্যায়ে তাকে উলঙ্গ করে রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। এ সময় এক নারীর সঙ্গে তার পরকীয়রা আছে বলে জোরপূর্বক স্বীকার এবং তা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে রাখা হয়। এ সময় আলীর সঙ্গে থাকা সাড়ে তিন লাখ টাকা নিয়ে যাওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হযরত আলী বলেন, মারধরের অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে ওরা ভিডিও করার সময় যা বলতে বলেছে তাই বলেছি। সুধীরপুর গ্রামের মামুন হাওলাদারের নেতৃত্বেই আমাকে নির্যাতন করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্তদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে প্রধান অভিযুক্ত মামুন হাওলাদার বলেছেন, এ ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

মহিপুর থানার ওসি আনোয়ার তালুকদার বলেন, মামলার কপি হাতে পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




পটুয়াখালীতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

সোমবার (২৩ জুন) সকালে দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন নেতা-কর্মীরা।

পরে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে পটুয়াখালীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় গাছ রোপণ করা হয়।

আরো পড়ুন : বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রস্তুত পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র

অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী আলমগীর, সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা ভিপি আব্দুল মান্নান, সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এডভোকেট সুলতান আহমেদ মৃধা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট গোলাম সরোয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




গুলিবিদ্ধ ফিলিস্তিনিকে জিপের সামনে বেঁধে নিয়ে গেল ইসরায়েলি বাহিনী




৭ মাস পর প্রকাশ্যে এলো অভিনেত্রীর বিয়ের খবর




বড় হারে বিদায়ের পথে বাংলাদেশ




বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রস্তুত পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বিদ্যুৎ উৎপাদনে সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত হয়েছে পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। সেপ্টেম্বরে এ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। আর ডিসেম্বরে জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত হবে বাকি ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। সে লক্ষ্যে চলছে শেষ পর্যায়ের কাজ।

এ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যোগ হওয়া বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের জন্য এটি মাইলফলক বলে মনে করছেন এই প্রকল্পের কর্মকর্তারা।

২০১৯ সালের ৩১ আগস্ট চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান নোরিনকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (আরএনপিএল) যৌথ বিনিয়োগে এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু করে।

জেলার ধানখালী ইউনিয়নের লোন্দা গ্রামে ৯১৫ একর জমির উপর ২৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয় ধরে এর নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। করোনাসহ নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে টারবাইন, চুল্লি, কোল স্টোর, স্টিল স্ট্রাকচার, বয়লার, ওয়াটার ফিড ও জেনারেটর বসানোর কাজ। বর্তমানে দ্রুতগতিতে চলছে কনস্ট্রাকশন ও রঙের কাজ। ৪ হাজার বাঙালি ও দেড় হাজার চাইনিজ শ্রমিক এ নির্মাণ কাজ করছেন।

আরো পড়ুন : মহাসড়কে দুর্ঘটনায় ঢাকা-পটুয়াখালী রুটে যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক

ইতোমধ্যে বয়লারে ফায়ারিংও করা হয়েছে। মোট কথা বর্তমানে বিদুৎ উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত এ পাওয়ার প্লান্ট। এ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে নিজস্ব অর্থায়নে ২০ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন, ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট সঞ্চালন ও পার্শ্ববর্তী আমতলী উপজেলায় একটি সুইচিং স্টেশন তৈরি করা হয়েছে। এ সুইচিং স্টেশনের কাজও ৯২ ভাগ শেষ।

বর্তমানে শেষ পর্যায়ের টেস্টিং ও কমিশনিংয়ের কাজ চলমান। জুলাই মাসে ব্যাক ফিড পাওয়ার পেলে সেপ্টেম্বরে প্রথম ইউনিট থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট ও ডিসেম্বরে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে আরও ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত করতে চায় প্রকল্পটি।

পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী (তড়িৎ) আসিফ আহমেদ জানান, আমরা নিজস্ব অর্থায়নে ২০ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন, ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট সঞ্চালন ও পার্শ্ববর্তী আমতলী উপজেলায় একটি সুইচিং স্টেশন তৈরি করেছি। এ সুইচিং স্টেশনের কাজও ৯২ ভাগ শেষ হয়েছে।

অপর নির্বাহী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল) শওকত ওসমান বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের প্রথম ইউনিটের সকল কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আমরা বয়লারে ফায়ারিংও করেছি। মোটকথা আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদনে সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত।

পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, আমরা আশা করছি, জুলাই মাসে ব্যাক ফিড পাওয়ার পাব। এ ব্যাক ফিড পাওয়ার পেলে সেপ্টেম্বরে ৬৬০ মেগাওয়াট ও ডিসেম্বরে আরও ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত করতে পারব বলে আশা করছি।




হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে ইসরায়েলকে সমর্থন দেবে যুক্তরাষ্ট্র




ভারত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী-বিশ্বস্ত বন্ধু




ডাকাত দলের সদস্য দ্বীপ্ত কর্মকার গ্রেপ্তার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফল থানায় করা একটি ডাকাতি মামলায় দ্বীপ্ত কর্মকার (২৮) নামে ডাকাত দলের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার দুপুরে তাকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোনিত কুমার গায়েন বলেন, গত বছর অক্টোবর মাসে বাউফল থানায় দায়েরকৃত দুইটি পৃথক ডাকাতির মামলায় দীপ্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরো পড়ুন : মহাসড়কে দুর্ঘটনায় ঢাকা-পটুয়াখালী রুটে যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক

দীপ্ত কর্মকারের গৌরনদীর বাটাজোড়া গ্রামে একটি মুড়ির কারখানা রয়েছে। বাউফল থানার কনস্টেবল দুলাল তিন দিন আগে ছদ্মবেশে ওই কারখানায় শ্রমিকের কাজ নেয়। এরপর তথ্য উপাত্ত যাচাই বাছাই করে নিশ্চিত হওয়ার পর ক্রেতা সেজে পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম ও এসআই নাসির অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেন।

ওই মামলায় এ পর্যন্ত ৮ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।